নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

শব্দকবিতা : শব্দেই দৃশ্য, শব্দেই অনুভূতি [email protected]

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই

দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই › বিস্তারিত পোস্টঃ

তুমি যে আমার কবিতা || ছায়াছবি \'দর্পচূর্ণ\' || সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া ও সুবল দাসের করা ভিন্ন সুরের \'মুখ\'-এর সাথে মিল রেখে আমার করা প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অন্তরার সুর

২১ শে জুলাই, ২০২৩ সন্ধ্যা ৭:১৭

'তুমি যে আমার কবিতা', নজরুল ইসলাম পরিচালিত 'দর্পচূর্ণ' (১৯৭০) ছায়াছবির এ কালজয়ী গানটি বাংলাদেশের সঙ্গীতপিপাসু কোনো মানুষ শোনেন নি, এমন কাউকে খুঁজে পাওয়া ভার। ছায়াছবিতে এ গানটি যুগল কণ্ঠে গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন ও মাহমুদুন্নবী। অসমম্ভব সুরেলা ও রোমান্টিক একটা গান, যা মনকে আনন্দ ও রোমান্সে ভরে তোলে। যারা ছবিটি দেখেন নি, শুধু এ গানটি শুনেছেন, তারা কি কেউ জানেন যে, এ গানটির প্রথম তিন লাইন, অর্থাৎ গানের শুরু বা 'মুখ' প্রথমে একটি ভিন্ন সুরে গাওয়া হয়? গল্পের নাটকীয়তার মাধ্যমে পরে পুরো গানটি গাওয়া হয় বর্তমানে প্রচলিত সুরে, যা আমরা এতকাল ধরে শুনে আসছি। কিংবদন্তি সুরকার সুবল দাস এ ছবির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন।

যারা এ ছবিটি দেখেছেন, কিংবা দেখেন নি, সবার উদ্দেশেই কয়েক লাইনে কাহিনিটা বলি। দুর্ঘটনাক্রমে তরুণ ঔপন্যাসিক শাহাদাত চৌধুরী অশিক্ষিত, মান-গোত্র-বিত্তহীন এক হতদরিদ্র 'খসম' পরিচয়ে আশ্রয় নেন এক অধ্যাপক পরিবারে, যেখানে তার স্ত্রী খুব রগচটা প্রকৃতির, আর আছে প্রেমবতী সুন্দরী এক কন্যা, যার নাম ঝরনা, যার হাসিতে ঝরনা ঝরে, সর্বাঙ্গে রূপের ঝরনা প্রবহমন। সুন্দরী কন্যার রূপই আসলে শাহাদাত চৌধুরীকে ছদ্মনাম ধারণ করে তাদের বাড়িতে আশ্রয় গ্রহণে প্ররোচিত করে। খসম ঐ বাড়িতে চাকরের 'চাকরি' পেলো। সে দিনভর চাকরামি করে, আর রাতভর লেখে উপন্যাস, কবিতা, গান, ইত্যাদি। একরাতে হঠাৎ ছাদে পায়চারি করতে করতে খসমকে সিগারেট খেতে দেখে ফেলে ঝরনা। সে চুপি চুপি খসমের রুমে যায়। তার রুমভর্তি লেখালেখির কাগজপত্র ছড়ানো ছিটানো। একটা কাগজ উঠিয়ে পড়তে থাকে। হায় আল্লাহ! এ দেখি অবাকের উপর অবাক কাণ্ড! সে অশিক্ষিত খসম নয়, সে পুরোদস্তুর একজন শিক্ষিত মানুষ, যে কিনা একজন কবি ও লেখকও বটে। সে ঝরনাকে নিয়ে লিখতে শুরু করেছে এক বিরাট উপন্যাস। ঝরনাই এখন তার একমাত্র আরাধনার বস্তু। এখান থেকে খসমকে নিয়ে ঝরনার সন্দেহ শুরু হয়। খসম অবশ্য ঝরনার এই সন্দেহটা ধরতে পারে না। সে সব সময়ই আবলামি আর ছাগলামি করতে থাকে। আমি সিনেমা হলে এ ছবিটি দেখেছিলাম, সম্ভবত ১৯৮৬ সালের দিকে; যদ্দূর মনে পড়ে, এইচ এস সির পর বাড়িতে গিয়েছিলাম, আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে দোহারের হলের বাজারের যে-হলটা আছে, যে-হলের নামে এ বাজারটা হয়েছে, সেই হলে। তো, নায়কের আবলামি, বলদামি, ছাগলামি আর দুষ্টামি দেখে ছবির এ সিকোয়েন্সে হলভর্তি মানুষ খুব হাসছিল আর রোমান্স উপভোগ করেছিল বলে অনুমান করি, যদিও সে-সব এখন মনে নাই :)

