নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আলেম হতে হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম লাগে বিধায় চরমোনাই ও জমিয়ত নেতারা আলেম নয়

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:০৫



সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ১৬ নাহল, ১২৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৫।ডাক তোমার রবের পথে, হিকমাত ও উত্তম ওয়াজের মাধ্যমে। আর তাদের সাথে তর্ক কর উত্তম পন্থায়। নিশ্চয়ই তোমার রব খুব জানেন কে তাঁর পথ ছেড়ে পথভ্রষ্ট হয়। আর তিনি খুব জানেন কোন সব লোক হেদায়াত প্রাপ্ত।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

* রাসূল (সা.)কিতাব ও হিকমাত শিক্ষা দিয়েছেন। কিতাব হলো অভিন্ন ফিকাহ। কারণ আল্লাহ ফিকাহ দিয়ে ভয় প্রদর্শন করতে ও সাবধান হতে বলেছেন। এই ফিকাহ অভিন্ন হতে হবে। কারণ আল্লাহ বিভিন্ন পথে চলতে নিষেধ করেছেন। কারণ বিভিন্ন পথে লোকেরা জাহান্নামে যায়, কিন্তু অভিন্ন পথে তারা জান্নাতে যায়। আর হিকমাতে আল্লাহ প্রচুর কল্যাণ থাকার কথা বলেছেন। তিনি তাঁর পথে ডাকতে বলেছেন হিকমাত ও উত্তম ওয়াজের মাধ্যমে।উত্তম ওয়াজ হলো অভিন্ন ফিকাহ।কারণ অভিন্ন ফিকাহ ছেড়ে বিভিন্ন ফিকাহের অনুসারী হয়ে লোকেরা জান্নাতের পথ ছেড়ে জাহান্নামে চলে যায়। সুতরাং আলেম হতে হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম লাগে।রাসূল (সা.) ব্যবসায় হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন।হযরত আদম (আ.) কৃষি হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হযরত নুহ (আ.) কাঠের কাজের হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হযরত ইদ্রিস (আ.) সেলাই হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হযরত ইব্রাহীম (আ.) ভাস্কার্য হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হযরত ইউসুফ (আ.) স্বপ্ন ব্যখ্যা হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হযরত মুছা (আ.) পশুপালন হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন।হযরত দাউদ (আ.) লৌহ প্রকৌশলের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হযরত সুলা্য়মান (আ.) মাছধরা হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন।হযরত ইসা (আ.) মৃতকে জীবিত করা হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছেন। হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রদান আল্লাহর সুন্নাত। আল্লাহর এ সুন্নাতে কেউ কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর এ সুন্নতে কেউ কখনও কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না। আল্লাহর এ সুন্নাতের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। আমি আইসিটি হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত হয়েছি। চরমোনাই পীর ও জমিয়তের আলেম হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম প্রাপ্ত না হওয়ায় তারা দশ দলের অভিন্ন পথ ছেড়ে বিভিন্ন পথে জাহান্নামের যাত্রী হয়েছে।কারণ তাঁরা ঐক্যের পথ ছেড়ে বিভেদের পথে গেছেন। তাদের জন্য মহাশাস্তি (জাহান্নাম) রয়েছে। জনাব তারেক রহমানের ব্যবসায় হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম আছে কি? তাহলে জমিয়তের তাঁর সাথে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার হেতু কি? চরমোনাই পীরের অভিন্ন ফিকাহের এলেমের সাথে হিকমাতের এলেম আছে কি? তাহলে তাঁর নিজমতকে প্রাধান্য দেওয়ার হেতু কি? ঐক্য নষ্ট করার জন্য হাজারটা যুক্তি আসবে। তবে সেই সব যুক্তির কথায় ঐক্য ছেড়ে জাহান্নামে যাওয়া যাবে না।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমরা ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করে ছিল। সে অগ্রাহ্য করলো, আর অহংকার করলো এবং কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।

* আখারিনের শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফা (র.) ব্যবসায় হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহ প্রাপ্ত হয়েছেন। যারা তাঁর সাথে ইখতিলাফ করেছে তাদের হিকমাত ছিল না। সুতরাং তারা যা উপস্থাপন করেছে সেটা ফিকাহ ছিল না, সেটা ছিল ইখতিলাফ।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (পরিশোধন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।

* ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় আব্বাসীয় (রা.) আহলে বাইত আমির হারুনুর রশিদের (র.) শুরা ইমাম আবু হানিফার (র.) ফিকাহ পরিশোধন করেছেন। এটা ইখতিলাফ নয় বরং ইসলাহ। ইসলাহ করতে আমিরের শুরা লাগে। যারা ইখতিলাফ করেছে তারা আমিরের শুরা ছাড়াই ওটা করেছে বিধায় তাদের কাজ ইসলাহ হয় নাই। আর ইসলাহে দুই পক্ষ লাগে তাদের দুই পক্ষ কই? কোন কিছু ইসলাম বিষয়ক হতে এর স্বপক্ষে ওহী লাগে। ওহীর সংশ্লিষ্টতা না থাকলে কোন কিছু ইসলাম বিষয়ক না হয়ে মনগড়া কথা হয়ে যায়।আর এ যুগে আলেম হতে আইসিটি হিকমাত লাগবেই।

মন্তব্য ১২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১৮

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: চরমোনাই ও জমিয়ত নেতারা আলেম না হলে জামাত নেতারা আলেম? :)

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:০৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:


মসজিদ সমূহে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা না করে ইমাম হোসেনও (রা.) ক্ষমতা পাননি

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

* রাসূল (সা.) মসজিদে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করেছেন এবং তিনি একটি মসজিদও মোনাফেকের দখলে যেতে দেননি। সেজন্য তাঁর সময় ইসলাম শক্তিশালী ছিল।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

* রাসূল (সা.) রেসালাতের কাজে ব্যস্ত থাকায় ফিকাহ সংকলন করেননি, তাঁর সাহাবায়ে কেরামও (রা.) ফিকাহ সংকলন না করায় রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় তাঁরা মতভেদে লিপ্ত হন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।

* রাসূলের (সা.) পর চব্বিশ বছরেও ফিকাহ সংকলন ও শিক্ষার সুব্যবস্থা না হওয়ায় জাহেলিয়াত বৃদ্ধি পায়। আমিরের মান্যতার বদলে জাহেলরা আমিরকে হত্যা করে বসে। এ ঘটনার পর সাহাবায়ে কেরাম (রা.)পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়ে হাজারে হাজারে নিহত হন। ফিকাহ সংকলন ও শিক্ষার সুব্যবস্থা না করায় আল্লাহ তাঁদের পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত না হওয়ার ইচ্ছা করেননি। এসব যুদ্ধের কারণে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। এভাবে কুফুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাসূলের (সা.) বায়ান্ন বছর পর কারবালায় জান্নাতের যুবনেতা হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।রাসূলের (সা.) পর বায়ান্ন বছর বেঁচে থাকলেও হযরত ইমাম হোসেন (রা.) ফিকাহ সংকলন ও শিক্ষার ব্যবস্থা করেননি এবং তাতে জাহেলিয়াত ব্যাপক বেড়ে যাওয়ায় তাঁর মাথা জাহেলদের হাত থেকে রক্ষা পাননি। আর জাহেলিয়াতের সময় খেলাফত প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেও তিনি খেলাফত প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হননি।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।

* রাসূল (সা.) ফিকাহ প্রাপ্ত হয়েছেন ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্তির পর।আখারিনের শুরা প্রধান ইমাম আবু হানিফাও (র.)ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্তির পর ফিকাহ প্রাপ্ত হয়েছেন। তাঁর শুরায় ফিকাহ সংকলিত হয়।ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ। আল্লাহ ওটা তাঁকে প্রদান করেন। কারণ আল্লাহ তাঁকে যে রিযিক দিয়েছেন ফিকাহের কাজে তিনি সেটা ব্যয় করেছেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (পরিশোধন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

* ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় আব্বাসীয় আহলে বাইত আমির হারুনুর রশিদের শুরা ইমাম আবু হানিফার (র.) ফিকাহের ইসলাহ সম্পন্ন করলে আমির তা’ অনুমোদন করেন।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতে সাব্যস্ত আমির অনুমোদীতে ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিলের বিধান রয়েছে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* যারা আল্লাহর অনুগ্রহ হিকমাত প্রাপ্ত হয়নি তারা কিতাব বুঝতে অক্ষম হয়ে আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে মতভেদে লিপ্ত হয়ে বিভিন্ন পথে নিজেদের অনুসারী সহ জাহান্নামে চলে যায়। যাদের আমির অনুমোদীত ফিকাহের সাথে কোন হিকমাতের সংযোগ ঘটেনি তারাও নিজেরা বিভ্রান্ত হয়ে অন্যদেরকে বিভ্রান্ত করে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।

