| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* নবুয়ত ও রেসালাত আল্লাহ দিয়ে থাকেন। রাসূলের (সা.) নিকট রেসালাহ আসতে শুরু করেছে তার চল্লিশ বছর বয়সে।তাহলে রেসালাতের খেলাফাত চল্লিশ বছরের আগে হবে কেন? রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় হযরত আলীর (রা.) বয়স ছিল তেত্রিশ বছর। যা চল্লিশ বছর থেকে সাত বছর কম ছিল। সেজন্য আল্লাহ তাঁকে খেলাফত প্রদানের যোগ্য মনে করেননি।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪০। যদি তোমরা তাঁকে সাহায্য না কর, তবে আল্লাহতো তাঁকে সাহায্য করেছিলেন যখন কাফিরগণ তাঁকে ধাওয়া করেছিল (হত্যা করার জন্য), আর তিনি ছিলেন দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন। যখন তাঁরা উভয়ে গুহার মধ্যে ছিলেন, তিনি তখন তাঁর সঙ্গিকে বলেছিলেন, তুমি বিষণ্ন হয়ো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ আমাদের সাথে আছেন।অতঃপর তাঁর উপর আল্লাহ তাঁর প্রশান্তি নাজিল করেন এবং তাঁকে শক্তিশালী করেন এমন সৈন্যবাহিনী দ্বারা যা তোমরা দেখনি।আর তিনি কাফেরদের কথা তুচ্ছ করে দেন।আর আল্লাহর কথাই সুউচ্চ। আর আল্লাহ পরাক্রমশালী সুবিজ্ঞ।
# সূরাঃ ৯ তাওবা, ৪০ নং আয়াতের তাফসির তাফসিরে ইবনে কাছির
৪০। আল্লাহ তা’আলা জিহাদ পরিত্যাগকারীদেরকে সম্বোধন করে বলেছেন, তোমরা যদি আমার মহান রাসূলের (সা.) সাহায্য সহযোগিতা ছেড়ে দাও তবে জেনে রেখ যে, আমি কারো মুখাপেক্ষী নই। আমি নিজে তাঁর সহায়ক ও পৃষ্ঠপোষক। ঐ সময়ের কথা তোমরা স্মরণ কর যখন হিজরতের সময় কাফেররা আমার রাসূলকে (সা.) হত্যা করা বা বন্দী করা বা দেশান্তর করার চক্রান্ত করেছিল। তখন তিনি প্রিয় সহচর আবু বকরকে (রা.) সঙ্গে নিয়ে গোপনে মক্কা থেকে বেরিয়ে যান। সেই সময় তাঁর সাহায্যকারী কে ছিল? তিনদিন পর্যন্ত তাঁরা সাওর পর্বতের গুহায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। উদ্দেশ্য এই যে, তাঁদের ধাওয়াকারীরা তাঁদেরকে না পেয়ে যখন নিরাশ হয়ে ফিরে যাবেন, তখন তাঁরা মদীনার পথ ধরবেন।ক্ষণে ক্ষণে আবু বকর (রা.) ভীত বিহবল হয়ে উঠেন যে, না জানি কেউ হয়ত জানতে পেরে রাসূলকে (সা.) কষ্ট দিবে। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে সান্তনা দিয়ে বললেন, হে আবু বকর! দু’জনের কথা চিন্তা করছ কেন? তৃতীয় জন যে আল্লাহ রয়েছেন।
* আল্লাহর সংক্ষিপ্ত তালিকার তৃতীয় জন আল্লাহ। দ্বিতীয় জন রাসূল (সা.)। প্রথম জন হযরত আবু বকর (রা.)। নীচথেকে মর্যাদা সাজালে আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) পর সবচেয়ে মর্যাদাবান হযরত আবু বকর (রা.)। সুতরাং রাসূলের (সা.) রেসালাতের পর হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফত সংগত।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।
* আল্লাহ সত্যবাদীগণের সাথে থাকতে বলেছেন। মেরাজের ঘটনায় রাসূল (সা.) হযরত আবু বকরকে (রা.) সত্যবাদী (সিদ্দিক) খেতাব প্রদান করায় এবং অন্য কোন সাহাবা এমন খেতাব প্রাপ্ত না হওয়ায়। রাসূলের (সা.) রেসালাতের পর হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফত সংগত।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
