| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।
"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"- বাংলা সাহিত্যের এই বহুল পরিচিত পঙ্ক্তির মর্মার্থ আমরা সবাই জানি। তবে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহ ও আন্তরিকতারও একটি নিজস্ব ভাষা আছে, যা কোনো প্রোটোকল দিয়ে মাপা যায় না।
রাষ্ট্র পরিচালনা আইন দিয়ে হয়, কিন্তু মানুষের হৃদয় জয় হয় আন্তরিকতা দিয়ে। একজন নেতার সবচেয়ে বড় পরিচয় তাঁর পদ নয়, মানুষের কাছে তাঁর সহজ উপস্থিতি।
নিরাপত্তা বেষ্টনী, রাষ্ট্রীয় প্রোটোকল কিংবা আনুষ্ঠানিকতার গণ্ডি পেরিয়ে যখন দেখি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শিশুদের মাঝে কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে একেবারে স্বাভাবিক, আন্তরিক ও সহজভাবে মিশে যাচ্ছেন, তখন সেটি নিছক একটি রাজনৈতিক দৃশ্য বলে মনে হয় না; বরং একজন মানুষের মানবিক দিকের প্রকাশ বলেই মনে হয়।
এটা কোনো অন্ধ প্রশংসা বা স্তুতি নয়- Tarique Rahman এই গুণাবলী উত্তরাধিকার সূত্রে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়া থেকেই পেয়েছেন। একজন নেতার সবচেয়ে বড় শক্তি কেবল তাঁর বক্তৃতায় নয়, মানুষের কাছে যাওয়ার ক্ষমতায়। যে নেতা শিশুদের হাসিতে নিজের আনন্দ খুঁজে পান, সাধারণ মানুষের স্পর্শকে সম্মান করেন এবং আনুষ্ঠানিকতার দেয়াল ভেঙে মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারেন- তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসাও স্বাভাবিকভাবেই অন্যরকম হয়।
রাজনীতির ইতিহাসে পদ-পদবি অনেকেই পেয়েছেন, কিন্তু মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিতে পেরেছেন খুব কমজন। শেষ পর্যন্ত মানুষের মনে থেকে যান তাঁরাই, যাঁরা ক্ষমতার উচ্চ আসন থেকেও মানুষের খুব কাছাকাছি থাকতে পারেন।
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য প্রজ্ঞা প্রয়োজন, আর মানুষের হৃদয় জয় করার জন্য প্রয়োজন আন্তরিকতা। এই দুইয়ের সমন্বয়ই একজন নেতাকে প্রকৃত অর্থে বড় করে তোলে।
PMO Bangladesh - প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় প্রোটোকল একজন প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দেয়, কিন্তু মানুষের ভালোবাসা তাঁকে ইতিহাসে স্থান দেয়। শিশুদের হাসির মাঝে, সাধারণ মানুষের করমর্দনে, প্রবীণদের দোয়ায় এবং তরুণদের স্বপ্নে যে নেতা নিজেকে খুঁজে পান, তিনিই শেষ পর্যন্ত মানুষের নেতা হয়ে ওঠেন। ক্ষমতার নয়, হৃদয়ের রাজনীতিই সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী।
ছবি ক্রেডিটঃ K M Nazmul Haque সহকারী প্রেস সচিব, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং।
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫
জুল ভার্ন বলেছেন: জা-শি এবং তাদের সহযোগীরাই মব কালচার নির্ভর রাজনীতি করে।
২|
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:১১
রৌশন বলেছেন: বাংলার সন্তানেরা গাধা কেন?
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি নির্ভেজাল গাধা বলে সবাইকে তেমন ভাবার কোনো সুযোগ নাই।
৩|
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪২
নতুন বলেছেন: দেশের জনগন খুববেশি কিছু চায় না।
তাদের মন জয় করতে খুব বেশি কিছু করতে হবে না। সঠিক কাজ গুলি করলেই হবে।
অহংকার মুক্ত, দেশপ্রেম নিয়ে জনগনের জন্য কাজ করলেই জনগনের মনজয় করতে পারবে।
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৮:৪৫
জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন। দেশের মানুষ খুব বেশি কিছু চায় না। আমাদের মতো সাধারণ মানুষের চাহিদাও খুবই সীমিত। আমরা চাই- নিজের শ্রম ও মেধা দিয়ে সৎভাবে আয়-রোজগারের সুযোগ, পরিবার-পরিজন নিয়ে সম্মান ও নিরাপত্তার সঙ্গে শান্তিতে বসবাস করার নিশ্চয়তা।
দুঃখজনক হলেও সত্য, অনেক সময় এই মৌলিক প্রত্যাশাটুকুও অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়। অথচ একটি রাষ্ট্রের প্রধান দায়িত্বই হলো নাগরিকের জন্য ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ এবং মানবিক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
People do not expect miracles from a government; they expect fairness, justice, and opportunity.
সরকার যদি ন্যায়নীতি, সততা এবং জবাবদিহিতার সঙ্গে নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে পারে, তাহলেই জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য তা যথেষ্ট। মানুষের মন জয় করতে বড় বড় প্রতিশ্রুতির প্রয়োজন হয় না; প্রয়োজন আন্তরিকতা, দায়িত্ববোধ এবং দেশপ্রেম।
Power earns respect only when it serves the people with humility.
অহংকার নয়, বিনয়; ক্ষমতার প্রদর্শন নয়, সেবা- এই দর্শন নিয়েই যদি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়, তাহলে জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা অর্জন করা কঠিন কিছু নয়। কারণ শেষ পর্যন্ত মানুষ শুধু একটি জিনিসই চায়- একটি ন্যায়ভিত্তিক, নিরাপদ এবং সম্মানজনক জীবন।
৪|
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:০২
কলাবাগান১ বলেছেন: এই সেইম কাজই যখন শেখ হাসিনা করত (৫ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে চোখের চিকিৎসা হাসপাতালে, ভ্যান রিক্সায় উঠে বেড়ানো), তখন অনলাইন এর মবেরা 'অভিনয়' বলে টিটকারী দিত
৫|
২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:২১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ভালো লেগেছে ..
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: "বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"-
.............................................................................
এই শিশুরা বড় হবার পথে তাদের হাসি ধরে রাখতে পারব ?
আমাদের বর্তমান পরিবেশ, মব কালচার কি তা হতে দেবে ?
তাহলে কি বলব , গাছের গোড়া নষ্ট করে মাথায় পানি ঢালা হচ্ছে ???