নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ছায়া পথিক (সিপি)

আইন ও যুক্তি

পড়ুন, শিখুন, জানুন, সাদাকে সাদা বলুন।

আইন ও যুক্তি › বিস্তারিত পোস্টঃ

তত্ত্ব বর্হিভূত শিক্ষা

০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ সকাল ১০:৪৬

আমরা কি পারবো আমাদের কথা বিশ্বে তুলে ধরতে? আমাদের দেশকে আরো প্রতিযোগিতাপূর্ণ, উৎপাদনশীল, সহনশীল ও গ্রহণীয় এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতা নিশ্চিত করতে?
একটা তাত্ত্বিক বিষয় আছে এর সাথে সম্পর্কিত, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমরা অনিশ্চয়তার/অভাবময়তার অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছি। আমরা বুঝতে পারছি না আসলে কোনটা সঠিক আর বেঠিক। আমাদের কোনটা করা উচিৎ? আর কোনটা করতে পারবো? আমরা কি শেখার আগেই তা শেষ করে দিতে চাই, যা আমরা করছি? কিন্তু কিভাবে আমরা শিখবো যদি আমরা তা না করতে পারি? এবং আমরা করতে পারি, তবে কিভাবে শিখতে পারবো যা আমরা ভাল মনে করেছিলাম?
নতুন তথ্য-প্রযুক্তি ও মেডিক্যাল সায়েন্স আমাদের মানুষের শারীরিক শিক্ষার আধার খুলে দিয়েছে এবং করেছে আরো উজ্জ্বল এবং সাফল্যের উচ্চশিখরে পৌছতে সহযোগিতা করেছে। কিন্তু তত্ত্বও কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ, যা অনেক ক্ষেত্রেই আমরা নির্ভরশীল নই।
আমরা আমাদের কথার স্বীকৃতি দিয়ে থাকি কোন ধরনের ভাষাগত অথবা কোন সফটওয়্যারগত জ্ঞান ছাড়াই। বাচ্চারা প্রথম ডাক দিয়ে থাকে কোন পুস্তকগত জ্ঞান ছাড়াই যা তাদের জন্মগত প্রাপ্তি।
চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিপ্লব কিন্তু তাত্ত্বিকগতভাবে ঘটেছে/ঘটছে এখনো। একটি বিষয় শিক্ষণীয় যে, তত্ত্ব থাকা সত্বেও অভিজ্ঞতা বিনিময় ও অনুশীলন জ্ঞানের ধারকে আরো শাণিত করে, এবং এটা যুগ থেকে যুগান্তরে করতেই থাকবে বারংবার।
আমরা মানবজাতি অন্যের দ্বারা আন্দোলিত, এবং আমরা তাকেই পছন্দ করি যিনি সবার নিকট সাফল্যমণ্ডিত ব্যক্তি। এটি একটি বৈপ্লবিক চিন্তা-ধারণা যে, যিনি সাফল্য অর্জন করেছেন তার নিজের কোন বিষয় দ্বারা যা অন্যের কর্মের মধ্যে নাও থাকতে পারে, কিন্তু আমরা তারপরও তাকেই অনুসরণ করতে চাই।
কিন্তু এটা আমাদেরকে ভুলের দিকে ধাবিত করতে পারে যা আমাদের বিষয়ের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। প্রচার আমাদের উন্মোচিত করে আমরা কি পরিধান করছি, কি চিন্তা করছি। বলিউড তারকা ফুটো প্যান্ট পরিধান করলে ফ্যাশন, আমরা তা না।
আরো গঠনমূলক বিষয় যে, বৈশ্বিক বাণিজ্য আরো উন্মোচিত ভাবনা ধারণ করে থাকে। এক কোম্পানি আরেক কোম্পানির সাথে তথ্যগত, নিয়মগত, আইনগত চিন্তা-ভাবনা বিনিময় করে থাকে। এবং ভাবছে আরো যে, কিভাবে আরো "বেটার পারফরমেন্স" অর্জিত হয় তা নিয়ে। এর জন্য কিন্তু শুধু তত্ত্বগত নয়, মেধা সম্পন্ন মানুষকে কাজে লাগাচ্ছে অহরহ কিভাবে অন্য দেশে সে ভাল কোম্পানির অনুকরণীয় হতে পারে।
আমরা আরো দেখি, কৌশলগত আঙিনাতে বিভিন্ন নিত্যনৈমিত্তিক উৎপাদনশীল চিন্তা-ধ্যান ধারণা যা সহনীয় উন্নয়ন, বাণিজ্যিক পরিবেশ, প্রতিযোগিতাপূর্ণ, লৈঙ্গিক সমতা এবং খুব সম্প্রতি অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ভাবনা দেখতে পাচ্ছি। এর ভেতর কিছু বিষয় অনুশীলনের পরিমাপক ও লক্ষ্য অর্জনের দিক নির্দেশ করে থাকে।
এর কিছু প্রকৃষ্ট উদাহরণ আমরা দেখি, বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম ও বৈশ্বিক লিঙ্গসমতার সূচক ও জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচকের দিকে। তারা কিন্তু তত্ত্ব বর্হিভূত ভাবনা থেকে প্র্যাকটিক্যাল জ্ঞানের দিকে নজর প্রদান করেছে। তারা এও দিক-নির্দেশনামূলক বলেছে যে, কিভাবে এই ধারণা অনুশীলন দ্বারা আরো কাঠামোগত উন্নয়ন সাধন করা যায়।
কিন্তু এগুলো সবই যে, তত্ত্ব বর্হিভূত ধারণা তাও নয়। তথাপিও ভেরিয়েবল বটে, কেননা তারা কৌশল দূরত্ব হিসেবে অনেক কিছুকেই নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
বিশ্বে অনেক দেশে আছে যে, কিভাবে, কি করে তারা আরো কিভাবে তত্ত্বগত জ্ঞানের অনুশীলনের দ্বারা তাদের দেশের জ্ঞানভান্ডারকে আরো সমৃদ্ধ করবে, আরো জ্ঞান অনুশীলনভিত্তিক সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত করবে তারা তা নিয়ে সর্বদা ভাবনায় ব্যস্ত থাকে। আর আমরা কিসে ব্যস্ত থাকি। আমাদের দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপক কি বলছে এই বিষয়ে?
আমরা সত্যিই জানি না, বা জানতে চাই না কিভাবে উৎপাদনশীল জাতি হিসেবে কি করতে হবে। কি করা উচিৎ তারও কোন নির্দেশনা পাই না। বৈশ্বিক চিন্তা-ভাবনার প্রতিযোগিতা থেকে আমরা সর্বদা পিছিয়েই যাচ্ছি। তাল মিলাতে যেয়ে খেই হারিয়ে ফেলছি।
পরিশেষে বলতেই হয়, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে সকলে সমবেত হই।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.