নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বড় হতে হতে বুড়ো হয়ে গেলাম

এতটুকু বুঝি জীবনের কাছে আবেগ নস্যি।

আবদুর রহমান (রোমাস)

এতটুকু বুঝি জীবনের কাছে আবেগ নস্যি।

আবদুর রহমান (রোমাস) › বিস্তারিত পোস্টঃ

স্বপ্ন সত্যি করতে হলে আগে স্বপ্ন দেখতে হয় তারপর সে স্বপ্ন বাস্তবায়নে দেশী-বিদেশি চক্রান্ত ডিঙিয়ে এগিয়ে যেতে হয়

১৫ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ৯:১৪

স্বপ্ন সত্যি করতে হলে আগে স্বপ্ন দেখতে হয়, জাতীর জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে যে বাংলাদেশর সৃষ্টি হয়েছিলি তার লক্ষ্যই ছিলো জ্ঞান-বিজ্ঞানে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ! প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ ভুমিকায় তা সত্যি হবার দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিশ্ব-রাজনীতি(নোংরা রাজনীতির) বিশেষ করে আমেরিকা আর তাদের মিত্র ইউরোপিয় ইউনিয়নের কয়েকটি দেশের চক্রান্তের পাঁদে যদি বাংলাদেশের কিছু সংখ্যক বিপতগামী রাজনিতিবিদ বা জণগন ভবিষ্যতে সাড়া না দেয় তবে আগামী দশ বছরের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নতির এক রোল মডেল হয়ে থাকবে। যেটা জাতীর জনক বেঁছে থাকলে বহু আগেই হয়ে যেত।

বিশ্ব-নোংরা রাজনীতির সাথে দেশীয় চক্রান্তকারীরা মিলে গেলে কি হয় তার কিছুটা নিছে দেখে নিতে পারেন।
* জাতীর জনককে হত্যার পর বাংলাদেশ উল্টো পথে চলেছে ২১ টি বছর তার মাশুল এখনো পুরো জাতিকে দিতে হচ্ছে আরো দিতে হবে কয়েকটি বছর।

*বিশ্ব-নোংরা রাজনীতি আফগানে প্রথমে বিন লাদেন ও তার গ্রুপ তৈরি করলো, তারপর এক লাদেনের নামে পুরো আফগান ধ্বংশ করে দিলো।

*বিশ্ব-নোংরা রাজনীতি নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য সাদ্দামের দেশেই তার বিরোধি এক পক্ষ দাঁড় করালো, শিয়া-সুন্নি মুখোমুখি করালো, ইরাকে পারমানবিক অস্ত্র আছে এই ধোঁয়া তুলে ইরাক আক্রমন করলো, সাদ্দাম হোসেনকে হত্যা করলো এরপরতো পুরো ইরাককেই লন্ডবন্ড করে দিলো।

*আমেরিকা-ব্রিটিশরা যখন, ইরাক আক্রমন করে সাদ্দামকে হত্যা করলো তখন লিবিয়ার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গাদ্দাফি আরব নেতাদের সম্মেলনে উদাত্ত আহবান করেছিলো সকলে এক হওয়ার জন্য, অন্যথায় বিশ্ব-নোংরা রাজনীতি এক এক করে আরব দেশগুলোকে ধ্বংশ করে দিবে, গাদ্দাফির ঐ কথা শুনে সিরিয়ার ক্ষমতাধর বাশার সহ অনেক আরব নেতাই হো হো করে হেঁসেছিলো.. কি হলো তরপর? আমেরিকার ব্লাডি গনতন্ত্রের নামে লিবিয়ায় গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে দিলো, গাদ্দাফিকে হত্যা করলো পুরো দেশটা নরক বানিয়ে দিলো। বাধ রাখেনি তুনিশিয়া, ইজিপটকেও ওখানেও আমেরিকা-ইউরোপিয় ইউনিয়নের প্যাকেট গণতন্ত্র দেওয়ার নামে রক্ত ঝরালো, যেই বাশার গাদ্দাফির আহবানে হোহো করে হেঁসেছিলো সেই আসাদের পেছনেই বিশ্ব রাজনীতির বড় বাঁশটি তাক করে রাখা আছে কয়েক বছর থেকে.. শুধুমাত্র ব্লাদিমির পুতিন বাশারের বন্ধু হওয়ায় বাশার এখনো বেঁছে আছে আর কতদিন বেঁছে থাকে সেটাই দেখার বিষয়।

