| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ক্লোন রাফা
আমি নিরপেক্ষ নই । আমি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে।
মূলত এটি একটি ছবি ব্লগ। এক একটি ছবি একটি করে ইতিহাস। বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কস্টের অধ্যায়।
এপস্টেইন ফাইল দেখে আপনারা যারা বিচলিত, জেনে রাখুন ভয়াবহ আরেক বর্বরতা ঘটেছিলো ৭১এ এদেশেই, আর সে বর্বরতার সাথে জড়িত এদেশীয় দোসরদের অনেকেই আজকাল হয়ে উঠেছেন দেশপ্রেমিক।
মেয়েগুলোকে পরিবার থেকে ধরে এনে বন্দী করা হয়েছে। কোন কাপড়ও পড়তে দেওয়া হতো না, কাপড় সিলিং এ ঝুলিয়ে যদি সুইসাইড করে এজন্য। তাহলে তো রেইপ করার জন্য একটা মেয়ে কমে যাবে। একজনের যোনীপথ কয়েকদিন আগেই বন্দুক ঢুকিয়ে দিয়ে গুলি করেছে। এইটা নাকি অনেক আনন্দের। স্তনের বোটা কামড়ে ছিড়ে ফেলেছে আরেক মেয়ের। একটা মেয়েকে বারবার ধর্ষন করার পর, জ্ঞান হারিয়ে ফেলার পর আবার ধর্ষন করেছে। অজ্ঞান দেহও কোনো করুনা আনতে পারে নাই। একটা মেয়ের নগ্নদেহ শুধু চুলের সাথে দড়ি বেধে ঝুলিয়ে সারা দেহে কামড়ে কামড়ে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছে৷ সেভাবেই ঝুলিয়ে রেখেছে সারারাত। মেয়েগুলো যদি চাপা গলায় কান্না করতো, সেইটা নিয়েও হাসাহাসি হতো। দেয়ালে দেয়ালে মেয়েদের হাহাকার শোনার কেউ ছিল না। এইটা কখন কে ঘটিয়েছে? প্রশ্নের উত্তরে একবিংশ শতাব্দীর এপিস্টাইন এর নাম বলে দিতেন পারেন।আবার ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী আর তাদের দোসর জামায়াত, আলবদর, আল-শামসরা বাঙালি মেয়েদের সাথে যা করেছে তারই একটা ছোট্ট বর্ণনা এটা।পিশাচরাই তো এইটা করেছে।
এরপর সকল বিবেচনা আপনার এবং আপনার প্রজন্মের।এখন ভাবুন এদের নিয়ে।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু॥
এই ছবিটির সংযোজনে পরিপূর্ণতা দেওয়ার চেষ্টা।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৩৭
ক্লোন রাফা বলেছেন: প্রথমত অবশ্যই প্রতারনা করবেনা। ২০২৪ জুলাই ৩৬ সরাসরি একটি ধোকাবাজি , চক্রান্ত! তারা বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধের শ্লোগান দিয়ে আন্দোলন করে ৫ই আগস্ট ৩২ ভেঙ্গে চুরমার করেছে।আমি আন্দোলনের পক্ষে ছিলাম। মানুষের সাথে প্রতারণা করে সহানুভূতি অর্জন করেছে।
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি অপরাধ করলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই কঠোর আন্দোলন করবে। কিন্তু দেশোদ্রোহী মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারি শক্তির কোলে উঠে দেশ ধ্বংস করবেনা অবশ্যই।
তারা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিকল্প হয়ে/ স্বাধীনতার স্বপক্ষেই থাকবে এই স্বাধীন বাংলাদেশে। অবশ্যই রাজাকার, জঙ্গি ও ডানপন্থার অপশক্তি পক্ষে দালাল হবে না। এটাই ছিলো সাধারণ মানুষের চাওয়া।
এটুকু অবশ্যই বুঝতে পারার কথা সৈ.কুতুবদের।
২|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৭
রাজীব নুর বলেছেন: ছবি গুলো ভয়াবহ।
দম বন্ধ হয়ে আসে।
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৫
ক্লোন রাফা বলেছেন: এগুলোর চাইতে ভয়াবহ ছিলো আসল পরিস্থিতি। ছবিতে সেই পরিস্থিতি কল্পনাও করা যায় না, রাজিব॥
বাংলাদেশের দুটো চলচ্চিত্র হয়েছিলো। অরুনোদয়ের অগ্নিসাক্ষী আর ওরা এগারো জন। পারলে ছবি দুটি দেখে নিতে বলবো। ওখানে আসল মুক্তিযোদ্ধার অভিনয় করেছে।
৩|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৫২
রাসেল বলেছেন: ইতিহাস জুড়ে দালালরা বারবার বাংলার সাধারণ মানুষের সর্বনাশ করে গেছে।
৪|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:২০
রায়হান চৌঃ বলেছেন: 
আহমদ ছফা বলেছিলেন "শুয়োরের বাচ্চার যখন নতুন দাঁত গজায়, বাপের পাছায় কামড় দিয়ে শক্তি পরীক্ষা করে।"
ভুল বলেন নাই ছফা সাহেব, এই শুয়রের বাচ্ছা গুলির দাঁত গজিয়েছে, চোখ বড় হইছে, আর তাই দাঁড়ি টুপির আড়ালে বাংলাদেশ কে চোখ রাঙায়ে, কামড় দিয়ে চিড়ে খেতে চাইছে।
©somewhere in net ltd.
১|
০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৮:২৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: নতুন প্রজন্ম কি করবে যদি মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি লুটেরা আর মাফিয়া হয়ে যায়? তখন তার কাছে কি অপশন থাকবে?