নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানুষের জীবন প্রতিদিন তার বেঁচে থাকার লাইসেন্স নবায়ন করে ।প্রকৃতি এটা নিয়ন্ত্রন করে,যেদিন নবায়ন হবেনা,সেদিন মৃত্যু অনিবার্য ।

স্বপ্নের শঙ্খচিল

আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !

স্বপ্নের শঙ্খচিল › বিস্তারিত পোস্টঃ

আত্নশুদ্ধির দিনে : পরিবেশ দূষণ কেন ?

৩১ শে মে, ২০২৬ রাত ১১:৩৫

আত্নশুদ্ধির দিনে : পরিবেশ দূষণ কেন ?



একজন মুসলমান হিসাবে, জীবনের সারা পথ আত্নত্যাগ ও পরপোকারে লিপ্ত থাকা আবশ্যক ।
ঈদুল আজহা আমাদের জন্য সেই বার্তা নিয়ে আসে, প্রতি বৎসর ম্সরণ করে দেবার জন্য ।
তাহলে প্রশ্ন থাকে যে, কুরবানীর সময় যত্র তত্র কুরবাণীর বর্জ্য ফেলে , অণ্যর অসুবিধা করে এইসব
ত্যাগ কতটা বিশুদ্ধাচারন হলো ???
এই সময় আরও একটি অস্মানজনক ঘটনা ঘটে । চামড়া নিয়ে র্দূর্ণীতি, প্রকৃত দাম জনগন পায়না
যা কিনা গরিবের হক বলে বিবেচিত । অনেক মাদ্রাসায় গরিবের হক বলে নিয়ে, উপরস্হ কর্তা ব্যক্তিরা
ভাগ বাটোয়ারা করে । তাহলে দেখুন একটি পবিত্র উৎসবের দিনে আমরা কতটি অপরাধ করছি ?
পরিবেশ ঠিক রাখার জন্য এই দিনে সরকার কিছু মান্দাতাকালের ব্যবস্হাপনা করে এবং হুন্কার দেয় ১২ ঘন্টার মধ্যে
সকল বর্জ্য অপসারন করতে হবে । আসুন রিপোর্ট দেখি কি বলছে :-

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত ১২ ঘণ্টার মধ্যেই ঈদের দিনের
প্রথম দফার কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে বলে দাবি করেছে। তবে সামগ্রিক বর্জ্য সম্পূর্ণ দূর
করতে ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ ৭২ ঘণ্টার একটি সমন্বিত অ্যাকশন প্ল্যান নিয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে।প্রধান সড়কগুলো
দ্রুত পরিষ্কার করা হলেও এখনো কিছু কিছু এলাকা বা অলিগলি থেকে বর্জ্যের দুর্গন্ধ ছড়ানো ও ময়লা জমে থাকার অভিযোগ
আসার পেছনে সুনির্দিষ্ট কিছু বাস্তবসম্মত কারণ রয়েছে।এখনো অভিযোগ আসার মূল কারণসমূহ:দ্বিতীয় ও
তৃতীয় দিনে কোরবানি: একটি বড় অংশের নগরবাসী ঈদের দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনেও পশু কোরবানি দিয়ে থাকেন।
ফলে ওইসব স্থান থেকে নতুন করে আবার বর্জ্য ও রক্ত তৈরি হচ্ছে এবং নতুন স্তূপ জমছে।
অলিগলির ভেতরের চিত্র: সিটি কর্পোরেশনের বড় বড় ট্রাক ও ভারী যানবাহনগুলো প্রধান সড়ক ও সেকেন্ডারি ট্রান্সফার
স্টেশন (STS) থেকে দ্রুত বর্জ্য সরাতে পারলেও ভেতরের সরু অলিগলি বা ব্যক্তিগত গ্যারেজের ময়লা সংগ্রহ করতে কিছুটা বাড়তি সময় লাগছে।নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্য না রাখা: অনেক বাসিন্দা সিটি কর্পোরেশনের দেওয়া প্লাস্টিক বা পলিব্যাগে বর্জ্য না ভরে যত্রতত্র ফেলে রাখছেন অথবা ড্রেন ও নর্দমায় ফেলছেন। এতে তরল বর্জ্য ও রক্ত ছড়িয়ে পড়ে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করছে।পশুর হাটের বর্জ্য: ঢাকার অস্থায়ী ও স্থায়ী পশুর হাটগুলোর শত শত টন গোবর, খড় এবং বর্জ্য পরিষ্কারের প্রক্রিয়াটি চলমান রয়েছে, যা পুরোপুরি শেষ হতে কিছুটা সময় নিচ্ছে।আংশিক স্তূপ রেখে যাওয়া: কোনো কোনো জায়গায় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা জড়ো করে রাখলেও তা ল্যান্ডফিলে নিয়ে যাওয়ার গাড়ি পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় সাময়িকভাবে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।


