| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* আল্লাহ যাদেরকে মহাপুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন ইরানের একপক্ষ তাঁদের তিরস্কার করে। আর ইরানের অন্য একপক্ষ আল্লাহর কথা বিশ্বাস করে না। আল্লাহ যাঁদেরকে মহাপুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন আমি তাঁদের প্রশংসা করি। আর আমি আল্লাহর কথা বিশ্বাস করি। এ শ্রেণীর লোক ইরানে খুব কম। এ জন্য আমি ইরান নিয়ে ভাবছি না। ইরান আমেরিকার দখলে গেলে যে সব দেশের সমস্যা তারা ইরান নিয়ে ভাবুক।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
# সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের তাফসির তাফসিরে ইবনে কাছির
৪০। আল্লাহ তা’আলা জিহাদ পরিত্যাগকারীদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন, তোমরা যদি আমার মহান রাসূলের (সা.) সাহায্য সহযোগিতা ছেড়ে দাও তবে জেনে রেখ যে, আমি কারো মুখাপেক্ষী নই। আমি নিজে তাঁর সহায়ক ও পৃষ্ঠপোষক। ঐ সময়ের কথা তোমরা স্মরণ কর যখন হিজরতের সময় কাফেররা আমার রাসূলকে (সা.) হত্যা করা বা বন্দী করা বা দেশান্তর করার চক্রান্ত করেছিল। তখন তিনি প্রিয় সহচর আবু বকরকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে গোপনে মক্কা থেকে বেরিয়ে যান। সেই সময় তাঁর সাহায্যকারী কে ছিল? তিনদিন পর্যন্ত তাঁরা সাওর পর্বতের গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য এই যে, তাঁদের ধাওয়াকারীরা তাঁদেরকে না পেয়ে যখন নিরাশ হয়ে ফিরে যাবেন, তখন তাঁরা মদীনার পথ ধরবেন।ক্ষণে ক্ষণে আবু বকর (রা.) ভীত বিহবল হয়ে উঠেন যে, না জানি কেউ হয়ত জানতে পেরে রাসূলকে (সা.) কষ্ট দিবে। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে সান্তনা দিয়ে বললেন, হে আবু বকর! দু’জনের কথা চিন্তা করছ কেন? তৃতীয় জন যে আল্লাহ রয়েছেন।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
সূরাঃ ৪ নিসার ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* আল্লাহর তিনজনের তালিকার প্রথম জন হযরত আবু বকর (রা.), দ্বিতীয় জন মহানবি (সা.) এবং তৃতীয় জন আল্লাহ নিজে। নীচ থেকে মর্যাদা সাজালে আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) পর সবচেয়ে বেশী মর্যাদা হযরত আবু বকরের (রা.)। মিরাজের ঘটনায় রাসূল (সা.) হযরত আবু বকরকে (রা.) সিদ্দিক বা সত্যবাদী বলেছেন। সেজন্য মুমিনগণ হযরত আবু বকরের (রা.) সাথেই থাকবেন। কিন্তু ইরানী শিয়া ও নাস্তিক হযরত আবু বকরের (রা.) সাথে নাই। শিয়ারা হযরত আবু বকরকে (রা.) লানত দেয়। যে লানতের স্থান নয় তাকে লানত দিলে লানত, লানত প্রদানকারীর দিকে ফিরে। ইরানীরা সেই সূত্রে পড়ে গেলে লানত থেকে তাদেরকে কে রক্ষা করবে? মধ্যপ্রাচ্যের অন্য দেশ সমূহ বিপদগ্রস্থ্যদের সাহায্যে যথাযথ দায়িত্ব পালন করে না। সুতরাং তাদেরকে রক্ষা করাও আল্লাহ তাঁর দায়িত্ব মনে করেন না। ইরানীদের সাহায্যে আল্লাহ পাঁচ হাজার ফেরেশতা পাঠালে অন্য কোন শক্তি তাদের ক্ষতি করতে পারার কথা নয়। আল্লাহ যদি ইরানের ক্ষমতা ইসরায়েলের হাতে ছেড়ে দেন তাতে কার কি