| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
হাদিস নবীজির মৃত্যুর বহু বছর পর লেখা হয়েছে।
কাজেই হাদিস ১০০% সঠিক হওয়ার সম্ভবনা নাই। কাজেই হাদিস আকড়ে থাকা সঠিক কাজ হবে না। এর মধ্যে আবার দুষ্ট লোকেরা ঝামেলা সৃষ্টি করার জন্য অসংখ্য জাল হাদিস তৈরি করেছে। এখন সাধারন মানুষ বুঝে না, কোনটা আসল হাদিস আর কোনটা নকল হাদিস। সমাজে বহু লোক আছে, ভুল হাদিস হৃদয়ে ধারন করে জীবন পার করে দিয়েছে। হাদিসে গন্ডোগোল আছে। ইহা সত্য। কিন্তু কোরআনে গন্ডগোল নেই। লোকজন কেন কোরআন বাদ দিয়ে হাদিস নিয়ে পড়ে থাকে! হাদিস সংগ্রহের অনেক বছর পার হয়ে গেছে। তবু কেন ইসলামিক স্কলাররা জাল হাদিস গুলো চিরতরে মুছে দিলো না? বর্তমান বিশ্বে হাদিসের তেমন প্রয়োজন পড়ে না। হাদিস ছাড়াই উন্নত বিশ্ব গুলো তর তর করে এগিয়ে গেছে। শ্যাইয়ান ভাইয়ের জন্যই আজকের পোষ্টটি লিখতে বসিয়াছি।
আমাদের অসুখ বিসুখ হলেই আমরা ডাক্তারের কাছে যাই।
ডাক্তার রোগ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ওষুধ দেন। ওষুধ খেয়ে আমরা সুস্থ হই। এখন কথা হচ্ছে, আমরা কিভাবে সুস্থ হলাম? ওষুধের গুনে না আল্লাহর ইচ্ছায়? অবশ্যই আল্লাহর ইচ্ছায় সুস্থ হই। ওষুধ হইলো উছিলা। আবার ধরুন, আমরা অসুস্থ হলাম। অসুস্থ আমাদের কে বানালো? হ্যা অসুস্থতাও আল্লাহপাক আমাদের দেন। যাইহোক, একবার আমাদের মূসা নবী অসুস্থ হলেন। জটিল কোনো রোগ নয়। অতি সাধারণ রোগ। পেট ব্যথা। সেই যুগে পেট ব্যথার কোনো চিকিৎসা ছিলো না। ডাক্তার, হাসপাতাল, ওষুধ কিছুই ছিলো না। মূসা নবী পেটের ব্যথায় অস্থির। কোনো উপায় না দেখে আল্লাহর কাছে সাহায্য চাইলেন। আল্লাহ বললেন, খেজুর গাছের পাতা খাও। পেট ব্যথা সেরে যাবে। মূসা খেজুর পাতা ভর্তা করে খেলেন এবং তার পেট ব্যথা ভালো হয়ে গেলো। (হ্যা এটা বানোয়াট হাদিস)।
রোগশোক নিয়ে অনেক হাদিস আছে।
বেশির ভাগ হাদিস ভূয়া। বানোয়াট। মূসা নবীর কথা বলি- মূসা নবীর পাতা খাওয়া নিয়ে তাফসীর ও কিসাসুল আম্বিয়া গ্রন্থে লেখা হয়েছে। যদিও ইহা জাল হাদিস। কারণ আল্লাহ 'হও' বললেই হয়ে যায়। কাজেই আল্লাহ পাতা খাওয়ার কথা বলবেন কেন? আল্লাহ ইচ্ছা প্রকাশ করলেই তো মূসা নবীর পেট ব্যথা গায়েব হয়ে যাওয়ার কথা। পাতার কোনো দরকার নাই। মূসা নবী খুবই লজ্জাশীল ছিলেন। উনি নারীদের দিকে তাকাতেও লজ্জা পেতেন। মূসা নবী একবার মিশর যান। সেখানে অনেক সুন্দরী মেয়ে ছিলো, মূসা নবী ফিরেও তাকাননি। মূসা নবীর আমলে সমস্ত পুরুষরা নদীর পারে উলঙ্গ হয়ে স্নান করতো। কিন্তু মূসা নবী এভাবে উলঙ্গ হয়ে সকলের সামনে গোছল করতেন না। এজন্য অনেকে মূসা নবীর নামে বদনাম ছড়িয়ে ছিলো- মূসা নবীর অণ্ডকোষে সমস্যা আছে। এরকম ফালতু হাদিসও আছে। যা শতভাগ বানোয়াট।
আরো কিছু বানোয়াট হাদিস আপনাদের শোনাই।
মূসা নবী বিকেলে এক গাছের নিচে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। তখন এক ফেরেশতা এসে বললেন, মূসা আপনার সময় শেষের দিকে। আপনি মৃত্যুর জন্য প্রস্তুতি নেন। মূসা নবী রেগে গেলেন। এবং ফেরেশতাকে এক থাপ্পড় দিলেন। থাপ্পড খেয়ে ফেরেশতা অন্ধ হয়ে গেলেন। যাইহোক, মূসা নবী অন্য নবীদের চেয়ে একটু আলাদা ছিলেন। তিনি সহজ সরল ছিলেন। যুদ্ধ পছন্দ করতেন না। তিনি বলতেন, দুনিয়াতে মৃত্যু না থাকলে ভালো হতো। অসুখ বিসুখ না থাকলে ভালো হতো। জান্নাত-জাহান্নাম না থাকলে আরো ভালো হতো। হাদিসে আছে- পাথরের খন্ড পর্যন্ত বলেছে, হে আরববাসী মূসাকে কষ্ট দিও না। আল্লাহ প্রতিটি মানুষকে ইখলাসের সহিত তার দায়িত্ব পালনের তাওফিক দান করুন।
আপনাদের জন্য প্রশ্নঃ ডাক্তার এবং নার্সদের কি উচিৎ কোরআন হাদিস ফলো করা?