* ইমামাত ইব্রাহীম (আ.) বংশীয় হওয়া আল্লাহর পছন্দ। সেজন্য আনসার সাহাবির (রা.) পক্ষে খেলাফতের প্রস্তাব হযরত ওমর (রা.) নাকচ করে ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় হযরত আবু বকরের (রা.) নাম প্রস্তাব করলে সাহাবায়ে কেরাম (রা.) কর্তৃক সে প্রস্তাব গৃহিত হয়। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) হেদায়াত প্রাপ্ত হওয়া বিষয়ে আল্লাহ সাক্ষী থাকায় হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফত অস্বীকারের সুযোগ নাই। বিষয়টি বুঝতে পেরে দেরীতে হলেও হযরত আলী (রা.) হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফত মেনে নিয়েছেন।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১।প্রশংসা আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর, যিনি বার্তাবাহক করেন মালাইকাকে (ফেরেশতা) যারা দুই-দুই, তিন-তিন অথবা চার-চার পাখা বিশিষ্ট। তিনি তাঁর সৃষ্টিতে যা ইচ্ছা সৃষ্টি করেন। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* গাদির খুমের ভাষণে রাসূল (সা.) হযরত আলীকে (রা.) মাওলার দায়িত্ব প্রদান করেন। মাওলার দায়িত্ব অনুযায়ী রেসালাতের খেলাফাতের প্রতি সবার আগে তাঁর আনুগত্য করার কথা। এক্ষেত্রে তিনি যথেষ্ট বিলম্ব করায় আল্লাহ তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণকে মানুষ থেকে রক্ষা করলেন না। প্রথমে অপমৃত্যূ হয় প্রিয়তমা স্ত্রী হযরত ফাতেমার (রা.)। তারপর অপমৃত্যূ হয় তাঁর নিজের। তারপর অপমৃত্যু হয় তাঁর প্রিয় সন্তান হযরত হাসানের (রা.)। তারপর অপমৃত্যু হয় তাঁর প্রিয় সন্তান হযরত ইমাম হোসেনের (রা.)। রাসূলের (সা.) প্রিয়তমা স্ত্রী উম্মুল মুমিনিন হযরত আয়েশা (রা.) তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন। রাসূলের (সা.) শালা হযরত মুয়াবিয়া (রা.) তাঁর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করলেন। তারপর তিনি খেলাফত অবিভক্ত রাখতে সক্ষম হলেন না।তাঁর পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করলে তিনি অবশ্যই তাঁর কাজে সফল হতেন।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
* মাওলার দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথেই রাসূলের (সা.) দোয়া নিয়ে অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করা শুরু করা হযরত আলীর (রা.) কাজ ছিল। তিনি তা’ না করায় রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের সময় সাহাবায়ে কেরাম (রা.) মতভেদে লিপ্ত হন। সেই মতভেদ এখনো চলমান আছে। সেই কারণে তাঁর উগ্রভক্ত শিয়াদেশ ইরান ইসরায়েল-আমেরিকা কর্তৃক আক্রান্ত হওয়ার পর ফেরেশতা থাক দূরের কথা অন্য কোন মুসলিমদেশ তাদের পক্ষে অংশগ্রহণ করেননি। আসল বিষয় হলো হযরত আলী (রা.) মাওলার দায়িত্ব পালন না করায় রাসূলকে (সা.) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করলেও হযরত আলী (রা.), তাঁর পরিবার, তাঁর সন্তান, তাঁর বংশ ও ভক্তদেরকে আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করছেন না। সেদিনও তাঁর বংশধর আলী খামেনীর অপমৃত্যূ হয়।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
