নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

https://www.facebook.com/profile.php?id=100011347907691

ছোবল নৃত্য

https://www.facebook.com/profile.php?id=100011347907691

ছোবল নৃত্য › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাজনীতরি ইনপুট-আউটপুট

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৪৫

সবার আগে একটা কথা বলে নেই। পলিটিক্স কাকে বলে জানেন তো? আপনি-আমি-আমরা চোখের সামনে যা দেখি আর শুনি, সোজা কথায় তা হলো আউটপুট। এর ইনপুট হলো ব্যাকগ্রাউন্ডে, যা আপনার আমার মত সাধারন পাবলিককে দেখানো হয়না, কেউ দেখতে চেষ্টা করলে তাকে যেভাবেই হোক সাইজ করে দেয়া হয়- সোজা কথায় একেই বলে পলিটিক্স। তাই যে কোনো পলিটিক্যাল কথা-ঘটনায় আপনি যদি নাটকের পিছনের ব্যাকগ্রাউন্ডে কী হচ্ছে না জেনে নাটকের মঞ্চে কী হচ্ছে তাই দেখে মন্তব্য করে বসেন, নিজের perception তৈরী করে নেন, তাহলে তা যে কত বড় বোকামী হবে তা নিজেই ভেবে নিন।

একটা উদাহরণ দেই। কবি শামসুল হক, গায়িকা ফেরদৌসি রহমান, গায়িকা সাবিনা ইয়াসমিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলা বিভাগের প্রধান মুনীর চৌধুরী, গায়িকা ফরিদা ইয়াসমিন, কবি আহসান হাবীব কখনো শুনেছেন এদেরকে কেউ রাজাকার বলতে? শুনেননি। আমিও না। উলটা ছোটবেলা থেকে সবসময় দেখে এসেছি ইনারা এবং ইনাদের মত অন্যরাই মুক্তিযুদ্ধের এক একজন লিজেন্ডের মত সম্মান পান এবং তা উপভোগ করেন। কিন্তু জানেন কী যে ইনারা সেই পঞ্চান্ন জনের মধ্যে কয়েকজন যারা ১৯৭১ সালের ১৭-ই মে দৈনিক পাকিস্তানে A Statement by East Pakistan Scholars And Artists নামে বিবৃতি দিয়েছিলেন যেখানে স্পষ্ট বলেছিলেন ‘যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা চাচ্ছে তারা শুধু চরমপন্থীই না, তারা পাকিস্তানের জাতীয় অস্তিত্বকে বিপন্ন করে তুলেছে’! আইরনির কোনো শেষ নেই।

আজকে বাংলাদেশে যে আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের একতরফা মালিক বনে গেছে, এইই সে দল যে দল নিজে পাকিস্তানী বংশোদ্ভুত, 'All Pakistan Awami Muslim League' থেকে জন্ম নিয়ে যে দল স্বাধীনতার পর নাম বদলে 'বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ' নাম নিয়েছে, অথচ উর্দু "আওয়ামী" শন্দটাকে বদলাতে পারেনি, (উর্দূতে আওয়াম অর্থ জনতা), যাদের নামে হুবহু এখনো পাকিস্তানে একটা দল আছে Awami Muslim League, যে হারে 'পাকিস্তান' বিষয়ক/রিলেটেড যে কোনো কিছুকেই রাজাকার হিসেবে আখ্যায়িত করার প্রবনতা দেখতে পাচ্ছি চারিদিকে, তাতে সবার আগে এই দলটিকেই রাজাকার হিসেবে ধরতে হয়, যে দল কিনা এখনো নিজেদের নামে উর্দূ শব্দ নিয়ে গর্বিত!

