নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমিই

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ

http://www.facebook.com/mukrimulislam

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটা জাতি কিভাবে বিভক্ত হয় সেই গল্প বলছি…

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৪০

একটা জাতি কিভাবে বিভক্ত হয় সেই গল্প বলছি…



শুরুটা ছিল যুদ্ধাপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবীতে, একটি নির্দলীয় আরাজনৈ্তিক আন্দোলন।

এতে একাত্বতা ঘোষনা করেছিল দেশের প্রতিটি প্রতিষ্ঠান, প্রতিটি সংগঠন, প্রত্যেক নাগরিক…

হাতে গনা কিছু জানোয়ার বাদে……



এরপর বলা হল এটা জামাত নিষিদ্ধ করার আন্দোলন।

এতেও সবাই খুশী। স্বাধীনতার বিরোধীতাকারী এই সংগঠনের যৌক্তিকভাবে বাংলাদেশে রাজনীতি করার কোন অধিকার নাই। আন্দোলন আগের চেয়েও জোরদার হল, সমর্থিত হল, প্রশংসিত হল…



এরপর বলা হল বিএনপি এবং জামাত ছাড়া যে কোন দল বা ব্যাক্তি এই আন্দোলনের অংশ।

এবার খুব একটা প্রশংসা পেলনা কথাটা। কারন এই আন্দোলনের প্রতি ৪ জন ব্যাক্তির মাঝে একজন এমন ছিল যে জীবনে কখনো না কখনো, কোন না কোন জাতীয়তাবাদী সংগঠন করেছে। এখান থেকে বিভক্তির শুরু।



এরপরও থেমে থাকেনি আন্দোলন। পরম মমতায় আম জনতা যখন আপন করে নিয়েছিল এই আন্দোলনকে, যখন অন্যান্য ইসলামিক সংগঠনও চেয়েছিল জামাত নিষিদ্ধ হয়ে যাক, যখন মাদ্রাসার মোল্লা-হুজুরেরাও যুদ্ধাপরাধীদের ফাসির দাবীতে সোচ্চার হয়েছিল, ঠিক তখনই কিছু হাম্বা বলে উঠল

“সকল ধর্মভিত্তিক সংগঠন নিষিদ্ধ করতে হবে”

এবার সত্যিই আঘাত পেল জনতার বিরাট একটা অংশ। কারন দেশের ৩৮টি রাজনৈ্তিক সংগঠনের মাঝে ১২টি ইসলামিক, দেশের প্রতি ৪টি অর্থনৈ্তিক সংগঠনের মাঝে একটি ইসলামিক, দেশের প্রতি ৩টি সামাজিক সংগঠনের মাঝে একটি ইসলামিক, প্রতি ২টি পরিবারের মাঝে একটি ইসলামিক…



তাও চলছিল আন্দোলন… এত বিভক্তির পরেও সকল বিভক্তির উর্ধে ছিল যুদ্ধাপরাদীদের বিচারের মহৎ উদ্দ্যেশ্য।



এরপর বলা হল এক ধর্মবিদ্বেষী মৃতদেহকে শহীদ উপাধী দিয়ে আন্দোলন কেন্দ্রে তার জানাজা পড়ানো হবে। যে নিজেই ধর্মকে ঘৃ্না করতো তার জোর করে জানাজা পড়িয়ে শুধু ধর্মকেই না, বরং সেই ধর্মবিদ্বেষীকেওঅপমান করা হল। এবার বিভক্তি পরিষ্কার। এতটা হিপক্রেসি সহ্য করাটা সত্যিই কঠিন…



এবার খন্ড খন্ড হয়ে পড়ল জনতা। এবং তার সুযোগটা নিতে এক মুহুর্ত দেরী করেনি প্রতিপক্ষ। শুরু হয়ে গেল তান্ডব। আর ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত পেয়ে বাকী ১১ দলও এবার তাদের সাথে যুক্ত হল, যুক্ত হল মোল্লা-হুজুরেরা, যারা কিনা একসময় গলায় ঝুলিয়েছিল “ যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই “



এবার আমার কিছু প্রস্ন আছে…

এই আন্দোলনে দলীয় রাজনীতি টানা কি জরুরী ছিল?

এই আন্দোলনে ধর্ম টানা কি জরুরী ছিল?

এই আন্দোলনে হিপক্রেসি করা কি জরুরী ছিল?