* আল্লাহর কাজ হলো মসজিদ সমূহে আমির অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহের শিক্ষার ব্যবস্থা করা এবং মসজিদ সমূহ মোনাফেকের দখল মুক্ত করা। কারণ মসজিদ সমূহ মোনাফেকের দখলে থাকলে আল্লাহর কষ্ট লাগে।আল্লাহর কাজের মাধ্যমে এক তৃতীয়াংশ নাগরিককে ধৈর্যশীল ইসলামের অনুশাসনকারী বানিয়ে তারপর ইসলামের জন্য ক্ষমতা চাইলে আল্লাহ সেটি দিলেও দিতে পারেন। তারপর সেটি টিকে থাকবে সামরিক হিকমাতের সক্ষমতা থাকলে।আল্লাহর কাজ না করেই ডা. শফিক ও ফাইজুল করিম ক্ষমতা চাইলেই কি সেটা পেয়ে যাবেন? তাদের একজন ইসলামের জন্য এবং অন্যজন ইনসাফের জন্য ক্ষমতা চাচ্ছেন, কিন্তু তাঁরা মসজিদ সমূহে অভিন্ন ফিকাহ শিক্ষার ব্যবস্থা করে তৃতীয়াংশ নাগরিককে ধৈর্যশীল ইসলামের অনুশাসনকারী বানাননি। ফলে তাদের পক্ষে ক্ষমতা পাওয়ার মত নাগরিক শক্তি গড়ে উঠেনি। ক্ষমতা পাওয়ার জন্য তারা একত্রিত হয়ে ছিলেন। পরে তারা আলাদা হয়ে গেলেন। সুতরাং এখন যিনি ইসলাম ও ইনসাফের জন্য ক্ষমতা না চেয়ে জনসেবার জন্য ক্ষমতা চান সেই তারেক রহমান ক্ষমতা পেতে পারেন। তিনি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষি কার্ডের মাধ্যমে জনসেবা করার কথা বলেছেন। চরমোনাইর ইসলাম, জামায়াতের ইনসাফ, বিএনপির জনসেবা কোনটির জন্য আল্লাহ ক্ষমতার অনুমোদন প্রদান করবেন, নাকি জনাব ড. ইউনুস জুলাই সনদ বাস্তবায়নে ক্ষমতায় থেকে যাবেন সেটা ভবিষ্যতে দেখা যাবে।

২| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আলেম তথা জ্ঞনী হতে হলে ধর্মীয় বিষয়ের সাথে জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় পারদর্শি হতে হয় । যে কলম দিয়ে
লিখছে , যে কিতাব পড়ে আলেম হচ্ছে, যে মোাবাইলে কথা আদান প্রদান করছে,যে মাইক্রোফোনে , কথা বলছে ,
কোন প্রযুক্তির বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিচরণ করতে পারছে , কোন প্রযুক্তি বলে আধুনিক সব যান
বাহনে যাতায়াত করছে , কোন গুনে আধুনিক চিকিতশা নিয়ে সুস্থ খাকতে পারছে, চোখে চশমা লাগিয়ে বৃদ্ধকালে
ভাল করে দেখতে পারছে , কোন প্রযুক্তি বলে বধিরো এখন শব্দ শুনতে পারছে , কোন প্রযুক্তিতে অন্ধও এখন
লেখা পড়া করতে পারছে, দোয়া কালাম,কবিরাজ তাবিজে ব্যর্থ হয়ে শেষ কালে আধুনিক চিকিতসায় সুস্থ হতে
পারছে , জীবন যাপনের জন্য রান্না বান্নার জন্য আধুনিক চুলা, মাইক্রোোয়েবও খাদ্যসামগ্রী ফ্রিজার ও ডীপ ফ্রিজে
রাখতে পারছে প্রভৃতি ক্ষেত্রে হিকমতের সাথে অভিন্ন ফিকাহ বিষয়ে পড়াশুনা করা কেও যদি হিকমতের যা
আরবি ح-ك-م (হা–কা–মীম) ধাতু থেকে উদ্ভূত এবং হিকমত শব্দের মূল অর্থ হলো নিয়ন্ত্রণ করা সঠিকভাবে
পরিচালনা করা, বিচার-বিবেচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত দেওয়া।

আমার বলা উপরূক্ত বিয়য় সমুহে প্রযুক্তিগত জ্ঞানে পারদর্শী না হয়, সেগুলি বিধাতার দান অর্জিত হিকমত দ্বারা
সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রন করতে না পারে, সঠিকভাবে নীজে পরিচালন করতে না পারে , সেগুলি সঠিকভাবে কাজ
না করলে নীজের এলেম ( বিচার জ্ঞান বুদ্বি প্রভৃতি) দিয়ে সঠিক ভাবে পরিচালিত করতে কি পারবে?

