| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। হে নবি! আল্লাহকে ভয় কর এবং কাফিরদের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করবে না। আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।
সূরাঃ ২১ আম্বিয়া, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তোমার পূর্বে আমি ওহীসহ পুরুষ পাঠিয়েছিলাম; তোমরা না জানলে আহলে যিকরকে (যিকর সমৃদ্ধ)জিজ্ঞাসা কর।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।
* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফিক নিজের কথাকে হাদিস হিসাবে প্রচার করেছে। সকল মোনাফেক সম্পর্কে রাসূলও (সা.) জানতেন না। সুতরাং আহলে হাদিস হলে আহলে মোনাফেক না হয়ে উপায় নাই। আল্লাহ রাসূলকে (সা.) আহলে মোনাফিক হতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং আহলে হাদিস না হয়ে আহলে যিকর হতে হবে। আর আহলে যিকর হলেন ওলামা।
সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?
* ব্যক্তিগতভাবে কোন আলেম আহলে যিকর নন। কারণ আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম হলেন হযরত আদম (আ.)। তিনিও শয়তানের ধোকায় পড়েছিলেন।
সূরাঃ ২ বাকারা, ৩৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৪। আর যখন আমি ফেরেশতাগণকে বলেছিলাম, তোমরা আদমকে সিজদা কর, তখন ইবলিশ ছাড়া সবাই সিজদা করেছিল; সে অমান্য করল ও অহংকার করল।সুতরাং সে কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়েগেল।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।
সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।
* ওলামার সাথে মতভেদ করাকে অহংকার বলে। ওলামা ফেরেশতাগণের সাথে মতভেদ করে ইবলিশ অহংকারী কাফের হয়েছে। ওলামা সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মতভেদ করে আলেম হযরত আলীর (রা.) শিয়া হয়ে শিয়ারা বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে হয়েছে। ওলামা নির্বাচিত আমির হযরত আবু বকরের (রা.) হাতে বায়াত গ্রহণে হযরত আলী (রা.) বিলম্ব করেছেন। আল্লাহ তাঁর উপর থেকে নিরাপত্তা তুলে নিয়েছেন। তারপর থেকে তিনি ও তাঁর আ্হলে বাইতে হত্যাকান্ড অব্যাহত আছে। এ ধারায় ইদানিং শিয়া ইমাম আলী খামেনী নিহত হয়েছেন। হযরত আলীর (রা.) বিরুদ্ধে যুদ্ধ বিগ্রহে লিপ্ত হয়েছেন তিন দল মুসলিম। ইমাম হাসানের (রা.) বিরুদ্ধে একদল মুসলিম যুদ্ধ করতে আসলে তিনি ইসলাহের মাধ্যমে যুদ্ধ এড়িয়ে গেছেন। ইমাম হোসেনের (রা.) বিরুদ্ধে এক দল মুসলিম যুদ্ধ করে তারা তাঁর মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। এখনো মুসলিম দেশ সমূহ শিয়া ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। সুতরাং ওলামা ছেড়ে বড় আলেমের অনুসরন আল্লাহর একদম সহ্য নয়। রাসূলের (সা.) চল্লিশ বছর বয়সি ছাত্রগণ ছিলেন ওলামা। তাঁরা ছিলেন হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমান (রা.)। তাঁরা পরস্পর ঐক্যবদ্ধ ছিলেন এবং তাঁরা পরস্পরের সঙ্গে মতভেদে লিপ্ত হননি। হযরত আলী (রা.), হযরত আয়েশা (রা.) ও হযরত মুয়াবিয়া (রা.) প্রত্যেকে মস্তবড় আলেম হলেও তাঁরা ওলামা ছিলেন না। তাঁরা ছিলেন রাসূলের (সা.) চল্লিশের কম বয়সি ছাত্র-ছাত্রী। তাঁরা মতভেদে লিপ্ত হয়ে ঐক্য নষ্ট করে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হয়েছেন। যাতে হাজার হাজার মুসলমান নিহত হয়েছেন। তাঁদের রেখে যাওয়া অনৈক্যে এখনো মুসলমান হাবুডুবু খাচ্ছে। এর থেকে আত্মরক্ষায় মুসলিমকে বড় আলেমের প্রেম ছেড়ে ওলামার অনুসারি হতে হবে। কিভাবে ওলামার অনুসারি হতে হয়?
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
* আখারিন হলেন তাবে তাবেঈ। তাঁদের ইমাম আবু হানিফা (র.) আখারিনের ওলামা পরিষদ গঠন করে আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করলে এ অভিন্ন ফিকাহের মান্যতার মাধ্যমে ওলামা অনুসরন পাকাপোক্তভাবে শুরু হয়। তার আগে যারা হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমানের (রা.) অনুসারি ছিলেন তাঁরা ওলামার অনুসারি ছিলেন। তাঁদের লিখিত মাসহাফ না থাকায় তাঁদের অনুসরনে অসুবিধা হয়। কিন্তু ইমাম আবু হানিফার (র.) মাসহাফ থাকায় তাঁর অনুনরনে সুবিধা হয়।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ১১ হুদ, ৬৯ নং থেকে ৭৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৯। আমার ফিরিশতাগণ তো সুসংবাদ নিয়ে ইব্রাহীমের নিকট এসেছিল। তারা বলল, সালাম, সেও বলল, সালাম।সে অবিলমন্বে এক কাবাবকৃত গো-বৎস নিয়ে আসলো।
৭০। সে যখন দেখলো তাদের হাত এর দিকে প্রসারিত হচ্ছে না, তখন সে তাদেরকে অবাঞ্চিত মনে করলো এবং তাদের সম্বন্ধে তার মনে ভীতি সঞ্চার হলো। তারা বলল, ভয় করবে না, আমরা তো লুতের সম্প্রদায়ের প্রতি প্রেরিত হয়েছি।
৭১। তার স্ত্রী দন্ডায়মান ছিল। অতঃপর সে হেসে ফেলল। অতঃপর আমি তাকে ইসহাকের এবং তার পরবর্তী ইয়াকুবের সুসংবাদ দিলাম।
৭২। সে বলল, কি আশ্চর্য! সন্তানের জননী হব আমি? যখন আমি বৃদ্ধা এবং আমার স্বামী বৃদ্ধ! এটা অবশ্যই এক অদ্ভুত ব্যাপার!