যে দলের নিজেদের মন্ত্রীসভায় চিহ্নিত রাজাকাররা মন্ত্রী, যে দলের প্রধান নেত্রীর মেয়ের শ্বশুড় আরো জঘন্য মাত্রার চিহ্নিত রাজাকার, সে দল দিয়ে রাজাকারদের বিচারে আমি বিশ্বাসী নই। যারা বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী বিচার ট্রাইবুনালের বিতর্কিত দিকগুলোকে নাৎসীদের বিচারের বিতর্কিত দিকগুলোর সাথে তুলনা করে জাষ্টিফাই করতে চেষ্টা করেন, আমি এবং আমার মত মানুষ যারা এখনো ethical এবং justice sense খুঁইয়ে বসিনি, এই আমাদেরকে মনে হয় তারা গণহারে গাধা মনে করেন। নাৎসীদের বিচার নিয়ে অনেক রকম কন্ট্রোভার্শাল বিতর্ক আছে, ঠিক, বিশেষ করে ফাঁসি দেয়ার সময় অনেক ক্ষেত্রে তাদের ফাঁসির দঁড়িকে লম্বা না রেখে বেটে রাখা হয়েছিলো যেন বেশী কষ্ট পেয়ে মরে ইত্যাদি ইত্যাদি।

বিতর্কগুলো সব পানিশমেন্টের ধরন, এর আইনি দিক ইত্যাদি ইত্যাদি নিয়ে। এই বিচারগুলোর মধ্যে সবচে বিতর্কিত Nuremberg trial এর মূল controversy ছিলো যে পয়েন্টে তা হলো- যারা নিজের বা পরিবারের নিরাপত্তার ভয়ে বা বাধ্য হয়ে অপরাধ করেছে তাদেরকে আসলেই নাৎসী হিসেবে শাস্তি দেয়া উচিত হয়েছে কিনা, বা উচিত হলেও ট্রাইবুনাল তাদেরকে severest penalty দেয়া ঠিক হয়েছে কিনা? (Charles E. Polanski). কিন্তু কোথাও বিন্দুমাত্র বিতর্ক ছিলোনা যে যাদেরকে শাস্তি দেয়া হয়েছে তারা আসলেই নাৎসী ছিলো কি ছিলোনা তা নিয়ে। যাদেরকেই বিচার করা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে হয় 'solid & uncontroversial, well accepted evidence' ছিলো যে তারা নাৎসী অথবা তারা নিজেরাই স্বীকার করেছে যে তারা নাৎসী ছিলো বা হতে বাধ্য হয়েছিলো।

Nuremberg trial থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত যতগুলো নাৎসীদের বিচার হয়েছে কোথাও জাজদের "ক্রেডিবিলিটি" নিয়েও কোনো প্রশ্ন ছিলোনা, প্রশ্ন ছিলো তাদের জাজমেন্টের severity এক্সটেন্ট নিয়ে। সেখানে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধী ট্রাইবুনালের বিচারপতি খোদ নিজেই বলে 'সিনহা সাহেব বলেছেন তিনটা ফাঁসির রায় দাও তাহলে তোমাকে আমরা সুপ্রীম কোর্টে নিয়ে আসতেছি', যে সুরেন্দ্র কুমার সিনহা ফাঁসির রায় দিলে প্রমোশন পাইয়ে দেয়ার কথা বলে সে সিনহাই আবার ট্রাইবুনালের জাজ!! প্রত্যেকটা জাজ, আবারো বলছি, প্রত্যেকটা জাজ সরাসরি আওয়ামী লীগের সাথে জড়িত, এটা কি বিচারালয় নাকি আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়?
একটা, একটাও অবিতর্কিত সাক্ষী হাজির করতে পারেনি ট্রাইবুনাল, স্রেফ একটাও না। মোমেনা খাতুন তো চরম বিতর্কিত সাক্ষী, প্রথমে তিন জায়গায় তিন কথা বলেছে, তাও তার কথা শুনলে যে কেউ সন্দেহ করবে এই মহিলাকে শিখিয়ে পড়িয়ে আনা হয়েছে, এখনতো এটাও প্রমান হচ্ছে যে ট্রাইবুনালে শেষবার বোরকা দিয়ে একদম পুরো চেহারা ঢেকে যে মহিলাকে হাজির করা হয়েছিলো সে মোমেনা খাতুনই না!