এখানে বলে রাখা ভালো, চাকর খসম যখন এ বাড়িতে চাকরের 'চাকরি' পেয়ে গেল, একটু পর দেখা গেল ঝরনা সুন্দরী রাতের বেলা শুয়ে শুয়ে 'নিশি রাতের কান্না' নামক এক সাড়াজাগানো উপন্যাস পড়ছে, যে বইয়ের লেখকের নাম শাহাদাত চৌধুরী, (যা ছবিতে আগেই দেখানো হয়েছিল), যে-শাহাদাত চৌধুরী এখন খসম নাম ধারণ করে তাদের বাসায় চাকরের 'চাকরি' করিতেছে।

যাই হোক, আরেক রাতে ব্যস্ত চাকর-কাম লেখক নিমগ্ন হয়ে সিগারেট টানছিল আর লিখছিল। পরিচালক তখন ঘরের দরজা খুলেই রেখেছিলেন, যাতে গোপন অভিসারিনী রূপবতী ঝরনা চুপি চুপি এ ঘরে আসতে পারে। যথাসময়ে ঝরনা সুন্দরী দরজার ফাঁক দিয়ে ভিতরে ঢুকে লেখকের পেছনে গোপনে বসে পড়ে; লেখক মহোদয়ের ছুঁড়ে ফেলা বা একটা-একটা করে কমপ্লিট করা লেখার পাতাগুলো পেছনে রেখে দেয়, আর ঝরনা বেগম সেই কাগজগুলো কুড়িয়ে হাতে তুলে নেয়, একঝলক পড়েও দেখে। আমি হালার ৪০-৪৫ বছর ধইরা লিখতেছি। লিখি হলো বাঁধাই করা ডায়েরি, খাতায়, বা লুজ শিটে লিখলেও তা গুছাইয়া রাখি যাতে উইড়া না যায়। আর হালার খসমের পো খসম পাগলের মতো লেখে আর পাতাগুলো পেছনে ফেলে দেয়, খোঁজও নেয় না ওগুলো উড়ে যাচ্ছে, নাকি ঝরনা এসে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে, নাকি হালার ইঁদুরে কাটতেছে। একটা কবিতার পাতা তুলে নিয়ে সুন্দরী লাস্যময়ী ঝরনা নিজের রুমে যায়। মনে হলো চাকর আর রাজকন্যার রুম পাশাপাশি, মাঝখানে শুধু একটা দরজা। আলাদা ঘরও হতে পারে, শ্যুটিং স্পটে আমি ছিলাম না।

নিজের বেডে এসে খসমের কবিতার পাতা পড়তে থাকে ঝরনা। আসলে সেটা কবিতা না, গানের লিরিক। ঝরনা যে একজন সুরকারও, তা অবশ্য ছায়াছবির কোনো জায়গায় আগে-পরে উল্লেখ নাই। অথচ সেই ঝরনা প্রথম পাঠেই অপূর্ব সুরে গেয়ে ওঠে :

তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশির রাগিণী
আমার স্বপন আধো-জাগরণ
চিরদিন তোমারে চিনি

পাশের রুম থেকে হঠাৎ ঝরনার কণ্ঠে এ সুর শুনতে পায় খসম । সে নিজের রুম থেকে উঠে এসে ঝরনার রুমে ঢোকে। ঝরনার রুমের দরজাও পরিচালক খুলে রেখেছেন আগে থেকেই, যাতে খসম যে-কোনো সময়ে যে-কোনো প্রয়োজনে এ রুমে আসতে পারে। খসম এসে দেয়ালে ঠেস দিয়ে দাঁড়িয়ে ঝরনার কণ্ঠে গানের প্রথম অংশটি শুনতে থাকে। তখন ঝরনারও চোখ এসে পড়ে খসমের দিকে। কী রোমান্টিক চাহনি তখন পরস্পরের দিকে! খসম তখন এগিয়ে যেতে যেতে বলে, উহু, ওভাবে না, এভাবে। তারপর শুরু করে প্রচলিত সুরের গানটি - তুমি যে আমার কবিতা। দুজনে খুব মনোযোগ দিয়ে গানটা গাইল, রাতের বেলা ঘরের ভিতরেই। ঝরনার মা-বাবারা অবশ্য তাদের গান শুনতে পান নি বলেই মনে হলো।

এই যে ঝরনা সুন্দরী নিজের বেডে শুয়ে-বসে, নিজের সুরে যে অংশটুকু গাইল, সেই সুরটা ছায়াছবির বাইরে মাইকে বা রেডিওতে কখনো আমি শুনি নাই। শোনার কথাও না। আমি আগেই বলেছি, ঐ প্রথম গাওয়া অংশটুকু আমার কাছে খুব সুইট লাগে। যেহেতু ঐ সুরের সাথে মিল রেখে সুরকার সুবল দাস অন্তরার কোনো সুর করেন নি, আমি শুধু খেলার ছলে বা একান্ত শখের বশেই মূল সুরকার সুবল দাসের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা রেখে সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া ভিন্ন সুরের প্রথম তিন লাইনের সাথে মিল রেখে এ গানের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অন্তরায় আমি সুর বসিয়েছি। সত্যি কথা বলতে কী, সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া প্রথম তিন লাইনের সুরটাই আমার কাছে বেশি মেলোডিয়াস মনে হয়। তবে, যেহেতু পুরো গানটা আর ঐ সুরে গাওয়া হয় নি, তাহলে স্বভাবতই ধরে নেয়া যায় যে, প্রচলিত সুরটাই সুরকার, পরিচালকসহ সবার কাছে গ্রহণীয় হয়েছিল। গানটা এত জনপ্রিয়তা পাওয়ায় সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। তবে আমার মনে হয়, প্রথম সুরে গাওয়া হলেও এ গানটি সমান জনপ্রিয়তা, হয়তবা তার চেয়েও বেশি জনপ্রিয়তা পেতো। কেউ আবার দয়া করে ভেবে নেবেন না যে, সুবল দাসের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অন্তরার সুর আমার করা এ সুরের মতো হতো :) নিশ্চয়ই তা হতো তার অন্যসব গানের সুরের মতোই অসাধারণ ও চিরসবুজ। আমার প্রয়াস শুধু শখের বশেই করা।

দয়া কইরা গানটা শুনে কেউ আবার বলে বসবেন না যেন, প্রচলিত সুর আর আমার করা ভিন্ন সুরের মধ্যে কোনো পার্থক্য পান নি আপনি।

এ গানের উপর এ পোস্টটি আগেও দেয়া হয়েছিল। আগের গাওয়া গানের উপর মিউজিক রি-কম্পোজ করা হয়েছে।

