নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইতিহাস কথা বলে,আমি নিরপেক্ষ নই, আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে,আমি গণজাগরণের পক্ষে,আমি গণ-মানুষের পক্ষে ।

আমি এ আর বলছি

আমি মুসলমান কিন্তু কোন সন্ত্রাসী বা জঙ্গীবাদে বিশ্বাসী না

আমি এ আর বলছি › বিস্তারিত পোস্টঃ

৫৯১ টাকার জন্য নদীতে ঝাঁপ বেকারের

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:১৩



একে বেকার মানুষ। কোনও আয় রোজগার নেই। তারপর আবার বাড়িতে টাকা পাঠানো জরুরী। তাই লুফে নেন বন্ধুর দেওয়া ‘মরণপণ’ প্রস্তাব। এ যাত্রায় তিনি বেঁচেও গেলেন।
সম্প্রতি ভারতে দেবেশ খানাল নামে এক ব্যক্তি মাত্র ৫০০ রুপির জন্য গুজরাটের সবরমতি নদীতে সাঁতার কাটতে নেমে পড়েন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৫৯১ টাকা। এরপর সাঁতরাতে গিয়ে মাত্র কয়েক মিটার অতিক্রম করা মাত্রই ডুবতে শুরু করেন। মরণের ভয়ে শুরু করেন চেঁচাতে। তার চিৎকার শুনে এগিয়ে আসেন কয়েকজন পাহারাদার। শেষমেষ তাদের কল্যাণে বেঁচে যান তিনি।

দেবেশ খানাল নেপালের বাসিন্দা। তিনিই পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। ৬ বছর আগে তিনি গুজরাট শহরে এসেছেন। এখানে তিনি একটি হোটেলে কাজ করতেন। কিন্তু সম্প্রতি তা বন্ধ হয়ে গেলে বেকার হয়ে পড়েন।

দেবেশে খানাল বলেন, আমি শহরের একটি খাবারের হোটেলে কাজ করতাম। সেখান থেকে দিনে ৪০০ রুপি রোজগার করতাম। সম্প্রতি সে হোটেলটি বন্ধ হয়ে গেছে। কিন্তু এখন আমার বাড়িতে টাকার খুবই দরকার। তাই, সাহায্যের জন্য বন্ধু সাগর থাপার কাছে হাত বাড়ায়। সাঁতরিয়ে সবরমতি পার হতে পারলে তিনি আমাকে ৫০০ রুপি দিতে সম্মতি জানান।

মাত্র এক সপ্তাহ আগে বেকার হয়েছেন দেবেশ খানাল। খাবারের জন্য তার কাছে কোনও টাকা পয়সা নেই। তিনি একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে খাওয়া দাওয়া করেন।

খানাল বলেন, আমার ছেলে বিজ্ঞানে পড়ে। তার শিক্ষার জন্য টাকা দরকার। তাই আমি বাজিটি লুফে নিই। সবরমতিতে সাঁতার কাটতে শুরু করি। কিন্তু কিছু দূর যাওয়া মাত্রই দেখি আমি ডুবে যাচ্ছি।

তার চিৎকার শুনে এলাকার পাহারাদাররা অগ্নি নির্বাপক বাহিনীকে খবর দেন। তারা এসে তাকে উদ্ধার করেন। এর আগেই সে স্থান ছেড়ে পালিয়ে যান তার বন্ধু সাগর থাপা।

খানাল পুলিশকে বলেন, তিনি তার গ্রামে মাঝে মাঝে সাঁতার কাটতেন। তার বিশ্বাস ছিল, এ বাজিতে তিনি জিতবেন। কিন্তু ইলিশ সেতুর দ্বিতীয় পিলারের কাছে যাওয়া মাত্রই তিনি ডুবতে থাকেন। তারপরই বাঁচার জন্য চিৎকার শুরু করেন।

খানাল বিএসসি ৩য় বর্ষ পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন। কিন্তু শোচনীয় আর্থিক অবস্থার কারণে পরে আর পাড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেননি। পুলিশ ঘটনাটি নথিভুক্ত করেছে।

অর্থসূচক/টাইমস অব ইন্ডিয়া/ডিএইচ

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:২৩

Rahat Islam বলেছেন: এসব দেশের সরকারের উচিত বেকার ভাতার প্রচলন করা ।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


ভারতে মুসলামানদের অর্থনীতি শোচনীয় অবস্হায়।
এটা থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় 'সমবায়' গঠন করা; কারণ, সরকার থেকে তারা উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৫:৪৪

গেম চেঞ্জার বলেছেন: কি মানসিকতার বন্ধু! ছিঃ

আর ঐ লোকটাও তো বোকা। যাইহোক, এর একটা গতি হলেই হলো।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:২১

বিজন রয় বলেছেন: নামের কাজ।

৫| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:২৪

আমি এ আর বলছি বলেছেন: @rahat islam vai ami apnr sathe agree korci

৬| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ২:২৫

আমি এ আর বলছি বলেছেন: @game changer vai ....manush jokhon bipod ee pore tokhon bokai hoa jai :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.