নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমের ক্রিয়েটিভ ঋতুস্রাব যার হবে সেই প্রকৃত ব্লগার।

শাহজাদা মারজান

আমি সাধারণ মনের একজন মানুষ, সম্পূর্ন একজন বইপোকা। সব সময় তথ্যবিত্তিক ইতিহাস কিংবা অজানা জিনিস জানাতে পছন্দ করি। ব্লগ লিখতে গিয়ে এর চাইতে বেশি পরিচয় হয়ত আমার নাই।

শাহজাদা মারজান › বিস্তারিত পোস্টঃ

হ্যালো- শাহজাদা মারজান

২৪ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:০৬

হ্যালো

পৃথিবীর ৭০০ কোটি মানুষ ফোন রিসিভ করে এই কথাটাই বারবার বলে, কেন বলে, কোত্থেকে এই শব্দের উৎপত্তি,

আলেকজান্ডার মোবাইল ফোন আবিস্কার করার পর যে শব্দটা প্রথম উচ্চারণ করে সেটা হল হ্যালো, আর সেটা ছিল তার গার্লফ্রেন্ডের নাম মার্গারেট হ্যালো।

মার্গারেট হ্যালো তুমি কি শুনতে পাচ্ছ তোমাকে আজ ৭০০ কোটি মানুষ ডাকছে দিনের পর দিন, হা আমি শুনতে পাই যার প্রতিউত্তরে আমি আলেকজান্ডার বলে ঢেকে যায়।

ভালবাসার বন্ধনের স্মৃতি গুলা আসলে উদ্ভুত, সম্রাট শাহজাহান চাইলে তার অমর সৃষ্টি তাজমহলের নাম দিতে পারতেন "শাহ জাহান মঞ্জিল' তিনি সেটা চিন্তাতেও আনে নাই।

যদি তাজমহলের দেওয়ালে চিৎকার করে প্রশ্ন করা হয় মুমতাজ তুমি কি শুনতে পাচ্ছ তোমার শাহজাহান কে; তার প্রতিউত্তরে হয়ত মুমতাজ বলবে আমরা তো এক ঘরে বসে আছি এইতো দুইজন গল্প করছি,

উপরের বন্ধন গুলা ইতিহাস, কিন্তু নতুন বন্ধন গুলার কথা ভাবলে মানুষ চমকে যায়, ইউরোপ আমেরিকায় ডায়মন্ড রিং না দিলে বিয়ে হচ্ছে না। সৌদিয়াতে বড় অংকের কামিন নামা না দিলে বিয়ে হচ্ছে না, বাংলাদেশে ৩ বার কবুলের পাশাপাশি ৩ লক্ষ টাকা যৌতুক না দিলে বিয়ে হচ্ছে না।

যৌতুক জিনিসটা সম্পূর্ণ ধর্মের বাইরে একটা বিষয়, কোন নবী কিংবা রাসুল অথবা কোন মুসলিম আল্লাহর ওলী যৌতুক নিয়ে বিয়ে করেছে এমন কোন ইতিহাস নাই, ইতিহাসে এমনটা শুনেছি একটা খেজুর ১১ জন খেয়ে বিয়ে করেছে,

তাহলে কি পরিস্কার হয় না, আমরা ইসলামের পোশাক পড়ে একটা নোংরা সিস্টেম অটোরিনিউ করে যাচ্ছি। এটা ঐ পাপি ব্যক্তির সিস্টেম যে জাহেলিয়াত যুগের উত্তেজিত সদস্য। যৌতুক জিনিসটার সাথে বাংলাদেশ খুব বেশি পরিচিত ১৩০ বছর ধরে, তার আগে এই রকম কোন ইস্যু ছিল না। এখন সেটা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে মানুষ নিজেও জানে না।

বাসনে ভাত ছিল, পুকুরে মাছ ছিল, থাকার মত বিশাল জমি ছিল কিন্তু টাকা জিনিসটা ছিল না, আর যখন প্রাচ্য মধ্যেযুগে টাকা জিনিসটা শখের বসে আবিস্কার হয়,তখন থেকে মানুষ ভাতে ভাত পাচ্ছে না। শুরু হল লোভ মারামারি অহংকার, শুরু হল রাজা প্রজার বৈশম্য,

১৩০ বছর যাবৎ যৌতুকের এই প্রথা সম্পূর্ণ ধর্ম বিরুদী, একজনের দেখাতে অন্যেজন এই সিস্টেম পালন করে যাচ্ছে, হয়ত এই কুসংস্কার একদিন পুরুষ জাতির জন্য কাল হয়ে দাঁড়াবে।

আর ঐ দিন পুরুষ জাতি চিৎকার করে বলবে

... হ্যালো তুমি কি আমাকে শুনতে পাচ্ছ, আর প্রতিউত্তরে হয়ত বলবে; হ্যা আমি শুনতে পাচ্ছি আমার বাবা নিজের হালের জমি বিক্রি করে তোমাকে গুনে গুনে ৩ লক্ষ টাকা দিয়েছিল, ১০০০ মানুষ নিয়ে আমার উঠানে খাওয়ায়ছিল, সব শুনতে পাচ্ছি।

তুমি কি শুনতে পাচ্ছ ?"
হ্যালো হ্যালো কই,ধুর নেটওয়ার্কের সমস্যা !

মন্তব্য ২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ৯:৪৯

প্রামানিক বলেছেন: হ্যালো সম্পর্কে জানা হলো।

২| ২৪ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:৪৯

মানবী বলেছেন: "হ্যালো" র উৎপত্তির ঘটনাটা জানা ছিলোনা।

যৌতুক কোন পুরুষের পক্ষে গ্রহন সম্ভব নয়। যাএ নিজের পৌরষ নিয়ে সংশয় তার পক্ষেই সম্ভব এভাবে গায়ের জোড়ে আরেকজনের কাছে টাকা দাবী করা। আত্মমর্যাদা সম্পন্ন পুরুষ কখনও যৌতুক গ্রহন করেনা।
যৌতুক এক ধরনের ভিক্ষা ছাড়া আর কিছু নয়।

সুন্দর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.