| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সৈয়দ কুতুব
নিজের অজ্ঞতা নিজের কাছে যতই ধরা পড়ছে প্রচলিত বিশ্বাসের প্রতি ততই অবিশ্বাস জন্মাছে!
ধরুন আপনার পাশের বাড়ির সাথে সম্পর্ক ভালো না। দীর্ঘদিনের পুরনো ঝামেলা, কথা বলাবলি বন্ধ, একে অপরকে দেখলে মুখ ঘুরিয়ে নেওয়ার অভ্যাস হয়ে গেছে। এই অবস্থায় পাশের বাড়িতে একটা বৈঠক আছে, আপনাকে প্রতিনিধি পাঠাতে হবে। এখন স্বাভাবিক বুদ্ধিতে কাকে পাঠাবেন? এমন কাউকে যার সাথে পাশের বাড়ির লোকজনের অন্তত মুখ দেখাদেখি আছে, কথাবার্তা চলে। নাকি এমন কাউকে পাঠাবেন যে গত দশ বছর ধরে পাশের বাড়ির গৃহকর্তার নামে কড়া সমালোচনা করে বেড়িয়েছে মানুষের কছে , তার পরিবারের লোকজন নিয়ে তামাশা করেছে, এমনও বলেছে পাশের বাড়িকে ভয় দেখাতে হলে রাইফেল ভাড়া করে রাখতে হবে । বিএনপি দ্বিতীয় অপশনটা বেছে নিয়েছে।
গত রবিবার আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার একটি অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দিল্লি গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা ড. জাহেদ উর রহমান। ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর ইমিগ্রেশনে আটকে দেওয়া হয়। দীর্ঘ সময় বসিয়ে রেখে জেরা করা হয়। শেষ পর্যন্ত তিনি বিরক্ত হয়ে পাসপোর্ট ফেরত চেয়ে দেশে ফিরে আসেন। দিল্লির বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসে রইলেন, ইমিগ্রেশন থেকে অনুরোধ করা হলো, কিন্তু তিনি আর ফেরেননি। বাংলাদেশের কূটনৈতিক ইতিহাসে এই ঘটনা খুবই বিব্রতকর। জাহেদ ভাইয়ের এমন পরিণতি কি আসলেই অপ্রত্যাশিত ছিল ?
জাহেদ উর রহমান বাংলাদেশের পরিচিত মুখ এবং তীক্ষ্ণ রাজনৈতিক বিশ্লেষক, এটা অস্বীকার করার কিছু নেই। কিন্তু ভারতের সাথে তার সম্পর্কের ইতিহাসটা একটু ঘাঁটলেই বোঝা যেত এই সফর কোথায় গিয়ে ঠেকবে। তিনি বছরের পর বছর ধরে নরেন্দ্র মোদি এবং বিজেপির কট্টর সমালোচনা করেছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করকে নিয়ে একাধিক ভিডিওতে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেছেন। নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে নিয়ে প্রকাশ্যে তামাশা করেছেন। শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, যেটা ভারতের চোখে তাদের বিশ্বস্ত মিত্রকে উৎখাতের আন্দোলনের সমান । এবং একটা পর্যায়ে বলেছেন ভারতকে চাপে রাখতে হলে দরকার হলে পাকিস্তান থেকে পারমাণবিক অস্ত্র এনে বাংলাদেশে রাখতে হবে।
এই কথাগুলো ভারত ভুলে গেছে, এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা এই অঞ্চলের প্রতিটি উল্লেখযোগ্য কণ্ঠস্বর ট্র্যাক করে । তার ইউটিউব চ্যানেল ভারত থেকে ব্লক, যা কোনো ছোট বিষয় না। ভারত সরকার কারো কন্টেন্ট ব্লক করে যখন সেটাকে সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখে। যে মানুষের চ্যানেল তারা ব্লক করেছে সেই মানুষকে দিল্লিতে স্বাগত জানাবে, এই প্রত্যাশা কোন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে করা হয়েছিল সেটা সত্যিই বোধগম্য না।
