| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আমি এ আর বলছি
আমি মুসলমান কিন্তু কোন সন্ত্রাসী বা জঙ্গীবাদে বিশ্বাসী না

বৃহস্পতিবার দুপুরে তারা কারাগারের একটি কক্ষে প্রায় আধঘণ্টা ছিলেন বলে কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডের পরোয়ানা পাওয়ার পর এ নিয়ে চারবার পরিবারের সদস্যরা তার সঙ্গে দেখা করলেন।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২-এর জেলার মো. নাশির আহমেদ জানান, দুপুর পৌনে ১টার দিকে নিজামীর স্ত্রী বেগম সামসুন্নাহার নিজামী, ছেলে ব্যারিস্টার নাজীব মোমেন, মেয়ে খাদিজা তাহেরা, পুত্রবধূ সালেহা ও রাইয়ান দেখা করেছেন।
“পারিবারিক বিষয়ে এবং মৃত্যুদণ্ডের রায়ের রিভিউর ব্যাপারে তারা কথা বলেছেন।”
সাক্ষাৎ শেষে দুপুর দেড়টার দিকে তারা কারাচত্বর ত্যাগ করেন বলে নাশির জানান।
গত ১৫ মার্চ কাশিমপুর কারাগারে মৃত্যু পরোয়ানা পৌঁছে। এরপর ১৬ মার্চ, ২৪ মার্চ ও ৩১ মার্চ মতিউর রহমান নিজামীর সঙ্গে পরিবারের সদস্যরা ও তার দুই আইনজীবী দেখা করেন।
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের সময় পাবনায় হত্যা, ধর্ষণ এবং বুদ্ধিজীবী গণহত্যার দায়ে ২০১৪ সালের ২৯ অক্টোবর নিজামীকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
চলতি বছর ৬ জানুয়ারি আপিল আংশিক মঞ্জুর করে সেই ফাঁসির রায়ই বহাল রাখে সর্বোচ্চ আদালত।
আপিল বিভাগের দেওয়া রায় পুনর্বিবেচনা চেয়ে গত ২৯ মার্চ আবেদন করা হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৯ ই এপ্রিল, ২০১৬ দুপুর ১২:০৭
আর কে মোস্তফা বলেছেন: চলতি বছর ৬ জানুয়ারি আপিল আংশিক মঞ্জুর করে সেই ফাঁসির রায়ই বহাল রাখে সর্বোচ্চ আদালত .