নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

হে ফুল তোমায়

০২ রা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৫৭



সীমান্ত অনেক দূরে তথাপি নিকটে
মনে হয় ছোঁয়া যাবে হে ফুল তোমায়
সঙ্খনদ ওপারেতে গোধূলী বেলায়
বিদ্যমান যেন তুমি মনোরমা রথে।
বাইনোকুলার যন্ত্রে আয়নার পটে
দোলখাও ওহে তুমি আনন্দ দোলায়
এদিক ওদিক দৃষ্টি উড়ে পাখনায়
ছুটে চলে প্রেয়সীর সান্নিধ্যের পথে।

একদিন যদি পাই কি হবে তখন?
শান্তিরা উদাস হয়ে ছুটবে প্রচুর
উতলা অনেক হবে প্রেমিকের মন।
হে পাখি উড়তে থাক পথ নয় দূর।
মিলনের সময়েরা আপ্লুত কাটুক
বিরহের আঁধারেরা পিছনে হাটুক।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: একজনের নাম সীমান্ত। তাকে বললাম তোমার নাম আমার খুব পছন্দ। দেখি একটা সনেট হয় কিনা। তারপর হয়ে গেল।

০২ রা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অবশ্য কবিতার বিষয় সীমান্ত নয়।

২| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: ভীষন সুন্দর খুব ভালো লাগলো

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:২৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: উৎসাহ প্রদানের জন্য ধন্যবাদ।

৩| ০২ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:০০

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



ফুলকে নিয়ে সনেটে নিবেদন সুন্দর হয়েছে ।

দেখুনতো আপনার বিজ্ঞতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে আমার প্রথম প্রয়াসটি কেমন হয়েছে ?

হে ফুল তোমায়

হে ফুল, তোমায় ডাকি প্রভাত বেলায়
শিশির ভেজা প্রাতের গোপন আরতি
তব রঙে জাগে হৃদয়ে গভীর মায়া
তোমার ঘ্রাণে মেশে সেই মধুর স্মৃতি।
মলিন দিন শেষে ক্লান্ত প্রাণের তলে
তুমি যেন স্বপ্ন হয়ে নামো ধীরে ধীরে
ঝরা পাতায় বাজে তোমারই আহ্বান
ক্ষয়িষ্ণু সময়ে রাখো জীবনের মান।

তব পাপড়িতে লেখা ক্ষণিকের গান
তবু তাতে লোকায় চিরসুন্দর স্পর্শ।
প্রভাত আলোয় তুমি শেষ অভিমান
আঁধার ভেঙে দাও নিরাবতার হর্ষ ।
হে ফুল, ক্ষুদ্র তুমি তবু অন্তর জুড়ে
মানব স্বপ্ন জাগাও অনন্তের সুরে।

শুভেচ্ছা রইল

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৬

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সনেটের চৌদ্দ অক্ষরের প্রথমাংশ আট ও পরের অংশ ছয় অক্ষরে লিখতে হয়।

৪| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:১৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:







মন্তব্যের ঘরে একলাইনে সংক্ষেপে আপনার কথাগুলি যথা
সনেটের চৌদ্দ অক্ষরের প্রথমাংশ আট ও পরের অংশ ছয় অক্ষরে লিখতে হয়
শুনে আমি ভয়ানক ভাবে দ্ধিধা গ্রস্থ হয়ে গেলাম । কারণ আমার প্রথম প্রয়াস হিসাবে একটি সনেট কবিতা
কিরূপ হয় তা একটু জেনে নিয়ে প্রাথমিক ধারনা নয়ে আপনার “ হে ফুল তোমায় “সনেট কবিতাটির কিছু
ভাবনা মানষপটে ধারণ করে আমার কবিতাটি লিখে মন্তব্যের ঘরে তুলে দিয়ে আপনার কাছ থেকে একটি
মুল্যায়ন কামনা করেছিলাম ।