তাই আলেম উপাদি পেতে হলে তাকে জীবনাচারের প্রয়োজনীয় সব বিয়য়েই পারদর্শী হতে হবে যা একজীবনে
কোন মানুষের পক্ষেই সম্ভব নয়


সে হিসাবে ঠিকই বলেছেন চরমোনাই বা জমিয়তের কাওকে আলেম বলা কি যাবে!!!!!! হতে পারেন তিনি
কোন একটি বিশেষ বিষয়ে জ্ঞনী কিন্তু সার্বিকভাবে আলেম নন।

যাহোক, ফিকহ বিষয়ে কেও আপনার পোস্টের কথা আনুযায়ী আলেম আলেম বলে বিবেচিত হতে হলে
উনাকে ফিকহ বিষয়ে আলেম বলে অভিহিত করা যায় ।

শুভেচ্ছা রইল

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:১৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আলেম হতে হলে অভিন্ন ফিকাহের এলেমের সাথে দেশ রক্ষার এলেম থাকতে হবে। শত্রুপক্ষ জাতিকে ধ্বংস করে দিলেও কারো যদি চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার না থাকে তাহলে এমন আলেম দিয়ে আল্লাহ কি করবেন< রাসূল (সা) তো এমন অক্ষম আলেম ছিলেন না।

৩| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৪৯

নতুন নকিব বলেছেন:



আলেম হতে হিকমাতের সাথে অভিন্ন ফিকাহের এলেম লাগে বিধায় চরমোনাই ও জমিয়ত নেতারা আলেম নয়

-চরমোনাই ও জমিয়ত নেতাদের ফিকাহর ইলম নেই- আপনি নিশ্চিত?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২০

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: রাসূলকে (সা) আল্লাহ কিতাব দিয়েছেন ব্যবসায় হিকমাতের পর, তারপর তাঁর মাঝে যুগ উপযোগী সামরিক ও চিকিৎসা হিকমাত ছিল। এ যুগে কেউ আইসিটি হিকমাত ছাড়া আলেম বিবেচিত হবে না। সাইবার হামলা ও সামরিক হামলা থেকে জাতিকে নিরাপদ রাখার যোগ্যতা সম্পন্ন অভিন্ন ফিকাহের জ্ঞানধারীগণ হলেন বড় আলেম। শুধু ফিকাহ থাকলে তো হবে না, সেই সাথে হিকমাতও থাকতে হবে। তারপর ছোট আলেম হওয়া যাবে। অনেকে নিজেকে যেমন মস্তবড় তালগাছ ভাবে আসলে বিষয়টি সেরকম না। তাদের অনেকে স্রেফ আগাছা। সেজন্য তাদের দ্বারা জনতা উপকৃত না হয়ে উল্টা ক্ষতিগ্রস্থ্য হয়।

৪| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কি আলেম?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২৩

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমাকে ছোট মাপের আলেম বলা যাবে। কারণ অভিন্ন ফিকার জ্ঞানের সাথে আমার আইসিটির খানিকটা জ্ঞান আছে। বড় আলেম হতে অভিন্ন ফিকাহের এলেমের সাথে সাইবার নিরাপত্তা, সামরিক নিরাপত্তা, প্রকৌশল নিরাপত্তা এবং চিকিৎসা নিরাপত্তার যথেষ্ট এলেম থাকতে হবে।

৫| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: হাস্যকর পোস্ট।পাগলেও বুঝবে এটা মুর্খতায়পূর্ন একটি পোস্ট।

সবাই সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবে এটা জুুরুরি নয়।ভাগ ভাগ হয়ে একেকদল একেক বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে। একটা মানুষ সব বিষয়ে জ্ঞান অর্জন করবে এটা বিরল।একেকজন একেকবিষয়ে জ্ঞান অর্জন করতে পারে।তবে মুসলমানদের মধ্যে এমন এক্টা জামাত থাকতে হবে যারা দুনিয়াবি বিষয়েও জ্ঞান অর্জন করবে,বিভিনন প্রয়োজনে

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সভ্যতায় পিছিয়ে পড়া শিক্ষা দিয়ে আপনার পরের তাবেদারী ছাড়া উপায নেই। এমন অপদার্থ বান্দা আল্লাহর কাম্য নয়।

৬| ১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ইসলাম ধর্মেতো পীর জিনিষটাই শিরক । অন্য কোন মুসলিম দেশে এইসব পীর, ফির জাতীয় ভন্ডের দেখা পাওয়া যায় না। বিএনপির বর্তমান বেইমানিমুলক আচরনের কারনে জামাতে ইসলামির উত্থান হয়েছে। গনুভ্যূত্থানের ফসল আজকে বিএনপির ঘরে যাওয়ার কথা। কিন্তু তারা হাটছে গনঅভ্যূত্থানের স্পিরিটের সম্পুর্ন বীপরিত দিকে!! জামাত নিজেও একটা ভন্ডের দল। তাইতো ফ্যসিস্ট দোষর চরমোনাইয়ের জন্য তাদের অন্তর পুরে যাচ্ছে। জামাত কি ইচ্ছে করলে নিজ দল থেকে ভাল পার্থী দিতে পারে না? আসলে দেশের ভাল কেউই চায় না। সবাই চায় ক্ষমতা ভাগ বাটোয়ারা করে নিজের আখের গোছাইতে।

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা ঐক্যবদ্ধ হতে জানে না তাদের ইসলাম যে আসলে কি সেটা আমার বোধগম্য নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.