কূটনীতিতে একটা পুরনো সত্যি কথা আছে, আপনি কাকে পাঠাচ্ছেন সেটা কখনো কখনো আপনি কী বার্তা দিচ্ছেন তার চেয়েও বড় হয়ে যায়। দিল্লির নীতিনির্ধারকরা যাদের কথায় কান দেন তারা হলেন প্রতিষ্ঠিত কূটনীতিক, অভিজ্ঞ আমলা, অথবা এমন রাজনীতিবিদ যাদের সাথে আগে থেকে কাজের সম্পর্ক আছে। জাহেদ উর রহমান এই তিনটির কোনোটিই না। ভারতের কাছে তিনি পরিচিত একটি সমালোচক কণ্ঠস্বর হিসেবে, কোনো বিশ্বাসযোগ্য কূটনৈতিক চ্যানেল হিসেবে নয়। ফলে তাকে পাঠিয়ে যে বার্তাই দেওয়ার চেষ্টা হোক না কেন, সেই বার্তা দিল্লির দরজায় পৌঁছানোর আগেই হারিয়ে যেত।
এরপর আসে পাসপোর্টের প্রশ্ন, যা আরো অবাক করে দিবে আপনাকে । জানা গেছে কূটনৈতিক পাসপোর্ট নেওয়ার সুযোগ থাকলেও তিনি সাধারণ পাসপোর্টে গেছেন। একজন সরকারি উপদেষ্টা সরকারি সফরে সাধারণ পাসপোর্ট নিয়ে যাবেন, এটা কূটনৈতিক প্রোটোকলের একেবারে প্রাথমিক পাঠ উপেক্ষা করা। কূটনৈতিক পাসপোর্ট শুধু সুবিধার জন্য না, এটা পরিচয় ও মর্যাদার দলিল। সেটা ছাড়া গেলে ভারতের ইমিগ্রেশনে তিনি সরকারি উপদেষ্টা না, একজন সাধারণ যাত্রী। তার পাসপোর্ট রেস্ট্রিক্টেড থাকলে আটকানোটাই স্বাভাবিক পরিণতি।
ভারত কি ইচ্ছাকৃতভাবে এটা করেছে? সম্ভবত হ্যাঁ। কিন্তু সেই সুযোগটা তৈরি করে দিয়েছে বাংলাদেশ নিজেই। যে মানুষকে ভারত বছরের পর বছর ধরে তাদের কট্টর সমালোচক হিসেবে চেনে, যার চ্যানেল তারা ব্লক করেছে, তাকে দিল্লিতে পাঠিয়ে তারপর অভিযোগ করা যে ভারত অপমান করেছে, এই যুক্তি অনেকটা আগুনে হাত দিয়ে পুড়ে গেলে উলটো আগুনকেই দোষ দেওয়ার মতো।
তারেক রহমানের সরকার ক্ষমতায় আসার পর ভারতের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার একটা সতর্ক চেষ্টা চলছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এপ্রিলে দিল্লি গেছেন, জয়শঙ্করের সাথে বৈঠক হয়েছে, সেটা ছিল পরিকল্পিত এবং যৌক্তিক পদক্ষেপ। সেই সূক্ষ্ম কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাঝে জাহেদ উর রহমানকে দিল্লি পাঠানো এবং এই পরিণতি ডেকে আনা সেই অগ্রগতিকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়েছে।
বিএনপি ঐতিহাসিকভাবে কূটনীতিতে কখনো খুব স্বাচ্ছন্দ্যে ছিল না, কিন্তু এই একটা সিদ্ধান্তে তিনটা ভুল একসাথে হয়েছে। ভুল মানুষ, ভুল পাসপোর্ট, ভুল সমন্বয়। তিনটা ভুলের ফলাফল একটাই, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মঞ্চে বিব্রত হয়েছে এবং ভারতকে একটা বার্তা দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে যেটা না দিলেই ভালো হতো। তারেক রহমানের প্রেস সচিব বা অন্য যেকোনো নিরপেক্ষ ইমেজের কর্মকর্তাকে পাঠালে এমন ঘটনা ঘটতো না।
দিল্লির বিমানবন্দরে তথ্য উপদেষ্টার সঙ্গে কী ঘটেছিল-বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট
https://www.banglatribune.com/951893
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি লেখা পড়ে কি বুঝেছেন আপনিই ভালো জানেন । জাহেদ উর রহমান কোনোভাবেই ভারত সফরে যাওয়া সঠিক ছিলো না । উনার ভিডিও দেখলে আপনিও একই কথা বলতেন । আমি এটাকে দোষ হিসাবে দেখছি না ; আরো নিরপেক্ষ ইমেজের মানুষ পাঠালে এমন ঘটনা ঘটতো না ।
২|
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ভুল মানুষ, ভুল পাসপোর্ট, ভুল সমন্বয়।
...................................................................
