| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাহজাদা মারজান
আমি সাধারণ মনের একজন মানুষ, সম্পূর্ন একজন বইপোকা। সব সময় তথ্যবিত্তিক ইতিহাস কিংবা অজানা জিনিস জানাতে পছন্দ করি। ব্লগ লিখতে গিয়ে এর চাইতে বেশি পরিচয় হয়ত আমার নাই।
কোনটা গান কোনটা Gun কিছু কিছু ক্ষেত্রে বোঝাই মুসকিল হয়ে উঠেছে। রাস্তার পাশে দাঁড়ালে গাড়ীর ভিতর ও বাইরে কিছু গান শুনলে মনে হয় সিঙ্গারের গলায় আমার মত বড় বড় টনসিল আছে।
সাউন্ডের টুস টাস শব্দ শিল্পীর মিয়াইও মিয়াইও গলার আউয়াজ, লিরিক্সের কথা বাদ দিলাম, একটা টিভি চ্যানেল কর্মকর্তাকে যদি জিজ্ঞেস করেন আপনাদের টিভি চ্যানেলের উদ্দেশ্যটা কি ? __ ওনি মুখুস্থ বলবেন
১/ শিক্ষা ২/ বিজ্ঞান ৩/ বিনোদন আর তথ্য।
কিন্তু এর ব্যবহারটা হচ্ছে কই, লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে শিল্পী প্রতিযোগিতার আসর করতেছে, এইসব প্রতিযোগিতার সব চাইতে ফাউল একটা কাজ SMS ভোট প্রক্রিয়া। SMS এর মাধ্যেমে যদি শিল্পীর টেলেন্ট নির্বাচন হয় তাহলে আয়োজক আর সমালোচনার মানুষ গুলার টেলেন্টটা কোথায়। একজন নাম করা শিল্পীর নাম বলুন তো যে শিল্পী প্রতিযোগিতার মাধ্যেমে শিল্পী হয়ে বাংলাদেশে নাম রেখেছে। কেউ নাই !
প্রতিযোগিতা ছাড়া বলতে গেলে ১০০ জন যে কেউ বলতে পারবে- সাবিনা ইয়াসমিন, রুনা লাইলা, এন্ড্রু কিসোর, হাদী, ইত্যাদি।
লতা মঙ্গেশকর বলেন - টেলেন্ট কখনো হান্ট হয় নাই, এরা ইশ্বর প্রদত্ত। তাইলে তো SMS দাতা আর SMS এর মাধ্যেমে বিজয়ী নির্মাতারা করতেছে কি। বিদেশী আইডল দেখে দেশের হাজার হাজার টাকা এই ভাবে নষ্ট করলে সত্যিকারের শিল্পীর গানের পরিবর্তে Gun ছাড়া আর কিছুই পাবে না।
নতুন কুডি তে ৫০ টাকার বই গিফট পাওয়া ছিল অনেক ভাগ্যের ব্যাপার, তখন না ছিল SMS না ছিল লক্ষ লক্ষ টাকার আয়োজকদের ব্যবসা, কিন্তু তারা আজ সফল, আপনার লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়েও ব্যার্থ হচ্ছেন প্রতিবার;
আমার প্রিয় একজন লেখক সজীব চট্টোপাধ্যায়ের একটা কথা বলি 'কিছু কিছু জিনিস আছে যা বাড়তে দিলে বেড়ে যায়, যেমন হাতের নখ, প্রথমে সুন্দর লাগে পরে এটা নিজের আর অন্য জনের জন্য অস্ত্র হয়ে যায়। নখ আর নখ থাকে না হয়ে যায় তাবা।
এই যুগের গান নির্মাতারা হয়ত এই ভাবে ভেড়ে যাচ্ছে, যার জন্য গান আর গান থাকছে না হয়ে Gun, ফলে বিজ্ঞানের কল্যাণে সত্যিকারের টেলেন্টরা হয়ে যাচ্ছে অজ্ঞান।
©somewhere in net ltd.