তাহলে আমাদের করণীয় কি :
আপনার করণীয় বা অভিযোগ জানানোর মাধ্যম:আপনার এলাকায় এখনো বর্জ্য পড়ে থাকলে বা কোনো অভিযোগ থাকলে
আপনি সরাসরি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট অথবা তাদের হটলাইন নম্বরে
যোগাযোগ করে দ্রুত ‘কুইক রেসপন্স টিম’ (QRT)-এর সহায়তা নিতে পারেন।আপনার এলাকায় কি এখনো বর্জ্য জমে আছে?
চাইলে নির্দিষ্ট এলাকার নাম বা ওয়ার্ড নম্বর জানাতে পারেন, যা আপনাকে সঠিক তথ্য পেতে সাহায্য করবে।


এটা হলো বড় বড় সিটিকর্পোরেশনের চিত্র, তাহলে গ্রাম বা ঢাকার একটু বাহিরে কি অবস্হা হবে চিন্তা করুন ?
প্রচন্ড দূর্গন্ধ আর পরিবেশের ভয়াবহ দৃশ্য দেখলে জানতে ইচ্ছে করে এর কোন প্রতিকার নেই ।
বিশ্বে মুসলিম দেশে দেশে কুরবানী হয় কিন্ত সেখানে এই অবস্হার কথা শুনিনি । হজ্বের সময় ২০ লক্ষ লোকের প্রদত্ত
কুরবানীতে এমন অচলাবস্হার কথা শুনি নাই । তাহলে আধুনিক উন্নত ব্যবস্হা আমরা গ্রহন করছিনা কেন ?

আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্হপনা গ্রহন করলে আমরা কি ভাবে উপকৃত হতাম : ... .... .....?
আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা হলো বর্জ্যের ক্ষতিকারক প্রভাব হ্রাস করে, বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংগ্রহ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের
মাধ্যমে তা সম্পদে রূপান্তর করার আধুনিক প্রক্রিয়া। এটি পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
মূল পদক্ষেপ ও কৌশল:উৎস থেকে পৃথকীকরণ (Source Separation): বাসা-বাড়ি, অফিস বা কারখানায় পচনশীল (জৈব) ও অপচনশীল (প্লাস্টিক, কাচ, ধাতু ইত্যাদি) বর্জ্য আলাদা করা।
সংগ্রহ ও পরিবহন (Collection & Transport): নির্ধারিত পাত্রে বর্জ্য সংরক্ষণ এবং আধুনিক যান্ত্রিক গাড়ির মাধ্যমে
তা ডাম্পিং স্টেশন বা প্রসেসিং প্ল্যান্টে নেওয়া।রিসাইক্লিং ও পুনর্ব্যবহার (Recycle & Reuse): প্লাস্টিক, কাগজ, কাচ ইত্যাদি প্রক্রিয়াজাত করে নতুন পণ্য তৈরি করা।
বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন (Waste to Energy): উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে নির্দিষ্ট বর্জ্য পুড়িয়ে বিদ্যুৎ বা
গ্যাস উৎপাদন করা।সার তৈরি (Composting): পচনশীল ও জৈব বর্জ্য থেকে উন্নত মানের জৈব সার তৈরি করা।
আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার সুবিধা:পরিবেশ দূষণ রোধ ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ন্ত্রণ।বায়ু, পানি ও মাটি দূষণ থেকে
জীববৈচিত্র্য রক্ষা।বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব।


তাহলে আমরা করছিনা কেন ?
প্রশ্ন রাখতে পারি , বাস্তবতা বলছে আমরা অনগ্রসর অসভ্য জাতি, কবে আমরা সত্যিকারের
মানবতাসন্পন্ন ও ত্যাগের মহিমায় উন্নত হবো ???


