নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষ মরে গেলে পঁচে যায় আর বেঁচে থাকলে বদলায়

সৈয়দ কুতুব

নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!

সৈয়দ কুতুব › বিস্তারিত পোস্টঃ

নেপালকে বাংলাদেশ হতে দিতে চান না সুশীলা কারকি !

১৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:০৫


নেপালের ইন্টেরিম সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সুশীলা কারকি সম্প্রতি একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসেছেন। তিনি বলেছেন, নেপালের পরিস্থিতি যেন বাংলাদেশের মতো না হয়, সে ব্যাপারে তিনি সতর্ক থাকবেন। এই কথা শুনে একটি নিষিদ্ধ দলের সদস্যরা এমনভাবে উল্লাস প্রকাশ করছে যেন তারা লটারির জ্যাকপট জিতে ফেলেছে। তাদের মুখে একটাই কথা, "দেখলেন তো, আগেই ভালো ছিলাম!" কিন্তু বাস্তবতা হলো, সুশীলা কারকি যে কথাটা আসলে বোঝাতে চেয়েছেন, সেটা তাদের মাথার অনেক উপর দিয়ে চলে গেছে।

সুশীলা কারকির আসল অভিযোগটা একদম অন্য জায়গায়। বাংলাদেশের ইন্টেরিম সরকার ক্ষমতায় বসার পর থেকে যেসব চাপ, হুমকি, দাবি-দাওয়া, আন্দোলন আর রাস্তা অবরোধের মহোৎসব চলেছে, নেপালের জেন-জি এবং রাজনৈতিক দলগুলোও একই পথে হাঁটা শুরু করেছে। সুশীলা কারকি ক্ষমতায় বসেই ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন, মার্চ মাসে নির্বাচন হবে। মানে পরিষ্কার কথা, তার দায়িত্ব হলো রাজনৈতিক পরিস্থিতি শান্ত রাখা আর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখা। কিন্তু না, এদিকে মানুষ ভাবছে, ইন্টেরিম সরকার মানে হলো একটা সুপারমার্কেট যেখানে গিয়ে যে যার মনের মতো দাবি-দাওয়া তুলে নিয়ে আসবে। আর সুশীলা কারকি সেই ক্যাশিয়ার যিনি সব মেনে নেবেন হাসিমুখে।

বাংলাদেশের গল্পটা শুনলে আপনার মাথা ঘুরে যাবে। জুলাই আন্দোলনের পর থেকে কমপক্ষে ১৫০টির বেশি আন্দোলন হয়েছে। হ্যাঁ, আপনি ঠিকই শুনেছেন, ১৫০টি! মনে হচ্ছে আন্দোলন করাটা একটা জাতীয় খেলায় পরিণত হয়ে গেছে। ঢাকার মতো জায়গায় আজকের দিনেও অবরোধ করে আন্দোলন করা হয়েছে। মানুষের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করা হয়েছে। কেউ অফিসে যেতে পারেনি, কেউ হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেনি, কেউবা পরীক্ষা দিতে দেরি হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের কাছে এসব কোনো ব্যাপার না। তাদের কাছে দাবি আদায় করাটাই একমাত্র লক্ষ্য, বাকিরা পথে বসে থাকুক বা দাঁড়িয়ে থাকুক, সেটা তাদের চিন্তার বিষয় নয়।

গত দেড় বছরে এরকম অযৌক্তিক অসংখ্য আন্দোলন করে ইন্টেরিম সরকারকে এক প্রকার জিম্মি করে সবাই নিজ নিজ দাবি আদায় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। শুরুটা করেছিল ২০২৪ সালের ইন্টার পরীক্ষার প্রার্থীরা। মাত্র চারশত জন একত্র হয়ে মব করে শিক্ষা উপদেষ্টাকে জিম্মি করে অটোপাস করার দাবি আদায় করে নিয়েছে। ভাবুন তো, পরীক্ষা না দিয়েই পাস করার দাবি ! বাংলাদেশে এর আগে এমন জঘন্য ঘটনা ঘটতে দেখা যায়নি। কিন্তু একবার এই নজির সৃষ্টি হয়ে গেলে, বাকিরা বুঝে গেল যে এই খেলায় জেতা খুব সহজ।