* আমেরিকা-ইউরোপিয় ইউনিয়নের মানবতা শুধু যে, তাদের কাগজ কলম, ভুলি কপচানো আর উদ্দেশ্য হাসিলে সীমাবদ্ধ তার প্রমান দেওয়ার জন্য বেশি দুরে যেতে হবে না, আমাদের দেশে যখন ৭১ এ সংগঠিত মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার হয় তখন তাদের মানবতাবোধ জাগ্রত হয় কিন্তু যখন তাদের মিত্র ইজরায়েল ফিলিস্তিনির প্রতিটি ইঞ্চিতে বোমা মারে এমনি কি স্কুল-হাসপাতালও বাদ যায় না, বোমার আগাতে যখন কোমলমতি ফিলিস্তিনি শিশুদের লাশের স্তুপ হয় তা দেখেও তাদের মানবতাডন্ড -১ ডিগ্রি ঠান্ডায় জমে থাকে।

*আমেরিকা ইউরোপীয় নোংরা রাজনীতি কি শুধু মধ্যপাচ্যেই সীমাবদ্ধ? উত্তর হবে অবশ্যই না... এশিয়াতে তাদের কর্মকান্ড খুব আছে প্রমান চান? পাকিস্তানের দিকে তাকিয়ে দেখুন, আমাদের দেশের কথাই বলি, জিএসপি বন্ধ করে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে জনগনকে ক্ষেপিয়ে তোলা, বিএনপি জামাতকে মদদ দিয়ে দেশে অরাজকতা সৃষ্টি এমনকি ওদের টার্গেট ছিলো শেখ হাসিনার সরকারকে হটিয়ে ওদের পছন্দের সরকার বসানো যে সরকার তাদের কথায় উঠবে,বসবে। কারন শেখের বেটি এশিয়ার মধ্যে আমেরিকা ইউরোপিয় মোড়লদের সবচেয়ে বড় মাথা-ব্যাথার কারন, শেখের বেটি আমেরিকাকে সেন্ট-মার্টিনে ঘাঁটি করার অনুমতি দেয়নি, আমেরিকার কথায় উঠে না, বসে না, এমন সরকার পরপর কয়েকবার থাকা আমেরিকার জন্য মোটেও সুখকর নয়। তাইতো রাজাকারের বিচার থেকে শুরু করে নির্বাচনের আগে, নির্বাচনের পরে এবং বছরের শুরুতে অনেক চেষ্টায় ছিলো বিএনপি জামাতকে দিয়ে আগুন সন্ত্রাসের মাধ্যমে সরকারকে নামিয়ে দেওয়া অথবা গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে দিয়ে তাদের পুতুল সরকার বসানোর পায়তারা। আমেরিকানরা যত সহজে মধ্যপাচ্যের বিভিন্ন দেশে অরাজকতা সৃষ্টি করতে পেরেছে বাংলাদেশে এখনো তা করতে পারেনি তার বড় কারন বাংলাদেশই পৃথিবীর একমাত্র দেশ! যে কিনা অতি উচ্চমূল্যের বিনিময়ে স্বাধিনতা অর্জন করেছে, অবশ্য ৭১ এ ৭ কোটি বাঙালির মধ্যে যেমন একটা বড় অংশ পাকিস্তানির সাথে মিলে বাঙালি হত্যা সহ লুটপাটে মেতেছিলো তাদের দোসরদের বড় একটা সংখ্যা এখনকার বাংলাদেশে বিদ্যমান। বিশ্ব নোংরা রাজনীতির যে চক্রান্ত চলমান আছে তার খপ্পরে পড়ে বাংলাদেশ যদি কখনো আক্রান্ত হয় তবে তা একমাত্র একাত্তরে বাংলাদেশ বিরোধী দোসরদের হাত ধরেই হবে!!

সারকথা হলো মুদ্রার একপাশে আলোকিত বাংলাদেশ(দেশি-বিদেশি চক্রান্ত্রকে চিহ্নিত করে এগিয়ে যাওয়া) মুদ্রার অন্যপাশে অন্ধকারাচ্ছন্ন লন্ডভন্ড বাংলা (বিদেশিদের চক্রান্তে যখন দেশীয় চকান্তকারীরা সামিল হয়ে সাধারন মানুষদের প্ররোচনায় ফেলেবে লোভ লালসা দেখিয়ে রাস্তায় নামিয়ে আনবে তখনই দেখতে হবে বাংলায় লিবিয়া বা বর্তমান সিরিয়ার প্রতিচ্ছবি)



আবদুর রহমান রোমাস
১৪ই নভেম্বর ২০১৫

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.