২|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৯
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
লোকমুখে শুনছি আপনার ছেলে হলে নাম রাখতেন আবদুল্লাহ। মানত করেছিলেন মাদ্রাসায় ভর্তি করে আল্লাহর জিম্মায় ছেড়ে দিবেন। কারন ছেলে দ্বীনদার আলেম হলে পিতা-মাতা বিনা হিসাবে বেহেশতে যায়।
৩|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৯
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ডাক্তাররা ব্যর্থ হবার পর রোগীর আত্মীয়-স্বজনকে দোয়া করতে বলে এবং পীরের দরগায় শিশ্নী করতে বলে।
৪|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:০৪
সূচরিতা সেন বলেছেন: দাদু আর কত এখন বয়স হচ্ছে আস্তে আস্তে লাইনে আসুন।
৫|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৬
বাকপ্রবাস বলেছেন: এগুলো শাহবাগ এর প্রথম পাঠ।
শাহবাগ এর দ্বিতীয় পাঠ হল : মৌলবাদ আর ধর্ম মানেই ইসলাম। অন্য ধর্ম হলে কোন সমস্যা নই
শাহবাগ এর তৃতীয় পাঠ হল : অবিশ্বাসি হলেও মৃত্যুর পর ধর্ম মোতাবেক কবর দেয়ার ব্যাবস্থা করা হয়
৬|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:০১
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: কোরানে তো নামাজ কয় ওয়াক্ত সেটা উল্লেখ নাই। তাহলে কেমনে নামাজ পড়বেন? সম্ভবত তারাবির কথাও উল্লেখ নেই। খলিফা ওমরের সময় তারাবির বিধান এসেছে। তাহলে কি তারাবি পড়বেন না?
৭|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:০৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
ধন্যবাদ, রাজীব ভাই।
'হ্যাঁ' ভোট দেওয়ার আহবান থাকলো।
৮|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:০০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
জাল হাদিস নিয়ে একটি বড় মাপের গবেষনা করেন ।
এটি একটি বিশাল কর্ম যজ্ঞ হবে । আন্তর্জাতিক
ইসলামী সংস্থা বা ধনী মুসলিম দেশ হতে গবেষনা
পরিচালনার জন্য মোটা দাগের অর্থও পাওয়া
যেতে পারে ।
৯|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৫৯
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ধর্ম থাকা ভালো।
এতে করে গাধা চিনতে সহজ হয়।
১০|
১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:০৬
অদ্ভুত অবাক বলেছেন: একবার হযরত ঈসা (আ.)-কে দেখা গেল, তিনি একটি পাহাড়ের দিকে খুব দ্রুত দৌড়াচ্ছিলেন।
এক ব্যক্তি এই দৃশ্য দেখে তার পিছু নিল। সে দৌড়াতে দৌড়াতে হযরত ঈসা (আ.)-কে জিজ্ঞেস করল, "হে আল্লাহর নবী! কী হয়েছে? আপনার পেছনে তো কোনো সিংহ নেই, কোনো শত্রু নেই, কোনো ভয়ও নেই। তবে আপনি পাখির মতো এমন উর্ধ্বশ্বাসে দৌড়াচ্ছেন কেন?"
হযরত ঈসা (আ.) এত দ্রুত ছুটছিলেন যে উত্তর দেওয়ার ফুরসত পাচ্ছিলেন না। লোকটি নাছোড়বান্দা হয়ে এক-দুই মাঠ দৌড়ে তার কাছে পৌঁছাল এবং জোর দিয়ে জিজ্ঞেস করল, "আল্লাহর ওয়াস্তে একটু দাঁড়ান! আমার খুব জানতে ইচ্ছে করছে, আপনি কার ভয়ে পালাচ্ছেন?"
তখন ঈসা (আ.) বললেন, "আমি এক আহাম্মক (মূর্খ,নির্বোধ) লোকের কাছ থেকে পালাচ্ছি। তুমি আমাকে বাধা দিও না, আমাকে পালাতে দাও, আমি নিজেকে বাঁচাতে চাই।"
লোকটি অবাক হয়ে বলল, "আপনি কি সেই মসীহ (ঈসা) নন, যার স্পর্শে অন্ধ ও বধির সুস্থ হয়ে যায়?"