ইন্টেরিম সরকার যেহেতু ছাত্র-জনতার আন্দোলনের ভিত্তিতে ক্ষমতায় এসেছে, তাই ছাত্রদের প্রতি তারা সর্বোচ্চ নমনীয়তা দেখিয়েছে। কিন্তু এই নমনীয়তাটা হয়ে গেল একটা আমন্ত্রণপত্র। কতিপয় বিপথগামী ছাত্র মিলে বারবার রাস্তায় নেমে আন্দোলন করে মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়েছে। এরপর শুরু হলো এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতা। আনসার আন্দোলন হলো। কবি নজরুল কলেজ আর মাহবুবুর রহমান কলেজের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হলো। ঢাকা সিটি কলেজ, ঢাকা কলেজ, ধানমন্ডি আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা একাধিকবার সংঘাতে লিপ্ত হলো। ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি আর সিটি ইউনিভার্সিটির মধ্যে মারামারি হলো। মনে হচ্ছিল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পড়াশোনার জায়গা নয়, বরং একেকটা যুদ্ধক্ষেত্র। সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। আর সবচেয়ে বড় কথা, কেউ আর বুঝতে পারছে না যে কোনটা ন্যায্য দাবি আর কোনটা নিছক সুবিধা আদায়ের কৌশল।

সবচেয়ে বেশি মাথাব্যথা হয়েছে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি করার নামে বারবার আন্দোলন করে সরকারের উপর চাপ বাড়ানোর ঘটনাগুলো নিয়ে। সবাই যেন একটা পণ নিয়ে মাঠে নেমেছিল যে দুর্বল ইন্টেরিম সরকারের কাছ থেকে যা পারা যায় আদায় করে নিতে হবে। এটা অনেকটা এমন যে, আপনার বাড়িতে একজন অস্থায়ী তত্ত্বাবধায়ক এসেছেন কিছুদিনের জন্য, আর আপনি ভাবছেন, "এই সুযোগে নতুন গাড়ি, নতুন টিভি, নতুন ফ্রিজ সব কিনিয়ে নেই, কারণ আসল মালিক আসলে তো আর কিনে দেবে না!"

এদিকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি দৃশ্যমানভাবে উন্নত না হওয়ায় সমাজে নিরাপত্তাহীনতা আর বিশৃঙ্খলা বেড়ে গিয়েছে। এর মাঝে যদি প্রতিদিন আন্দোলন হতে থাকে, তাহলে সরকার কী করবে? তারা কি শুধু আন্দোলনকারীদের দাবি শুনতে শুনতেই সময় কাটাবে, নাকি দেশ চালানোর কিছু কাজও করবে? আন্দোলনকারীদের প্রতিটি গ্রুপের মানসিকতা ছিল একদম পরিষ্কার, "ভবিষ্যতে নির্বাচিত সরকার এসব দাবি মানবে না, তাই এখনই চাপ দিয়ে ইন্টেরিম সরকার থেকে যা পারা যায় আদায় করে নিতে হবে।" এমনকি শিক্ষকেরা পর্যন্ত আন্দোলন করে সরকার থেকে সুবিধা আদায় করে নিয়েছেন। শিক্ষকরা! যারা শিক্ষার্থীদের শেখান নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, ধৈর্য আর সঠিক পথে চলার শিক্ষা। তারাও রাস্তায় নেমে গেলেন দাবি-দাওয়া নিয়ে।

এভাবে ইন্টেরিম সরকারকে চাপ দিয়ে যেসব দাবি-দাওয়া আদায় করা হয়েছে, সেগুলো নির্বাচিত সরকার মেনে নেবে কিনা সেটা বড় প্রশ্ন। কারণ নির্বাচিত সরকার যখন আসবে, তখন তারা সার্বিক দেশের পরিস্থিতির কথা ভেবে সিদ্ধান্ত নেবে, কোনো একটা গ্রুপের চাপে নয়। তখন হয়তো অনেক দাবিই বাতিল হয়ে যাবে, কারণ সেগুলো অযৌক্তিক বা রাষ্ট্রের স্বার্থের বিরুদ্ধে। তখন এই আন্দোলনকারীরা আবার রাস্তায় নামবে, আবার চাপ দেবে, কিন্তু নির্বাচিত সরকার ইন্টেরিম সরকারের মতো নমনীয় হবে না। কারণ তাদের জনগণের কাছে জবাবদিহিতা আছে, একটা নির্দিষ্ট গ্রুপের কাছে নয়।

