| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি। তবে সব মতবাদের মানুষের সাথে মেলামেশার সুযোগ হয়েছে। সেই সময়ের চট্টগ্রাম ছিল এক অদ্ভুত মিশ্রণ। যেখানে মাজার আর মসজিদ পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকত, যেখানে ধর্মীয় বিতর্ক ছিল কিন্তু বিদ্বেষ ছিল না।
একজন হুজুর আমাকে এবং বুবুকে আরবি পড়াতে আসতেন। তিনি পড়াতে এসেই খানা ছাড়া যেতে চাইতেন না। ভদ্রলোকের মেয়ে বলে আম্মা উনাকে সবসময় নাস্তা দিতেন। কোনো সময় আম্মা বাসায় না থাকলেও হুজুর পড়াতে এসে আমাদের বেশ সমস্যায় ফেলে দিতেন। হুজুর নাস্তা করা ছাড়া আমাদের ছুটি দিতেন না। একবার টানা দুই ঘণ্টা আমাদের পড়িয়েছেন। এদিকে আমার খালা বারবা বুবুকে ডেকে বলছিলেন, "কিরে হুজুর যায় না কেন?" আপা পড়ালেখায় কাঁচা হলেও কমনসেন্স ভালো ছিল। তিনি বললেন, "হুজুর নাস্তা করা ছাড়া যাবেন না।" খালা তখন পরোটা আর আলু ভাজি বানিয়ে নাস্তা পাঠিয়ে দিলেন হুজুরের জন্য। হুজুর নাস্তা খাচ্ছেন আর জিজ্ঞাসা করছেন, "আজকে নাস্তা কে বানিয়েছে?" আমার আপা কিছুটা বিরক্ত হয়ে বললেন, "হুজুর আপনি খান, কে নাস্তা বানিয়েছে সেটা জেনে আপনার কী কাজ?" হুজুর বললেন, "আর এক পিস পরোটা হবে?" আমি আর বুবু পুরো অবাক। কেমন খাইয়্যা হুজুর রে ভাই।
কেউ বাসায় এলে নাস্তা দিতে হয় এতটুকু পর্যন্ত ঠিক আছে, তবে এভাবে কাউকে খুঁজে খেতে দেখিনি। পরে বুবু, খালা আর আম্মা বিষয়টা নিয়ে ব্যাপক হাসাহাসি করেন। আব্বা এই কথা শোনার পর বললেন, "এতো হাসির কিছু নেই। হুজুরের মনে হয় খিদে থাকে পেটে তাই নাস্তা খুঁজে খান। হতে পারে তিনি একটা লম্বা পিরিয়ড ভুখা থাকেন।" আব্বা কোনোদিন মানুষের কোনো ত্রুটি কিংবা বিচ্যুতি নিয়ে সমালোচনা করতেন না। অন্য কেউ উনার অসুবিধার কারণ হলেও সেটা মুখ ফুটে বলতেন না। আম্মার সাথে এটা নিয়ে এখনো আব্বার রাগারাগি হয়। আম্মা মনে করেন আব্বা এখনকার দুনিয়ায় অচল। মানুষ এখন অনেক চালাক।
আমার চট্টগ্রামে একজন প্রিয় বন্ধু ছিল, নাম তার মুন। অবাক ব্যাপার হলো সে আমার স্কুলে পড়ত না এবং আমি তার পুরো নাম জানতাম না। বিষয়টা আমাকে এখনো পীড়িত করে। মুন ছেলেটা দারুণ সব গল্প বানিয়ে বলতে পারতো। আমরা সেসব সত্যি ভাবতাম। সে বিভিন্ন ভূতের গল্পের মুভি দেখে নিজের কল্পনা মিশিয়ে আমাদের বলতো আর আমরা ভাবতাম মুনের সাথে বেশি হরর ঘটনা ঘটে। মুনের বলা গল্পগুলা আমাদের মধ্যে বেশ প্যানিক ছড়াতো।
একবার মুন আমাদের কাছে এসে আদমখোরের গল্প বলা শুরু করলো। সে যে বাসায় থাকে তার পাশের বিল্ডিংয়ে নাকি একটা ভয়ংকর ঘটনা ঘটে গেছে। আমাদের সমবয়সী একজন ছেলে সে বাসায় থাকতো, তার বাবা বিদেশে থাকতো। তো ঘটনা হয়েছে ছেলেটার বাবা বিদেশ থেকে আসে। ছেলেটা তার মা আর দাদির সাথে থাকতো। বাবা হঠাৎ করেই একদিন আগে বিদেশ থেকে এসে পড়েন। উনার নাকি আরো একদিন পরে আসার কথা। বাসায় তখন বেশ উৎসবমুখর পরিবেশ। লোকটা বিদেশ থেকে বড় বড় চানাচুরের প্যাকেট নিয়ে এসেছে। রাতের বেলায় ঘুমানোর আগে মাকে এক প্যাকেট দিয়ে নিজেরা বাকি প্যাকেট নিয়ে রুমে চলে যায়। মা সারারাত শুনতে পায় রুম থেকে চানাচুর খাওয়ার শব্দ।