আমি শেষ করছি এ কথাটা বলে, এ পোস্টে শেয়ার করা গানটার অন্তরাগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন সুরে নতুন করে করা হয়েছে, যা একান্ত শখের বশে করেছি আমি নিজেই। কণ্ঠটাও অবশ্য আমারই :)



গানের ইউটিউব লিংক : এখানে ক্লিক করুন - তুমি যে আমার কবিতা

অথবা নীচের ভিডিওতে ক্লিক করুন :




তুমি যে আমার (প্রচলিত সুরে) : এখানে ক্লিক করুন - তুমি যে আমার কবিতা

কথা : ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
সুর : সুবল দাস (প্রথম তিন লাইন)
কণ্ঠ : সাবিনা ইয়াসমিন (প্রথম তিন লাইন)
প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় অন্তরার সুর, মিউজিক কম্পোজিশন ও কণ্ঠ : খলিল মাহ্‌মুদ
মিউজিক কম্পোজিশন গাইড : বেবি লাবিব

লিরিক :

তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশির রাগিণী
আমার স্বপন আধো জাগরণ
চিরদিন তোমারে চিনি
তুমি যে আমার কবিতা

আমি কে তোমার যদি জানতে
তবে কি আমায় কাছে টানতে?
হয়ত সুদূরে যেতে গো সরে
না, না নয়নের নীলে তুমি যে ছিলে
চিরদিন তোমারে চিনি
তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশির রাগিণী

তুমি এলে তাই স্বপ্ন এলো
ইন্দ্রধনুর লগ্ন এলো
এ মধুর প্রহর হোক না অমর
ওগো মোর পল্লবীনি
তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশির রাগিণী

যদি এ লগন আঁধারে ঢাকে
যদি নেভে দিন পথেরও বাঁকে
তুমি যে আমার বলবো আবার
চিরদিন তোমারে চিনি
তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশির রাগিণী
আমারও স্বপন আধো জাগরণ
চিরদিন তোমারে চিনি
তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশির রাগিণী


আগের পোস্ট - তুমি যে আমার কবিতা - ভিন্ন সুরে - সাবিনা ইয়াসমিনের গাওয়া ভিন্ন সুরের 'মুখ'-এর সাথে মিল রেখে আমার করা অন্তরার সুর

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৮:১০

এইযেদুনিয়া বলেছেন: খশম শব্দের অর্থ নাকি জামাই। সিনেমা নিয়ে আপনার বর্ণনা পড়ে আমি হাসতে হাসতে শেষ। বাড়তি পাওনা, ভিন্ন সুরে গানকে আবিষ্কার করা।

২১ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ১১:৩৯

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ইয়া মাবুদ, আপনি না বললে তো আমি জীবনেও জানতাম না 'খসম' শব্দের একটা অর্থ আছে, যা নাকি 'স্বামী' :) যদু মধু আবুল বাবুলের মতোই খসম একটা নাম হবে ভেবেছিলুম। এখন অভিধান দেখলাম, আপনি ঠিকই বলেছেন, খসম শব্দের অর্থ স্বামী বা পতি। তাইলে চিন্তা করুন, পরিচালক সাহেবের মাথায় কত্ত বুদ্ধি - নায়িকা কবরী আপা বাড়ির চাকর রাজ্জাক ভাইয়াকে যখন তখন 'খসম' আই মিন 'স্বামী' বলে ডাকতো :) ব্যাপারটা ভাবলেই রোমানসে পেট ভরে যায় :)

২| ২১ শে জুলাই, ২০২৩ রাত ৯:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: সিগারেট আর লেখা দুটা একসাথে চলতে পারে না। হাতে সিগারেট নিয়ে লেখা সঠিক কাজ নয়।