করার থাকবে। ইসরাইলী হলো ইহুদী। ইরানী বাসিন্দাদের মধ্যে তারাও আছে। তো তাদের জাতভাইদেরকে আল্লাহ ক্ষমতা দিলে কার কি বলার থাকতে পারে? ইরানী শিয়ারা মহানবির (সা.) স্ত্রী হযরত আয়েশাকেও (রা.) তিরস্কার করে? তারা তাদের কন্যার নাম আয়েশা রাখে না। তাদের স্পর্ধা কতটুকু? এরপর তারা নিজেদেরকে রক্ষা করতে পারলে করবে। তাদের ভাবনা অন্য মুসলিমদের ব্যক্তিগত ভাবনার বিষয় নয়। তবে তাদের দেশে ইসরাইল ঘাটি গাঁড়লে যেসব মুসলিম দেশের সমস্যা হতে পারে সেসব মুসলিমদেশ তাদের ভাবনা ভাববে। আমাদের দেশ হলো কচু পাতায় জমা শিশিরের মত। আমরা না হয় ঘটনা ঘটার পর ভাবব আমরা কি করতে পারি। একাত্তরে আমরা এমনটাই করে ছিলাম। তারপর আমরা এখন একটি দেশ। আবার কোন ঘটনা ঘটলে তখন না হয় দেখা যাবে আমাদের দেশ থাকে নাকি বিলুপ্ত হয়। দু’শ বছর ইংল্যান্ড আমাদের দেশ শাসন করেছে। পাকিস্তান আমাদের দেশ শাসন করেছে চব্বিশ বছর। এখন আমরা স্বাধীন। বিষয়টা ভালো লাগার। আমাদের ভালো লাগা আমাদেরকেই বজায় রাখতে হবে। কারণ আমাদের দেশের বেশিরভাগ মানুষ আগে মুসলিম না হয়ে আগে বাংলাদেশী। সেজন্য আমাদের দেশকে রক্ষা করার দায় আল্লাহর নয়।
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
* আল্লাহ বলেছেন শত্রুকে সন্ত্রন্ত রাখার ব্যবস্থা করতে। এর বদলে সৌদি আরব শূন্যে স্টেডিয়াম বানাচ্ছে। কিসের মধ্যে কি? হাদিসে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইহুদী সাম্রাজ্য বিস্তারের কথা আছে। তারপর তাদের পতন হয়ে মুসলিম উত্থান ঘটলে তারা ইহুদী জাতিকে পাইকারী হত্যা করবে। আর উত্থান-পতন ঐতিহাসিক সত্য। আমরা শেখ হাসিনার উত্থান-পতন দেখেছি। আর তারেক জিয়ার পতনের পর উত্থান দেখলাম। আর শেখ হাসিনা ফিরে আসলেও অবাক হব না।
২|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩৫
কিরকুট বলেছেন: ইয়া নফসি ইয়া নফসি করুন । এইটাই আখেরে কাজ দেবে ।
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যে কিছুই করার থাকে না। শেখ হাসিনার অবস্থা কেমন দেখলেন? অবশেষে তিনি বেড়াতে গেলেন। তাঁর গণভবন এখন তাঁকে মিস করে।
৩|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
নতুন বলেছেন: ইরানীরা কি সহী ইসলামী পথে আছে? শিয়া বতবাদ কি সহী? তাদের তো অনেকেই মুসলিম বলে না।
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আল্লাহ সাহাবায়ে কেরামের (রা) প্রশংসা করলেন, আর শিয়ারা তাঁদের তিরস্কার করে। তারমানে শিয়াদের অবস্থান আল্লাহর বিপরীতে। সেজন্যই অনেকে তাদেরকে মুসলিম মনে করে না। অবশ্য তাদেরকে মুসলিম মনে না করার আরো অনেক কারণ আছে।
৪|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৩০
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আল্লাহ সাহাবায়ে কেরামের (রা) প্রশংসা করলেন, আর শিয়ারা তাঁদের তিরস্কার করে। তারমানে শিয়াদের অবস্থান আল্লাহর বিপরীতে। সেজন্যই অনেকে তাদেরকে মুসলিম মনে করে না। অবশ্য তাদেরকে মুসলিম মনে না করার আরো অনেক কারণ আছে।
তাহলে ইরানীদের পক্ষে দেশের এতো মানুষ জজবা দেখাচ্ছে কেন? সুধুই ইসরাইলের বিরোধীতার জন্য?