এভাবেই দিনের পর দিন আন্দোলন করে ইন্টেরিম সরকারকে রীতিমতো নাভিশ্বাস তুলে ফেলা হয়েছে। নেপালের প্রধান উপদেষ্টা সুশীলা কারকি ঠিক এই পরিস্থিতির কথাই ভেবে ভয় পাচ্ছেন। তিনি দেখছেন যে তার উপরেও নানা ধরনের অযৌক্তিক চাপ আসছে। তিনি প্রচণ্ড রাগান্বিত হয়েছেন এই ভেবে যে, মার্চ মাসেই তো নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসবে। তখন যার যার ন্যায্য দাবি সেই সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হোক। কিন্তু সেটা না করে যে কোনো ছুতা পেলেই রাস্তায় নামার কী দরকার? এটা তার কাছে বোধগম্য হচ্ছে না। তিনি এটিকে দেশকে অস্থিতিশীল করার একটা সুপরিকল্পিত চক্রান্ত হিসেবে দেখছেন। তাই তিনি আরও কঠোর হওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছেন।

আসলে গোটা ব্যাপারটা হয়ে দাঁড়িয়েছে এক অদ্ভুত প্রতিযোগিতায়। সবাই ভাবছে, ইন্টেরিম সরকার মানে হলো একটা সীমিত সময়ের অফার সেল, যেখানে গিয়ে যা পারা যায় লুটেপুটে নিয়ে আসতে হবে। কেউ ভাবছে না যে এই লুটপাটের ফলে দেশের কী ক্ষতি হচ্ছে, সাধারণ মানুষের কী ক্ষতি হচ্ছে, নাকি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কী অবনতি হচ্ছে। সবাই শুধু নিজের স্বার্থটাই দেখছে। আর এই স্বার্থপরতার খেসারত দিতে হচ্ছে গোটা জাতিকে। সুশীলা কারকি ঠিক এই পরিস্থিতিটাই এড়াতে চান। তিনি চান না যে নেপালও বাংলাদেশের মতো একই ভুলের শিকার হোক।

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমরা দেশের এই কঠিন সময়ে নিজেদের নির্লজ্জ দাবি-দাওয়ার বিষয়টা নিয়ে ভাবা উচিত। ইন্টেরিম সরকার কোনো জাদুকর নয় যে হাত ঘুরিয়ে সবার সব দাবি পূরণ করে দেবে। তাদের কাজ হলো দেশকে একটা স্থিতিশীল অবস্থায় রাখা, যাতে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসতে পারে। কিন্তু আমরা যদি প্রতিদিন রাস্তায় নেমে আন্দোলন করি, অবরোধ করি, সংঘর্ষে লিপ্ত হই, তাহলে সেই স্থিতিশীলতা আসবে কীভাবে? নেপালের প্রধান উপদেষ্টা তার বক্তব্যে ঠিক এই কথাটাই বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি বলতে চেয়েছেন, "আমি বাংলাদেশের ভুল থেকে শিখেছি, এবং আমি সেই ভুল আর করব না।"

বি: দ্র : এখানে রাজনৈতিক, ধর্মীয় ও সামাজিক অস্থিরতা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা উহ্য রাখা হয়েছে। সাধারণ নাগরিক হিসাবে দেশের কঠিন সময়ে নিজেদের নির্লজ্জ দাবী দাওয়ার বিষয় টি নিয়ে কেবল আলোচনা করা হয়েছে। নেপালের প্রধান উপদেষ্টা উনার বক্তব্যে এমনটাই ইংগিত করেছেন।

মন্তব্য ৩৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




নেপাল গিয়েছেন?
গেলে দেখতে পাবেন, পুরাই একটা পঙ্গু জাতি।
ব্রিটিশ আর পাশ্চাত্যের দয়ার উপর বেঁচে আছে।
শুধু হিমালয় আছে বলে বেঁচে রয়েছে।

ওরা কী বুঝবে বাংলাদেশের অবস্থা!!!