প্লীজ, মাথার বুদ্ধি হাঁটুর নীচে নামিয়ে দিয়ে ষাঁড়ের মত চেঁচিয়ে কেউ বলে বসবেন না আমি জামাতের পক্ষে বা বিপক্ষে বা কোনোপক্ষে বলছি। আওয়ামী লীগের মন্ত্রীসভা যেমন চিহ্নিত রাজাকারে ভরা (ইনফ্যাক্ট চোরের মা'র বড় গলা নীতি অনুসরন করে যত বড় বড় রাজাকার আছে সবাই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে নিজেদের গা বাঁচাতে, এগুলো আমার কথা না, লীগের আজ পর্যন্ত প্রত্যেকটা মন্ত্রীর ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করুন, নিজেই টাশকি খেয়ে যাবেন), জামায়াতের নেতারা যাদের বয়স ষাট-সত্তুরের উপরে, যারা একাত্তোরে এডাল্ট বয়সের ছিলেন তাদের প্রায় সবাইই দলকে সাপোর্ট করে রাজাকার হয়েছিলেন। (মওলানা আব্দুর রহিমের মত যারা দলের অবস্থানকে সাপোর্ট করতে পারেন নি তারা দল থেকে বের হয়ে গিয়েছিলেন)। কিন্তু যারা ইতিহাসের নূন্যতম সত্যটুকু এখনো স্বীকার করেন তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন, জামায়াত ছিলো ছাগলের তিন নাম্বার বাচ্চার মত, চুনোপুটি একটা দল, তাদেরকে মানুষ ভালমত চিনতোও না সে সময়। পাকিস্তানকে সাপোর্ট করা মেইন দল ছিলো মুসলিম লীগ, নেজামী ইসলামী পার্টির মত দলগুলো। যে মুসলিম লীগ আসলে আওয়ামী লীগের সহোদর ভাই (এই দুই দলই মেইন All Pakistan Awami Muslim League ভেংগে হয়েছে) এখনো বাংলাদেশে আছে, শুধু আছেই না, তাদের এক্টিভিটিজও আছে। কেই জানেন তাদের কথা? বলুন দেখি তাদের এক-দুইটা লীডারের নাম? জানেন নাতো? ক্যামনে জানবেন? তাদের নাম সাধারন মানুষ জানায় এবং তাদের মত প্রধান রাজাকারদের বিচার করাতে তো এখনকার ক্ষমতাসীনদের কোনো লাভ নাই। তাই আমরা জানিও না, আমাদেরকে জানানোও হয়না। অথচ এরাই ছিলো তখনকার সময়ে মেইন প্রতাপশালী রাজাকারদের দল।

আমার প্রশ্ন হলো- রাজাকারদের বিচারে এত অন্ধ selectivity কেনো? কেনো যেসব চিহ্নিত রাজাকার লীগের মন্ত্রীসভায় আছে, মুসলিম লীগে আছে, হাসিনার মেয়ের শ্বশুড় হিসেবে বাংলাদেশের VIP স্ট্যাটাস ভোগ করছে, কেনো এসব মূল রাজাকারদের রেখে selectively শুধু জামাত নেতাদেরকেই বিচার (নাটক) করা হচ্ছে এবং তাড়াহুড়া করে একটা জুডিশিয়াল সিস্টেমের বেসিক রিকোয়ারমেন্টও ফলো না করে ফাঁসি দিয়ে দেয়া হচ্ছে? আর ধরেন selectivity নিয়ে যত হাস্যকর লজিক দেয়া হচ্ছে সব এক্সেপ্ট-ও যদি করি, তাহলে কমন সেন্স কী বলে? যে রাজাকারদের বিরুদ্ধে সলিড প্রমান আছে, খোদ মুক্তিযোদ্ধারা যাদেরকে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে বলছে এ এই এলাকার রাজাকার ছিলো এবং রাজাকার অবস্থায় এই এই এই কাজ করেছে, সেসব লীগের রাজাকারদের বিচার আগে না করে জামাতের যেসব রাজাকারদের রাজাকার হওয়া নিয়েই প্রচুর প্রশ্ন আছে তাদেরকে কেনো আগে শাস্তি দেয়া হচ্ছে?

