নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিরবতার ঝি ঝি পোকা

না বলব না, সময় হোক.

নিরবতার ঝি ঝি পোকা

কথা বলি কম, কিন্ত যা বলি তা সময়ের জন্য

নিরবতার ঝি ঝি পোকা › বিস্তারিত পোস্টঃ

টাকা লাগবে মন্ত্রনালয়গুলোর, না হলে উন্নয়ন বন্ধ

০৪ ঠা মে, ২০১৪ বিকাল ৫:০৮

চলতি অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী বাস্তবায়নে বরাদ্দ বাড়াতে কৃষি মন্ত্রী বলেন, বর্তমান অর্থবছরে ৮ মাস অতিক্রান্ত হয়েছে। বাস্তবতা বিবেচনা করে মূল এডিপি থেকে সংশোধিত এডিপি থেকে সংশোধিত এডিপিতে কিছুটা কাটছাট করা স্বাভাবিক। তবে গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রনালয় হিসাবে কৃষিমন্ত্রনালয়ের চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পাওয়া গেলে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে না। ডাক ও টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী বলেন, তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের জন্য আরো অন্তত ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। রেলমন্ত্রী বলেন, বিগত সময়ে রাজনৈতিক অস্থিতরতার কারণে রেলপথ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ১০টি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ৪৯০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রয়োজন। বিদ্যু ও জ্বালানী প্রতিমন্ত্রী বলেন, অর্থের অভাবে নতুন গ্যাস কুপ খনন সহ প্রকল্পের অন্যান্য কাজ বাস্তবায়ন দারুনভাবে ব্যহত হবে। সেজন্য কমপক্ষে ৩৬২ কোটি টাকা বৃদ্ধি করতে হবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, প্রকল্প সুষ্ঠ শেষ করার জন্য ৩ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রয়োজন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, প্রয়োজন অর্থ বরাদ্দ না পেলে শিক্ষাবৃত্তি বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হবে। তাই অতিরিক্ত ৫৩৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দিতে হবে। প্রাথমিক গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ না পেলে উপবৃত্তি বন্ধ হয়ে যাবে। আইনমন্ত্রী বলেন, আদালত ভবন নির্মাণসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রকল্পের জন্য অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ দিতে হবে। পূর্তমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম লিংকরোড প্রকল্পের জন্য ২৮৭ কোটি টাকা প্রয়োজন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বরাদ্দ কমানো হলে কমিউনিটি ক্লিনিকসহ মন্ত্রনালয়ের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ব্যহৃত হবে। যোগাযোগমন্ত্রী বলেন, শুস্ক মৌসুম চলে গেলে কাজ করা যাবে না। বরাদ্দ কমানো হলে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ বাধাগ্রস্ত হবে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ঠিকাদারদের বিল দেয়া যাচ্ছে না। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ৩৩ কোটি টাকা বরাদ্দ বাড়ানো হলে চলমান প্রকল্পের সুষ্ঠ সমাপ্তি হবে। এর পাশাপাশি স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় ব্যাংকের সচিব বরাদ্দ বাড়ানোর বিনীত অনুরোধ জানান।

অন্যদিকে অর্থমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রনালয় ও বিভাগগুলো প্রকল্প সাহায্য ব্যবহার করতে না পারার কারণে প্রকল্প সাহায্য ব্যাপকভাবে কমে গেছে। বিভিন্ন মন্ত্রনালয় বিভাগের অর্থের চাহিদা আছে এটি যেমন ঠিক, তেমনি সরকারের রাজস্ব আহরনের বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।





###

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মে, ২০১৪ বিকাল ৫:১২

ঢাকাবাসী বলেছেন: এতকালের দেয়া টাকাগুলো কি সব হজম হয়ে গেসে?

২| ০৪ ঠা মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:১৩

নিরবতার ঝি ঝি পোকা বলেছেন: যা আগে দেয়া হয়েছিল তা খেয়ে বদ হজম হয়েছে, এখন হজম হওয়ার জন্য ‍অতিরিক্ত অর্থ লাগবে----

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.