নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নিঃসঙ্গ পথচারী

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ

তারপরও মুষ্ঠিবদ্ধ হাতে ঘুরে দাড়াব.....।

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাঞ্জাবিস্তান

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪০

পাকিস্তা/নের পাঞ্জাবিরা হলো পাকি/স্তানের বাকি সব জাতিসত্তার মানুষদের জন্য অভিশাপ। এদের জাত্যভিমানের কারনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন স্বাধীনতার ডাক দিতে বাধ্য হয়।

সাম্প্রতিক সময়ে পাকিস্তানের প্রদেশগুলো যেরকম অগ্নিগর্ভ হয়ে উঠেছে, তাতে শুধু বেলু/চিস্তান নয়, কালক্রমে বাকি প্রদেশ গুলোও পা/কিস্তানের অংশ হয়ে আর থাকবে না।

কেবল পাঞ্জাব কেন্দ্রিক পাঞ্জাবিস্তান বলে কিছু একটা থাকলে থাকতেও পারে।

তবে ওই স্বাধীন পাঞ্জাবিস্তানের আয়ুও বেশিদিনের জন্য টিকে থাকবে না।

ভা/রত ঠিকই ওই পাঞ্জাবিস্তান হজম করে তাঁকে কেন্দ্র শাসিত ভা/রতীয় প্রদেশের মর্যাদা দিয়ে দেবে।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:৪১

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগন স্বাধীনতার ডাক দিতে বাধ্য হয়।
...................................................................................................
মুসলিম অন্চল গুলো এভাবে খন্ড বিখন্ড করে দিচ্ছে একটি
সুপরিকল্পিত চক্রান্ত ।
কই ভারত তো ভাঙছে না ? একটু চিন্তা করুন !
কলকাঠি কোথায় নড়ছে ???

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:২৫

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: মোল্লারা মুখে বলে মুসলিম ভাতৃত্বের আর ইসলামী আর্দশের কথা কিন্তু কার্যক্ষেত্রে করে উল্টোটা। মুসলিমরা নিজেরাই ইসলামী আর্দশ পোছে না। তো বাইরের শত্রু এর সুযোগ নেবেই।

আপনি ঘরের দরজা খুলে একতরফা চোরকে দোষ দিতেই পারেন, তাতে মুসলিম নামধারী বা কথিত মুসলিম অঞ্চল ভাঙ্গন থামবে না।

ভারতের নেহেরু দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে, অ-হিন্দিভাষী রাজ্যগুলোর সম্মতি ছাড়া তাদের ওপর জোর করে হিন্দি চাপিয়ে দেওয়া হবে না। আর অন্যদিকে জিন্নাহ কামটা করলো কি? ২৪ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে জিন্নাহ দ্ব্যর্থহীনভাবে ঘোষণা করেন যে, একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। তো ভারত কেন টিকে থাকবে?

মুসলিম ভাতৃত্বের নামে ভন্ডামি করলে চুড়ান্ত ফলাফল ৭১ ই হবে। তার কোন ব্যতিক্রম হবে না।

২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:০৬

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: জিন্নাহ না থাকলে বাংলাদেশ আজ হায়দাবাদ হতো। হায়দারাবাদ বাংলাদেশের চেয়েও বড় রাস্ট্র ছিল।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:৫২

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: কিন্তু হায়দ্রাবাদে মুসলিমরা ছিলো সংখ্যালঘু, আবার বাংলাদেশে হিন্দুরা। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কি প্রক্রিয়ায় হায়দ্রাবাদ হতো?

তবে হায়দ্রাবাদ হয়ে গেলে যদি বর্তমান হায়দ্রাবাদের মতোই পূর্ব বঙ্গের প্রভূত উন্নতি হতো, খারাপ কি হতো? জিন্নাহর কারনে আমরা বঞ্চিত হলাম।

/তবে জিন্নাহর দূরদর্শীতার (?) জন্যই বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটেছে। বাঙ্গালী জাতিসত্তার পরিচয় সুদৃঢ় হয়েছে। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে পূর্ববঙ্গের মুসলিমরা ভুলেই গিয়েছিলো যে তারা জাতে বাঙ্গালী।

/আর তথাকথিত "মুসলিম ভাতৃত্ব" যে একটা scam এটাও দেশের মানুষ হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে। এখনও পাচ্ছে (কারন মাষ্টার্সে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এখন সেখানকার ফইন্নি পাকিস্তানিরা সেখানে যাওয়া শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুরো টাকাই আদায় করছে)।

৩| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৭

রাজীব নুর বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: জিন্নাহ না থাকলে বাংলাদেশ আজ হায়দাবাদ হতো। হায়দারাবাদ বাংলাদেশের চেয়েও বড় রাস্ট্র ছিল।

ও আচ্ছা আচ্ছা।

১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৯:৫৯

মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ বলেছেন: আচ্ছা জামায়াতি মোনাফেক/গাদ্দার/বেজন্মা/শয়তান/পরজীবী (জামায়াতের সাথে খাপে খাপ মেলে এমন আরও অনেক কিছু হয়তো আছে যে এই মুহুর্তে মনে পড়ছে না) কোন অস্তিত্ব কি কোথাও আছে? ভারতে নাই, পাকিস্তানে নাই। যা থাকার তাও আছে বাংলাদেশে। বাংলাদেশের অস্তিত্ব আছে বলেই কিন্তু জামায়াত আছে (যদিও স্বীকার করে না)। আসলে পরজীবী রক্তচোষা দলের নিজস্ব মৌলিক বিষয় বস্তু বলে তো কোন কিছুই থাকে না। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শেখ মুজিবও ওতোপ্রোত জড়িত ছিলেন কিন্তু তার ছবি জামায়াতি বেজন্মারা ডাকসু গ্যালারি থেকে ছুড়ে ফেলে।

যাই হোক বাংলাদেশ না থাকলে আজকে জামায়াতিদের অস্তিত্ব থাকতো না, নিশ্চিতভাবেই। এমনকি হেফাযতি হুজুরদের ওয়াজ মাহফিলের জায়গাও দখল করে বসে থাকতো পশ্চিমের উর্দূভাষী হুজরেরা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.