পরদিন সকাল হলো। মা এসে দরজা খটখট করছে কিন্তু ছেলে দরজা খুলছে না। এভাবে ডাকাডাকি করতে করতে দুপুর হয়ে গেলো, পরে দরজা ভেঙে দেখে বিদেশ থেকে আসা লোকটি উধাও আর সারা রুমে রক্ত আর চিবানো হাড্ডি পড়ে আছে। এদিকে সেদিনই মহিলার আসল ছেলে বিদেশ থেকে আসে। পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কিছু সাহসী পুরুষ এসে লোকটাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে ফেলে আর মারধর করে। পরে দেখা যায় এই লোকটা আসল আর আগের লোকটা আদমখোর। এসব ঘটনা শুনে আমরা খুব ভয়ে থাকতাম। প্রবাস থেকে আসা লোকজনকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতাম।
আমার সেই বন্ধু একবার শবে বরাতে আমাদের বাসায় এলো। আমরা তাকে রুটি আর গোশত খেতে দিলাম। সে অবাক হয়ে বলে, "আজকে কী দিবস? আমি তো প্রায় সময় আপনাদের বাসায় আসি। আজকে কেন এমন খাবার?" আমরা অবাক হই। আমার আম্মা অবাক হন না। আমি জিজ্ঞাসা করি, "তোরা শবে বরাত পালন করিস না?" সে বলে, "না আমরা হিন্দু।" আমি তো ভিমরি খেলাম। বলে কি? এটা তো আমি জানি না। বাকিদের জানা থাকতে পারে। আম্মা কিন্তু ঠিকই জানেন। আসলে বিষয়টা হলো মুনের বাবা নেই। মা সরকারি স্কুলের টিচার। ওদের পরিবারকে দেখলে বোঝা যায় না ওরা হিন্দু। মাছ গোশত সব খায়। কোনো রিচুয়ালের ধারে কাছে নাই। আমি আম্মাকে বললাম, "তুমি এই কথা আগে কেন বলোনি?" আম্মা বললেন, "মুনের ধর্ম জেনে তোর কী লাভ?"
আমার নানার বাড়িতে ভাড়া দেয়ার মতো রুম ছিল। এই রুমগুলাতে যে ফ্যামিলি ছিল তাদের প্রত্যেকের রয়েছে নিজের গল্প আর ইতিহাস। এর মাঝে উল্লেখযোগ্যভাবে বলার মতো ছিল কৃষ্ণা আর রত্না দির কথা। ওরা দুই বোন ছিল আম্মা ও খালার সমবয়সী। নানা তাদের ভাড়া দিয়েছিলেন। নানা কিন্তু কট্টর মুসলিম ছিলেন। তিনিপ্রাইমারি স্কুলের টিচার ছিলেন। টেলিভিশন ছিল নানার চোখে শয়তানের বাক্স।
নানার মতো যারা টেলিভিশনকে শয়তানের বাক্স মনে করতেন তাদের নিয়ে বর্তমান সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সারওয়ার ফারুকি টেলিভিশন নামে একটা টেলিফিল্ম বানিয়েছিলেন। যাই হোক নানা কট্টর হলেও রত্না আর কৃষ্ণা এই দুই বোনকে রুম ভাড়া দিয়েছিলেন। তিনি এই দুজনকে নিজের মেয়ের চোখে দেখতেন। এমনকি পূজা পার্বণে কৃষ্ণা আর রত্না দি যদি খই মুড়ি দিতেন নানা এসব অবলীলায় খেতেন। রত্না দির হাজব্যান্ড প্রবাসী ছিলেন আর কৃষ্ণা দি অবিবাহিত ছিলেন।
বড় মামার বিয়ের পর সিচুয়েশন চেঞ্জ হয়ে গেল। মামা ভালোবেসে পরিবারের অমতে বিয়ে করেছেন। তিনি যে স্কুলে পড়াতেন সেই স্কুলের প্রিন্সিপালের বোন ছিলেন আমার বড় মামি। নানা কোনোভাবেই এই বিয়ে মেনে নিতে চাননি। বড় মামাকে ত্যাজ্যপুত্র ঘোষণা করে দিতে চেয়েছিলেন। অনেক কষ্টে উনাকে বিরত করেছিলেন বাকিরা। বড় মামা বিয়ের পর নানার বাড়িতেই ভাড়া বাসার একটা রুম খালি করে থাকতে লাগলেন মামিকে সাথে নিয়ে। ভয়ে নানার মূল বাড়িতে ওঠার সাহস পেতেন না। বড় মামি আসার পর কৃষ্ণা দি আর রত্না দি কে নিয়ে সমস্যা শুরু হয়। বিয়ের পর পর মামি ইসলামিক ছাত্রী সংস্থায় নাম লিখান এবং পুরোদস্তুর জামাতি হয়ে ওঠেন। নানা কেন হিন্দু ভাড়া দিয়েছে এটা নিয়ে বড় মামির মনে অশান্তি। বড় মামি আমার বাকি মামা, খালা এমনকি আমার আম্মাকেও এই নিয়ে অভিযোগ করে বেড়াতেন। নানুর কাছেও নালিশ দিতেন। কিন্তু লাভ হয়নি; নানা ছিলেন অটল।
