নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ইতিহাস কথা বলে,আমি নিরপেক্ষ নই, আমি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে,আমি গণজাগরণের পক্ষে,আমি গণ-মানুষের পক্ষে ।

আমি এ আর বলছি

আমি মুসলমান কিন্তু কোন সন্ত্রাসী বা জঙ্গীবাদে বিশ্বাসী না

আমি এ আর বলছি › বিস্তারিত পোস্টঃ

‘মানুষ মেরে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা যাবে না\'

০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১:৪৪

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালি উপজেলায় কয়লাভিত্তিক একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছেন স্থানীয়রা৷ জীবন দিলেও বিদ্যুৎকেন্দ্র হতে দেবেন না, তাদের কথা, এমন হলে স্থানীয়দের পরিবার উচ্ছেদ হবে, ঘটবে পরিবেশের বিপর্যয়৷
বাঁশখালির গণ্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনা এলাকায় বাংলাদেশের এস আলম শিল্প গ্রুপের এসএস পাওয়ার লি. এবং চীনের সেপকো ইলেট্রিক পাওয়ার যৌথভাবে ১৩২০ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন কয়লাভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কাজ শুরু করে৷ ২০১৯ সাল নাগাদ এর নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার কথা৷
২.৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের এই প্রকল্পে ৬০০ একর ভূমি অধিগ্রহণ শুরু হয়েছে ইতিমধ্যেই৷ এই অর্থের মধ্যে ১.৭৫ বিলিয়ন ডলার আসছে চীনা বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে৷
কিন্তু কাজ শুরুর আগেই, গত চারমাস ধরে স্থানীয় লোকজন এর বিরেধিতা করে আসছিলেন৷ বিশেষ করে লবণচাষী, কৃষিজীবী এবং জেলেরা এর বিরোধিতায় সেচ্চার হন৷ ঐ এলাকায় বসবাসরতরা পরিবেশ বিপর্যয়, পেশা হারানো এবং উচ্ছেদ আতঙ্কে প্রবল বিরোধিতা গড়ে তোলেন, যদিও স্থানীয় একটি গোষ্ঠী আকার বিদ্যুৎ প্রকল্পকে সমর্থন করছে কর্মসংস্থান হওয়ার আশায়৷
সোমবার বিকেলে বিদ্যুৎ প্রকল্পবিরোধীদের প্রতিবাদ মিছিলন ও সমাবেশকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে ত্রিমূখী সংঘর্ষে মোট চারজন নিহত হন৷ আহত হন ১৮ জন, যাদের মধ্যে কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আছেন৷
ঐ ঘটনায় মঙ্গলবার বাঁশখালি থানায় মোট তিনটি মামলা হয়েছে৷ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘‘সংঘর্ষে পুলিশ সদস্যরাও আহত হয়েছেন৷'' পুলিশের এএসআই বাহার মিয়া বাদী হয়ে ৫৭ জনের নাম উল্লেখ এবং তিন হাজার ২০০০ জন অজ্ঞাত আসামির নামে একটি মামলা করেন৷ তিনি বলেন, ‘‘সংঘর্ষে জড়িত এমন তিনজনকে আমরা এরই মধ্যে গ্রেপ্তার করেছি৷''
ওদিকে সংঘর্ষে নিহত আনোয়ার আলীর বড় ভাই বশির আহমেদও ৬ আসামির নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন৷ অপর একটি মামলা করেন সংঘর্ষে নিহত জাকের হোসেনের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম৷ তিনি বাদী হয়ে অজ্ঞাত দেড় হাজার জনকে আসামি করে মামলাটি করেছেন৷

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ বিকাল ৩:০১

নীল আকাশ ২০১৬ বলেছেন: লোডশেডিংকে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে দেবার জন্য এই সরকার দিনকে রাত বানিয়ে ফেলছে। এই প্রচেষ্টায় মানুষ কেন, যদি মানচিত্রও মারতে হয়, তবুও এরা পিছপা হবেনা।

২| ০৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৩

বাংলার জামিনদার বলেছেন: বিদ্যুত চাই, তবে আমার বাড়ির কাছে করা যাবেনা, শব্দ হবে, ঘুমের দিস্টার্ব হবে। তাহলে কার বাড়ির কাছে করবে???
জংগলে, তাইলে তো আবার বন ধংশ হবে, তাহলে কোথায় হবে????
কিন্তু বিদ্যুত চাই। ক্যমনে????

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.