| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৪ নিসার ১২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৯। আর তোমরা যতই ইচ্ছা করনা কেন তোমাদের স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার কখনোই করতে পারবে না, তবে তোমরা কোন এক জনের প্রতি সম্পূর্ণ ঝুঁকে পড়বে না ও অপরকে ঝুলিয়ে রাখবে না; যদি তোমরা নিজেদিগকে সংশোধন কর ও সাবধান হও তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।
সূরাঃ ৯৫ তীন, ৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮। আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট বিচারক নন?
* স্ত্রীদের প্রতি সমান ব্যবহার কখনোই করা যায় না এবং আল্লাহ বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট বিচারক বিধায় একাধীক স্ত্রী থাকার বিষয়টি আল্লাহর সুন্নাত থেকে বেরিয়ে গেছে। রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের (রা.)একাধীক স্ত্রী থাকার বিষয়টি তবে কি?
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) আল্লাহ ক্ষমা করায় তাঁদের একাধীক স্ত্রী থাকার দায়মুক্তি রয়েছে।চার বিবাহের আয়াতের বিষয়টি তবে কি?
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* সাহাবায়ে কেরামের (রা.) পরের লোকদের ক্ষেত্রে চারবিবাহের আয়ত মানসুখ সাব্যস্ত হবে। কারণ তাদের অপরাধের ক্ষমার ঘোষণা নাই।তবে অপারগ ক্ষেত্রে আয়াতটি মানসুখ হবে না। আর অপারগতার বিচার শালিশ বা বিচারক করবেন।তবে একাধীক বিবাহ মোটেই কোন সাওয়াবের কাজ নয়। কারণ এর অবস্থান আল্লাহর সুন্নাতের বাইরে।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* আল্লাহর সুন্নাত এমন এক বিষয় যে এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল হয়। আল্লাহর সুন্নাত বিষয়ে মানসুখ আয়াত ও বাতিল হাদিস উপস্থাপন করে তর্কে লিপ্ত হওয়া অপরাধ।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: রেফারেন্স দেওয়া আছে। কষ্ট করে কোরআন থেকে পড়ে নিয়েন।
২|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪
রাজীব নুর বলেছেন: সুন্নত আর ফরজ না মেনে কোটি কোটি মানুষ সুন্দর জীবনযাপন করে যাচ্ছে।
আমার বন্ধু শাহেদ জামাল স্পষ্ট বলে, সুন্নত মুন্নত আর ফরয টরয নিয়ে আমার কোনো মাথা ব্যথা নাই।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা মুসলিম নয় ইসলামের বিষয় নিয়ে তাদের মথাব্যথা থাকার কথাও নয়।
৩|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯
নতুন বলেছেন: তার অর্থ খলিফা এবং সাহাবারা এটা বোঝে নাই? তারা এতো বিয়ে করেছিলো কেন?
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তাঁদের ক্ষেত্রে একাধীক বিয়ের দায় মুক্তি ছিল। তাঁরা এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
৪|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫০
জিকোব্লগ বলেছেন:
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৬০
লেখক বলেছেন: রেফারেন্স দেওয়া আছে। কষ্ট করে কোরআন থেকে পড়ে নিয়েন।
রেফারেন্সে কোথায় এবং কোরআনে কোথায় "আল্লাহর সুন্নত" আছে !
আজবতো , ধর্মীয় লেবাস ধরে মনগড়া ইসলামের যা কিছু তাই বলে যাচ্ছেন!
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১০
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সূরা ৩৫ এর ৪৩ নং আয়াতের আরবী পাঠে আল্লাহর সুন্নাত পেয়ে যাবেন। গুগুল সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।
৫|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৫৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: সুতরাং বুঝা গেলো আল্লাহ পাকের একাধিক স্ত্রী নেই।
খুব ভালো পোস্ট।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সুন্নাত হলো কথা, কাজ ও অনুমোদন। আল্লাহর স্ত্রী নেই। একাধীক স্ত্রী বিষয়ে তাঁর অনুমোদন নাই। রাসূল (সা) ও সা্হাবা (রা) বিষয়ে এ বিধান শিথিল। তাঁরা এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় এখনও এ ক্ষেত্রে শিথিল অবস্থা বিদ্যমান আছে বিচারকের রায় সাপেক্ষে।
৬|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
জিকোব্লগ বলেছেন:
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১০০
লেখক বলেছেন: সূরা ৩৫ এর ৪৩ নং আয়াতের আরবী পাঠে আল্লাহর সুন্নাত পেয়ে যাবেন। গুগুল সার্চ দিলেই পেয়ে যাবেন।
السنة < নবী ﷺ-এর জীবনধারা ও নির্দেশ
سنة الله < আল্লাহর নির্ধারিত বিধান
আপনি আরবীভাষায় ব্লগটি লেখতেন। বাংলা আরবি মিশাল করে , ভুলভাল বাংলা
অর্থ দিয়ে, মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন। ইতিমধ্যে জ্যাক স্মিথের মন্তব্য , তা প্রমান করে।
আপনি কি আরবি ভাষায় কথা বলতে পারেন, বুঝতে পারেন, লিখতে পারেন, পড়ে সঠিকভাবে বুঝতে পারেন?