মজার ব্যাপার হলো এসব ঘটনা আমার জন্মের অনেক অনেক আগের কথা কিন্তু আমার শ্রদ্ধেয় নানিজান আমাদের সাথে গল্প বলার ছলে এসব বলে গেছেন। নানু প্রতিটি ক্যারেক্টারকে এমন ভাবে বলতেন যে আমরা ভিজুয়াল করে ফেলতে পারতাম। নানু লিখতে পড়তে পারতেন। আমাদের নানার বাড়িতে প্রতিদিন ইত্তেফাক পত্রিকা ঢুকতো। নানুর মৃত্যু দিনেও ইত্তেফাক পত্রিকা বাসায় এসেছিল। নানু চোখে ভালো করে দেখতেন না তাই আমার ছোট খালার ছেলেকে পড়ে শোনাতে বলতেন। নানুর কোনো কিছু পড়ার প্রতি ঝোঁক ছিল মারাত্মক। তিনি শুধু পত্রিকা পড়তেন না, গল্পের বই পড়তেন, উপন্যাস পড়তেন। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসে তিনি মারা যান।
ঢাকায় এসে আমরা সম্পূর্ণ নতুন এক আবহ বা সংস্কৃতির ছোঁয়া পেলাম। এখানে মানুষ সবাই নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত। ঢাকায় শবে বরাতের আমেজ তেমন কোনোদিন চোখে পড়েনি। আমার আম্মা প্রথম এক-দুই বছর পরিচিত আর আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে তৈরি করা মজাদার খাবার পাঠাতে চাইতেন। কিন্তু খাবার নিয়ে গেলেই দেখলাম তেমন কোনো গুরুত্ব নেই। অনেক বাসায় আবার সরাসরি বলেছে, "আমরা শবে বরাত পালন করি না। এসব বিদআত।" ছোট মামা বলতেন, "ঢাকার আলেমরা মূলত ওয়াহাবি বা সালাফি মতাদর্শের, তাই তারা এসবে বিশ্বাসী নন।" অন্যদের প্রতিক্রিয়া দেখে একসময় আমরাও মানুষের বাড়িতে খাবার পাঠানো বন্ধ করে দিলাম। কেবল আমাদের ভাড়াটিয়াদের মাঝেই খাবার দেয়া সীমাবদ্ধ থাকত।
ঢাকায় এসে সেই আনন্দ হারিয়ে গেল। এখানে প্রত্যেকে যেন একটা খোপের ভেতর আটকে থাকেন । বিদআত, সুন্নত, হালাল, হারাম এসব নিয়ে এত বিতর্ক যে উৎসবের আমেজ কোথায় যেন হারিয়ে যায়। মূলত সেই সময়েই আমাদের মধ্যে একটি সাংস্কৃতিক রূপান্তর ঘটে যায় এবং এই সব উৎসব পালনে এক ধরণের উদাসীনতা চলে আসে। বিগত দুই যুগ বা তার কাছাকাছি সময়ে আমাদের জীবনবোধ ও সংস্কৃতিতে অনেক বড় পরিবর্তন ঘটে গেছে; হয়তো এটাই স্বাভাবিক। সময়ের সাথে সবকিছু বদলায়। কিন্তু মাঝে মাঝে মনে হয় কিছু জিনিস না বদলালেই ভালো হতো।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ঠিক বলেছেন।
২|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২১
নতুন নকিব বলেছেন:
ঐ বেচারা সম্ভবতঃ খুব বেশি ক্ষুধার্থ থাকার কারণেই পড়াতে এসে সামান্য নাস্তার জন্য এমন করতেন। আপনার আব্বা এ যুগে অচল তো ননই, বরং সকল যুগের জন্যই তিনি পারফেক্ট, একজন সত্যিকারের ভালো মানুষ।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৩|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৯
