| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফরিদ আলম
আমি শেখ ফরিদ আলম। অনেক ব্লগে লিখি ফৈরা দার্শনিক নামে। বাড়ি পশ্চিমবঙ্গের ইসলামপুরে। আমি স্পেশাল কিছুনা। খুবই সাধারণ একজন মানুষ। যার পৃথিবীতে থাকা না থাকাতে কিছুই যায় আসে না কারো। লেখা লেখি করি বলা যাবে না। কারণ ভালো কিছু কখনোই লিখতে পারিনা। তবে আমি কিছু লিখতে চাই। আমি চাই সবাই আমার লেখা পড়ুক আমার ভাবনা গুলোকে জানুক। কিন্তু দুখের বিষয় হল আমি কখনোই এব্যাপারে চেষ্টা-প্রচেষ্টা করিনা। তাই ঘুরে ফিরে সেই একই জায়গায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, দাঁড়িয়ে আছি, হয়ত দাঁড়িয়ে থাকব আরো অনেক দিন। দেশকে ভালোবাসী। দেশের জন্য কিছু করতে চাই। এর বদলে আমি দেশের কাছে কিছুই চাইনা। কারণে আমি ভারতীয় হিসেবে গর্বিত। এটাই আমার বড় প্রাপ্তি। আমার ব্লগে আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। শুভ ব্লগিং।
1.
কাল সংসদের প্রথম অধিবেশন স্বরণীয় হয়ে থাকবে ভারতবাসীর কাছে। ভালো খারাপ অনেক কিছুই হয়েছে। বিশেষ করে বলতেই হয়, প্রধানমন্ত্রী মোদির লোকসভা ও রাজ্যসভার চমতকার ভাষন। তিনি যা বলেছেন তা সত্যি সত্যিই করলে বিজেপি ছাড়া আর কোন জাতিয় দল হয়ত থাকবে না ভারতে। কিন্তু মুশকিল হল পরিকল্পনা নেওয়া আর তা বাস্তবায়ন করা এক ব্যাপার নয়। মুলায়াম আর কংগ্রেসের অভিযোগের উত্তরে মোদি বলেছেন ‘স্বপ্ন’ দেখতে। আমরাও স্বপ্ন দেখছি...!
মুসলিমদের প্রসঙ্গে মোদি বলেন, ‘আমাদের মুসলমান ভাইয়েদের ছোটবেলায় দেখতাম সাইকেল ঠিক করতে এখন তাদের তৃতীয় প্রজন্মকেও দেখছি সাইকেল ঠিক করতে! এই অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে’। দলিত এবং সংখ্যালঘুদের ব্যাপারে আরো বলেন, ‘দেহের এক অঙ্গ নষ্ট হলে বা খারাপ থাকলে দেহকে সুস্থ বলা চলেনা তেমনি সকল সম্প্রদায় উন্নতি না করলে ভারতেরও উন্নতি সম্ভব না’। এসব কথা শুনে খুব ভালো লাগছে। আশা রাখছি কারণ ভোটের আগে জনসমাবেশে ভাষন দেওয়া আর লোকসভায় ভাষন দেওয়া এক নয়। লোকসভায় বলছেন মানে সত্যিই হয়ত কিছু করতে চাইছেন। তা ভোট ব্যাংকের জন্য হোক বা অন্য কারণে...।
2.
কালকের অধিবেশনে আরো একটা স্বরণীয় ভাষণ দিয়েছেন হায়দ্রাবাদের সাংসদ ব্যারিস্টার আসাদ উদ্দিন ওয়াইসি। বক্তব্যের শুরু থেকেই বাবরি মসজিদ ধংস থেকে শুরু করে সম্প্রতি পুনের মহসিন সাদিক হত্যা কান্ডের মতো বিষয় গুলি একের পর এক উত্থান করতে থাকেন। আর তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে কিছু বিজেপি সাংসদ তার বক্তৃতা প্রদানে বাধা সৃষ্টি করতে চিল্লাচিল্লি করতে থাকে। একসময় আবেগতাড়িত হয়ে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দিষ্ট করে বিচার চেয়ে বলেন "আমি আপনাদের সামনে দাঁড়িয়েছি গুজরাতের এহসান জাফিরর পুত্র হিসেবে, ভুয়ো এনকাউন্টারে নিহত ইশরত জাহানের ভাই হিসেবে, ইঞ্জিনিয়ার মহসিন সাদিকের কাকা হিসেবে, গুজরাত দাঙ্গায় নিহত গরীব বাকহীন নিহতদের কন্ঠস্বর হিসেবে"। এভাবে লোকসভাতে বলা মুখের কথা নয়। তিনি প্রথম দিনই এভাবে জ্বলে উঠেছেন ব্যাপারটা আশ্চর্য হওয়ার মতোই।
এছাড়া আসম থেকে নির্বাচিত বদরুদ্দিন আজমলও খুব সুন্দর এবং সাহসী ভাষন দেন। তিনি আসমের মুসলিমদের অসুবিধার কথাও বলেন। অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে মুসলিমদের উপর যে ধরণের অত্যাচার চলছে সে ব্যাপারেও বলেন। তিনি বলেন, সাচার কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর হয়নি, বিদেশী বিদেশী বলে হাঙ্গামা হয় অথচ বিদেশী চিহ্নিত করে বাংলাদেশ থেকে আসা বিদেশি খুজে পাওয়া যায়না...।
12 June' 2014
©somewhere in net ltd.