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইন্টেরিম সরকার থেকে জোর করে দাবি আদায়ের চেষ্টা হীন মানসিকতা। সুশিলা কারকি উনার দেশ সম্পর্কে আপনার-আমার চেয়ে ভালো জানে। এখন যদি অন্যায্য আন্দোলন আপনি সাপোর্ট করেন কিছু বলার নেই। আজকেও দুইজন রোগী মারা গিয়েছে ব্লকেড এর কারণে।

আপনি পুরো লেখা পড়েই দেখেন নি।।

২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১৯

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



নেপাল একটি ছোট দেশ।
১৫০টি আন্দোলন করার মট কেউ নেই সেখানে।

আমাদের দেশে থাকলে কারকীর মাথা চরকির মতো পাক খেতো।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

৩| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২০

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আমাদের ইন্টারিম ১৫০টি আন্দোলনের ধাক্কা সহ্য করে টিকে আছেন।
আর, আমাদের সেই পরিমাণ আন্দোলন হওয়ার মতো ইস্যু আছে।

নেপালের কিছুই নেই।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: টিকে থাকাই চরম সার্থকতা নয়।

৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:২৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




নেপালি প্রধান উপদেষ্টা বিপদ কাছে টানতে চান।
পাত্তা পাইতে চাচ্ছেন, বক্তব্য দিয়ে।

উনি আন্দোলনকারীদের পুতুল ছাড়া কিছুই না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৩

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি ফোন দিয়ে বকে দেন।

৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:৩৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: নেপালের ইন্টেরিম সরকারের প্রধান উপদেষ্টা সুশীলা কারকি
..........................................................................................
সুশীলা কারকি ক্ষমতায় বসেই ঘোষণা দিয়ে দিয়েছেন,
মার্চ মাসে নির্বাচন হবে। মানে দেশ সঠিক পথে চলুক
উনার নিজস্ব এজেন্ডা বাস্তবায়নের সময় দরকার নেই ।
.....................................................................
আমি মনে করি উনি বিজ্ঞ আচরন করছেন
জন প্রতিনিধি ঠিক করবে এই ছোট দেশ কিভাবে চলবে ।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এটাই তো হওয়ার কথা ছিলো।

৬| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

ক্লোন রাফা বলেছেন: এই হলো বাঙালীদের অবস্থা! ছোট দেশ , দারিদ্রতা আছে। কিন্তু বাংলাদেশের মত বিশৃংখলা নেই। অথচ অবজ্ঞা করে ফেললেন ব্লগার!
ঠিক অনুরুপ অবজ্ঞা যখন অন‍্য বড দেশ করে । তখন আমরা সমতার কথা বলি। আমেরিকা কখনও কানাডার মত দৃষ্টিতে বাংলাদেশকে দেখে, অবশ‍্যই না।
আমাদের প্রধান সমস‍্যা আমাদের দেশপ্রেমের মধ‍্যেই নিহিত।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশ ও শান্তির দেশ।

৭| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২৩

অগ্নিবাবা বলেছেন: নেপাল একটা ভালো দেশ, নেপালে যেতে আমাদের কোনো ভিসা লাগে না, শীতকালে সুন্দরী সুন্দরী নেপালি তরুনীদের পাশে বসে নেপালি রাম কুকরি পান করতে খুবই মজা লাগে, তারা আবার পাহাড়ী ভেড়ার মাংস দিয়ে সুকুটি বানা্য়, বাটি ভরে নিয়ে আসে,
প্রশংসা করলে খুব খুশী হয়। সত্যভাই নেপালের নিন্দুক, তাই সত্যভাইকে কোনো ভাগ দেওয়া যাবে না।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নিন্দুকেরে বাসি আমি সবার চেয়ে ভালো !

৮| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: জুলাইয়ের পরে ১৫০ টি না, আরো বেশি আন্দোলন হয়েছে।
প্রায় দুই হাজার আন্দোলন হয়েছে।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: দুই হাজার আন্দোলন কবে হলো? যাই হোক এসব আন্দোলন সরকার কে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে বাধাগ্রস্ত করেছে।

৯| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

কামাল১৮ বলেছেন: বাংলাদেশের মতো এমন খারাপ সরকার বিশ্বে আর দ্বিতীয়টি নাই।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোনো লজিক ছাড়া সমালোচনা মানুষ বিশ্বাস করে না।

১০| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

এরা নষ্ট্র প্রজন্ম।
২০২৪ সালের জুলাই আগস্ট মাসে এই নষ্ট প্রজন্ম দেশে যে নৈরাজ্য করেছে এরই ধারাবাহিকতায় তাদের সাহস বেড়ে গেছে। এখন তারা যা তা করার সাহস দেখাবে।
এরা বেয়াদব প্রজন্ম।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪৭

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগের জেনারেশন গুলো আরো খারাপ। সব গুলা করাপটেড ।

১১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৪০

নিমো বলেছেন: মনে হচ্ছে আন্দোলন করাটা একটা জাতীয় খেলায় পরিণত হয়ে গেছে। ঢাকার মতো জায়গায় আজকের দিনেও অবরোধ করে আন্দোলন করা হয়েছে। মানুষের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট করা হয়েছে। কেউ অফিসে যেতে পারেনি, কেউ হাসপাতালে পৌঁছাতে পারেনি, কেউবা পরীক্ষা দিতে দেরি হয়েছে। কিন্তু আন্দোলনকারীদের কাছে এসব কোনো ব্যাপার না। তাদের কাছে দাবি আদায় করাটাই একমাত্র লক্ষ্য, বাকিরা পথে বসে থাকুক বা দাঁড়িয়ে থাকুক, সেটা তাদের চিন্তার বিষয় নয়।

গত দেড় বছরে এরকম অযৌক্তিক অসংখ্য আন্দোলন করে ইন্টেরিম সরকারকে এক প্রকার জিম্মি করে সবাই নিজ নিজ দাবি আদায় করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। শুরুটা করেছিল ২০২৪ সালের ইন্টার পরীক্ষার প্রার্থীরা।

হা!হা!শুরু ঝুলাই যোদ্ধারা করেছিল। তখনও এগুলো ঘটেছিল। এখন আচমকা অযৌক্তিক, জিম্মি শব্দের অবতারণা কেন? এই দেশে আন্দোলনের রূপ প্রকৃতি এমনই। শাহবাগকে উদাহরণ হিসাবে আনলাম না,কারণ এগুলো ঝুলাই আন্দোলন পরবর্তী চমক, আর এদের অনেকেই গর্ববতী ঝুলাই যোদ্ধ (আপনার মত). সময়ে সময়ে ঠিক আপনার মতই পল্টিবাজ। এখন ইরানে হাজার মৃর্ত্যু নিয়ে আলাপ নাই কেন?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি কখনো ভোল পাল্টাইনি। শুরু থেকেই এসব আন্দোলন নিয়ে নিয়মিত লিখে আসছি। দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আমার দীর্ঘ দেড় বছরের লেখাগুলো কেউ পড়লেই আমার অবস্থান পরিষ্কার বুঝতে পারবেন। আমি ইরান নিয়েও লিখেছি এবং খোমেনিকে সমর্থন করি না।

বর্তমান এসব আন্দোলনের পেছনে আপনাদের প্রিয় দলের উস্কানি থাকতে পারে, যাতে পরবর্তীতে বলতে পারেন যে আগের সময়টাই ভালো ছিল। গত ১৫ বছর সাধারণ মানুষকে শক্তির জোরে যেভাবে দমন করে রাখা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তারই একটি বহিঃপ্রকাশ বা বিস্ফোরণ।"

১২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩

নিমো বলেছেন: এসব আনদোলনের পিছনে আপনার পিও দলের মদদ থাকতে পারে
তা বের করেন। খলিলের বিমানে কী কাজ নিরাপত্তা নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে যদি একটু বলতেন?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কারণ আমেরিকা ।

১৩| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬

নিমো বলেছেন: গত ১৫ বছর সাধারণ মানুষকে শক্তির জোরে যেভাবে দমন করে রাখা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতি তারই একটি বহিঃপ্রকাশ বা বিস্ফোরণ।"
এসব বলে বলে দেড় বছরের বদমায়েশির ক্লিন শিট পাওয়া যাবে ভেবেছেন?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোনটার বিচার আগে হওয়া উচিত ? ১৫ বছর নাকি ১৫ মাস ? ;)

১৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:৫৯

নিমো বলেছেন: সব আমেরিকা নয় শেখ হাসিনা। ভালো। ভাঙা রেকর্ডে পরিণত হয়েছেন। শেখ হাসিনা, আওয়ামিলীগ তার পাওনা বুঝে পেয়েছ, পাচ্ছে ও পাবে। ত্রিশের অধিক শহীদের ফেরত আসার রহস্যটা একটু জানান?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনাকে একটি ঘটনা শেয়ার করি। জুলাই মাসে যখন কোটা আন্দোলন শুরু হয়, তখন প্রায় ১৫-২০ দিন টিভি দেখার সময় পাইনি । পরে যখন জানতে পারলাম, তখন দেখলাম এই আন্দোলন নিয়ে গান ও কবিতা লেখা হয়েছে। এমনকি নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরাও আবু সাঈদের হত্যার বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছে। একটি ছেলে তো তার মাকে চিঠি লিখে যুদ্ধে যাওয়ার মতো করে আন্দোলনে অংশ নিতে গিয়েছে।

আমি এসব দেখে সত্যিই অবাক হয়েছিলাম। কেউ কি এত প্রস্তুতি নিয়ে আন্দোলনে যায়? যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তারা যদি ফিরে আসতেন তবে আপনাদের জন্যই ভালো হতো। যদিও আপনাদের সামনে খুব একটা ভালো ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি না।

১৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

নিমো বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: কোনটার বিচার আগে হওয়া উচিত ? ১৫ বছর নাকি ১৫ মাস ? ;)
আগের বিচার হলেতো জা-শি নির্বাচনের অংশই হয় না। ১৫ মাস যদি ১৫ বছরকে ছাপিয়ে যায়, দেশের প্রোফাইলই বদলে দিতে চায়, তবেতো সেটার বিচারই আগে হওয়ার দরকার।

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ১৫ বছরের অপরাধের ফলাফল গত ১৫ মাস ধরে জাতি ভোগ করছে ।

১৬| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

নিমো বলেছেন: কেউ কি এত প্রস্তুতি নিয়ে আন্দোলনে যায়? যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তারা যদি ফিরে আসতেন তবে আপনাদের জন্যই ভালো হতো। যদিও আপনাদের সামনে খুব একটা ভালো ভবিষ্যৎ দেখতে পাচ্ছি না।
ইরানে যারা প্রাণ হারিয়েছে, তারাও প্রস্তুতি নেয় নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ মারা গেছে কি? অথচ সুবিধাভোগীর তালিকায় তারা কতজন বলুন দেখি? কথা ঘোরানোরতো দরকার দেখি না। উত্তর জানা থাকলে বলবেন, নইলে না। সার্ভিস মলমের বিয়ে, শ্বশুরের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল হওয়া আটকায় না, কেবল শহীদের তালিকা দেয়া আটকায়। অন্যর ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবে ঘাম শুকায়েন না। বাবা ভাঙাকে ক্ষমতায় এনেছেন। তাতেই চলবে

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২২

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সারজিস আলমের বিষয়টা জানি না । তার বয়ান টিভিতে পাওয়া যায় । সে নিজেই বলেছিলো এখানে কোনো পলিটিকাল দলকে ইনভলভ করা হবে না । সারজিস আলম বিয়ে শাদি করতেই পারে। সবাই যখন টাকা কামাতে বিজি সে পিছিয়ে পড়বে কে ?

১৭| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮

নিমো বলেছেন: সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ১৫ বছরের অপরাধের ফলাফল গত ১৫ মাস ধরে জাতি ভোগ করছে

নূতন কিছু বলেন। এক ভাঙা রেকর্ড আর কত দিন। টিআইবির ইফতখার, সুজনের বদিউল, বিশিষ্ট দেবপ্রিয় ওরাও কম বুঝে। সব বুঝেন কেবল আপনি

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২৪

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: যদি ২০০১-২০০৬ সালের ভাঙা রেকর্ড ১৫ বছর বাজাতে পারেন বাকিরা ১৫ মাস বাজালে কি ক্ষতি ?

লাইনে আসুন দেশকে ভালোবাসুন । ইনটেরিম কে ইলেকশন করতে দিন ।

১৮| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:




সৈয়দ কুতুব কি ইউরোপের কোন দেশে আছেন যেখানে সকাল ৯টা বাজে?

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বাংলাদেশ এখন ইউরোপ হয়ে গেছে । তাই ইউরোপ যাই না । ;)

১৯| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:২৬

আহলান বলেছেন: তার মানে কারকি বুঝিয়েছেন সেই দেশের সেনা বাহিনী যেনো চোর লুটে রা আর বদমইশদের অভয়াশ্রম না হয়। শয়তান গুলা যেনো শাস্তির আওতায় আসে .... পালিয়ে না যায় .....

১৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবেও বলতে পারেন ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.