যাহোক আপনার মুল্যায়নটি বা পরামর্শটুকুতে থাকা কথামালার আলোকে আমার লেখা কবিতিটির উপরে
আমার স্কুল জীবনের সহপাঠি এক বন্ধুর কাছে (সে পরে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ে একজন অবসরপ্রাপ্ত
প্রফেসর ) আমার লেখা কবিতাটির উপর মুল্যায়ন ও একটি সঠিক সনেট কবিতা লেখার বিষয়ে দিক নির্দেশনা
চেয়েছিলাম । প্রতি উত্তরে সে কি বলেছে তা নীচে হবহু তুলে দিলাম ।

ভাই, তোমার সনেটটি মূল্যায়ন করতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই তুলনা এসে পড়ে বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল
মধুসূদন দত্ত–এর সনেটরীতির সঙ্গে। তিনি মূলত ইতালীয় (পেত্রার্কীয়) কাঠামো অনুসরণ করে বাংলা সনেট নির্মাণ
করেন এবং ১৪ অক্ষরের অমিত্রাক্ষর ছন্দে অষ্টক–ষষ্টক বিভাজন প্রতিষ্ঠা করেন।
সেই বিষয়টিই মনে রেখে তোমার কবিতাটির একটি গভীর ও গঠনমূলক মূল্যায়ন তোমাকে জানাচ্ছি।

প্রথমেই কাঠামোগত মূল্যায়ন বিষয়ে বলছি তুমি সনেটের মৌলিক কাঠামো যথার্থভাবে অনুসরণ করেছ যথা
মোট ১৪ পংক্তি, প্রথম ৮ লাইন অষ্টক , প্রতি পংকতিতে ১৪ অক্ষর, পরের ৬ লাইন ষষ্টক ও সেখানেও প্রতি
পঙ্তিতে ১৪ অক্ষর ঠিক আছে । অষ্টক ও ষষ্টকের মাঝখানেও ভাবগত মোর আছে ।

এদিক থেকে এটি সনেট রীতির প্রতি সচেতন আনুগত্য নির্দেশ করে। বিশেষত তব পাপড়িতে লেখা ক্ষণিকের গান
লাইনটি ভাবের বাঁক তথা turn of thought সূচিত করেছে,যা মধুসূদনের সনেটেও লক্ষ্য করা যায়।
তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল মধুসূদনের সনেটে কেবল অষ্টক–ষষ্টক বিভাজন নয়, অষ্টকে একটি ভাব সমস্যা
বা চিত্রকল্পের প্রতিষ্ঠা এবং ষষ্টকে তার দার্শনিক ব্যাখ্যা, অন্তর্দ্বন্দ্ব বা উপসংহার থাকে। তোমার কবিতায় ভাবের
সৌন্দর্য আছে, কিন্তু দার্শনিক সংঘাত বা নাটকীয় উত্তরণ তুলনামূলকভাবে অনেইকটা মৃদু।

দ্বিতীয়ত ছন্দ ও মাত্রাবিন্যাসে তোমার কবিতায় ১৪ অক্ষরের অমিত্রাক্ষর ছন্দের অবতারনা দেখা গেলেও
সামগ্রিকভাবে লাইনগুলো ১৪ অক্ষরের থাকলেও কিছু স্থানে মাত্রা ও উচ্চারণগত ভারসাম্য খানিকটা নড়বড়ে
হয়েছে। যেমন
ঝরা পাতায় বাজে তোমারই আহ্বান
ক্ষয়িষ্ণু সময়ে রাখো জীবনের মান।
কিছু লাইনে স্বরবর্ণের টান ও যুক্তাক্ষরের গণনায় উচ্চারণভেদে অক্ষর গননায় সুক্ষতম তারতম্য হতে পারে।
মধুসূদনের অমিত্রাক্ষর ছন্দে উচ্চারণগত প্রবাহ অত্যন্ত দৃঢ় ও গাম্ভীর্যমণ্ডিত। যেমন তাঁর সনেটগুলোতে ধ্বনির
অনুপ্রাস ও গাম্ভীর্য একত্রে কাজ করে। তোমার কবিতায় ধ্বনিগত কোমলতা বেশি তবে মধুসূদনের মতো
উচ্চারণ-নাট্যগাম্ভীর্য তুলনায় কম।