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:০৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সুন্নাত হলো কথা, কাজ ও অনুমোদন। আল্লাহর কথা সত্য, কাজ ন্যায়, অনুমোদন সাধ্যের মধ্যে যেটা সেটা। আল্লাহর কথা, কাজ ও অনুমোদন মিলেই আল্লাহর বিধান সাব্যস্ত। আল্লাহর কথা থেকেই বুঝা গেছে তিনি একাধীক বিয়ে সমর্থন করেন না। তবে এ ক্ষেত্রে তিনি রাসূল (সা) ও সাহাবায়ে কেরামকে (রা) সুবিধা দিয়েছেন। এখনও স্ত্রী তাঁর দায়িত্বে অপারগ হলে বিচারকের রায়ে একাধীক বিয়ে চলতে পারে।
৭|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৮
জিকোব্লগ বলেছেন:
আপনিতো দেখি প্রকট বিভ্রান্ত সৃষ্টিকারী। এখন আমার কথা থেকে
ঘুরে গিয়ে ও আমার প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে, অন্য প্রসঙ্গ আনছেন।
সেই প্রসঙ্গের মধ্যেও আবার অনেক বিভ্রান্ত আছে ।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আল্লাহ ও রাসূল (সা) তাঁদের কথা ৭৫% মানুষকে বুঝাতে পারেননি। আমি তো এক অধম বনি আদম। একালে একধীক বিয়েতে অনেক ঝুঁকি আছে। অনেক সময় এতে টুনটুনি খোয়া যায়। সুতরাং বুঝে আসুক বা না আসুক একধীক বিয়ে থেকে দূরে থাকা নিরাপদ।
ফেসবুকে অনেক বড় গ্রুপে আমার পোষ্ট চলমান আছে। কোথাও কোন বিরোধীতা দেখছি না।
https://www.facebook.com/groups/1817981205012931/user/100011924479022
৮|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:৫১
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: @মহাজাগতিক চিন্তা - যুক্তি তর্কে এখন পর্যন্ত আপনি'ই এগিয়ে আছেন আর সব বিষয়ে সবার সাথে তর্কে জাড়াবেন না, সবার তো আর কুরআন হাদিসের জ্ঞান নেই, তাছাড়া সবাই সব বিষয় বুঝবেও না।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:২১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কেউ তর্কে জড়াতে চাইলে আমি আমার সাধ্যমত তাকে বুঝাতে চেষ্টা করি। তবে সবার কথা সবার বুঝে আসে না।
৯|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: তাঁদের ক্ষেত্রে একাধীক বিয়ের দায় মুক্তি ছিল। তাঁরা এর সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
মানুষ ২য় বিয়ে সন্তানের আসায় করতে পারে যদি প্রয়োজন মনে করে।
কিন্তু যদি কোন পুরুষ জীবনে ৮-১০ জন স্ত্রী থাকে সেটার পেছনে কামনা অবশ্যই সবচেয়ে বড় কারনে করে থাকে।
রাসুল সা: এবং ৪ জন খলিয়ার মোট ৪১ জন স্ত্রী ছিলো। ৪ জন নারীকে তালাক দিয়েছিলো এবং ৩ জন দাসী ছিলো যদিও ৩ খলিফার নারী দাসীর সংখ্যার রেফারেন্স পাওয়া যায় না।
ঐ সময় যৌনতা অবশ্যই পুরুষদের মাঝে অনেক বড় একটা ফ্যাক্টর ছিলো।
১০|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪
জিকোব্লগ বলেছেন:
বুঝলাম , আপনার গুরু মানে আপনি যার কাছে থেকে ইসলামিক শিক্ষা প্রাপ্ত হয়েছেন ,
সেই ইসলামিক বিভ্রাম্তি ছড়াচ্ছে , আর আপনি তো শিষ্য হিসেবে একই পথেই যাবেন।
আপনার কয়টি স্ত্রী? কতগুলো বিয়ে করার প্ল্যান করছেন?
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১২
জিকোব্লগ বলেছেন:
ইসলামের সুন্নত (আরবি: سنة) হলো ইসলামি নবী মুহাম্মদ (সঃ) এর কাজকর্ম
এবং বক্তব্যের একাধিক ঐতিহ্য এবং অভ্যাস, যা মুসলমানদের অনুসরণের জন্য
একটি আদর্শ রূপে প্রতিষ্ঠিত।
আল্লাহর সুন্নত আবার কী জিনিস! নিজে নিজে অদ্ভুদ ভাষা প্রয়োগ করে মানুষকে
বিভ্রান্ত করা থেকে বিরত থাকুন।
আপনি হয়তো ভাবছেন, মুসলিমদের এইসব বলে ইসলামের খেদমত করছেন ,
প্রকৃতপক্ষে এইসব বলে মুসলিমকে বিভ্রান্ত করে, ইসলামের ক্ষতি করছেন।