এই আন্দোলনে কি শুধুই অনলাইন যোদ্ধাদের, জনতার না?

এই আন্দোলনে জনতার অনুভুতির কি কোনই মুল্য নেই?



আমার আর আপনার পরিচয় বাংলাদেশী এবং শুধুই বাংলাদেশী…

এতটুকু পরিচয় কি যথেষ্ট ছিল না???

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫২

এনজেল মাইন্ড বলেছেন: Juddho-oporadhir bichar er sathe Islami Bank bondho korar karon ki? Sob kichu kemn khichuri pakanor moto hoe jacche....

২| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৩

নুরুল অমিন বলেছেন: দুই হরফ বেশি ...............

৩| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৩

ShusthoChinta বলেছেন: এই প্রশ্নগুলোর উত্তর দেওয়ার হ্যাডম আন্দোলনকারীদের পক্ষের কারো আছে বলে মনে হয় না! ওদের দাবি হল,আমরা যে আন্দোলনের ডাক দিয়েছি বিনা প্রশ্নে তাতে যোগ দিতে হবে,কোন ভুল ধরলেই রাজাকার! এভাবে এরা দেশের অধিকাংশ মানুষকে রাজাকার বলছে,অথচ কারণটা ব্যাখ্যা করছে না! কাদের সিদ্দিকী রাজাকার,মাহমুদুয় রহমান রাজাকার,কিন্তু কেন রাজাকার সে প্রশ্নের কোন উত্তর নেই!
কখনো দেখেছেন,কাদের সিদ্দিকী কিংবা মাহমুদুর রহমানের উথাপিত কোন অভিযোগ প্রশ্নের কোন সন্তোষজনক জবাব এরা দিয়েছে? আমি তো শুধু দেখেই যাচ্ছি শাহবাগীরা এদেরকে রাজাকার বলছে অথচ কেন তারা রাজাকার এর কারণ খুঁজে পাচ্ছিলাম না! আজকে কয়েকটা মিডিয়ায় বিস্তারিত দেখে বুঝতে পারলাম তাদের দুজনের উথাপিত প্রশ্নের অধিকাংশই তিক্ত এবং অপ্রিয় সত্য,আর এ কারণেই বিনা ব্যাখ্যায় তারা রাজাকার উপাধি পাচ্ছে এইসব তথাকথিত ধ্বজাধারিদের কাছ থেকে।

৪| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১০:৫৮

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ বলেছেন: ShusthoChinta ঠিক বলেছেন ।

৫| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:২৩

মনজুরুল হাসান বলেছেন: আবারো হতাশ জাতি!

৬| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:৪৫

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ বলেছেন: দেখি কাল কি হয় .…

৭| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০১

ৃেৃি১৩ বলেছেন: শাহবাগ আন্দলোন টা নিয়ে কিছু ব্যাক্তিগত প্রশ্ন:

১। এতদিন ধরে চলা আন্দোলনে কি কোন ভুল নাই? ভুল ধরলেই জামাত শিবির হতে হবে কেন?
২। শাহবাগে আন্দোলন হচ্ছে গান-বাজনা, বেলুন, মোমবাতি, ঢাক ঢোল পিটিয়ে,আর এদিকে সারা দেশে মানুষ মরছে,পুলিশ মরছে, সাংবাদিক মার খাচ্ছে, দায় কার? ভাংচুর হচ্ছে, দায় কার?
৩। জামাত শিবির যেকোন মুহুর্তে কামড় বসাবে, এটা যেনেও এদেরকে উস্কে দিয়ে কেন প্রতিহত করা হচ্ছে না? শাহবাগের কেউ কি জামাত শিবিরের মোকাবেলা করছে? মোকাবেলা করছে ছাত্রলীগ, তবে কেন এটাকে দলীয় আন্দোলন বলা যাবে না?
৪। যুদ্ধাপরাধির বিচার করতে ইস্যু এত কমে গেল কেন যে ব্লগার রাজিব কে টানতে হবে? "ব্লগার রাজিব" এর মত এত বড় একটা অস্ত্র জামাত শিবিরের হাতে গেল কিভাবে?
৫। ব্লগার রাজিব যে ধর্ম নিয়ে জঘন্য কথা বলেছে এটা কি কেউ অস্বিকার করতে পারবে? সাধারন মুসলিম জনগন ক্ষেপে যায় এরকম জিনিস দুরে রাখা যেত না? ব্লগার রাজিব ইস্যুটা জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে আক্রমনের হাতিয়ার না বানিয়ে, এটা পাশ কাটিয়ে ডিফেন্সে গেলে আন্দোলনের জোড় কমে যেত?
৬। এতদিন যেসব ইসলামিক দল জামাত শিবিরের বিরুদ্ধে কথা বলেছে, তারাও ক্ষেপে গেল কেন? আমি আবারও বলি, এরা কেন ক্ষেপে গেল?এই ক্ষেপে যাওয়াটা জামাত শিবিরের নামে চালিয়ে দিয়ে পক্ষান্তরে জামাত শিবিরের উপকারই কি আমরা করছি না? এই ক্ষেপে যাওয়া থেকে যামাত ফায়দা নেবে সেটাই কি স্বাভাবিক নয়?
৭। আমি শক্রবারে যত মানুষকে মিছিল করতে দেখেছি, এত মানুষ জামাত শিবির করলে জামাত আজ ক্ষমতায় থাকত, তাহলে এরা কারা? এরা কি জনগন না? ইসলামি ব্যাংকের এটিএম বুথ যদি দশজন মিলে ভাংগে তবে তারা জনগন হয়ে যাচ্ছে, আর হাজার হাজার মানুষ মিছিল করলে তাদেরকে কেন জনগন বলা হচ্ছে না?
৮। আগামিকাল ২৪ তারিখে হরতাল ডেকেছে ইসলামিক দলগুলো অথচ মিডিয়াগুলো ঢালাওভাবে মিথ্যা বলছে যে জামাত হরতাল ডেকেছে? এই মিথ্যা কেন? এখন বলা হচ্ছে এই হরতাল প্রতিহত করা হবে, কিন্ত ইসলামিক দলগুলো যে কারনে হরতাল ডেকেছে তা কেন খতিয়ে দেখা হচ্ছে না? ইসলামকে যারা অবমাননা করছে তাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে এরকম আশ্বাস দিলে তারা কি থেমে যেত না? কারন এই ইসলামিক দলগুলো তো আর জামাত নেতাদের মুক্তি চাচ্ছে না। এখন এদেরকে ক্ষেপিয়ে দিয়ে দেশে গন্ডগোল বাধানো কেন?জামাতকে মাঠে নামার সুযোগ করে দেওয়া কেন?
৯। দেশের বিরাট একটা অংশ ইসলাম অবমাননা ইস্যু নিয়ে বেশ বিরক্ত। এই মানুষগুলোকে জামাত বলে উড়িয়ে দেয়া কি একটা বিরাট ভুল নয়? এই ধরনের সাধারন মানুষের সংখ্যাই কিন্তু বেশি। টিভিতে যাদের মুখ দেখা যায় তারাই সারা বাংলাদেশ নয়। এখনও শাহবাগ বাদে সারা বাংলাদেশে আন্দোলন পরিচালনা করছে আওয়ামিলীগ, এটা দেখেও না দেখার ভান করা বোকামি।
১০। পরিশেষে, শাহবাগে কি দু-একটা আওয়ামিলীগের ভেতরে থাকা যুদ্ধাপরাধির নাম উচ্চারন করে এটা যে দলীয় প্রভাবমুক্ত তা প্রমান করে আন্দোলনকে আরো গ্রহনযোগ্য করা যেত না?

(এখন ছাগু-সন্দেহ নামক একটা ভয়ংকর ছোয়াচে রোগ আছে, এই সব রোগীদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, সমালোচনা করলেই আপনারা ছাগু উপাধি দিচ্ছেন, কিন্তু আমার এই ভুলগুলো ধরার উদ্দেশ্য হলো আন্দলোনকে সফল করতে আরো সতর্ক করে দেওয়া।)

৮| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৯

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ বলেছেন: ৫ নাম্বারটা সম্পর্কে শুধু এটুকুই বলব অস্বিকার করাই তাদের ধর্ম !

৯| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:১৭

বাউন্ডুলে রুবেল বলেছেন: উত্তর খুঁজি আমিও আপনার প্রশ্নগুলোর। উত্তর পাইনা।

কেউ কি দেবে?

১০| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:২১

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ বলেছেন: য়ারা উত্তর দেবে তারা এখন শাহবাগে ।

১১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:৩১

মুকরিমুল ইসলাম আরিফ বলেছেন: সামুতেও কপি পেস্টি করে ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.