ভাষাশৈলীর বিষয়ে বলা যায় তুমি তব , হে, প্রভাত, লোকায়,নিরাবতার এই ধরনের তৎসম ও প্রাচীনঘেঁষা
শব্দ ব্যবহার করেছ, যা মধুসূদনীয় ভঙ্গির অনুকূল।তবে মধুসূদনের ভাষা কেবল প্রাচীন নয়, তা ছিল মহাকাব্যিক
ও তেজস্বী। উদাহরণস্বরূপ তাঁর কাব্যভাষা আমরা স্পষ্টভাবে দেখি মেঘনাদবধ কাব্যে, যেখানে বাগভঙ্গি শক্তিশালী
ও চিত্ররূপ তীব্র।সেখানে তোমার কবিতায় ভাব কোমল, রোমান্টিক ও অন্তর্মুখী। এটি সুন্দর, কিন্তু মধুসূদনের
সনেটের যে অন্তর্নিহিত ট্র্যাজিক মহিমা ও দার্শনিক ঔজ্জ্বল্য সে তুলনায় অনুপস্থিত।

ভাব ও দার্শনিকতার বিষয়ে বলা যায় তোমার কবিতার মূল সুর দেখা যায় ক্ষণিকতা বনাম চিরন্তনতা, সৌন্দর্য
ও মানবস্বপ্ন,ক্ষুদ্র ফুলের মাঝে অনন্তের ইঙ্গিত, এই ভাবটি প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শেষ দুটি লাইন
হে ফুল, ক্ষুদ্র তুমি তবু অন্তর জুড়ে
মানব স্বপ্ন জাগাও অনন্তের সুরে।

এখানে সার্থক উপসংহার আছে। তবে মধুসূদনের সনেটে প্রায়ই দেখা যায়
আত্মসমালোচনা, অস্তিত্বের দ্বন্দ্ব,নিয়তি বনাম মানব ইচ্ছা,ট্র্যাজিক আত্মবোধ
তোমার কবিতা শান্ত ও সুরেলা তবে মধুসূদনের সনেট প্রায়ই অন্তর্দহনময়।

সামগ্রিক মূল্যায়নে বলা যায় তোমার কবিতার কাঠামো সঠিক, ভাব সুন্দর ও সুসংহত, ভাষা আঙ্গিকসম্মত,
উপসংহার সফল। তবে ছন্দে আরও কঠোরতা প্রয়োজন,ভাব-সংঘাত বা নাটকীয় উত্তরণ কম, মধুসূদনীয়
গাম্ভীর্য ও দার্শনিক তীক্ষ্ণতা সীমিত।

মোদ্যা কথা হল কবিতাটি সনেটরীতির যথেষ্ট সচেতন প্রয়াস এবং আঙ্গিকগতভাবে গ্রহণযোগ্য, তবে মধুসূদনের
প্রকৃত সনেট ঔজ্জ্বল্যে পৌঁছাতে ভাবের গভীরতা, ভাষার গাম্ভীর্য ও ছন্দের কঠোরতা আরও শাণিত করা প্রয়োজন।

এখন তোমার চাহিদামত একটি সার্থক সনেট রচনার বিস্তারিত দিকনির্দেশনা লিখে দিলাম
১. কাঠামো হবে ক) ১৪ পংক্তি, অষ্টক (৮) + ষষ্টক (৬) খ) ভাবের মোড়; ৮ম ও ৯ম লাইনের মাঝে চিন্তার বাঁক
আনতে হবে।

২. ছন্দ প্রসঙ্গে মনে রাখতে হবে বাংলা সনেটে সাধারণত:১৪ অক্ষরের অমিত্রাক্ষর ছন্দ,সমান গতি. উচ্চারণগত
ভারসাম্য থাকতে হবে ।লাইন লেখার পর জোরে পড়ে অক্ষর গুনতে হবে। কেবল লিখিত গণনা নয়, শ্রুতিগত
ছন্দ বিচার করতে হবে।

৩।ভাব নির্মাণ পদ্ধতি প্রসঙ্গে বলছি; অষ্টকে একটি দৃশ্য, সমস্যা, প্রশ্ন বা আবেগ প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
ষষ্টকে ব্যাখ্যা, দার্শনিক উপলব্ধি বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