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইরানের জনপ্রিয়তা ইসরায়েল বিরোধীতার কারণেই।
৫|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২১
জিকোব্লগ বলেছেন:
আপনার মতন লোকেরাই ইসলামের চরম ক্ষতি করছে। আপনার বক্তব্যের ধরণ ও দৃষ্টিভঙ্গি গভীরভাবে উদ্বেগজনক। এ ধরনের মনোভাব ও ভাষা কেবল মতভেদের প্রকাশ নয়—এগুলো অনিচ্ছাকৃতভাবে মুসলিম সমাজের ভেতর বিভাজন, অবিশ্বাস ও দুর্বলতাকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।
আপনি যে বিষয়গুলো উত্থাপন করেছেন, সেগুলোর উপস্থাপনায় ভারসাম্য ও বাস্তবতার ঘাটতি স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, ইউরোপে খ্রিষ্টধর্মের বহু শাখা রয়েছে—ক্যাথলিক, প্রোটেস্ট্যান্ট, অর্থডক্স, যিহোবার সাক্ষী প্রভৃতি; এগুলোর মধ্যেও মতপার্থক্য ও ঐতিহাসিক দ্বন্দ্ব আছে। তবুও রাষ্ট্রীয় ও কৌশলগত স্বার্থের প্রশ্নে তারা ন্যূনতম সহযোগিতা ও প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। সেখানে নাস্তিক বা ধর্মনিরপেক্ষ জনগোষ্ঠীও রয়েছে, তবু জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে তারা পরস্পরকে দায়ী করে আত্মবিভাজনে লিপ্ত হয় না।
এখন ইউরোপের কোনো দেশ বা খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের কেউ বিপদে পড়লে , এই জন্য তো তারা আপনার মতন বলছে না , তারা আমেরিকা- ইসরাইলের দখলে গেলে , যে সব দেশের সমস্যা তারা তা নিয়ে ভাবুক।
অপরদিকে, মুসলিম বিশ্বে মতভেদ থাকাটা অস্বাভাবিক নয়; বরং যে কোনো বৈশ্বিক ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যেই বৌদ্ধিক ও মতাদর্শিক বৈচিত্র্য থাকে। কিন্তু সেই বৈচিত্র্যকে শক্তিতে রূপান্তরিত না করে যদি আমরা পারস্পরিক অবমাননা, বিদ্বেষ বা একে অপরকে দায়ী করার সংস্কৃতি লালন করি, তবে তা কেবল আমাদের সামষ্টিক দুর্বলতাকেই প্রকট করে।
আফসোস, দুঃখজনক হলেও সত্য, সমাজে আপনার মতন মানসিকতার মানুষের সংখ্যা কম নয়, যারা আবেগপ্রসূত বক্তব্যকে সত্য ও কল্যাণের সমার্থক মনে করেন। বাস্তবে এ ধরনের অবস্থান ইসলামের কল্যাণে নয়; বরং ইসলামের ভাবমূর্তি, ঐক্য ও প্রজ্ঞাবোধের পরিপন্থী। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজেরাও উপলব্ধি করেন না যে, তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে বিভক্তি ও অস্থিরতাকে উৎসাহিত করছেন।
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১:২১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনি ইরান নিয়ে কি ভাবছেন?
৬|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৩০
জিকোব্লগ বলেছেন: সেটাতো উপরে আমার মন্তব্যেই আছে।
৭|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ২:৫০
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনি না বললেন ইরান নিয়ে ভাবছি না, তাহলে আবার ইরানীরা তাদের কন্যার কি নাম রাখে না রাখে এটা নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন কেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩২
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: অবশেষে ইরান বিষয়ে আপনার পোস্টের আবির্ভাব হইলো, সারা বাংলাদেশ যেখানে ইরান নিয়ে চিন্তিত সেখানে আপনার নীরবতা দেখে আমি কিছুটা চিন্তাত ছিলাম। ভাবছিলাম আপনি হয়তো কুরআন হাদিসের গভীর থেকে গভীরে অনুসন্ধান চালিয়ে এই যুদ্ধের একটা ফয়সালা করে দিবেন।