খায়রুল আহসান বলেছেন: সুখপাঠ্য স্মৃতিচারণ। +
আগেকার দিনগুলোতে শবে বরাতের উৎসব পালন করতে গিয়ে আমাদের মা-খালা-চাচী-ফুফু-বোনদের উপর ভীষণ কাজের চাপ পড়তো। এসব সংস্কৃতি পালনের জন্য দীর্ঘ প্রস্তুতির প্রয়োজন হতো। শবে বরাতের রাতের প্রথম এক-তৃ্তীয়াংশ সময় এসব কাজেই তাদেরকে ব্যস্ত থাকতে হতো, ফলে তাদের ব্যক্তিগত ইবাদত বিঘ্নিত হতো। তবে হালুয়া রুটি ইত্যাদি নিজে খেতে এবং পাড়া প্রতিবেশিদের বিলাতে অনেক মজা লাগতো। আবার প্রতিবেশিদের বাসা থেকেও আহার্য আসতো। সেগুলো গ্রহণ করে গুছিয়ে রাখতেও বেশ সময় ব্যয় হতো, তবে সব কিছুতেই সবাই একটা বিরাট আনন্দ বোধ করতো।
গ্রামে শহরের মত এতটা নিয়ম করে এসব পালন করা হতো না, তবে অবস্থাপন্ন গেরস্তরা এবাড়ি ওবাড়ি মিষ্টান্ন বিতরণ করতো। আর গ্রামের প্রভাবশালী মুরুব্বীর বাড়িতে বাদ মাগরিব মিলাদের আয়োজন করা হতো। মিলাদের পর তাবারুক হিসেবে মিষ্টান্নের পরিবর্তে ভাত খাওয়ানো হতো, একটু বেশি অবস্থাপন্ন ও সৌখীন কেউ কেউ হয়তো গরম চালের আটার রুটির সাথে ঝোলসহ গরম গরম গোমাংস পরিবেশন করতো।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগের দিন গুলো খুব মিস করি ।
৪|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
রাজীব নুর বলেছেন: গ্রাম থেকে ঢাকা এসেছেন।
আসলে সবাই গ্রাম থেকে ঢাকা আসে। এরপর আর গ্রামে কেউ ফিরে যেতে চায় না। ঢাকায় কি মধু আছে কে জানে!
আমার বাবাও গ্রাম থেকে ঢাকা এসেছে, এরপর সে বাকি জীবন ঢাকা কাটিয়ে দিলো। হ্যা গ্রামে গিয়েছে কয়েক ঘন্টা থেকে আবার ঢাকা চলে এসেছে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: চিটাগাং মেইন শহরে ছিলাম জনাব । আমরা শহুরে লাইফ কাটিয়েছি । বাকি জীবন গ্রামে কাটিয়ে দিবো ভাবছি।
ঢাকায় মধু আছে তো । জাদুর শহর ঢাকা বলে সবাই ।
৫|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
চাঁদমামা আজ বড্ড একা
বড় হয়েছি আমি
রোজ রাতে আর হয়না কথা
হয়না নেয়া হামি
রোজ রাতে আর চাঁদের বুড়ি
কাটেনা চরকা রোজ
ও বুড়ি, তুই আছিস কেমন
হয়না নেওয়া খোঁজ
কোথায় গেলো সে রুপকথার রাত
হাজার গল্প শোনা
রাজার কুমার, কোটাল কুমার, পঙ্খীরাজ
সে ঘোড়া
কেড়ে নিলো কে সে আজব সময়
আমার কাজলা দিদি
কে রে তুই, কোন দৈত্যদানো
সব যে কেড়ে নিলি
কেরে তুই, কেরে তুই
সব সহজ শৈশবকে
বদলে দিলি
কিছু যান্ত্রিক বর্জ্যে
কুতুব সাহেব ঘটনা হইলো আপনার "বুবু" "বুবু" ডাক শুনে আমি কল্পনাতে এই এ্যাডখানা চলে আসছে।
বুবু
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আগের বাংলালিংক এড গুলো দারুণ ছিলো; আপনার কবিতাখানিও অসাধারণ ।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:২৪
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "হুজুর নাস্তা করা ছাড়া যাবেন না।"
................................................................
এমন বিষয় আমিও দেখেছি
বাস্তবতা হলো , বাসার রান্না তাদের ভাগ্যে সব সময় জুটতনা
তাই, ষ্টুডেন্ট বাসায় একবেলা খাওয়া পরম
সৌভাগ্যর ব্যাপার ছিলো ।