৪,ভাষা প্রসঙ্গে তৎসম শব্দ ও গাম্ভীর্য থাকতে পারে কিন্তু অযথা দুর্বোধ্যতা নয়, অনুপ্রাস ও ধ্বনিগত ঐক্য গুরুত্বপূর্ণ
এ কথা মনে রাখতে হবে ।

৫. চিত্রকল্প কেমন হবে সে সম্পর্কে বলছি ভালো সনেটে দৃশ্যমান ছবি থাকতে হবে বিমূর্ত ভাবও দৃশ্যের মাধ্যমে
প্রকাশ পায় যেমন তোমার কবিতা হতেই বলছি ফুল থেকে ক্ষণিকতা, ক্ষনিকতা থেকে মানবজীবন, মানব জীবন
থেকে অনন্ত প্রভৃতি রয়েয়ে দেখা যায় , বিষয়টি প্রসংসনীয় ।

৬. এবার আসা যাক কবিতায় দার্শনিক ঘনত্বটি নিয়ে। সনেট ছোট হলেও ভাবের গভীরতা বেশি হতে হবে।
প্রশ্ন রাখতে হবে জীবন কী? ক্ষয় কি সত্য? মৃত্যু কি অন্ত? সৌন্দর্য কেন ক্ষণস্থায়ী?

৭, শেষ দুই লাইনের শক্তির প্রতি দৃষ্টি দিতে হবে । বাংলা সনেটে শেষ দুই লাইন প্রায়ই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মতো
কাজ করে। তাই এখানেই সবচেয়ে বেশি ঘনীভবন দরকার।

সার কথা হিসাবে বলা যায় তোমার কবিতা একটি সুন্দর ও সার্থক প্রয়াস। আরও কঠোর ছন্দচর্চা, দার্শনিক
সংঘাত ও ভাষার তীক্ষ্ণতা যোগ হলে এটি মধুসূদনীয় গাম্ভীর্যের দিকে এগোতে পারবে।
পারলে আমার দিকনির্দেশনার আলোকে তোমার কবিতাটিকে একটু সংশোধন /পরিমার্জন করে পাঠাও।
দেখি তুমি কতটুকু বুজেছ আর পেরেছ ।

তার কথা শুনে বুঝলাম ভাল গ্রহনযোগ্য বাংলা সনেট কবিতা লেখা আমার সাধ্যে নেই ।
তার পরেও চেষ্টা করে কবিতাটিকে যতটুকু পারি পুর্ণলিখন করলাম । তার কাছেও পাঠাব
আর আপনার মুল্যবান মুল্যায়ন টুকুও শুনার জন্য সংশোধিত কবিতাটি এখানে তুলে দিলাম।
চেষ্টা করে দেখব বাংলা সনেট কবিতা লিখতে পারা যায় কিনা ।

সৃশোধিত কবিতা


হে ফুল তোমায়

হে ফুল, প্রভাত অরুণে তোমারে ডাকি
শিশির মুক্তা ভরি গোপন সাধনায়
তব রাঙা পত্রে জাগে মোর চিত্তপাখি
মধুর গন্ধে স্মৃতি ভাসে তব কায়ায়।
দিনান্ত-ক্লান্ত প্রাণে সন্ধ্যার-ছায়া নামে
তুমি স্বপ্ন শশীসম মৃদু অবতর
ঝরা পত্র তলে শ্রুত হয় তব নাম
ক্ষয়িষ্ণু কালের মাঝে অক্ষয় অন্তর।

ক্ষণিক ফুল তবু পাপড়ি লিখে গান
মরুসম জীবনে ঢালে অমৃত রস
মলিন ভুবনে তব ক্ষুদ্র সত্তা দান
অনন্তের সুরে জাগে দারুন বিস্ময়।
হে ফুল, ক্ষুদ্র তুমি তবু অন্তর জুড়ে
মানব স্বপ্ন জাগাও অনন্তের সুরে।

জানিনা এখন এটা কী ভাব ধরে বিজ্ঞ লোকদের কাছে । তবে যে কোন মুল্যায়নই আমার কাছে মহামুল্যবান।

