| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।
আমি যদি বলি, ডানে যাও সোনা
তুমি চলে যাও বায়ে
আমি হেঁটে চলি রাস্তায়, তুমি
লাফ দিয়ে ওঠো নায়ে
আমি যদি বলি, এসো বই পড়ি,
তুমি উঠে পড়ো গাছে
আমি চারা বুনি, তুমি ছিঁড়ে...
গানের পোস্ট দেয়া হচ্ছিল না অনেকদিন। কারণ জেনুইন। মিউজিক ভিডিও বানানো (রিমেইক, ফটোমিক্স, ভিডিওমিক্স), ইউটিউবে আপলোড করা, ইত্যাদি নিয়েই বেশি সময় গেছে। ইউটিউবে কমেন্ট আদান-প্রদান আগের চাইতে অনেক বেশি হওয়ায়...
তোমার কখনো ইশারা ছিল না
অথচ ডেরার ভেতর দুটো বাঘ সতত দাও দাও চোখে
শাণিত করে জিভ
আমি কি তবে বন্ধকি ঘরে সময়ের সাথে করে যাব খেলা
গোবাক্ষ পাখির প্রণয়ে?
শূন্যে আমার হাসি
বিকেলের ফুলে মেঘরং...
তোকে আর দেখি না আগের মতো শূন্যে ভাসমান। দেখার তৃষ্ণাও মরে গেছে– অথচ একফোঁটা মেয়ে কী বিপুল ভুবন– রহস্যের পাখি।
একটা মিস্ডকল, শাহবাগের মোড়ে অধীর ব্যগ্রতা, রিকশায় ফেব্রুয়ারির চিকন রোদ–...
মরে গেলেও মরে যাওয়া যায় না
যেমন বেঁচে থেকেও বাঁচবার স্বাদ পায় না অনেকে
আগুনে ঝাঁপ দেয়া যায় না ইচ্ছে হলেই
সহজেই পালিয়ে যাওয়া যায় না ঘর বা জীবন থেকে
প্রতি রাতে ঘুমোবার আগে...
১
ঢলের নদীতে ভাঙো তুফানের ঢেউ
ঢেউয়ের তুফানে গাঁথো নদীর কুসুম।
রাতের নিগণ্ঠে বেঁধে দিকচক্রবাল
আঁধারের গর্ভে খোঁজো রাতের কুটুম।
তারপর আঁকি
স্বপ্ন নয়, বৃক্ষ নয়, রহস্যের পাখি।
সরল শরীরে ধরে আগুনের দ্রোহ
কী আশ্চর্য ফুটিয়েছ সম্ভেদ মোহ!
২
কদম্ব...
প্রমীলার সাথে কোনোদিন দেখা হলে, আজ কিংবা কাল
এক যুগ পরে কিংবা মৃত্যুর আগের মুহূর্তে -
খুলে দিয়ে বুকের দুয়ার
আমি তাকে দেখাবো - সেখানে সমৃদ্ধ প্রেমাক্ষরে নাম লেখা কার।
প্রমীলাকে দেখাবো, সমস্ত অন্তর...
পোস্ট শুরুর আগে শুরুনিকা
কৌতুক আমার অতি প্রিয় একটা বিষয়। এই ব্লগে যত কৌতুকের পোস্ট আছে, আমার মনে হয় পড়ি নাই এমন পোস্ট খুব কমই আছে। এগুলোর লিংকও আমার সংগ্রহে রেখে...
রুমা ইদের শপিং করছে। ব্যস্ত শপিং মল। সময় নিয়ে একেকটা শপিং মলে যায়। মায়ের জন্য, তিন বোনের জন্য, ভাগ্নে-ভাগ্নি, ভাতিজা-ভাতিজি সবার জন্য কেনাকাটা না করে তার শান্তি নেই। ইদের মরশুমে...
তেমন কোনো বিশেষত্ব নেই দিনটির সারা পৃথিবীর কাছে
আমার বাবার দূরদর্শিতা কিংবা বিচক্ষণতার জন্যই যদিও
১লা জানুয়ারি উদ্ভাসিত হলো সুন্দরতম সোহাগের দিন হিসাবে।
দলিলদস্তাবেজে আমার জন্মদিন ওটাই; বন্ধুরা
প্রকৃত দিনের খবর কেউ...
তুই জানিস, তুই কী চাস তা আমি জানি
এও তুই জানিস, আমিও তা চাই
তাহলে ভণিতা রেখে চল্, সেই সুরম্য দুর্গের ধারে সুন্দর বনে যাই
বয়সের আগুন বেশিদিন থাকে না। আগুন নিভে গেলে
এসব...
হয়ত আপনাদেরও এমন হয়। শৈশবের কিছু কিছু জিনিস কল্পনা করলেই নাকের কাছে তার তাজা ঘ্রাণ পাই। আমাদের অল্প ক\'টি জমি ছিল। ধান কাটা হলে বাড়ির মাঝখানের দুয়ারে গরু চরিয়ে ধান...
প্রতিটা মৃত্যু আমাদের চোখ আর্দ্র করে
হৃৎপিণ্ড ফালি ফালি করে
হোক সে আপন অথবা পর, প্রতিটা মৃত্যুসংবাদ
আমাদের বুকের ভেতর ছুরির ফলার মতো গেঁথে যায়।
মৃতব্যক্তি জানিয়ে যান- আমিও তোমাদের
রক্তের অংশ...
হয়ত তুমি জানো, কিংবা
ঘূণাক্ষরেও জানো না
তোমার ভেতর সঙ্গোপনে
কাঁদছে বসে একজনা
অনেকদূরের স্বপ্নালোকে
জলের দেশে পরীর দেশে
অমরাবতীর সোনার মেয়ে
তারার আলোয় বেড়ায় ভেসে
সেই মেয়েটি বর্ষা শরৎ
হেমন্ত বা শীত বসন্ত যেন
সেই মেয়েটির নেই...
১
কোনো এক সময়ে আমার যে-কোনো লেখার প্রথম পাঠিকা ছিল আমার হবু প্রেমিকা। গল্পের নায়িকা কলাপাতারং শাড়ি পরলে হবু প্রেমিকাকে দেখতাম ঐ রঙের শাড়ি পরছে। কবিতার মেয়ে যখন গালে হাত দিয়ে...
©somewhere in net ltd.