৩| ২২ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ১:০০

জগতারন বলেছেন:
দুটো' গানই শুনলাম এতোক্ষণে।
দু'টো গানই আমার খুব ভালো লাগলো।
এ ছায়াছবি এবং এমনই আরো বহু সিনেমা
১৯৮২ সালের পর থেকে আমার দেখার সৌভাগ্য হয়নি।
কারণ সে সময়ে আমি বিদেশে কঠোর বাস্তবতার মধ্য দিয়ে
পড়াশোনার চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম। আপনার এ পোষ্টটির মাধ্যমে
এ ছায়াছবির বিষয় বস্তু জানতে পারলাম।

আপনার বাংলাদেশের সংস্কৃতি প্রতি নিবেদিত মনের প্রতি
আমি শ্রদ্ধা ও ভালবাসা জানাই।

২২ শে জুলাই, ২০২৩ বিকাল ৪:০০

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ৮০'র দশকের মাঝামাঝি সময়ের ছবিগুলোকে স্বর্ণযুগের ছায়াছবি বলা যায়। ঐ ছায়াছবিগুলো গুণে, মানে, গল্পে যেমন ভালো ছিল, তেমনি ভালো ছিল এর গানগুলি। ওগুলো আসলেই 'পরিবারের সবাইকে নিয়ে একসাথে বসে' দেখার মতো ছবি ছিল।

বাংলা ছাড়া অন্য ভাষা ও সংস্কৃতিতে আমার কোনো অ্যাকসেস ঘটে নি। ঘটলে আমার মন-মানসিকতা কেমন হতো জানি না। তবে, যে বাংলায় জন্মেছি, যার আলো-বাতাস-পানিতে বেড়ে উঠেছি, আমার শরীর ও অস্থিমজ্জায় তাই গেঁথে আছে। এগুলোকে আমি ভালোবাসি, আমি গর্ববোধও করি।

গান দুটো শুনেছেন জেনে ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ গান শোনার জন্য ও কমেন্টের জন্য।

৪| ২২ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ১:২২

অপু তানভীর বলেছেন: নাহ আপনার গাওয়া সুরটা কেন জানি মনে ধরলো না । যে গানটা আমরা শুনে আসছি সেটাই বেস্ট ।
তবে আপনি যেটা বললেন এই সুরে গাইলেও গানটা জনপ্রিয়তা পেত এটার সাথে আমার খানিকটা দ্বিমত আছে । পেত হয়তো তবে প্রচলিতটার মত পেত না বলেই বিশ্বাস !

২২ শে জুলাই, ২০২৩ বিকাল ৪:১২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: একটা ফর্মুলা অনুসারে বলা যায় যে, ভিন্ন সুরের গানটাও জনপ্রিয়তা পেত, এমনকি আরো অধিক জনপ্রিয়তাও হয়ত পেত। ফর্মুলাটা হলো, ঐ যুগের গানগুলো ছিল তুমুল জনপ্রিয়, যা সিনেমার জনপ্রিয়তাকেও হার মানাতো, কিংবা গানের জোরেও সিনেমা জনপ্রিয় হয়ে উঠতো। আর সুবল দাস ছিলেন দক্ষ সুরকারদের একজন। পোস্টে একটা কথা বলেছি, সেটা আবারও বলি - ভিন্ন সুরের গানের অংশটা প্রচলিত সুরের চাইতে আমার কাছে বেশি ভালো লেগেছে। সুবল দাস যদি পুরো গানটা এ সুরেই করতেন এবং সেতা যদি মাহমুদুন্নবী ও সাবিনা ইয়াসমিনই গাইতেন, তাহলে অবশ্যই জনপ্রিয় হতো গানটা। গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে, আমি সাত সাগর পাড়ি দিয়ে, এই পৃথিবীর পান্থ শালায় - এরকম অসংখ্য কালজয়ী গানের স্রষ্টা হলেন সুবল দাস। তিনি ছিলেন ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির প্রাণ। তিনি একটা গান করবেন, তা জনপ্রিয় হবে না, এটা ভাবা যেত না।

৫| ২৩ শে জুলাই, ২০২৩ দুপুর ২:৫০

রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.