| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা ফলের মাসে ফল খাবেন না এটা চিন্তাও করতে পারেন না। কিন্ত ফলের যে দশা তাতে আতংকে আতংকে হয়তো বা লোকিয়ে ফল খাওয়ার অভ্যাস করে নিয়েছেন। কার্বাইড, ফরমালিন যাই বলেন, কোনটা সত্য। আমরা কি এগুলো খাব। নাকি ফেলে দেব। তর্ক অনেক হতে পারে। কিন্ত কি করবেন। পেশার খেলায়, বাদামতলি। ফলের আড়ৎ। না আমি ফলের ব্যবসা করি না। তবে ফল খাওয়ার জন্য সরাসরি ফল কেনার জন্য যাওয়া। যাতে ব্যবসায়ীরা ফলে ফরমালিন বা কার্বাইড দেয়ার সুযোগ না পায়। খবরটা শোনলার, আমদানি করা ফল দেশের বাজারে আসতে সময় লাগে ১৫ থেকে ২০ দিন। এতদিন ফলে কিছু না দিলে খেতে পাওয়া যাবে কি স্বাদের আপেল, কমলা, মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই আমের পাকা রং, লজ্জায় লাল হয়ে যাওয়া লিচু, ইত্যাদি ইত্যাদি। ব্যবসায়ী বললেন, বাজারে এমন কোনো ফল নেই যাতে রাসায়নিক পদার্থ দেয়া হয় না। আর এমন কোনো আমদানিকারক দেশ নেই যারা ফল আমদানি করে, তারা রাসায়নিক পর্দাথ না মিশিয়ে বাজারে বিক্রি করে। মাছে বরফ না দিলে যেমন পচে যায়, তেমনি ফল আরো সংবেদনশীল। ফলে খেতে চাইলে তাই খেতে হবে। তবে অযৌক্তিক না যৌক্তিক জানি না, ব্যবসায়ীরা দাবি করেছেন, ভারতের ফলের বাজার শক্তিশালী করতেই নাকি অহেতুক অভিযানের নামে ধ্বংশ করা হচ্ছে ফল। আর যে মেশিনে ফলের রাসায়নিক পদার্থ মাপা হওয়ার কথা সেই মেশিনই নাকি নেই তাদের কাছে। যা দিযে মাপা হয়, তা হলো মাছের ফরমালিন মাপার মেশিন। সত্য মিথ্যা জানি না, তবে জানার প্রয়োজন মনে করলারম তাই বললাম।
©somewhere in net ltd.