| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ অাবদুল্লাহ রশিদী
সৈয়দ মুহাম্মদ আবদুল্লাহ রশিদী
কিছু ঘটে যাওয়া ঘটনা হৃদয়ে রক্তকরন হয়। ব্যথা লাগে যখন দেখি একটি ফুটন্ত ফুল অংকুরে ঝড়ে যায়। চুয়েটের একজন মেধাবী ৩য় বর্ষের ছাত্র সড়ক দুর্ঘটনায় নিভে গেল তাজা প্রাণ।গতকাল চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী ছাত্র চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় "টুকটুকি" নামক গাড়িতে দুর্ঘটনায় মুহুর্তেই প্রাণ হারায়। গাড়িগুলো তিন চাকার অথচ ইঞ্জিনটি চার চাকার গাড়ির। দ্রুত গতি সম্পন্ন হওয়াতে তিন চাকার নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হয়। চালকদের অনেকের লাইসেন্স নেই। শেষে পরিণতি বরণ করল এ মেধাবী ছাত্রটি।আমার শিক্ষকতা জীবনে অভিজ্ঞতার আলোকে বাস্তব উপলবদ্ধি হয়েছে যে, কিভাবে একটা ছেলে নিজেকে গঠন করে এতটকু পথ পরিক্রমা পাড়ি দেয়? কত আশা স্বপ্ন নিভে গেল মূহুর্তের সামান্যতম ভুলে! হয়ত আমাদের সামান্যতমও উপলব্ধিটুকু করা উচিত যদি আমার ভাই কিংবা নিকটস্থ কেউ হত? তার সহপাঠী বন্ধু-বান্ধব বিক্ষুব্ধ হয়েছে তা হবারও কথা। জীবনে আরো দেখেছি বিধবার একমাত্র সম্বল তার প্রানপ্রিয় সন্তান অনেক ত্যাগ- তিতিক্ষার মাধ্যমে এ বিদ্যাপীঠ পর্যন্ত এগিয়ে নিয়েছে । হঠাৎ সে যদি শোনে তার প্রিয় সন্তানটি এক্সিডেন্টে মারা গেছে। তখন কি অবস্থা হবে তা একটুকু অনুভব করুন। সুতরাং আর চাইনা এ অকালজাত মরন সে শিক্ষাই জাগ্রত হউক প্রতিটি নাগরিকের চিত্তে।
২|
৩১ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:৫৭
বিজন রয় বলেছেন: যে হারায় সেই মনে রাখে চিরকাল। ঠিক কথা।
কিন্তু বানান ঠি করতে হবে যে!
৩|
৩১ শে মার্চ, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৫
মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ অাবদুল্লাহ রশিদী বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কাচা হাতের লেখাতো তাই। তবে ইতিবাচক ও নেতিবাচক দুটোই কামনা করি।
©somewhere in net ltd.
১|
৩১ শে মার্চ, ২০১৬ দুপুর ২:৫৪
চাঁদগাজী বলেছেন:
'মাওলানা' সাহেব, লিখতে শিখুন; লেখা ভালো হয়নি, সবকিছু অস্পস্ট