| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
অদ্ভুত দেশে। শোনেছি, সত্য কিনা জানিনা। এক রাজনৈতিক নেতা মঞ্চে উঠে বললেন, এ দেশের অর্ধেক মানুষ মুখ্য। ফলে স্বাভাবিকভাবেই জ্ঞানীয়রা আহত হয়ে আন্দোলন শুরু করলো। পরে সেই নেতাই ঘোষনা দিলেন, আসলে আমি বলতে চেয়েছিলাম এদেশের অর্ধেক মানুষ জ্ঞানী। সব স্বাভাবিক। তবে এগুলো শোনা কথা। দেখা ও বোঝর কথা হচ্ছে, কি অদ্ভুত আমাদের দেশ। যাকে যা দিয়ে স্বাভাবিক রাখা যায় তাই হচ্ছে। তবে তা শুধুই শান্তনায়। কেউ যেন প্রতিবাদ করতে পারছে না। নারায়গঞ্জ নিয়ে এতে কথা, এত আন্দোলন, কই প্রধান আসামীতো এখনও গ্রেফতার হলো না। বাড়িতে চুরি হলে, পুলিশ সব মালামাল উদ্ধার করলো, চোরের হদিস নেই। ফলে প্রতি রাতেই চুরি হচ্ছে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদাহরন হচ্ছে, আমাদের বিমান বন্দর। বস্তায় বস্তায় সোনা উদ্ধার হচ্ছে, অপরাধীর হদিস নেই। তবে উদ্ধার হচ্ছে এটাই বিমান বন্দর কর্তৃপক্ষের বড় প্রাপ্তি। জ্ঞানীরা কতটা পাপী হয় জানি না। তবে এটাও শোনেছি, একজন মিথ্যাবাদি দিনে কথা বলে যতটা মিথ্যা বলেন, তার চেয়ে বেশি মিথ্যা বলেন, একজন জ্ঞানপাপী যিনি স্বার্থ রক্ষা ও স্বার্থ বাস্তবায়নে যতটা চিন্তা ও মেধা খরচ করেন। প্রত্যাশার প্রাপ্তিটি হিসাব করে অনেক সময় পাওয়া না গেলেও তবে তা বাস্তবায়নে যতটা জ্ঞান খরচ হয় তা দিয়ে অন্তত ১০০ মানুষের উপকার করা সম্ভব। গণ শোণানী হচ্ছে, তদন্ত কমিটি গিয়ে হত্যার স্থান পরিদর্শন করেছেন। নিহত পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তদন্ত কমিটির ব্যাক্তিরা কথা বলে জানতে চেয়েছেন, (মুন্নি সাহার মতো) আপনার অনুভূতি কি? অপরাধ যাই হোক, ছোট কিংবা বড়। অপরাধীকে বাচানো মানে নিজে অপরাধ করা। একবার ভাবুন, অপরাধটি আপনি করেননি। তারপরও আপনি সেই অপরাধের ভাগিদার হচ্ছেন। এটা কতটা ন্যাকার জনক। তদন্ত করুন। এটা প্রয়োজন আছে।তবে সেই তদন্ত কতদিন। তবে আতংকে আছি, সাগর-রুমি হত্যা মামলাটিও সংবেদনশীল মামলা হিসাবে চিহিৃত, আবার একটি এ তালিকায় যুক্ত হলো। দেশ কোন দিকে যাচ্ছে? আজ গাড়ি উঠে সামনের সিটে একটি মেয়েকে দেখলাম। না খারাপ কিছু না। তার পাশের সিটে আরেকটি ছেলে। দুজন দুজনকে ভালবাসে তা প্রমাণ প্রতি মুহুত্বে দিচ্চে। কিন্ত আমরা এখানে এটা কি ভাবছি, যে এরা দুজনকি দুজনকে বিয়ে করবে। মনে হয় না। তবুও তাদের মধ্যে একে অপরের প্রতি কত আগ্রহ। কিন্ত এই আগ্রহের জায়গাটিতে আমরা নিজেরা অস্থিতিশীল করছে, নিজেদের কর্মকান্ড দিয়ে। কিভাবে, আপনি ভাবছেন, তাকে ফোন না দিলে, যে বোঝবে আপনি রাগ করেছেন। আর সে ভাবছে, দেখি কতদিন ফোন না দিয়ে থাকতে পারে, আমিও কম কিসে। সমাধান হচ্ছে না। দেশটা যেন কেমন হারিয়ে যাচ্ছে। না ভারতের কাছে না। আমাদের নিজেদের কাছে। ব্যাংকে যখন টাকা জমা দিতে যায়, বা বাড়িতে টাকা পাঠাতে যায়, তখন অনেককে দেখি লাখ লাখ কোটি কোটি টাকা জমা দিতে আসে। এত টাকা কোথা থেকে আসে। ব্যবসা থেকে, এছাড়াতো আসার সুযোগ নেই। তাহলে কি আমরা ঠকে যাচ্ছি পুঁজিপতিদের কাছে। তা না হলে আমাদের টাকা নিয়ে তারা এত বড় পাহাড় বানায় কিভাবে। টাকা তো বাচ্চা দেয় না, টাকায় টাকা আনে। তবে সেই টাকা কি, তারা আমাদের কাছ থেকে প্রতারানা (অতি মূল্য) করে হাতিয়ে নিচ্ছে। এটাই বা কতটা যৌক্তিক।
©somewhere in net ltd.