| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বিভিন্ন রিওয়ায়েতে যখন একই বক্তব্য পাওয়া যায় তখন সেই হাদিসের সত্যতা নিয়ে আর সন্দেহ থাকে না। বিভিন্ন রেওয়ায়েতে পাওয়া বেশ কয়েকটি হাদিসের মধ্যে ২টি এখানে উল্লেখ করা হলোঃ
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জনৈক (বেদুঈন) লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে বলল, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে এমন একটি কাজের সন্ধান দিন যা করলে আমি সহজে জান্নাতে পৌঁছতে পারি। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আল্লাহর ’ইবাদাত করতে থাকবে, তাঁর সাথে কাউকে শরীক করবে না, ফরয সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) ক্বায়িম করবে, ফরয যাকাত আদায় করবে এবং রমাযানের সিয়াম পালন করবে- এ কথা শুনে লোকটি বলল, আল্লাহর কসম, যাঁর হাতে আমার জীবন রয়েছে! আমি এর থেকে বেশিও করবো না, কমও করবো না। সে লোক যখন চলে গেল তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, কেউ যদি জান্নাতী কোন লোককে দেখে আনন্দিত হতে চায়, সে যেন এ লোককে দেখে। (বুখারী, মুসলিম)
তালহাহ ইবনু উবাইদুল্লাহ (রাযিঃ) বলেন, নাজদের বাসিন্দা এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর খিদমতে আসলো। তার মাথার চুলগুলো ছিল এলোমেলো ও বিক্ষিপ্ত। আমরা তার গুন গুন আওয়াজ শুনছিলাম, কিন্তু সে কী বলছিল তা বুঝা যাচ্ছিলো না। অতঃপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অতি নিকটে এসে ইসলাম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত। সে বললো, এ ছাড়া আমার কোন কিছু (সালাত) আছে কি? তিনি বললেন, না তবে নফল আদায় করতে পারো। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে যাকাত প্রদানের কথাও বললেন। সে জিজ্ঞেস করলো, এ ছাড়া আমার উপর আরো কোন কর্তব্য আছে কি? তিনি বললেন, না। তবে নফল দান-সাদাকা করতে পারো[1]। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর লোকটি এ কথা বলতে বলতে চলে গেল, “আমি এর বেশিও করবো না, আর কমও করবো না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, লোকটি যদি তার কথার সত্যতা প্রমাণ করতে পারে তাহলে সফলকাম হয়েছে। (মুসলিম)
তার মানে, কেউ যদি ফরজ ঠিকমতো যথাযথভাবে আদায় করে তাহলে তাই তাঁর জন্য নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে। তাহলে সুন্নত কিসের জন্য? উত্তর হলো, উহা ফরজের কমতির কাফফারা স্বরূপ। আমাদের ফরজ আদায়ে গলদ থাকাটাই স্বাভাবিক, আর সে জন্যই এই অতিরিক্ত ইবাদত।
তাই বলে আবার ফরজ আদায়ে কেউ ইচ্ছাকৃত গরিমসি করবেন না। আল্লাহ কোন ফরজের কিরকম গলদে সুন্নতের জরিমানা গ্রহণ করবেন তা আমরা নিশ্চিতভাবে জানি না।
আমরা অনেকই অলসতার কারণে ঈশা’র সালাত ছেড়ে দিই, কারণ ১৩ রাকা’ত পড়তে হবে এই ভয়ে। ছুন্নতের ভয়ে অনেকের ফরজ আদায় হয় না অথচ শুধু ফরজ পড়লেই আমাদের নামাজ হয়ে যেত।
আমাদের হুজুররা বলে থাকেন যে ছুন্নতে মোয়াক্কাদা’র নামাজ ছেড়ে দিলে গুনাহ হয়- উপরের হাদিস কিন্তু সেটা বলে না।
২|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:০৭
আহলান বলেছেন: নিজে নিজে ডাক্তারীর বই পড়ে নিজে নিজে চিকিৎসা নেয়া যেমন ভয়ঙ্কর বাংলা ভাষায় নিজে নিজে হাদিস পড়ে তার ব্যাখ্যানুযায়ী আমল করা ঠিক তেমনই ভয়ঙ্কর। ফকিহ গণ বহু এলেম খরচ করে মাসালা মাসায়েল প্রণয়ণ করেছেন। শুধু একটি দুইটি হাদিস শুনেই যদি আমল নির্ধারণ করা যেতো তবে সমাজে ফকিহ গণের কোন অবস্থানই পয়দা হতো না ...