৭৩। তারা বলল আল্লাহর কাজে তুমি বিস্ময় বোধ করতেছ? হে আহলে বাইত তোমাদের প্রতি রয়েছে আল্লাহর রহমত ও বরকত । তিনিতো প্রশংসিত সম্মানিত।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
* হযরত ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় হযরত ইব্রাহীম (আ.) ও মহানবির (সা.) আব্বাসিয় আহলেবাইত মুসলিম বিশ্ব আমির খলিফা হারুনুর রশিদ আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ মাসহাফে আবু হানিফা প্রশোধন করে হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারি হয় যা অব্যাহত আছে। অবশেষে আল্লাহ আব্বাসীয় ও তাঁদের হানাফী অনুসারিদেরকে রহমত ও বরকতে মুড়িয়ে দেন। তিনি তাদেরকে দান করেন প্রায় এগারশত বছরের মুসলিম বিশ্বের শাসন ক্ষমতা।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* শত্রুকে সন্ত্রস্ত রাখার আনবিক অস্ত্র আছে হানাফী পাকিস্তানের হাতে। তাদের তুর্কীরা বীর। আফগানরা অজেয় ও বাংলাদেশীরা গেরিলা যোদ্ধা। তাদের ঐক্যজোট গঠিত হলে তারা একটি শক্তিতে পরিণত হবে। তা’ না হলে অমুসলিমদের চড়-থাপপড় খাবে। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জন সংখ্যা হয়ে মহাশক্তিতে রূপান্তরিত হওয়ার পথে হানাফীরা এগিয়ে। তাদের মধ্যে ওলামার ঐক্য আছে। তাদের ওলামা একই নিয়মে ইবাদত করে। সুতরাং ওলামার অনুসারি হতে হানাফী না হয়ে কোন উপায় নাই। অহানাফীরা মূলত শয়তানের অনুসারি। তাদের কোন দলে কোন মুসলিম বিশ্ব আমির নাই।হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমানের (রা.) ওলামাদলে তিনজন আমির ছিলেন। হানাফী ওলামা দলে আমির ছিলেন ছিয়াশি জন। বিভ্রান্ত বাহাত্তর মুসলিম দলে কোন আমির নাই। সুতরাং হযরত আবু বকর (রা.), হযরত ওমর (রা.) ও হযরত ওসমানের (রা.) ওলামাদলের পরের ওলামা দল হলো হানাফী ওলামা দল। আর হযরত আবু বকর (রা.) মহানবির (সা.) সাথে যুক্ত ছিলেন। আব্বাসীয়দের পথিকৃৎ হযরত আব্বাসও (রা.) মহানবির (সা.) সাথে যুক্ত ছিলেন। সুতরাং ওলামার এ ধারা থেকে ছুটে ওলামার অনুসারি থাকার কোন সুযোগ নাই।আহলে হাদিস ওলামার অনুসারি না হয়ে মোনাফেকের হাদিসের অনুসারি হয়ে সুনিশ্চিতভাবে আহলে মোনাফেক হয়েছে।মুমিনদের পথ ছেড়ে অন্য পথে চলে যাওয়ার কারণে এরা সুনিশ্চিতভাবে জাহান্নামী।
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:২৪
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ঘটনা হলো শত্রুকে সন্ত্রস্ত না রাখলে শত্রু ঘাড় মটকে দেয়। সেজন্য আল্লাহ দরকারী কথাটাই বলেছেন।
২|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫
রাজীব নুর বলেছেন: হাদিস মানা মানির ভিতর আমি নাই।
১৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১২
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আপনি যেহেতু জাহান্নামে যেতে চান সেহেতু হাদিস মানা আপনার বিষয় নয়।
৩|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৩
অগ্নিবাবা বলেছেন: "নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।"
(সূরা মায়িদা ৫:৬৭) আপনার আল্লাহর মাথার ঠিক নাই।
আপনার আল্লাহ অলওয়েজ লুকিং ফর শত্রুজ। অলরেডি এইসব
ধানাই পানাই প্রচার করে চারপাশে সবাইরে শত্রু বানায়ে ফ্যালছেন,
জাপানের মত দেশেও মুসলমানদের মাটি দেওয়ার জায়গা দিতেছে না।
১৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: যারা আল্লাহকে অস্বীকার করে তাদেরকে কিভাবে হেদায়াত দেওয়া যাবে? কোন দেশ কি করলো সেটা সত্যের মাপকাঠি নয়। জাপানিরা তাদের মৃতদেহকে কি করে?
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:১৯
অগ্নিবাবা বলেছেন: ভয়ংকর ভয়ংকর কাফের কোপানি জঙ্গি কথাবার্তা। আল্লাহ যদি থাকেনই, এগুলো আল্লাহর বানী কখনোই হতে পারে না। আল্লাহর নাম নিয়ে জঙ্গিপনা??