নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সুরমা পাড়ের ছেলে

আজিজুর

ভালবাসার বাংলাদেশ

আজিজুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

গজ্ঞিকা সেবিদের সর্টকার্ট ডিজিটাল ধর্ম চর্চা।

২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ ভোর ৬:২৪

ধর্ম নিরপেক্ষতা মানে ধর্ম হিনতা নয়।এটা একটা মৌলিক বিষয় যাহা প্রতেকটি মানুষের নিজশ্ব আবেগ অনুভূতি ব্যাপার।ধর্ম নিরপেক্ষতা হচ্চে একটি মানবতাবা ধর্মীয়বিধান। একজন মানুষ নিজেকে ধর্ম নিরপেক্ষ মনে করা তা ব্যক্তিগত ব্যাপার।কিন্তু কিছু ধর্মান্ধ উগ্রবাদিরা এব্যপারটিকে নিয়ে তুলকালাম কান্ড ঘটিয়ে নিজেকে ধর্মিয় পণ্ডিত হিসেবে জাহির করতে চায়।যারা ধর্ম নিরপেক্ষতাকে মনে করে ধর্মহীনতা তারা স্বজ্ঞানে সুকৌশলে নিজের ধর্ম জ্ঞান জাহির করতে চায়।আসলে তারা ধর্ম সম্পর্কে জ্ঞানহীন।এদের মুধ্যে অনেক আবার ধর্মের আধুনিক সংস্করণ প্রবতন করতে বেশি আগ্রহি।ধর্ম মানুষ পালন করে তার স্রষ্টর সানিদ্ধ পাবার আশায়।অনেকে নিরবে তার নিজ নিজ ধর্ম সস্মপাদন করে।তারা সতিকারে লোক দেখনো ধর্ম কর্ম পালন করে না।আমি তাদের দলের একজন।অনেকে গাজা খোর ও নিজেকে ধার্মিক হিসেবে প্রমানের জন্য ধর্মিও পোশাক পরিধান করে আতর চন্দনের সৌরব নিয়ে ধামিক সাজে।বাহ কি তেলেসমাতি এলাহি কারবার।অপুর্ব তুমি হে অপুর্ব তুমার লীলা খেলা।আবার নতুন যুগের ডিজিটাল ধার্মিকরা সোসাল মিডিয়ায় অনেক ধর্মিয়(যা তাদের নিজস্ব কওমের সার্থের জন্য)দাওয়াত কিংবা কোন একটি পোষ্ট শেয়ার করে নিছে ক্যপশনে লিখে এই পোষ্টটি শেয়ার করলে খোদা আপনাকে জান্নাত প্রধান করবেন।অথবা এই পোষ্টটি ৪০ জনকে সেন্ড করলে খোদার কাছ থেকে একটি সুখবর পাবেন আর না করলে অনেক ক্ষতি হবে।আমি বলি তদের কাছে এ নতুন নতুন ডিজিটাল ওহি কার মাধ্যমে আসে তার এগুলো পায় কোথায় নাকি তারা ডিজিটাল হ্যাকার।তারা কি সাধারন ধর্মপ্রান মানুশের ধর্মীয় অনুভুতিকে কৌশলে হ্যাক করে সর্টকার্ট ধার্মিক হতে চায়।তাদের উদ্দেশ্যই বা কি কেন তারা এগুলা করে।ইদানিং আরার অনেক ধরনের ধর্মিয় চবি পোষ্ট করে নানা বাহানায় হালকা নেকি লূটতে চায়।তাদের ধারনা বিন্দু বিন্দু জল থেকে মহা সাগর হয়।তাই মনে হয়ত তারা বিন্দু বিন্দু ধর্মিয় লাভ নিয়ে ধর্মের মহাসাগর গড়ে তুলবে।এভাবে কি ধর্ম চর্চা কারার বিধান আছে।আমি জানিনা।অনেকে ধর্ম পালন করতে সর্টকার্ট রাস্থা বেছে নিয়েছে তা কিন্তু স্পষ্ট।তাই বলি ধর্মান্ধ হওয়ার পুর্বে নিজেকে একজন সতচরিত্রবান মানুষ হিসেবে গডে তুলাই একজন ধার্মিকের লক্ষ হুওয়া উচিৎ।‘সারা জীবিন গভির ধ্যানে মগ্ন হইয়া গজ্ঞিকা সেবন করিয়া যৌবনে আসিয়া নিজের ভুল বুঝতে পারিয়া সর্টকার্ট রাস্থায় হাটিয়া ধার্মিক হওয়া যায়না।তার চেয়ে সৎ ভাবে জীবনযাপন করে নিজেকে অমর করে নিজেকে উজাড় করে মানুষকে ভালবাসার ধর্ম করাটাই কল্যান ও মহিমার।এরকম অনেকে মরিয়া ও অমর হইয়াছেন।মাদার তেরেসা কি অমর হন নাই।তিনি ও মানুষের মাঝে অমর হয়ে তাকবেন অনন্তকাল।তিনি কোন ধর্মের মানুষ জানার আগ্রহ নাই।আমার কাছে তিনি মানবতাবাধি ধার্মিক। আজকে সবছেয়ে বড় ধর্মের বাহক সৌদি রাজ পরিবারের ধর্ম পালনের নমুনা দেখি।তাদের ভোগ বিলাসী জীবন যাপন।অথচ তাদের ই ধর্মিয় ভাইরা(সিরিয়া ইরাক লিবিয়া)স্বরনার্থি হয়ে অন্যত্র আশ্র্য় নিচ্ছে।তারা অনেকে মারা যাচ্ছে তাদের ধর্মিয় ভাবে দাফন পর্যন্ত করা হচ্ছেনা।তা হলে আমার কাছে এই ধর্মের মুল্যায়ন কি হতে পারে।যেখানে মানবতাই নির্বাসনে।সব কিছু সর্টকার্ট দিয়ে হবে না।সর্টকার্ট মানেই ভাওতা বাজি।তাই গৃনা করি ধর্মান্ধ গজ্ঞিকা সেবিদের।ভালবাসি ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাকে।বিশ্ব মানবতার জয় হোক............