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৯:৩৪
আলামিন১০৪ বলেছেন: ভাইজান, ছুন্নতের তুলনায় ফরজের গুরুত্ব কতটুকু তা আমরা অনেকেই বুঝি না। আমরা প্রায়ই এক ওয়াক্তের ফরজ ছেড়ে অন্য ওযাক্তের ছুন্নত ধরি, সেটার জন্য আমার এই পোস্ট। লোকজন আজকাল এক - দুই ওযাক্তের ফরজ ছাড়লেও অন্য ওযাক্তের ছুন্নতের ব্যাপারে খুব সতর্ক।
লক্ষ্য করুন, রাসুল (সঃ) একটি শর্ত দিয়েছে 'ব্যক্তিটি যদি সত্য বলে থাকে......তবে কামিয়াব হবে" আর বেদুইনটি কী বলেছিল? সে ফরজ ইবাদতের বিন্দুমাত্র কম বা বেশি করবে না। এখন আমরা কি ফরজ সালাত ঠিকমতো আদায় করতে পারি? উত্তর পারি না, নামাজে নানারকম চিন্তার উদয় হয. একাগ্র-চিত্ত থাকে না ইত্যাদি। এই জন্য ফরজের বাইরেও অতিরিক্ত নামাজ রয়েছে। যারা বলে সুন্নত দরকার, তাদের কথা এই অর্থে সঠিক।
আল্লাহপাক আলকোরআনে বলেছেন, “রাসূল তোমাদেরকে যা দেয় তা তোমরা গ্রহণ কর এবং যা হতে তোমাদেরকে নিষেধ করে তা হতে বিরত থাক। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ শাস্তি দানে কঠোর।” —আল কোরআন [সূরা হাশর (৫৯), আয়াত ৭]
বেদুইন লোকটির হাদিস রাসুলের কথার বাইরে না্। আপনি কি রাসুলকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করতে চাইছেন অথবা উপরের হাদিসটি মনসুখ হয়ে হিয়েছে? তাহলে রেফারেন্স দিন।
৩|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:২৮
রাজীব নুর বলেছেন: বিশ্ব কোথায় চলে গেছে!! আর আপনারা পড়ে আছেন সুন্নত ফরজ নিয়ে।
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: কবরে যেতে হবে, বিশ্বের সবাইকে..ইহাই আসল ঠিকানা
৪|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:০৮
নিমো বলেছেন: বুয়েট নামক মাদ্রাসা ছাড়া এসব জানা অসম্ভব!
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯
আলামিন১০৪ বলেছেন: আপনার প্রফাইল পিকচারের সিম্বলগুলো কি কোন বিশেষ অর্থ বহন করে?
৫|
০৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:০৯
রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: কবরে যেতে হবে, বিশ্বের সবাইকে..ইহাই আসল ঠিকানা ।
আপাতত তো আপনার ঠিকানা কবর না।
৬|
১১ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৭
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোস্টে ফরজ বনাম সুন্নতের বিষযটি সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন । তাই এই আলোচনায় বিশেষ কিছু বলার নেই ।
তবে এ পোস্টে উঠে আসা সালাত ও যাকাত প্রদানকারীদের বিষয়ে নবী কারিম ( সা।) যে মুল্যবান দিক নির্দেশনা
দিয়েছেন তা সকলের জন্য খুবই প্রনিধানযোগ্য একটি জান্নাতী আমল ও ইবাদত ।
এখানে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় সুরা বাকায়ায় ৪৩ তম আয়াতে যা বলা হয়েছে সে বিষয়টি তুলে ধরতে চাই ।
বিসমিল্লাহ হির রহমানির রাহিম
কুরআনের সূরা আল-বাকারা’র , ৪৩ নং আয়াতে আল্লাহর কালাম
“وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ”
ওয়া আকীমুস সালাতা ওয়া আতুজ যাকাতা ওয়ারকা‘উ মা‘আর-রাকিঈন)
ইসলামের মৌলিক ইবাদত ও সামাজিক দায়িত্বের একটি গভীর নির্দেশনা বহন করে। এটি মূলত আল্লাহর পক্ষ থেকে
বান্দাদের জন্য একটি সার্বিক ইবাদত জীবনব্যবস্থার দিকনির্দেশনা ।
তোমরা সালাত কায়েম করো, যাকাত প্রদান করো এবং রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।(সূরা আল-বাকারা আয়াত ৪৩)
১. “وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ” সালাত কায়েম করো এখানে শুধু নামাজ পড়ার কথা বলা হয়নি, বরং কায়েম করার কথা বলা
হয়েছে। এর অর্থ হল নিয়মিত ও যথাযথভাবে সালাত আদায় করা ,খুশু-খুজুর সাথে (মনোযোগ ও বিনয়ের সাথে)
