নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি আমার ভাবনা গুলো লেখার চেষ্টা করি।

আমি আমার অলস ভাবনাগুলো লেখার চেষ্টা করি।

অরণ্য মরুভুমি

আমি আমার অলস ভাবনাগুলো লেখার চেষ্টা করি।

অরণ্য মরুভুমি › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি পিলার না থাকলে নাকি বিল্ডিং এর কিছু হয় না।

২৫ শে এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১২:৪৯

সাভার এর ধসে পড়া ভবনটির ছয় তলা পর্যন্ত অনুমোদন ছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গতকাল ভবনটিতে ফাটল দেখা দেয় এবং ছয় ইঞ্চির মতো হেলে যায়। প্রথম তিন তলা পর্যন্ত ব্যাংক এবং অন্যান্য অফিস ছিল। চার তলা থেকে নবম তলা ছিল গার্মেন্টস। গতকাল ব্যাংক এবং অন্যান্য অফিস এর লোকজন সিদ্ধান্ত নেয় পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত তারা অফিস খুলবে না। কিন্তু একটি মিলাদ মাহফিল এর আয়োজন করে গার্মেন্টস কর্মকর্তারা আজ সকালে কারখানা খোলা রাখে্ন। প্রতিটি তলায় ৭০০ থেকে ১০০০ শ্রমিক কাজ করতো। ধারনা করা হচ্ছে সকাল বেলায় যখন শ্রমিকেরা উপরের ৫ টি তলায় কাজ শুরু করে তখন ভবনটি ধসে যায়। অর্থাৎ এমন ও হতে পারে কয়েক হাজার শ্রমিকের ভারে আহত ভবনটি ধসে পড়েছে। নিখোঁজ হওয়া স্বজনের খোজে আসা এক তরুন বলছিলেন, আমার ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলল, ভাই আমি ছয় তলায় আছি আমার ফোন এ টাকা নাই আমাকে টাকা পাঠা। এর পর ওই তরুন তার ভাই এর মোবাইল এ টাকা পাঠিয়েছে কিন্তু এর পর থেকে তার ভাই এর ফোন বন্ধ। অতি উৎসুক জনতার কারনে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে যা বোঝা গেল এই ধরনের কাজ এর জন্য যে প্রযুক্তি দরকার তা আমাদের দেশের নেই। সাধারন জনগন যেভাবে সাহায্য করছে সেটা চোখে না দেখলে বোঝার উপায় নেই। ৯ তলা ভবন টির উচ্চতা এখন ২ তলার সমান হয়ে গেছে। অনেক হতাহতের ঘটনায় সাভারের প্রায় কোন হাঁসপাতালেই জায়গা নেই। যারা ধ্বংসস্তূপ থেকে বের হয়ে আসছেন তাদের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা মনে করেছিল এই বুঝি সব শেষ হয়ে গেল। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১১৪। কিন্তু শ্রমিক ছিল কয়েক হাজার। এখনো জীবিত অনেকে ভবনটির নিচে পড়ে আছে। আগামীকাল বৃহসসাভার এর ধসে পড়া ভবনটির ছয় তলা পর্যন্ত অনুমোদন ছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, গতকাল ভবনটিতে ফাটল দেখা দেয় এবং ছয় ইঞ্চির মতো হেলে যায়। প্রথম তিন তলা পর্যন্ত ব্যাংক এবং অন্যান্য অফিস ছিল। চার তলা থেকে নবম তলা ছিল গার্মেন্টস। গতকাল ব্যাংক এবং অন্যান্য অফিস এর লোকজন সিদ্ধান্ত নেয় পরবর্তী নির্দেশনা না পাওয়া পর্যন্ত তারা অফিস খুলবে না। কিন্তু একটি মিলাদ মাহফিল এর আয়োজন করে গার্মেন্টস কর্মকর্তারা আজ সকালে কারখানা খোলা রাখে্ন। প্রতিটি তলায় ৭০০ থেকে ১০০০ শ্রমিক কাজ করতো। ধারনা করা হচ্ছে সকাল বেলায় যখন শ্রমিকেরা উপরের ৫ টি তলায় কাজ শুরু করে তখন ভবনটি ধসে যায়। অর্থাৎ এমন ও হতে পারে কয়েক হাজার শ্রমিকের ভারে আহত ভবনটি ধসে পড়েছে। নিখোঁজ হওয়া স্বজনের খোজে আসা এক তরুন বলছিলেন, আমার ভাই আমাকে ফোন দিয়ে বলল, ভাই আমি ছয় তলায় আছি আমার ফোন এ টাকা নাই আমাকে টাকা পাঠা। এর পর ওই তরুন তার ভাই এর মোবাইল এ টাকা পাঠিয়েছে কিন্তু এর পর থেকে তার ভাই এর ফোন বন্ধ। অতি উৎসুক জনতার কারনে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। তবে যা বোঝা গেল এই ধরনের কাজ এর জন্য যে প্রযুক্তি দরকার তা আমাদের দেশের নেই। সাধারন জনগন যেভাবে সাহায্য করছে সেটা চোখে না দেখলে বোঝার উপায় নেই। ৯ তলা ভবন টির উচ্চতা এখন ২ তলার সমান হয়ে গেছে। অনেক হতাহতের ঘটনায় সাভারের প্রায় কোন হাঁসপাতালেই জায়গা নেই। যারা ধ্বংসস্তূপ থেকে বের হয়ে আসছেন তাদের মুখ দেখেই বোঝা যাচ্ছে তারা মনে করেছিল এই বুঝি সব শেষ হয়ে গেল। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ১১৪। কিন্তু শ্রমিক ছিল কয়েক হাজার। এখনো জীবিত অনেকে ভবনটির নিচে পড়ে আছে। আগামীকাল বৃহস্পতি বার জাতীয় শোক।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.