কুরবানীর বর্জ্য চিত্র :

সিটি কর্পোরেশন সূত্র বলছে :
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) তিন দিনে ৩২ হাজার ৬৬২ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্ত ডাম্পিং করেছে। ডিএসসিসির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়,
* ঈদের দিন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ১৪ হাজার ৮১৪ টন কোরবানির বর্জ্য মাতুয়াইল ল্যান্ডফিলে চূড়ান্ত ডাম্পিং করা হয়েছে।
**ঈদের পরের দিন রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ৮ হাজার ৯৭৭ টন বর্জ্য ডাম্পিং করা হয়েছে।
**শনিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ডাম্পিং করা হয়েছে ৮ হাজার ৮৭১ টন।

মন্তব্য ১১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১২:০৬

কিরকুট বলেছেন: আমরা জাতি হিসাবে নোংরা জাতি। জ্ঞ্যানে, বুদ্ধিতে, আচরণে। আমাদের পরিচ্ছন্নতা বোধের অতি উচ্চমাত্রায় অভাব আছে।

০১ লা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দেশের পরিবেশ পরিস্হিতি ও রাজনৈতি ক আচরন সুষ্ঠু না
থাকায় , একটু বুদ্ধিমান নাগরিক দেশ ত্যাগ করছে,
ফলে রাষ্ট্র চালানোর লোক পাবেন কোথায় ?
বর্তমান সরকারে ও লক্ষ্য করুন কতজন এমপি বিদেশ থেকে
এসে সরকার চালাচ্ছে ???

২| ০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ১:৫৮

কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:

সরকার ও জনগণ দুই পক্ষের দায় আছে। সিটি কর্পোরেশন পর্যাপ্ত লোকবল নাই
আর জনসাধারণ কুরবানীর বর্জ্য ফেলার মতো কোন স্থান নাই।
হাজারীবাগে সরকারি অনুদানে নির্মিত একটি গরু জবাই করার
৮ বছরে মাত্র ৬টি গরু জবাই হয়েছে।

০১ লা জুন, ২০২৬ রাত ৮:৩১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ঢাকা এখন মেগা সিটি,
২০/২৫ বৎসরের ধারনা নিয়ে দেশ চালালে কি
তাকে ব্যবস্হাপনা বলে ?

....................................................................................
বর্তমানে আনুমানিক ৩৬.৬ মিলিয়ন জনসংখ্যা নিয়ে ঢাকা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর
এবং এটিকে বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ শহরাঞ্চল হিসেবে ব্যাপকভাবে বিবেচনা করা হয়।
অভিবাসন এবং উচ্চ জন্মহারের কারণে ঢাকার জনসংখ্যা বার্ষিক প্রায় ২.৮–৩% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এই দ্রুত সম্প্রসারণের ফলে অবকাঠামো, আবাসন এবং জনসেবার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন
হওয়ায় এটি বিশ্বের অন্যতম জনবহুল শহর হিসেবে রয়ে গেছে।
..................................................................................................................................
তাহলে বলুন গায়ের জোরে ১২ ঘন্টায় সব পরিস্কার করে ফেলবে ?
আরও বিষ্য়কর কথা এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তদারকি করতে হবে কেন ?
তাহলে এত অর্থ দিয়ে অন্যান্য মন্ত্রনালয় কেন ? কেন পূর্বের সরকারের ধাঁচে চলা ?
তাহলে নূতন বন্দোবস্ত বা পরিবর্তন কোথায় ???

৩| ০১ লা জুন, ২০২৬ ভোর ৫:৫১

আলামিন১০৪ বলেছেন: ছোট বাংলাদেশে এত মানুষ! দায়িত্বপ্রাপ্তরা চোর, সহসা মুক্তি মিলবে কি?

কোরবানীর বর্জ পুরনো সমস্যা বিশেষ করে গরুর অন্ত্রের ময়লা ড্রেনে কিংবা মাটির নীচের পাইপগুলোতে থেকে যায় আর ম্যানহোল দিয়ে দুর্গন্ধ ছড়ায়।

রাজধানীর অদূরে বায়োগ্যাস প্লান্ট বা জৈবসারের কারখানা স্থাপনা করে কোরবানীর বর্জ ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেয়া যেতে পারে। নতুবা এ সমস্ত বর্জ পরিশোধন ছাড়া নদীর পানিতে মিশার সুযোগ পেয়ে দুষণ ছড়ায় ও শহরের পরিবেশ বিনষ্ট করে।

শহর কেন্দ্রিক চাকুরী, ব্যবসাকেন্দ্র স্থাপনের প্রবণতা থেকে বের হয়ে- দূরবর্তী স্থান থেকে ব্যবসা পরিচালনা বা অনলাইন ব্যবস্থাপনায় কাজের সুযোগ দিলে, ঢাকা বা ঢাকার মতো জনবহুল এলাকায় মানুষের চাপ অনেকাংশে কমে যেত আর অনেক সমস্যা কমে আসত।

