নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুরমা পাড়ের ছেলে

আজিজুর

ভালবাসার বাংলাদেশ

আজিজুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয় প্রাথীদের জন্য ফ্রান্স সরকারের সুযোগ সুবিধা

০২ রা মার্চ, ২০১৬ রাত ৩:২৮

ফ্রান্সে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য যারা আসেন তাদের জন্য ফ্রান্স সরকার যে সুযোগ সুবিধা প্রধান করে।সে সর্ম্পকে কিছু অভিজ্ঞতা হয়েছে।যা আমাকে অনেক নাড়া দিয়েছে।ফ্রান্সে আসার পর ৩ দিন নিজস্ব একমন্ডিশনে থাকার পর সরকারী সামাজিক নিরাপত্তার জন্য নিযুক্ত টেলিফোন নাম্বার ১১৫ এ ফোণ করি আমাকে একটি ফ্রি হোটেলে থাকার জন্য আমার মোবাইল এ মেসেইজের মাধ্যমে আমাকে জানানো হল সেখানে ১ রাত্রযাপনের পর সকাল ১২ টায় চেক আউট হওয়ার পর সেভরন বিধু রেল ষ্টেশন থেকে পেরিসের বাংগালীদের প্রিয় স্থান গারদনদে আসলাম টিপু ভাইয়ের রেষ্টুরেন্টে খারাব শেষ করে যতারিতি হুটেলের উদ্দেশ্যে যাত্রা।বিলিডান হুটেলে গিয়ে ম্যনেজারকে ম্যসেইজ দেখালাম তিনি আমাদেরকে এটি ষ্টুডিও রুম দিলেন উন্নতমানের হোটেল নিছে রেষ্টুরেন্ট জানতে পারলাম আমাদের জন্য ৫ দিনের জন্য বুকিং দেওয়া আছে।আমার বুজতে কষ্ট হচ্ছিল কে বুকিং দিচ্ছে আমার জন্য এই হুটেল গুলা।প্রতিদিন ৪ তারকা মানের হোটেল যা দিন প্রতি রেন্ট ২৯০ ইউরো করে আমার জন্য সম্পুর্ন ফ্রি.৫ দিন খুব আরামে কাটালাম. ৫ দিন পর আরার জানানো হল ১২টার মুধ্যে চেক আওট হতে হবে. ১২টার পর হুটেল থেকে বের হয়ে সরাসরি গারদনদের রেল ষ্টেশনে পৌছে অপেক্ষা করছি পরবর্তি ম্যসেইজের জন্য।সাফা নাবিল খোলা রেল ষ্টেশনে খেলা করছে।একজন পুলিশ অফিসার আমার কাছে আসলেন জানতে চাইলেন আমার কি কোন সম্যসা আছে।আমি তাকে বললাম আমার হুটেল শেষ হয়ে গেছে।তিনি তার মোবাইল থেকে ১১৫ নাম্বারে ফন করে আমার হোটেলের খবর জানতে চাইলেন।পরে তিনি জানালেন একটু অপেক্ষা করতে হবে কর্তিপক্ষ হূটেলের ব্যাবস্থা করছে।কোন সমস্যা হলে তাকে জানাতে অবশেষে বিকাল ৫ টায় ম্যাসেইজ পেলাম আমাকে লং টাইমের (লং সিজুর) হুটেল পেলাম।সেখানে ২ টী রুম দেওয়া হল।আমার সংস্থা (কাপদায়) রন্দভুর দিন আমাকে ১২০ ইউরোর রেষ্টূরেণ্ট টিকিট দিলেন যা দিয়ে আমি এলকোহল ছাড়া খবার সামগ্রী ক্রয় করতে পারব।এবং আমার ছেলে নাবিলের স্কুলে ভর্তির জন্য এটাষ্টেশন খাবারের জন্য রেষ্ট ডী কূর (যেখান থেকে বিনা মুল্যে খবার দেওয়া হয়)এর এটাষ্টেশন ও আমর শ্ত্রীর চিকিসার জন্য পি,এম,আই-(প্রাইমারি হেলথ সেন্টার) এর এটাষ্টেশন।আমি অবাক হয়ে আবেগে আমার কান্না আসছিল সোসাল ম্যডাম(প্রত্যেক ব্যাক্তির সাথে একজন সমাজ কর্মি)আমাকে বললেন এটা আমদের দায়িত্ত।তিনি আমাকে জানালেন আমি আমার আংগুলের চাপ (ফিংগার) দেওয়ার পর যখন কাগজ (রিসিপিসি)পাব তখন এই দেশের সরকার মানুষের যে মৌলিক অধিকার অন্ন,বশ্র, বাসস্থান,শিক্ষা,চিকিৎসার,দায়িত্ব নেবে।তখন আমার মনে হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানে যে মানু্যের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে যাহা রাষ্ট নিজে তা পুরন করবে।এখানে তা এমপ্লিমেণ্ট হয় সম্পুর্ন ভাবে আমাদের দেশে শুধু সাদা কাগজে লেখা থাকে সুন্দর এই কাথা গুলা।চলবে>>>>>>

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা মার্চ, ২০১৬ রাত ১২:৫৪

দেবজ্যোতিকাজল বলেছেন: অনেককিছুজানলাম

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.