নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাস্তবতা নিয়ে কথা বলতে চাই।

সৈয়দ মশিউর রহমান

লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।

সৈয়দ মশিউর রহমান › বিস্তারিত পোস্টঃ

গণভোট ২০২৬ কী এবং কেন?

১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৪


গণভোট এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে জনগণ তাদের প্রতিনিধিদের পরিবর্তে নিজেরা সরাসরি কোনো প্রস্তাব, আইন বা রাজনৈতিক বিষয়ে ভোট দেয়। গণভোটের ফলাফল আইনত বাধ্যতামূলকও হতে পারে যার ফলে নতুন নীতি গ্রহণ করা হয় বা পরামর্শমূলকও হতে পারে। তবো বাংলাদেশের সাংবিধানিক গণভোট, ২০২৬ যা ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তা আইনত বাধ্যতামূলক।

সরকারের উচিত হবে গণভোট সম্পর্কে প্রচারণা চালাতে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেওয়া, প্রচারণামূলক বিলবোর্ড-ব্যানারও সাঁটানোর সেই সংগে কোন কোন বিষয়ে গণভোটের সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে এবং এই সিদ্ধান্তে ‘হ্যাঁ’ হলে কি সুবিধা পাওয়া যাবে আর 'না' হলে কি হবে তা সাধারণ মানুষকে বোঝানো। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে গণভোট নিয়ে ছাত্রদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা যাতে ছাত্ররা তাদের পিতা-মাতা ও পাড়া-প্রতিবেশিদেরকে গণভোটের ব্যাপারে বুঝাতে পারে।

মাত্র তিন মিনিটে জেনে নিন গণভোট কী এবং কেন?


হ্যাঁ এবং না ভোটে যে বিষয়গুলি অর্ন্তভুক্ত থাকছে তাহলো ------
আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার–সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?

ক. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।
খ. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্যবিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।
গ. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকারসহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।
ঘ. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্তব্য ১০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (১০) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০১

স্বকীয়তা বলেছেন: দেশে নিয়মিত গণভোট হওয়া উচিত। সুইজারল্যান্ডের মত। পেশাদার রাজনীতিবিদ না থাকলেই জাতি শক্তিশালী হবে।

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০২

আলামিন১০৪ বলেছেন: হ্যা দরকার অবশ্যই

৩| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: জনসচেতনা বাড়াতে এই পোস্টটি স্টিকি করার যেতে পারে।

৪| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০২

রাসেল বলেছেন: যত পাহারা বসানোই হোক, যত তালা আর শিকলেই দরজাগুলো আবদ্ধ করা থাকুক, চোরের বুদ্ধি কখনো থেমে থাকে না। অন্ধকারের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব, নীরবতার সঙ্গে তার বোঝাপড়া। মানুষের সতর্কতার ফাঁকে ফাঁকে সে খুঁজে নেয় সুযোগের ক্ষুদ্রতম চিরে যাওয়া পথ। নিষেধ আর বাধা তার কাছে চ্যালেঞ্জ মাত্র—যেখানে অন্যরা থামে, সেখান থেকেই তার যাত্রা শুরু হয়। কারণ চোর জানে, প্রতিটি দেয়ালেরই কোথাও না কোথাও দুর্বলতা আছে, আর প্রতিটি নিয়মের মাঝেই লুকিয়ে থাকে ভাঙার উপায়। তাই যাই করা হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত সে নিজের রাস্তা নিজেই খুঁজে বের করে।

৫| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৬

রাজীব নুর বলেছেন: আচ্ছা আচ্ছা।

৬| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৮

মায়াস্পর্শ বলেছেন: হ্যা ।

৭| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৩

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন: 'না' ভোট জয়ী হলে দেশে আবার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হবে। আবার ফেসিবাদের জন্ম হবে। আওয়ামীলীগ ফেরার পথ সুগম হবে।

৮| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৮

অনন্য দায়িত্বশীল আমি বলেছেন:
মাত্র তিন মিনিটে জেনে নিন গণভোট কী এবং কেন?

৯| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ কোন কাগজে স্বাক্ষর করবে, কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে, সেটি আসলে তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এ সিদ্ধান্ত নেন আমলাতন্ত্রের ভেতরের অত্যন্ত ক্ষমতাবান ব্যক্তিরা।’

নির্বাচন সুষ্ঠু ও অসহিংশ হবার সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে।

১০| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৩

মেঠোপথ২৩ বলেছেন: নির্বাচন সুষ্ঠু ও অসহিংশ না হবার সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.