০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ২০০৭ সালে সরকারের কাছে বর্জ্য ব্যবস্হাপনার প্রকল্প জমা
দে্ওয়া হয়েছিলো । ঐ প্রকল্পে আমার ক্ষুদ্র অংশগ্রহন ছিলো ।

.........................................................................................
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে, এই ধরনের বর্জ্য ৩০ দিনের মধ্যে হজম
হয়ে যেত । এবং আরে ৭/৮টি বাই প্রোডাক্ট হতো যা অত্যন্ত লাভজনক ছিলো
কিন্ত মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন দিলনা এবং উক্ত প্রকল্প সরকারী পর্যায় থেকে
করা হবে বলে জানানো হলো ।
সরকারের অদূরর্দশীতা ও লোভ ভালো কোন কাজ এদেশে বাস্তবায়ন করা দূরহ !!!

৪| ০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০৫

জুল ভার্ন বলেছেন: ব্যক্তি সচেতনতা, পারিবারিক সচেতনতা থকি সামাজিক সচেতনপ্তা তৈরী করে। সামাজিক সচেতনতা রাষ্ট্রীয় সচেতনা, জাতীয় ভাবে সচেতন করে। কাজেই শুরু করতে হবে- ব্যাক্তি এবং পারিবারিক ভাবে।
কোরবানী দেওয়ার সময়সীমা তিন দিন। আমরা ৮৫% মানুষ প্রথম দিন কোরবানি দেয়- সেদিনের বর্জ্য সন্ধ্যার মধ্যেই সিটি কর্পোরেশন পরিস্কার করে নেয়।
দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিন যারা কোরবানি দেন-তাদের কোরবানির বর্জ্য অপসারণ নিয়েই সমস্যা বেশী হয়।

০২ রা জুন, ২০২৬ রাত ২:২৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ব্যক্তি সচেতনতা, পারিবারিক সচেতনতা থেকে সামাজিক সচেতনতা
তৈরী করে। সামাজিক সচেতনতা, রাষ্ট্রীয় সচেতনা, জাতীয় ভাবে সচেতন করে।

..........................................................................................................
বাস্তবতা হলো এই মেগা সিটিতে জনগন যেমন চাইলে এর সমান করতে পারবেনা
তেমনি সরকার ৫৫ বৎসরের পুরানো ব্যবস্হাপনা দিয়ে সমাধান করা যাবেনা ।
বিশ্বের আধুনিক শহরগুলি এই ব্যপারে আধুনিক বিজ্ঞান সম্মত ব্যবস্হা নিতে পারে
তাহলে আমরা পারবনা কেন ?
বিশ্বের কোথাও যেমন যত্র তত্র কুরবানী করার সুযোগ নাই,
তেমনি আমাদের আধুনিক " বুচার শপ " নাই এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ স্হাপনা করা হয় নাই ।
..................................................................................................................
আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে এবং আধুনিক সভ্যতার আলো গ্রহন করতে হবে ।

৫| ০১ লা জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৯

রাজীব নুর বলেছেন: প্রতিদিন ময়লার গাড়ী আসে। অথচ মানুষ ঘরের বাইরে ময়লা ফেলে। ময়লার গাড়িতে ময়লা ফেলা আজও বাঙ্গালী রপ্ত করতে পারেনি।

০১ লা জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমরা এখনও সভ্য জাতিতে উঠতে পারি নাই ।
আমাদের মব সন্ত্রাস চলছেই, যা বর্তমান সরকারের দৃঢ় হাতে বন্ধ করার ওয়াদা ছিলো ।

.......................................................................................
চলতি মে মাসে বাংলাদেশে মব হামলায় অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) নামে একটি সংগঠন৷ এই সংখ্যা গত ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ ।এ ধরনের অন্তত ৬৯টি ঘটনায় আরও ৭১ জন গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে মানবাধিকার সংগঠনটি৷ তাদের মাসিক প্রতিবেদন অনুযায়ী,
এপ্রিলে মব সহিংসতায় ২১ জন নিহত এবং ৪৯ জন আহত হয়েছেন ।

এমএসএফের হিসাব অনুযায়ী,
ফেব্রুয়ারিতে ১৮ জন,
জানুয়ারিতে ২১ জন এবং
২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ১০ জন মব হামলায় নিহত হন ।
প্রতিবেদনে তারা বলেছে, ‘‘(এই পরিসংখ্যান) জনতার হাতে আইন তুলে নেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধির একটি স্পষ্ট প্রতিফলন৷’’
.....................................................................................................................................................
আমাদের মানবিক গুনাগুন যদি উন্নত না হয়, তাহলে পরিবেশ উন্নত করব কিভাবে ???

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.