* শিয়াদের সমস্যা হলো আল্লাহ সাহাবায়ে কেরামকে (রা.) ক্ষমা করলেও শিয়ারা তাঁদেরকে লানত দেয়। লানতের নিয়ম হলো এটা যাকে দেওয়া হয় সে এর প্রাপক না হলে এটা দাতার দিকে ফিরে। আর এভাবেই শিয়ারা লানত প্রাপ্ত। আল্লাহ তাদের দুঃখ লাঘব না করলে আমরা তাদের দুঃখে দুঃখী হয়ে কি করব? যদিও জাত ভাই হিসাবে তাদের কষ্টে আমাদের কষ্ট হয়। তথাপি তারা সংশোধন না হয়ে আল্লাহর রহমত বঞ্চিত হলে আমাদের কিছুই করার থাকবে না।
১১ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:০৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনার বক্তবে আপনি মনে করেন বলেছেন। মনে করা কোন প্রমাণ নয়। আমি যা করেছি এটা আলোচনা। আপনি আলোচনাকে সমালোচনা বলে চালিয়ে দিলে কি করে হবে।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
* রাসূল (সা) যার মাওলা হযরত আলী (রা) তার মাওলা হলে রাসূলকে (সা) মানুষ হতে আল্লাহ রক্ষা করলে হযরত আলীকে (রা) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করলেন না কেন? তিন খলিফা কি হযরত আলীকে (রা) মাওলা মেনেছেন? উত্তর ‘না’ হলে এর কারণ কি?
২|
১১ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৩
জিকোব্লগ বলেছেন:
১১ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:০৫০
লেখক বলেছেন: আপনার বক্তবে আপনি মনে করেন বলেছেন। মনে করা কোন প্রমাণ নয়। আমি যা করেছি এটা আলোচনা। আপনি আলোচনাকে সমালোচনা বলে চালিয়ে দিলে কি করে হবে।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
* রাসূল (সা) যার মাওলা হযরত আলী (রা) তার মাওলা হলে রাসূলকে (সা) মানুষ হতে আল্লাহ রক্ষা করলে হযরত আলীকে (রা) আল্লাহ মানুষ থেকে রক্ষা করলেন না কেন? তিন খলিফা কি হযরত আলীকে (রা) মাওলা মেনেছেন? উত্তর ‘না’ হলে এর কারণ কি?
-
আপনি খুব সুবিধাজনকভাবে আমার মূল মন্তব্যের প্রসঙ্গটাই এড়িয়ে গেছেন। আসলে এটা আমি
আগেই বুঝেছিলাম, তাই আগের মন্তব্যেই বলেছিলাম— “কারণ এগুলো আপনার ঘুনে ধরা মাথার
অ্যান্টেনায় ধরবে না।”
এখন আপনার তোলা প্রসঙ্গেই উত্তর দিচ্ছি।
খুলাফায়ে রাশেদীন সম্পর্কে ইতিহাস খুব পরিষ্কার—
কুরআন সংরক্ষণ ও মানকরণে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল আবু বকর (রা.) ও উসমান (রা.)-এর। ইসলামের
সবচেয়ে ব্যাপক বিস্তার ঘটে উমর (রা.)-এর সময়ে। আর আলী (রা.) ছিলেন ইসলামের জ্ঞান, প্রজ্ঞা ও
আধ্যাত্মিকতার অন্যতম প্রধান দরজা।
* আবু বকর সিদ্দিক (রা.) — ৬৩২–৬৩৪ খ্রি., প্রায় ২ বছর শাসন করেছেন, স্বাভাবিকভাবে ইন্তেকাল করেন।
* উমর ফারুক (রা.) — ৬৩৪–৬৪৪ খ্রি., প্রায় ১০ বছর শাসন করেন, নামাজের সময় আক্রমণে শহীদ হন।
* উসমান গনি (রা.) — ৬৪৪–৬৫৬ খ্রি., প্রায় ১২ বছর শাসন করেন, কুরআন তিলাওয়াতরত অবস্থায় বিদ্রোহীদের হাতে শহীদ হন।
* আলী (রা.) — ৬৫৬–৬৬১ খ্রি., প্রায় ৫ বছর শাসন করেন, মসজিদে আক্রমণের শিকার হয়ে শহীদ হন।
অর্থাৎ খুলাফায়ে রাশেদীনের মধ্যে তিনজন খলিফাই শহীদ হয়েছেন—উমর (রা.), উসমান (রা.) ও আলী (রা.)।
আর ইসলামে শহীদের মর্যাদা কত উচ্চ—সেটা কি আপনার জানা নেই? নাকি সেই মৌলিক বিষয়টাও আপনার অজানা?