কেউ কি এই প্রশ্নগুলো করেন?
না করেন না।
কেনো করেন না?
কারন শাহবাগ আপনাদের 'চেতনায়' গেঁড়ে দিয়েছে যে বাংলা পরীক্ষা শেষে ইংলিশ পরীক্ষা দিবে, ধারাবাহিকভাবে পরীক্ষা দিবে, (For God's sake, I still don't understand what kind of stupid silly "logic" is this!!), শাহবাগ আপনাদের 'চেতনায়' গেঁড়ে দিয়েছে 'জামাত' নেতাদের ফাঁসি কার্যকর করা 'দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধ', জাফর ইকবাল-আনিসুল হকের মত জনপ্রিয় লেখকরা এমনভাবে রাজাকারদের ইমেজ তৈরী করেছে যা জামাতীদেরকেই ডিসক্রাইব করে। সোজা কথা সোজাভাবে বলুন, আপনারা যারা শাহবাগের 'চেতনায়' উজ্জীবিত তারা রাজাকারদের বিচার চান না, তারা স্রেফ জামাত নেতাদের ফাঁসি চান- আবারো বলছি, সোজা কথা সোজা ভাবে বলুন।
আপনাদের সাথে আমার মত মানুষদের পার্থক্য হলো- আমরা সব রাজাকারদের সত্যিকার বিচার চাই, তা সে যে দলেরই হোক, এবং অবশ্যই তাদেরকে fair judicial trial দিয়ে তারপর শাস্তি দেয়া হোক, কোনো সাজানো দলীয় কার্যালয় মিটিং-এ প্রহসন করে না। গালভরা people's trial নাম দিলেই mob-order জাষ্টিফাইড হয়ে যায় না। এবং এই বিচারে কোনো ধরনের selectivity চাইনা। selectivity -কে জাষ্টিফাই করতে যেসব হাস্যকর যুক্তি দেয়া হয়েছে এবং হচ্ছে, তারা একটা জিনিষ মিস করছেন- যে মুহুর্তে, ঠিক যে মুহুর্তে সাধারন মানুষ টের পেয়েছে শাহবাগ আসলে একটা নাটকের নাম, এই নাটকের মাধ্যমে স্রেফ একটা নির্দিষ্ট দলের নেতাদেরই ফাঁসি দেয়ার মতলব চলছে, ঠিক সেই মুহুর্তে মানুষ নিজেদেরকে সরিয়ে নিয়েছে শাহবাগ থেকে। যে শাহবাগ উপলক্ষে ভদ্রমহিলা চট্রগ্রাম থেকে ঢাকা চলে এসেছিলেন এক কাপড়ে নিজের ছেলেকে সাথে নিয়ে, সেই মহিলাই দু'দিন পরে চট্রগ্রাম ফিরে এসে শয্যাশায়ী হয়েছেন আর ছেলেকে বলেছেন 'বোকার মত বিশ্বাস করেছিলাম তোর বাবার মত যারা একাত্তরে রাজাকারদের হাতে মরেছে সেইসব আসল রাজাকারদের বিচার হবে'।