আমরা যে অদক্ষ তার প্রমান আবার হলো,
বিশ্বের চোখে আমাদের হানহানি দেখে কিভাবে অপমান করে
তা আবার আমরা দেখলাম ।
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: জাহেদ ভাই কে অপমান হতে দেখে আমার কাছে ভালো লাগেনি ; ভুলটা বাংলাদেশের পক্ষ থেকে হয়েছে । তিনি ভারত সফরে যাওয়ার মতো প্রোফাইল ধারণ করেন না ।
৩|
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৫
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমার উপরের ধারনা যদি সত্যি হয়ে থাকে,
ডেডিকেটিং দিস সং টু আওয়ার প্রাইম মিনিস্টার------
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তারেক রহমান আপনাকে এডভাইজার হিসাবে নিয়োগ দেয়ার দাবি জানাই ।
৪|
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৮
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমি বুঝেই বলছি।
দেশের দল নিরপক্ষে জেঞ্জিরা ভারতের এই মুভটা ভালো ভাবে নিবে না।
তাঁরা বিএনপি সরকারের দিকে ঝুঁকে পড়বেন।
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:১০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তাতে ভারতের কিছু ছেড়া যাবে না ; আসছে ডিসেম্বরে ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। BNP-র জন্য অগ্নিপরীক্ষা সামনে।
৫|
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:১২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: একটা খারাপ নজির হলো।
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আওয়ামী লীগ সরকার পতনে জাহিদ ভাইয়ের ভুমিকা ছিলো। ভারতে গেলে নাজেহাল হতে পারেন এটা সহজে অনুমেয় ছিলো।
৬|
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:১২
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
লেখক বলেছেন: তাতে ভারতের কিছু ছেড়া যাবে না ; আসছে ডিসেম্বরে ফারাক্কা চুক্তির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। BNP-র জন্য অগ্নিপরীক্ষা সামনে।
---------------------------
তা ছেঁড়ার দরকারও নেই।
গতকাল অক্সফোর্ড ইউনিয়নে 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' ধ্বনি বেজেছে।
সেটাই যথেষ্ট।
৭|
১৫ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৪:১১
মাথা পাগলা বলেছেন: বাংলাদেশের সন্মানটা কোথায় দাঁড়ালো? জাহেদ পল্টিবাজ পাবলিক, তার মতো চাপাবাজ, উত্তেজিত্, বিতর্কিত ব্যাক্তিত্বকে কেন সরকারের উপদেষ্টা বানালো বুঝলাম না। নিজেরাও জাহেদকে কর্মের জন্য সাফাই গাইতে পারবো না।
লেখক বলেছেন: তাতে ভারতের কিছু ছেড়া যাবে না ;
১৭ জন সেনা নিয়ে বখতিয়ার খলজি ভারত দখএল করেছিলো - এই জোস আমাদের ধারন করতে হবে এবং ভারতকে উচিত শিক্ষা দিয়ে লাইনে আনতে হবে।
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: গতকাল অক্সফোর্ড ইউনিয়নে 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' ধ্বনি বেজেছে।
সেটাই যথেষ্ট।
অক্সফোর্ড ইউনিয়ন কি সেভেন সিসস্টার্স দখলের জন্য প্রশিক্ষন দিচ্ছে?