নাকি অবজ্ঞা করছেন?
এখন বলুন—এই তিনজন খলিফা শহীদ হলেন, তাহলে কি আপনি বলবেন আল্লাহ তাদের রক্ষা করলেন না?
নাকি আপনার যুক্তি এখানেই এসে ভেঙে পড়ে?
ইসলামকে গভীরভাবে না জেনে যেসব আজগুবি, অর্ধশিক্ষিত এবং ফালতু ব্যাখ্যা আপনি হাজির করছেন,
সেগুলো আসলে জ্ঞানের চেয়ে বিভ্রান্তিই বেশি ছড়ায়। তার ওপর আবার সেইসব যুক্তি টেনে শিয়া সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে
আক্রমণকে হালাল করার চেষ্টা—এটা শুধু বুদ্ধিবৃত্তিক অসততা নয়, বরং বিপজ্জনক মানসিকতার পরিচয়। যা আপনার
পোস্টের শেষের দিকেই পরিষ্কার ইঙ্গিত দিচ্ছে।
যেইসব নরপশু প্রকাশ্যে ইসরাইলের আগ্রাসনকে সমর্থন করে, ইরানের ওপর হামলা কিংবা নিরীহ শিশুদের ওপর
আক্রমণকেও ন্যায্য বলে—তাদের নৃশংসতা সবাই দেখতে পায়। তারা অন্তত প্রকাশ্য শত্রু।
কিন্তু আপনার মতো মানুষ ঐসব নরপশুদের চেয়েও আরও ভয়ংকর। কারণ আপনার মত মানুষরা ইসলামের ভেতরে
থেকেই ইসলামের মূল চেতনার বিরুদ্ধে কাজ করে, মুসলিমদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করে, আর সেই কাজটাই
করে ধর্মীয় ভাষা ও ইসলামী লেবাসের আড়ালে।
সত্যিই বলতে কী—এই ধরনের ভণ্ডামিই মুসলিম সমাজের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক।
১১ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৩৫
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: খুলাফায়ে রাশেদীনের মধ্যে তিনজন খলিফাই শহীদ হয়েছেন তিন জন শহীদ হলেও তিন জনকে মওিলা দাবী করা হয়নি। গাদির খুমের হাদিসে রাসূল বলেছেন তিনি যার মাওলা আলী (রা) তার মাওলা। রাসূলকে (সা) আল্লাহ রক্ষা করলেও হযরত আলীকে (রা) আল্লাহ রক্ষা করেননি। গরমিলটা এখানে। বদর যুদ্ধে রাসূলের (সা) পক্ষে ফেরেশতা যুদ্ধ করলেও হযরত আলীর (রা) পক্ষে কোন যুদ্ধে ফেরেশতা যুদ্ধ করেননি। তথাপি শিয়া আজানে রাসূলের (সা) মতই শাহাদা পাঠ করে। কিন্তু সুন্নীরা সেটা করে না। এখন কোন অমুসলিম যদি জানতে চায় এ ঘটনায় কারা ঠিক? তখন জবাবটা ঠিক কি হবে? শহীদের মর্যাদা অতি উচ্চ। তথাপি হযরত ইমাম হোনের (রা) শাহাদাতে এত্ত মাতম কেন? শিয়াদের প্রতি আমাদের চেয়ে আল্লাহর দরদ বেশী হওয়ার কথা, তো তিনি তাদের প্রতি দরদ দেখাচ্ছেন না কেন? হযরত আলীকে (রা) সুন্নীরাও যথেষ্ট সম্মান করে। সুন্নী জুম্মার খোতবায় তাঁর নামে ও তাঁর পরিবারের সদস্যগণের নামে খোতবা পাঠ করা হয়। আমার ইচ্ছা শিয়ারা এসব ক্ষেত্রে সুন্নীদের সাথে সহমত পোষণ করুক। কিন্তু তারা এসব বিষয়ে মুসলিমদের মাঝে বিভেদ জারী রেখেছে। আর অন্য খলিফাদের বিষয়ে তারা অতিশয় নিকৃষ্ট ভাষা ব্যবহার করে। তাদের অপরাধে আল্লাহ তাদেরকে শাস্তি দিলে কার কি করার থাকে? তথাপি এটা ভালো যে মুসলিম দিয়ে তাদেরকে শাস্তি না দিয়ে তিনি তাদেরকে ইহুদী দিয়ে শাস্তি দিচ্ছেন। আমি অনেক গুলো বড় গ্রুপে এ পোষ্টটি দিয়েছি। কোথাও আপনার মত বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখিনি।
