| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
১.
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক ছেলে পুলিশের সাথে তর্কের জেরে পুলিশ তাকে পিটাইছে দেখলাম।
ছেলেটা যে আর্গুমেন্ট পুলিশের সাথে করছিলো তা খুবই ভ্যালিড। পুলিশই অন্যায়ভাবে তাকে নৈতিকতা শেখাইতে চাচ্ছিলো। অথচ পুলিশের কাজ নৈতিকতা শেখানো না। পুলিশের কাজ কারো ব্যাক্তিগত বিষয়ে নাক গলানো না।
আর্গুমেন্টের এক পর্যায়ে ছেলেটাকে হুট করে পিছন থেকে এক পুলিশ সদস্য টেনে নিয়ে মাইর শুরু করে। দৃশ্যটা খুবই প্যাথেটিক
২.
পুলিশের অফিসার ছেলেটাকে বলছে: এখানে কারা থাকে?
ছেলেটা বলছে: কারা থাকে? আমি জানি না তো।
পুলিশ বলছে: যারা গাঞ্জাখোর, ইয়াবাখোর তারা থাকে।
ছেলেটা বলছে: হ্যাঁ শুনলাম। তো? তার মানে কী দাড় করাতে চাচ্ছেন? সমীকরণ কী দাড় করাতে চাচ্ছেন আপনি?
পুলিশ বললো: সমীকরণ কী দাড় করাবো?
অর্থাৎ এই পর্যায়ে পুলিশ অফিসার আটকে গেলো। অফিসার আটকে যাওয়ার সাথে সাথে আরেক পুলিশ সদস্য তাকে পিছন দিকে টেনে নিয়ে মার শুরু করলো।
৩.
একটা এলাকায় কারা ঘোরাফেরা করে এটা আপনি ঐ এলাকার মধ্য দিয়ে গেলে সেটা পুলিশের কনসার্ন না।
ঐ এলাকায় গাঞ্জাখোর চলাফেরা করে বলে কি, যারা গাঞ্জা খায় না তারা ঐ এলাকায় চলতে পারবে না? কী আজব কথা!!
আবার গাঞ্জাখোরদের চলাচলের এলাকায় একজন লোক হেঁটে যাচ্ছে বলে কি সেও গাঞ্জা খায়!
মানুষের উপরে অন্যায়ভাবে করা পুলিশিং বন্ধ করতে হবে। এই ধরণের মরাল পুলিশিংয়ের এর রূপ ধরে একজনকে জিম্মি করে বিপদে ফেলানোর কালচার পুলিশ চালু করতে পারে। আগে এমন হয়েছে।
৪.
এমন আরেক কাছাকাছি ঘটনা ঘটেছে কুষ্টিয়ায় নতুন এমপি হওয়া আমির হামজার এলাকায়।
আমির হামজা ও তার পুলিশ বলছে, রমজানে সন্ধ্যার পর দোকানে ক্যারমবোট ও টিভি চলবে না। বন্ধ রাখতে হবে।
এটা স্পষ্টতই অন্যায় আবদার।
যদি কারো ইবাদতের ক্ষতি না করে একজন ক্যারমবোট বা টিভি দেখে তাতে অবশ্যই সমস্যার কিছু নেই।
যারা ক্যারম খেলছে বা টিভি দেখছে তারা সবাই মুসলিম নাও হতে পারে। এখন তারাবির সময় আপনি একজন অমুসলিম কী করবে না করবে সেই পুলিশিং তো আপনি করতে পারেন না।
কোন মুসলিমও যদি মনে করে তারাবির সময় ক্যারম খেলবে বা টিভি দেখবে, তাকে আপনি নরম সুরে ইসলামের দাওয়াত দিতে পারেন, কিন্তু আপনি তাকে বাধ্য করতে পারেন না।
আপনি কেন নিষেধ করছেন তাকে?
আপনি কি কেরম খেলা বা টিভি দেখাকে গুনাহের কাজ মনে করছেন? সেটা করলে আপনি করতে পারেন।
কিন্তু যে ক্যারম খেলছে বা টিভি দেখছে সেটাকে সে গুনাহের কাজ মনে করছে না।
আমির হামজা সাহেব এমন অনেক কাজ এর আগেও করছেন, এখনো করেন, যেটাকে আমি গুনাহের কাজ মনে করি বা অনেকেই মনে করে, এই জন্য কি আমি তার উপর জবরদস্তি করবো?
একজন ব্যক্তি যা ইচ্ছা তাই করতে পারে, যতক্ষণ না সেটা অন্যের ক্ষতি বা বিরক্তির কারণ হচ্ছে। এই বোধটুক নতুন এমপি, মন্ত্রী ও প্রশাসনের থাকতে হবে।
মানুষ তার নিজের মত বাঁচতে চায়। স্বাধীনতা চায়। তাদের নিজের চিন্তা ও স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ কইরেন না। সব ধরণের মোরাল পুলিশিং বন্ধ করেন।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৪
মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: এমন ও হতে পারে।
২|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মানুষের উপরে অন্যায়ভাবে করা পুলিশিং বন্ধ করতে হবে।
.......................................................................................
এটা সবাই দাবী করতে পারে ।
কিন্ত ঐ সব কাজের ফাঁকে আরও কিছু ঢুকে পড়ে
যার নিয়ন্ত্রন আমাদের থাকেনা ।
সে কারনে কোন দে শে ই এই অবাধ আচরন সহ্য করা হয়না ।
ইউরোপে আমি দেখিনি পাবলিক প্লেসে কোন গ্যাদারিং,
সুতরাং আমাদের সভ্য হতে হবে ।আইন মানতে হবে ।
যেখানে গাঞ্জাখোর, ইয়াবাখোর বিচরন করে সেখানে আমি কেন যাবো ???