নামাজ পড়া , এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সালাতের প্রভাব রাখা ।সালাত হলো বান্দা ও আল্লাহর মধ্যে সরাসরি
যোগাযোগের মাধ্যম। এটি মানুষকে অশ্লীলতা ও অন্যায় থেকে বিরত রাখে।
২. “وَآتُوا الزَّكَاةَ” যাকাত দাও
যাকাত ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত। এর মাধ্যমে সম্পদের পবিত্রতা অর্জিত হয়, দরিদ্র ও অসহায়দের
অধিকার নিশ্চিত হয়। সমাজে অর্থনৈতিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত হয় । এটি শুধু দান নয়, বরং একটি ফরজ দায়িত্ব,
যা মুসলিম সমাজে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে।
৩. “وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ” রুকুকারীদের সাথে রুকু করো।এখানে বিশেষভাবে “সাথে” শব্দটি গুরুত্বপূর্ণ।
এর দ্বারা বোঝানো হয়েছে জামাতের সাথে সালাত আদায় করা এবং মুসলিম সমাজের ঐক্য ও ভ্রাতৃত্ব বজায় রাখা ।
মোট কথা একসাথে ইবাদতের মাধ্যমে পারস্পরিক সংযোগ বৃদ্ধি করা ।এটি ইসলামকে একটি সামষ্টিক ধর্ম হিসেবে
তুলে ধরে।
আয়াতটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য হল:
১) ইবাদতের দুই দিকের সমন্বয়, সালাত তথা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক (হক্কুল্লাহ)
যাকাত তথা মানুষের সাথে সম্পর্ক (হক্কুল ইবাদ) । এই আয়াত দেখায়, ইসলাম শুধু
ব্যক্তিগত ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; সামাজিক দায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
২) আত্মশুদ্ধি ও সমাজশুদ্ধি দুটোই ঘটে একসাথে ঘটে , সালাত মানুষকে নৈতিকভাবে পরিশুদ্ধ করে,
যাকাত সমাজকে অর্থনৈতিকভাবে পরিশুদ্ধ করে, ফলে ব্যক্তি ও সমাজ উভয়ই উন্নত হয়।
৩) মুসলিম উম্মাহর ঐক্য, রুকুকারীদের সাথে রুকু করো, এই নির্দেশ মুসলিমদের মধ্যে ঐক্য,
শৃঙ্খলা ও সমতা তৈরি করে। ধনী-গরিব, রাজা-প্রজা সবাই একই কাতারে দাঁড়ায় ।
এটি সামাজিক বিভাজন দূর করে ।
৪) ইসলামের মৌলিক স্তম্ভের প্রতিফলন, এই আয়াতে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ দুইটি স্তম্ভ - সালাত ও যাকাত
একসাথে উল্লেখ করা হয়েছে, যা তাদের গুরুত্বকে আরও জোরালো করে। এই আয়াতাংশ আমাদের শেখায় যে,
একজন প্রকৃত মুসলিমের জীবন শুধু ব্যক্তিগত ইবাদতে সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সামাজিক দায়িত্ব, ঐক্য ও মানব
কল্যাণের সাথে গভীরভাবে জড়িত। সালাতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করতে হবে, যাকাতের মাধ্যমে
মানুষের হক আদায় করতে হবে, এবং জামাতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে উম্মাহর ঐক্য বজায় রাখতে হবে।
সূরা আল-বাকারার এই ছোট তবে বিশাল অর্থবহ আয়াত
“وَأَقِيمُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ وَارْكَعُوا مَعَ الرَّاكِعِينَ”
আধুনিক জীবনেও অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক। এটি শুধু ইবাদতের নির্দেশ নয়; বরং একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা গড়ে তোলার নীতি।
বিষয়টি নিয়ে আমার রচিত একটি কবিতাও তুলে দিলাম এখানে -
কবিতা
সুরা বাকারা’র ৪৩ তম আয়াতের আলোকে কবিতা
সালাত, যাকাত ও একতার ডাক
ফজরে আলো ফোটার আগে
হৃদয় ডাকে আজানের সুরে
সালাত কায়েম করো তুমি
আহ্বান আসে নূরের নূরে।
ব্যস্ত জীবনের ভিড়ের মাঝে
ভুলে যেও না সেই পথ
যেখানে সেজদায় মিলে শান্তি
মুছে যায় সব দুঃখ-ক্ষত।
ঘড়ির কাঁটা ছুটে চলে
কাজের বোঝা কাঁধে ভার
তবুও থেমে দাঁড়াও একটু
প্রভুর ডাকে দাও সাড়া
আদায় করো জোহর আর
আছরের নামাজ সময় করে ।
এই সালাতেই গড়ে ওঠে
অন্তরের শুদ্ধি, দৃঢ়তা
মাগরিব আর এশার নামাজ
অন্ধকারে আলো জ্বালে
দেয় জীবনের সত্যতা।
তারপর আসে যাকাতের ডাক
সম্পদ শুধু তোমার নয়
গরিবেরও আছে তাতে হক…..