৮|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:৩৫
সামছুল আলম কচি বলেছেন: ক্ষমতার চেয়ারে বেছে বেছে কিছু বেশী কথা বলা, হামবরা ভাবের; কিন্তু প্রকৃতার্থে কিছু মানসিক রোগী-কে বসানো হয় !! কি যোগ্যতা নিয়ে জাহেদ মিয়া এ পদে এলো; ভেবে পাইনা !!
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৭
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তিনি শেখ হাসিনার পতনে কাজ করেছেন ; জামাতিরা উনার ডাউনফলে খুশি হবে কারণ তিনি জা-াশিকে দেখতে পারেন না । এদিকে বিজেপিকেও দেখতে পারেন না । যদি জামাত-শিবির ক্ষমতায় আসতো জাহিদ ভাইয়ের মনে হয় দেশ ছাড়া লাগতো ।
৯|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২২
অগ্নিবাবা বলেছেন: বাংলাদেশে ফেরৎ দেওয়া উচিত হয় নাই।
১০|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮
আলামিন১০৪ বলেছেন: ভারতের পক্ষে সাফাই গেয়ে কী প্রমাণ করকে চান? আপনি কি বাংলাদেশের নাগরিক না কি ভারতের?
ভারতের পক্ষে সাফাই গেয়ে কী প্রমাণ করকে চান? আপনি কি বাংলাদেশের নাগরিক না কি ভারতের?

১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: বিষয়টা সাধারণ নলেজের বিষয় ; ভারতের প্রতি আমার কোনো আবেগ নেই । বলতে চেয়েছি বিএনপির সিলেকশন ভুল ছিলো। আইএমএফের সাথে মিটিংয়ে যুবদলের নেতাকে পাঠিয়েছিলো যা নিয়ে নেটিজেনরা হাসি-তামাশা করেছিলো। সব জায়গায় সব মানুষকে পাঠাতে হয় না ।
১১|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৩৮
মাঈনউদ্দিন মইনুল বলেছেন:
এটি কোন খেলার চাল ছিল না, ডাহা বোকামি ছিল।
বাংলাদেশের পক্ষে এই ইচ্ছাকৃত অসাবধানতা শুধুই আমাদেরকে লজ্জায় ফেলে নি, আমাদেরকে অদক্ষ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
আনপ্রফেশনালিজমের লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত। প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদার একজন কর্মকর্তা কী উদ্দেশ্যে আমজনতার পাসপোর্ট নিয়ে দিল্লিতে গেলেন? - এটা নিয়ে দেশপ্রেম-দেশপ্রেম খেলছে কোন কোন আজাইরা যোদ্ধা!
প্রথমত, তার কূটনৈতিক পাসপোর্ট না থাকার কারণে একজন যাত্রী যেকোন দেশের বর্ডার সিকিউরিটির সাধারণ তদন্তের মধ্যে পড়বে। এটি ভারত হোক অথবা নেপাল। দেশের বাইরে দু'একবার আসা-যাওয়া করলে বাংলাদেশের পাসপোর্টের মান আমাদের জানার কথা।
দ্বিতীয়, আমাদেরকে মনে রাখতে হবে যে, জুলাই আন্দোলনের সাথে যুক্ত থাকার কারণে এবং সামাজিক মাধ্যমে তার অবস্থানের জন্য ডাক্তার জাহিদ উর রহমান ওই দেশের বিশেষ তালিকায় ছিল।
তৃতীয়ত এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যেটি, সেটি হলো ভারতে আমাদের হাইকমিশনের পক্ষ থেকে তার আগমন সম্পর্কে কোন তথ্য যায় নি ভারতীয় ইমিগ্রেশনে।
ফলাফল: আড়াই ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ। অবশ্যই তারা বাড়াবাড়ি করেছে এবং এটি অগ্রহণযোগ্য!