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৩
মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: অবাধ আচরণে যদি কারো ক্ষতি না হয় ও আইনের লঙ্ঘন না হয়, তাহলে সে আচরণে সমস্যা কী?
আপনি বলছেন, "যেখানে গাঞ্জাখোর, ইয়াবাখোর বিচরন করে সেখানে আমি কেন যাবো ???"
হাস্যকর।
যেখানে তারা বিচরণ করে, সেখানে সাধারণ মানুষ যেতে পারবে না কেন? সে প্রয়োজনেও তো যেতে পারে।
আর তাও যদি সমস্যা রাষ্ট্র মনে করে, তাহলে রাষ্ট্র আইন করতে পারে, গাঞ্জাখোর ও ইয়াবাখোর যে এলাকায় বিচরণ করে, সে এলাকায় সাধারণ মানুষের যাওয়া অপরাধ।
এমন হলে তো কিছু বলার নাই।
ধরেন, আপনি অপরিচিত এলাকায়, রাস্তার পাশ দিয়ে যাচ্ছেন। আপনাকে পুলিশ এসে প্যাদানি দিয়ে বললো, আপনি এদিক দিয়ে কেন যাচ্ছেন? এখানে তো গাঞ্জাখোররা বিচরণ করে!
৩|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯
আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: পুলিশের মধ্যে অনেক ক্ষোভ জমা হয়ে আছে।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৪
মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: সত্যি কথা।
৪|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পুলিশের আচরন নরমাল না । জুলাই যোদধাদের এভাবে মারছে কেন ?
৫|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৯
আমি নই বলেছেন: মানে আপনি স্বাধীনতা চান দেখে যা খুশি তাই করবেন? গাঞ্জাখোর, ইয়াবাখোরদের বিচরনের কারনে অনেক জায়গায় যাওয়াই কঠিন। ওপেন গাঞ্জা, ইয়াবা খাওয়া কি আরেকজনের বিরক্তিরে কারন নয়? আমার মনে হয় ঐ সকল এলাকায় পুলিশের আরো কঠিন হওয়া উচিৎ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৭
মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: যাদের কাছে ইয়াবা, গাঞ্জা পাচ্ছে বা খাওয়া অবস্থায় ধরছে, তাদের অবশ্যই আইনুনাযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
কিন্তু একজন সাধারণ লোক যদি সে এলাকায় হেটে যায়, তাহলে তাকে পুলিশ ধরে পিটাবে?
৬|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৫
নতুন বলেছেন: ওপেন গাঞ্জা, ইয়াবা র গড ফাদারদের ধরতে হবে।
চালান বন্ধ হইলে যারা বইসা খায় তাদের খেদাইতে দৌড়া দৌড়ি করে ভিডিও প্রচার করার দরকার হবেনা।
মানুষের গায়ে হাত তোলার অভ্যাস বন্দ করতে হবে। অন্যায় করলে তাদের আইনের আওতায় আনবে পুলিশ কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করা ঠিক না।
যারা পুলিশের এমন কাজ সমর্থন করে তারা যখন এমন অপ্রফেসনাল পুলিশের আচরনে কস্ট পাবে তখন বলবে সরকার খারাপ।
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৮
মাহদী হাসান শিহাব বলেছেন: সঠিক বলেছেন।
৭|
২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:২৮
আমি নই বলেছেন: লেখক বলেছেন: যাদের কাছে ইয়াবা, গাঞ্জা পাচ্ছে বা খাওয়া অবস্থায় ধরছে, তাদের অবশ্যই আইনুনাযায়ী শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।
সেই দিনের আরো একটা ভিডিএ ভাইরাল হয়েছে যেখানে স্মার্ট একটা ছেলেকে পুলিশ যখন ধরল সে সুন্দর ভাবে তার নাগরিক রাইটস নিয়ে কথা বলল, পুলিশ যখন তার মানিব্যাগ খুলে দেখাতে বলল সে প্রাইভেসির কথা বলে মানিব্যাগ খুলতে অস্বীকার করে। পরে দেখা গেল তার মানিব্যাগে গাজা। সার্চ না করে পুলিশ কিভাবে বুঝবে কার কাছে আছে কার কাছে নাই?
কিন্তু একজন সাধারণ লোক যদি সে এলাকায় হেটে যায়, তাহলে তাকে পুলিশ ধরে পিটাবে?
সমস্যা হল অপরাধীদের যদি বিরিয়ানী খাওয়া বলেন সে অপরাধ স্বীকার করেনা আবার দুইটা বাড়ী দিলে সব বলে দেয়। আমি অকারনে কাউকে পিটানোতো দুরের কথা ধরারো বিরোধী কিন্তু নির্দিশ্ট কিছু এরিয়ায় প্রয়োজন আছে বলেই মনে হয়। পুলিশ যাদের চ্যালেন্জ করবে তারা পাকনামো না করে সহোযোগীতা করলেই সমস্যা অনেকটা মিটে যায়, কিন্তু তারা যেই ভাবে কথা বলে মনে হয় পুলিশ কথা বলেই ভুল করেছে।
পুলিশও যে খুব সৎ তাও না, তবে ইদানিং ভিডিও করার কারনে পকেটে ঢুকিয়ে দিয়ে ফাসানো কমে গেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫২
নতুন বলেছেন: সব ধরণের মোরাল পুলিশিং বন্ধ করেন।
এটা সবারই করা উচিত।
আর যদি ড্রাগ লর্ডেরা ব্যবসা না করতে পারে তবে কেউই পথে ঘাটে ড্রাগ বিক্রি করতে পারবেনা।
আসল কাজ না করে সোঅফ করতেছে অনেকেই।