৩|
১১ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫৩
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
আপনি মাওলা আলীর বিপক্ষে, আপনি ইমাম হাসান রা: ইমাম হোসেন রা: বিরুদ্ধে বিষয়টি কিন্তু এখানেই সমাপ্ত না। - আপনি ইয়াজিদের সমর্থনকারী। আপনি ইয়াজিদের পক্ষের মানুষ। আপনার জেনে আনন্দ লাগবে ইয়াজিদ মুসলমান ছিলেন।
১১ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি হযরত আলী (রা), ইমাম হাসান (রা), ইমাম হোসেনের (রা) বিপক্ষে না। আমি চাই শিয়া-সুন্নীর নিকট তাঁদের মর্যাদা যেন এক সমান থাকে। ইয়াজিদ কে আমি ঘৃণা করি। তার কোন পজেটিভ সাইড নাই। আমি তাকে অমুসলিম বললে প্রমাণ সহকারেই বলব।
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৪৫
জিকোব্লগ বলেছেন:
আপনি হজরত আলী (রাঃ)-এর সমালোচনা করেছেন এবং তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছেন। কিন্তু আপনার জানাই নাই , অধিকাংশ প্রসিদ্ধ সুফী তরীকার সিলসিলা
আলী (রাঃ)-এর মাধ্যমে প্রবাহিত হচ্ছে। অপরদিকে মাত্র একটি তরীকা হজরত
আবু বকর (রাঃ ) সিলসিলা থেকে প্রবাহিত হচ্ছে। আলী (রাঃ)) বহু সাহাবী ও
তাবেয়ীদের কাছে আত্মিক জ্ঞান ও তাসাউফের শিক্ষা পৌঁছে দিয়েছিলেন। তাঁর
শিক্ষালাভ করে অসংখ্য আলেম ও আধ্যাত্মিক পথপ্রদর্শক পরবর্তী যুগে মানুষের
জন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতা থেকেই বিভিন্ন সুফী তরীকার
বিকাশ ঘটেছে।
অনেক সুফী পীর ও বুজুর্গ মনে করেন: আলী (রাঃ) ছিলেন আধ্যাত্মিক জ্ঞানের
দরজা। এই কারণেই ইতিহাসে বহু আধ্যাত্মিক সিলসিলা তাঁর মাধ্যমেই প্রসার লাভ
করেছে। ইসলামের মহান সাহাবীদের মর্যাদা ও অবদান নিয়ে আলোচনা করতে
হলে প্রয়োজন জ্ঞান, ভারসাম্য এবং সম্মানজনক ভাষা।
সত্যিই আপনার চিন্তাভাবনা এলোমেলো। অনেক বয়স হলেও, ইসলামের কোনো গভীর
জ্ঞান-ই আপনার ভিতরে নাই। পোস্টেও তা প্রকট আকারে ধরা পড়ে।
আপনার পোস্টে আসলে মজা ঠাট্রা ছাড়া, যুক্তিপূর্ন মন্তব্য করার রুচি আমার নাই।
কারণ এগুলো আপনার ঘুনে ধরা মাথার এন্টেনায় ধরবে না। আপনি হজরত আলী (রাঃ)
-এর সমালোচনা এবং তাঁর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটা আমার চোখে তা পড়েছে
এবং আমি পড়েছি। এইজন্যে মন্তব্যে করতে বাধ্য হলাম।