নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুরমা পাড়ের ছেলে

আজিজুর

ভালবাসার বাংলাদেশ

আজিজুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভন্ড নাস্তিক বা পতারক নাস্তিকের কবলে

০৯ ই মার্চ, ২০১৬ ভোর ৪:৩৬

কেউ কাউকে যদি নাস্তিক বলে তা আমার কাছে অনেক বেশি খারাপ লাগে এবং আমার কাছে মনে হয় আমরা দিন দিন ভন্ড ধার্মিকে পরিণত হচ্ছি।কারন নাস্তিকতার যে সংজ্ঞা পৃথিবী ব্যাপি সমাদুত্র তার তুয়াক্কা না করে আমরা নিজেরাই নাস্তিকতার সংজ্ঞা নির্ধারন করে ফেলেছি।কেউ আওয়ামীলীগ করে কিংবা জাসদ করে অথবা কমিউনিষ্ট পাটির সাপোর্টার তাই বলে কি সে নাস্তিক হয়ে গেল।আমি যা মনে করি নাস্তিক মানে সে তার সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করেনা।কিন্তু যে কোন রাজনৈতিক নেতা কর্মি সে তার সৃষ্টি কর্তাকে বিশ্বাস করে।হয়তো নিজেকে ধর্ম্ননিরপেক্ষ হিসাবে প্রতিষ্টা করেছে।নাস্তিক শুধু ইসলাম ধর্মকে বিশ্বাস না করলে হয় তা নয়।নাস্তিকদের কোণ ধর্ম নাই।এখানে কোন ইসলামি চিন্তাবিদের মতবাদের সমালোচনা করলে নাস্তিক বলে তার কপালে তিলক এটে দেওয়া হয় যা হিন্ধু কিংবা অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে দেখা যায় না।এমন কি এনিয়ে খুন খারবিও করা হয়।সমাজ সময়ের সাথে সাথে নিজেরার নাস্তিক তৈরী করে।কিছু নাস্তিক আছে যারা শুধু একটি ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ করে।কিন্তু অন্য কয়েকটি ধর্মের প্রতি তার প্রচুর প্রেম ভালবাসা।তারা হচ্ছে ভন্ড নাস্তিক।তারা শুধু উন্নতদেশের উন্নত জীব যাপনের জন্য মনযোগ আর্কষনের জন্য এটাকরে বলে আমার মনে হয়।একজন নাস্তিক যখন শুধুমাত্র জন্মসুত্রে পাওয়া তার নিজ ধর্মকে অপমান করে বা তার ধর্মের সমালোচনা করে এবং অন্য সকল ধর্মকে ভালবাসে, তাহলে সে নাস্তিক না, মহা ধান্দাবাজওবটে।রুশদী,কিংবা নাসরিন নামক যে নাস্তিকদের আমরা চোট্টকালে চিনলাম তাদেরকে রাতারাতি আমরাইত সেলিব্রেটি নাস্তিক হিসাবে পরিচিতি দিলাম।আজকাল এই সকল ভন্ড নাস্তিক বা পতারক নাস্তিকরা কিন্তু রাশিয়া যেতে চায় না(রাশিয়া নাস্তিকদের চারন ভুমি)তাদের টার্গেট ইউরোপ অথবা আমেরিকা।তারা সত্যিকারের নাস্তিক না হয়ে শুধু একটি ধর্মকে সুকৌশলে খুচা দিয়ে উন্নত দেশে আরামের জীবন কাটানোর সপ্নে বিভোর।সেখানে অন্য পক্ষ তাদের সে কৌশনে পা দিয়ে সহযোগিতা করে তাদের সপ্ন বাস্তবায়নে সযোগিতা করছে।এটা একটি কৌশলের খেলা মাত্র। প্রকৃত নাস্তিকদের সাথে ভন্ড নাস্তিকের প্রাথক্য বিস্তর ।
আমাদের কিছু ধর্মান্ধ আমাদেরকে একটা গোলকধধায় ফেলে দিয়েছেন।তারা ধর্ম ও রাষ্ট কে এক ও অভিন্ন সত্তার মুধ্যে নিয়ে অপব্যাখার কারনে আজ রাষ্ট সরকার জনগণ ধর্ম মুখোমুখি যা বাংগালীর সাড়ে ৪ হজার বছরে ইতিহাসে অত্যান্ত বিরল।
ধর্মনিরপেক্ষতা বলতে নাস্তিকতা বোঝায় না, ধর্মনিরপেক্ষতা হলো ধর্ম থেকে রাষ্ট্রকে পৃথকীকরণ, রাষ্ট্রের উপর ধর্মের কোন প্রভাব থাকবে না, অর্থাৎ "ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার"। বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক "ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা" বলে বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ দে্শ।সাধারণত রাষ্ট কোণ ধর্ম পালন করেনা ধর্ম পালন করে রাষ্টের নাগরিক।তাদের ধর্ম পালনে বিচিত্র একেক জন একেক ধর্ম পালল করে এটাই সত্যিকারে একট গণতান্ত্রিক রাষ্টের মুল ভিত্তি বাংলাদেশের মত সত্যিকার ধর্মনিরপেক্ষ দেশ পৃথিবীতে বিরল,পৃথিবীতে অনেক রাষ্ট আছে যারা কিন্তু অন্য কোন ধর্মের জন্য চুটি নেই, অথচ বাংলাদেশে সকল ধর্মের ধর্মীয় অনুষ্ঠানের জন্যই সরকারী ছুটি দেশের জন্মলগ্ন থেকেই বিদ্যমান।ধর্মনিবর্পেক্ষ রাষ্টের একজন বাংগালী হিসাবে আমার মত যে কেউ নিজেকে গর্বিত নাগরিক হিসেবে মনে করাটা যৌতিক বটে।
তবে কিছুদিন আগেও আমরা সকলে জাতি ধর্ম বর্ন একসাথে দিন কাটাতাম।যেখানে আমরা সবাই এক ও অভিন্ন বাংগালী সত্তার পরিচয় ছিল আমাদের।দিন দিন আমরা জানি কেমন হয়ে যাচ্ছি,তা কি আমাদের উপর মৌলবাদি ও প্রতারক নাস্তিকদের আধিপত্য বিস্তারের মতো।
এই যুগে যদি কেউ পয়লা বৈশাখে যায় কিংবা বস্তত উৎসবে যায় তাকেও নাস্তিক বলা হয়।আমি সবসময় নিজে একজন ধর্ম নিরপেক্ষ সাধারন বাংগালী হিসেবে দেখতে ভালবাসি।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৯ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ৭:২৮

কালনী নদী বলেছেন: ভন্ড ধার্মিক কথাটা সুন্দর বলছেন।
আসলে আমরা মানুষরাই সুন্দর ধর্মকে কলুসিত করি। ধর্মতেই ধর্ম নিরপেক্ষতার কথা আছে, আসলে আমাদের সবার চিন্তাধারা এক না। কেউ ভালো হলে, অন্যরা খারাপ। কি হুজুর টাইপের হুজুগে মানুষের জন্য ধর্মতার সোন্দর্য হারাচ্ছে যা সত্যিই দুঃখজনক।

২| ০৯ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ৮:০৫

বিজন রয় বলেছেন: নাস্তিক বলে কিছু নেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.