তবে কীভাবে এটি মধুসূদনীয় ঘরানার নিকটবর্তী করার প্রচেষ্টা করেছি তাও একটু লিখে দিলাম এখানে:-
১. ভাষার গাম্ভীর্য বৃদ্ধি যথা তোমায় স্থলে তোমারে লিখে , ঘ্রাণ স্থলে গন্ধ লিখে
২. দার্শনিক উত্তরণ কিছুটা স্পষ্ট করেছি যথা অষ্টকে ফুলের রূপ ও প্রভাব।
ষষ্টকে ক্ষণিকতা বনাম অনন্তের দ্বন্দ্ব , ক্ষণিক ফুল থেকে ভাবের মোড়।
৩. মহাকাব্যিক ধ্বনি হিসাবে অনুপ্রাস: মলিন ভুবনে তব ক্ষুদ্র সত্তা দান
উচ্চারণে দৃঢ় ব্যঞ্জনবহুলতা এনেছি ।
৪. অধিবাস্তবতার দৃষ্টি কিছুটা সৃষ্টি করেছি
শেষ দুটি লাইনে ক্ষুদ্রের মধ্যে অনন্তের উপলব্ধি
যা মাইকেল মধুসূদন দত্ত–এর সনেট রীতির দার্শনিক ঘনত্বের অনুরূপ মনে হতে পারে ।

শুভেচ্ছা ও শ্রদ্ধা রইল সনেট কবির প্রতি

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৪৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে
সতত তোমারি কথা ভাবি এ বিরলে -
অক্ষরের আট+ ছয়, মধুসোধনের কবিতায় আছে। আপনি হয়ত সেভাবেও কবিতা লিখতে পারবেন। আপনি যেমন বিস্তারিত প্রতি মন্তব্য লিখে থাকেন, আমি হয়ত সেভাবে লিখি না। আমি ফেসবুকের অনেক গ্রুপে পোষ্ট দিয়ে থাকি। তাতে আমার অনেক সময় ব্যায় হয়। আপনার প্রতি মন্তব্য গুলো ভালো হয়। এর দ্বারা পাঠক উপকৃত হয়। সেজন্য আপনার পোষ্টের ক্ষেত্রেও পাঠক প্রিয়তা বেশী। আমি অনেক মুসলিমকে এক সুতায় গাঁথতে চাই তারজন্য আমি ২০১৬ থেকে কাজ করছি। আমার পোষ্টে কারো মতভেদ বিরল ঘটনা। আপনি সব বিষয় নিয়ে লিখে থাকেন। আপনার পাঠক প্রিয়তাও রয়েছে। সবশেষ সনেটে মনযোগ দিয়েছেন। এটি অত্যন্ত একটি ভালো বিষয়।কবিতা লিখতে পারার সংখ্যা অনেক বেশী। কিন্তু সনেট লিখতে পারার সংখ্যা অনেক কম। সেই কমের কাতারে আপনি যোগ হয়েছেন, সেজন্য আপনাকে স্বাগতম। এ ক্ষেত্রে হয়ত আপনি আমারে চেয়ে ভালো করবেন। এর আগে কবি হাবিব লিখতেন। কিন্তু বহুদিন হলো তাঁকে ব্লগে দেখা যায় না।

৫| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫৭

রাজীব নুর বলেছেন: সহজ সরল সুন্দর।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৮

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধন্যবাদ

৬| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:০৭

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এবার ভালোবাসা দিবসে আপনার প্রমিলা ভক্তরা আপনাকে কতগুলো ফুল উপহার দিয়েছে?

কবিতা ভালো হয়েছে।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: বিয়ের পর এক জনের বেশী অন্য কারো ভালোবাসা আশা করতে নাই।

৭| ০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৪১

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: আইন পাশ হয়েছে- আপনি চারজনের কাছ থেকে ফুল নিতে পারেন সমস্যা নেই।

০৩ রা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৫৯

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: হাতে ফুল নিলে কল্লা খোয়াগেলে বিষয়টা কি হবে?

৮| ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম। কে কি মন্তব্য করেছেন সেটা জানতে।

০৫ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৭

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.