এ সত্য যেন ভুলো না কভু হায়।
হাসিমুখে যা কিছু দাও তুমি
আল্লাহ দেন তার চেয়ে বেশী
এই দানেই সমাজ গড়ে
মুছে যায় সব বৈষম্যের ক্লেশ।
ক্ষুধার্ত মুখে হাসি ফোটে
অশ্রু শুকায় স্নেহের ছোঁয়ায়
যাকাত তখন শুধু দান নয়
মানবতার জয়গান গায়।
রুকু করো রুকুকারীদের সাথে
ডাকে ঐক্যের মহাগান!
এক কাতারে ধনী-গরিব
নেই বিভেদ, নেই অপমান।
মসজিদের সেই সারিবদ্ধতা
শেখায় ভ্রাতৃত্ব, ভালোবাসা
একসাথে নত হওয়াতে
মিলে জীবনের সঠিক ভাষা।
একাকীত্বের এই যুগে আজ
মানুষ হারায় মানুষকে...
জামাতে মেলে হৃদয়গুলো
কাছাকাছি আনে সবাইকে।
হাত ধরাধরি করে এগিয়ে
গড়ে ওঠে বন্ধন দৃঢ়
এই ঐক্যেই শক্তি লুকায়
এই পথেই শান্তি নিঃসন্দেহ।
সালাত শিখায় শৃঙ্খলা
যাকাত শিখায় দানের রীতি
জামাত শিখায় একতার গান
এ তিনেই জীবনের গতি।
আধুনিকতার ঝড়ের মাঝেও
এই শিক্ষাই পথের আলো
প্রযুক্তির হাত ধরে আজও
ইবাদত হোক আরও ভালো।
হে মানুষ... ফিরে চলো
সেই চিরন্তন আহ্বানের তরে
সালাত, যাকাত, একতার পথে
সফলতা লুটিয়ে পড়ে।
এই তিন স্তম্ভে গড়ো জীবন
গড়ো সমাজ... গড়ো প্রাণ
তবেই মিলবে শান্তির ছোঁয়া
এখানেই কুরআনের বাণী মহান।
শুভেচ্ছা রইল
৭|
১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: (৬৩৩) আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় কিয়ামতের দিন বান্দার (হক্বুক্বুল্লাহর মধ্যে) যে কাজের হিসাব সর্বপ্রথম নেওয়া হবে তা হচ্ছে তার নামায। সুতরাং যদি তা সঠিক হয়, তাহলে সে পরিত্রাণ পাবে। আর যদি (নামায) পণ্ড ও খারাপ হয়, তাহলে সে ব্যর্থ ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। যদি তার ফরয (ইবাদতের) মধ্যে কিছু কম পড়ে যায়, তাহলে প্রভু বলবেন, দেখ তো! আমার বান্দার কিছু নফল (ইবাদত) আছে কি না, যা দিয়ে ফরযের ঘাটতি পূরণ করে দেওয়া হবে? অতঃপর তার অবশিষ্ট সমস্ত আমলের হিসাব ঐভাবে গৃহীত হবে।(তিরমিযী ৪১৩, আবূ দাঊদ ৮৬৪, হাসান)
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।