শাহবাগে এখন তাই মানুষকে পয়সা দিয়েও, ঠেংগিয়েও আনা যায়না। ক্যামেরাম্যানরা আর কী করবে, যেভাবেই হোক মিডিয়াতে এখনো শাহবাগগে বাঁচিয়ে রাখতে হবে, তাই উপর থেকে সাইড থেকে এত ডিগ্রী এংগেলে এমনভাবে ছবি তুলে যেন দশজন মানুষকেও মনে হয় দুইশ' জন মানুষ। ছোট্ট করে জ্বালানো মোমবাতিকে সন্ধ্যার অন্ধকারে উপর থেকে মাপজোক হিসাব করে এমনভাবে ছবি তুলেন মনে হয় যেন ও মাগো কত্তগুলো মানুষ ওখানে মোম নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে!একাত্তরের শেষ হয়নি, আওয়ামী লীগ-ই এর শেষ হতে দিবেনা।

দুইটা কারনে।
এক- একাত্তরের শেষ মানে হলো লীগের নিজেদের দলের প্রচুর মন্ত্রী আর সিনিয়র নেতা যারা চিহ্নিত রাজাকার ছিলো তাদের বিচার এবং severe penalty। দুই- political tool হিসেবে mass psychological grooming এর জন্য যে মুক্তিযুদ্ধকে লীগ ইউজ করে নিজেদের দলের পক্ষে soft corner সৃষ্টি করতে, সেটা শেষ হয়ে যাবে। এক পাতাও ইতিহাস না জেনে যারা দুইপাতা বিপ্লবের স্বপ্ন দেখেন, তেমন শাহবাগ-স্টাইল বিপ্লবের স্বপ্ন আমি দেখিনা। ইনফ্যাক্ট আমি কোনো বিপ্লবেরই স্বপ্ন দেখিনা, ওসব গাল ভরা বুলি। বিপ্লব দিয়ে সাধারন মানুষের পেট ভরেনা, উলটা পিঠে বিপ্লবের লাঠি ভাংগে। আমি তাই ফ্যাক্টস খুঁজি, রিয়েল হিষ্ট্রি জানতে চেষ্টা করি যেন ফেইসবুকে দুইপাতা বিপ্লবের আবেগী স্বপ্ন দেখিয়ে আমাকে কেউ কিনে নিতে না পারে। নিজেও বিক্রি হয়ে যেতে না চাইলে একাত্তরে সত্যি কী হয়েছিলো ফ্যাক্টস জানতে চেষ্টা করুন। আর এ ক্ষেত্রে একটা জিনিষ অবশ্যই মনে রাখবেন প্লীজ- "যে ইনফরমেশানে যত বেশী আবেগ সে ইনফরমেশান তত বেশী বায়াসড"। করুন মিউজিক, ভারিক্কী কন্ঠের ধারা বর্ণনা, আবেগী স্ট্যাটাস, পড়তে পড়তে কান্না চলে আসে এমন পত্রিকার রিপোর্ট এসব ফ্যাকচুয়াল ইনফরমেশান না।

বাংলাদেশের কনটেক্সটে এখন একাত্তরের সত্যিকার ইনফরমেশান পাওয়া অনেকটা অসম্ভব। পুরো বিষয়টা এখন চরমভাবে দলীয়করণ হয়ে গেছে। তারপরও ঐসব ছোট-বড় মানুষগুলোকে ধন্যবাদ যারা এরমধ্যেও সত্যিটাকে বের করে আনতে চাইছেন। তাদের রিকমেন্ডেশান নিয়ে আমি একটা রিডিং লিষ্ট বানাতে চেষ্টা করছি, আমার নিজের জন্য পড়ার জন্য। চাইলে আপনিও পড়তে পারেন। তবে সাবধান করে দেই, এগুলোও যে 'নিরপেক্ষ' ইনফো দিতে পারবে তার গ্যারান্টি নেই। আমি ব্যক্তিগতভাবে বিশ্বাস করি আমাদের এখনো দুই থেকে তিন প্রজন্ম অপেক্ষা করতে হবে একাত্তরের আসল ইতিহাস বের করে আনতে।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.