| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ অাবদুল্লাহ রশিদী
সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ রশিদী
বিগত ২৭ ও ২৮ ফেব্রুয়ারী অপরাহ্ন ১১ টা চট্টগ্রাম হতে ঢাকা রেল যোগে যাওয়া আসা হল। প্রায় এক যুগ পেরিয়ে গেছে ট্রেন ভ্রমনের স্বাদ অনুভব করা হয়েছে। যেতে হল একরকম অভিজ্ঞতা আবার আসতে অন্যরকম। আমরা ৩৫ জনের এক কাফেলা খুবই মজার একটা সফর। চট্টগ্রাম হতে যাওয়ার সময় জানালার পাশে যারা ছিলেন প্রত্যেকের দামি মোবাইল ফোনে বাহির হতে একটা ঝাপটা দেয়া হল। ভাগ্যিস শক্তহাতে মোবাইল হ্যান্ডলিং করার ফলে সকলের মোবাইল ফোন রেহাই পেল। ঢাকা হতে কমলাপুর ষ্টেশন হয়ে যখন বাড়ি ফিরছিলাম তখন রাত ১১.৩০ মিনিট। সারাদিন পরিশ্রম, ক্লান্তির কারণে সহসাই ঘুমের ঘোরে অচেতন হলাম। তবে নিজের জিনিসপত্র মূল্যবান সামগ্রী নিরাপধে রাখতে একটুও কার্পন্য করলাম না। তখন রাত প্রায় ২.৫০ হবে হঠাৎ একটি বিকট আওয়াজে এসে কানে বিধল। পুরা বগির সকলের নিন্দ্রা ভগ্ন হল। অবগত হলাম, রেলের বাহির হতে কেউ জানালা দিয়ে হাতে একজন ভদ্র মহিলার ভেনেটি ভ্যাগ ছিনতাই করেছে। ব্যাগে ছিল মহিলার প্রাণপ্রিয় ছয় বৎসরের কন্যার অত্যান্ত পছন্দের দামি স্মার্ট ফোনসহ কিছু গহনা। বগিতে পুলিশ ছিল তা সত্বেও চোরেরা ছাদে অবস্থান করে একাজ গুলো অত্যান্ত দক্ষতার সহিত করে। মহিলার জায়া অভিযোগ করল, এখনো চোরেরা ছাদে আছে কিছু একটা করেন। সহসাই রেলপুলিশ বলল, আমাদের কিছু করার নেই। তারা চলন্ত ট্রেন হতে লাফ দিয়ে পালিয়ে যায়। বগির সবাই আফসোস করলাম অনেকভাবে চেষ্টা করলাম কিন্তু কোন ফলাফল না আসাতে ভদ্রলোক একাই ছাদে যেতে উদ্যত হলে ভদ্র মহিলা আবার বাধা দিয়ে বলে, দামি জিনিসের ছেয়ে প্রাণে মূল্য অনেক বেশী। মহিলা বারে বারে কেদে বলে,ট্রেনে আমার মেয়েকে সময় কাটানোর জন্য গেইম খেলতে শুধুই এ দামি মোবাইল আনা হয়েছে। আমরা অসহায় হয়ে শুধু চেয়ে দেখি কতগুলো চোরের কাছে আমরা সকলেই জিম্মি। এ পরিস্থিতি অবসান কবে হবে?
©somewhere in net ltd.