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:২২

বিজন রয় বলেছেন: গজ্ঞিকা সেবিদের সর্টকার্ট ডিজিটাল ধর্ম চর্চা।.......... গঞ্জিকা হবে।

২| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৩৫

দি রিফর্মার বলেছেন: আপনার অতি সুন্দর অভিব্যক্তি প্রকাশের জন্য ধন্যবাদ। আমরা ধর্ম সম্পর্কে কিছু বলতে গেলে আমরা বিভিন্ন জনের, বিভিন্ন দেশের ও বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানের উদাহরণ দেই যাতে বিষয়টি বুঝতে সুবিধা হয়। কিন্তু একটা বিষয় সতর্কভাবে লক্ষ্য রাখা উচিত যে, ধর্ম তার অনুশাসনের মাধ্যমে পূর্ণতা লাভ করে। বিষয়টি একটু খোলাসা করি, যদি আমরা স্রষ্টার সংজ্ঞা জানতে চাই তাহলে বিভিন্ন ধর্মীয় দর্শণ ও অনুশাসনে কি বলা হয়েছে এবং আজকের যুগে তা অধিকাংশ ধর্ম বিশেষজ্ঞ (সাধারণ মানুষ নয়) তা বিবেচনা করে তুলনামূলক অধিক গ্রহনযোগ্য কোনটি তা নির্ধারন করেছেন তা আমাদের বিচার করেতে হবে। আরো সহজ ভাষায় যদি বলি, "সদা সত্য কথা বলিবে"-এটি একটি সার্বজনীন উপদেশ। কিন্তু আজকাল মোবাইলের যুগে এই উপদেশ পালনে আমরা কতটুকু যত্নবান তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সুতরাং ধর্ম পালনে সৌদি আরবের শাহী শেখগণ কি করিলেন ধর্ম বিচারে তা সবসময়ই নিন্দিত। ভালেে কাজ করলে তা ধর্ম বিচারে প্রশংসিত। কোন ভন্ড হুজুর কি করলো তা দিয়ে ধর্মকে বিচার করা যাবে না। ধর্মীয় অনুশাষন আমাদের নীতি নৈতিকতাকে উন্নত করে কিনা তা দেখতে হবে। আমি মুসলিম কিন্তু ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলি না। এর মানে এই নয় যে ইসলাম ধর্ম ইনভেলিড। বর্তমানে বিশ্বের সকল মানুষ ধর্ম থেকে দিন দিন দূরে সরে যাচ্ছে অনেক গুলো কারণে তার মধ্যে অন্যতম কারণ হল যে, আমরা ব্যক্তি কেন্দ্রিক হয়ে পড়েছি ও নৈতিকতাকে উন্নতির একটি প্রধান বাধা মনে করছি। এটি সর্বজন স্বীকৃত যে, সর্বোৎকৃষ্ট মানবীয় অনুশাসন ইসলাম ধর্মে বর্ণিত হয়েছে।

যাই হোক মানুষের কল্যানের সাথে যদি স্রষ্টার অনুগ্রহ পাওয়া যায় তবে আপনা মতেই তা পালন করা উচিত। কিন্তু আপনি আপনার লেখার শেষ লাইনটি আপানার দর্শনের বিপরীত একটি বাক্য যোগ করেছেন কেন তা আমি বুঝতে পারলাম না। তাহলে আপনি কি একজন ধর্মনিরপেক্ষবাদী? অনেকে বলে থাকেন মানবতার কোন ধর্ম নেই। কথাটি একদম সত্যি কথা। কিন্তু কথাটির মধ্যে একটা সূক্ষ্ণ মারেপচ আছে। সেটি হল মানুষকে ধর্মনিরপেক্ষতার দিকে নিয়ে যাওয়া। আমি একজন মুসলিম হিসাবে আমার হিন্দু বা খ্রিষ্টান বন্ধুটির বিপদের সময় এগিয়ে যাই তাহলে কি সেটা মানবতার সংজ্ঞার মধ্যে পড়েনা। অবশ্যই পড়ে এবং এর মাধ্যমে স্রষ্টার অনুগ্রহও লাভ করা সম্ভব। অতএব ধর্মনিরপেক্ষ মানবতার জয় হোক না বলে আসুন আমরা বলি -মানবতার জয় হোক।

৩| ২২ শে এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:১৮

আজিজুর বলেছেন: আপনার সাথে একমত

৪| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:১৫

মোহন মিয়া বলেছেন: তোদের মত আবালদের আবার ধর্ম কি তুমারাত শুধু একটি ধর্মকে নিয়ে টানাটানি করে ধর্মটাকে নষ্ট করে দিয়েছিস।তুমরা ধর্মনিরপেক্ষ মানে নাস্তিক আর নাস্তিক দের কটিন শাস্তি রয়েছে পরকালে।

৫| ২৩ শে এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ৭:১৯

আজিজুর বলেছেন:
ভাই ধর্ম নিয়ে টানাটানি করছি না শুধু ধর্মের অপব্যাক্ষা ও অপব্যবহারের কথা বলছি,

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.