এতবড় একটি সম্মেলনে বঙ্গোপসাগরের গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ অনুপস্থিত!
কিন্তু সুযোগটা কে করে দিলো? টেকনিকেলি ভুল আমাদের, সেটিরই সুযোগ তারা নিয়েছে।
অফিশালি আমরা কি কিছু করতে পারবো, ডাক্তার জাহিদের মতো রাগ দেখানো ছাড়া?
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আইএমএফের সাথে মিটিংয়ে বিএনপি যুবদল নেতা পাঠিয়েছিলো; আজকে জাহেদ ভাইকে পাঠিয়ে আরেকটা বোকামি করলো। বিএনপির উচিত এসব বিষয় নিয়ে আরো কাজ করা । বিএনপির ডাউনফল দেখার অপেক্ষায় বসে রয়েছে কিছু দল।
১২|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৫২
রাজীব নুর বলেছেন: বিষয়টা লজ্জার।
দেশের জন্যও লজ্জার।
১৩|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৩
মুনতাসির বলেছেন: আপনি দাওয়াত দিলেন, আপনার দারোয়ান আপনার অতিথিকে ঢুকতে দিলেন না - এখানে লজ্জাটা কার? যদি লজ্জা আসলে থেকে থাকে। প্রিয় রাজীব সাহেবের কাছে প্রশ্ন রইলো।
১৪|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৭
মুনতাসির বলেছেন: ভিসা কোনো দেশেই প্রবেশের চূড়ান্ত নিশ্চয়তা দেয় না। কোনো দেশের সীমান্তে পৌঁছানোর পর আপনাকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত শেষ পর্যন্ত ইমিগ্রেশন বা বর্ডার কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করে। তারা প্রয়োজনে অতিরিক্ত জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন, আরও তথ্য চাইতে পারেন, এমনকি প্রবেশের অনুমতিও প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।
তবে এমন ঘটনার ক্ষেত্রে ব্যক্তির পরিচয়ের পাশাপাশি তার পদমর্যাদাও গুরুত্বপূর্ণ। ব্যক্তি যেই হোন না কেন, কূটনৈতিক প্রটোকল ও ন্যূনতম কূটনৈতিক সৌজন্য প্রদর্শনের বিষয়টি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ বিষয়ে কূটনীতিকরাই আরও ভালো ব্যাখ্যা দিতে পারবেন।
কূটনীতিতে “ফ্রি মিসটেক” বলে কিছু নেই। প্রতিটি সিদ্ধান্ত, পদক্ষেপ বা আচরণেরই কোনো না কোনো প্রতিক্রিয়া ও পরিণতি থাকে; প্রত্যেক পক্ষকেই তার দায় বহন করতে হয়।
১৫|
১৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬
আলামিন১০৪ বলেছেন: বাংলাদেশকে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের বুঝতে হবে যে ভারত বন্ধুত্ব চায় না, সে চায় বাংলাদেশের দাসত্ব।
ভারত এটা জেনে বুঝেই করেছে, তারা দুদু খায় না, কুটনৈতিক শিষ্টাচারকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বাংলাদেশকে চরম অপমান করেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫৯
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আমার মতে, এটা ইচ্ছাকৃত ভুল।
এবং, বাংলাদেশের সরকারের পক্ষ থেকে দারুণ এক মুভ।
ভারত যে সীমান্তে পুশ ইন করে বাংলাদেশকে বিপদে ফেলতে চাচ্ছিল, বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক একটি সংগঠনের আমন্ত্রণে যোগ না দিয়ে ভারতের উপর চাপ সৃষ্টি করে সরে এসেছে।
আপনি ভুলে যান যে, বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ই হাডুডু ভালো খেলে।
এবারের কূটনৈতিক হাডুডু খেলায় বাংলাদেশ ভারতের ডিফেন্ডারদের ছুঁয়ে নিজ সীমানায় সফলভাবে ফিরে এসেছে।
স্যালুট টু প্রধানমন্ত্রী।