ঈসা (আ.) বললেন, "হ্যাঁ, আমিই সেই।"
লোকটি বলল, "আপনি কি সেই মহান ব্যক্তি নন, যিনি আল্লাহর দেওয়া 'ইসমে আজম' পড়ে মৃত মানুষের ওপর ফুঁ দিলে সে জীবিত হয়ে সিংহের মতো লাফিয়ে ওঠে?"
ঈসা (আ.) বললেন, "হ্যাঁ, আমিই সেই।"
লোকটি আবার বলল, "আপনি কি মাটি দিয়ে পাখি বানিয়ে তাতে ফুঁ দিলে তা সত্যিকারের পাখি হয়ে উড়ে যায় না?"
ঈসা (আ.) বললেন, "হ্যাঁ, তা-ও সত্য।"
তখন লোকটি বলল, "তাহলে আপনার কিসের ভয়? যার হাতে আল্লাহর দেওয়া এমন অলৌকিক ক্ষমতা আছে, সে কেন একজন সাধারণ মূর্খ,নির্বোধ লোককে ভয় পাবে? আপনি তো চাইলেই তাকে ঠিক করতে পারেন।"
হযরত ঈসা (আ.) তখন আল্লাহর কসম খেয়ে বললেন, "শোনো! আমি সেই ইসমে আজম পড়ে অন্ধ ও বধিরকে সুস্থ করেছি, তারা ভালো হয়েছে। আমি পাথরের পাহাড়ের ওপর পড়েছি, পাহাড় ফেটে চৌচির হয়েছে। আমি মৃত লাশের ওপর পড়েছি, সে জীবিত হয়েছে। কিন্তু আমি হাজারবার সেই একই পবিত্র নাম একজন আহাম্মক বা মূর্খের ওপর ভালোবেসে পড়েছি, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি! তার বোকামি একটুও কমেনি। সে পাথরের মতো শক্ত হয়ে রইল, সেখান থেকে কোনো ফসল ফলল না।"
লোকটি জিজ্ঞেস করল, "এর কারণ কী? আল্লাহর নামের প্রভাব সব জায়গায় খাটল, কিন্তু মূর্খের বেলায় কেন খাটল না?"
হযরত ঈসা (আ.) বললেন:
"অন্ধত্ব বা বধিরতা হলো আল্লাহর দেওয়া একটি 'পরীক্ষা'। এসব রোগের ওপর মানুষের দয়া আসে এবং আল্লাহর নাম নিলে তা ভালো হয়। কিন্তু মূর্খতা বা আহাম্মকি কোনো পরীক্ষা নয়, এটি হলো আল্লাহর 'গজব'।
মুর্খতা,নির্বুদ্ধিতা এমন এক রোগ, যার কোনো ওষুধ নেই। এটি এমন এক দাগ, যা আল্লাহ সিলমোহর করে দিয়েছেন। কোনো চিকিৎসাতেই এটি সারে না।"
আল্লামা রুমী রহ. বলেন, ঈসা (আ.) যেমন মূর্খদের কাছ থেকে দূরে থেকেছেন ঠিক সেভাবে তুমিও মূর্খদের থেকে দূরে থেকো। কারণ মূর্খদের সঙ্গ মানুষের অনেক ক্ষতি করে, এমনকি রক্তও ঝরায়। বাতাস যেমন ধীরে ধীরে পানি শুষে নেয়, মূর্খরাও তেমনি ধীরে ধীরে তোমার ঈমান ও জ্ঞান শুষে নেবে। তারা তোমার অন্তরের উষ্ণতা কেড়ে নিয়ে তোমাকে পাথরের মতো ঠান্ডা ও অনুভূতিহীন করে দেবে।
হযরত ঈসা (আ.)-এর পালানো ভয়ে ছিল না, তিনি তো নিরাপদ। তিনি পালিয়েছিলেন আমাদের শিক্ষা দেওয়ার জন্য, যেন আমরাও মূর্খদের সঙ্গ থেকে বেঁচে থাকি।
এই ঘটনাটি হাদিস হিসেবে বর্ণনা করা হয়নি , তাই একে নবী ﷺ–এর কথা বলে চালানো যাবে না।
এ ধরনের বর্ণনা তিন রকমের হয়ে থাকে,
১. কুরআন–হাদিসের সাথে মিললে গ্রহণযোগ্য।
২. কুরআন–হাদিসের বিরোধী হলে বাতিল।
৩. যেটার পক্ষে–বিপক্ষে কিছু নেই।
না মানা, না অস্বীকার করা; শুধু সাধারণভাবে বলা যায়।
এই গল্পটি তৃতীয় ধরনের। তাই বলতে সমস্যা নেই, কিন্তু এটিকে হাদিস বলা যাবে না।
আর এসব ঘটনা মানা বা না-মানার সঙ্গে ঈমানের কোনো সম্পর্ক নেই। মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে, ঘটনা থেকে শিক্ষা ও নসিহত গ্রহণ করা।
© Mohammad Salman
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: পড়লাম ।