| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
রাজীব নুর
আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।
আজ বৃহঃস্পতিবার, ২রা আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।
ইংরেজি ১৭ই সেপ্টেম্বর। গত কয়েকদিন বেশ কয়েকজন ব্লগার সামুর ভালো মন্দ নিয়ে লিখেছেন। তাদের মুল বক্তব্য হলো- সামু গেলো। সামু শেষ। তারা সামুর ভালোর জন্য পরামর্শ দিয়েছেন। আসলে সামুর কিছুই হয়নি। সামুতে ব্লগার কম এর কারণ সামুতে যারা দায়িত্বে আছেন বা ছিলেন তারা তাদের দায়িত্ব যথাযথ ভাবে পালন করেন নাই। আসলে নিরপেক্ষ ভাবে দায়িত্ব পালন করতে সবাই পারে না। সামুতে আজ ব্লগার কম, লেখা কম আসে- এজন্য দায়ী সামুর টিম, মডারেটর। এরা ব্লগারদের ধরে রাখতে জানেন না। এদের আচার ব্যবহার সহজ ও সুন্দর নয়। জাদিদ সাহেব আমাকে দীর্ঘদিন ব্লক করে রেখেছিলেন এবং বলেছিলেন, আমাকে সামু ছেড়ে চলে যেতে। প্রয়োজনে সে আমাকে অন্য ব্লগের সন্ধানও দিতে চেয়েছেন। সামুর এই করুন দশার জন্য আমি মডারেটরকে দায়ী করিব।
সামুর প্রান চাঁদগাজী।
তাকেই নানা ভাবে হয়রানি করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। কত ইতর সামুতে ব্লগিং করছে, কত জামাত শিবির রাজাকার ব্লগিং করছে। আর চাঁদগাজীর মতো একজন গ্রেট ব্লগারকে ব্লক করে রাখা হয়েছে। চাঁদগাজীকে সব রকম ব্যান মুক্ত করলেই ব্লগ আবার প্রনবন্ত হয়ে যাবে। এই সহজ জিনিসটা ব্লগ টিম বুঝতে পারছে না কেন? চাঁদগাজীর কাছে ক্ষমা চেয়ে তাকে সব রকম ব্যান মুক্ত করুন। তাহলেই ব্লগ আবার জমজমাট হয়ে যাবে। স্বাধীনতা বিরোধীদের দমিয়ে রাখার জন্য একজন চাঁদগাজীই যথেষ্ট। দুষ্টলোকদের দাবিয়ে রাখার জন্য একজন চাঁদগাজীই যথেষ্ট। চাঁদগাজী তো ব্লগের আর্শীবাদ। হীরার টুকরা। হীরার টুকরাকে কাচের টুকরা মনে করে মডারেটর সাহেব বছরের পর বছর ধরে বন্ধী করে রেখেছেন। ইহা দুঃখজনক। অত্যন্ত দুঃখজনক। চাঁদগাজী হলেন- একটা উজ্জ্বল নক্ষত্র।
আজ আমার কিছু লেখার মুড নাই।
মন মেজাজ বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে গত এক সপ্তাহ ধরেই। এখন যে কাউকে কুৎসিত গালি দিয়ে দিতে পারি। কবিতার মতোন কিছু একটা লিখে, লেখা শেষ করছি। তাতে যদি মনটা কিছুটা শান্ত হয়। মন ক্ষিপ্ত হওয়ার অনেক গুলো কারন আছে। সেদিন দেখলাম এক বাবা মা রাস্তায় দাঁড়িয়ে চটপটি খাচ্ছে। বাবার কোলে এগারো মাসের বাচ্চা। মা তার বাচ্চাকে টক খাওয়াচ্ছে। বুঝুন অবস্থা, যে বাচ্চার এক বছর হয়নি। সেই বাচ্চাকে রাস্তার ফুচকাওলার টক খাওয়াচ্ছে! বাচ্চা আগ্রহ নিয়ে টক খাচ্ছে। বাবা মা খুশি। মা বারবার খুশিতে মাশাল্লাহ- আলহামদুলিল্লাহ বলছে। এটা কোনো কথা! সেদিন এক ব্যস্ত রাস্তায় ড্রাইভার গাড়ি পার্কিং করে রেখেছে। তাকে বললাম, ভাই সাহেব গাড়িটা সরিয়ে রাখুন। চিপা রাস্তা। দেখুন রাস্তায় জ্যাম লেগে গেছে। ড্রাইভার বলল, গাড়ি সরাবো না। এটা কার গাড়ি জানেন!
জানি না মিষ্টি কথার ব্যাকরণ;
শেখার আগেই পুড়েছি মিষ্টি কথার অনলে।
সেই থেকে মিষ্টি কথার মিস্টিক মানুষ দেখলেই-
জেগে ওঠে পুরনো ব্যারাম।
দীক্ষা দেয় আমাকে ধ্যানী প্যাঁচা, উপশম ঘটে শ্বাসকষ্ট।
চতুর্পাশে সংখ্যাগুরুই মিষ্টি মিষ্টি মানুষ।
আহা কী যে মনোহর তাদের প্রকাশভঙ্গি!
প্রেমাসক্ত হয় কমিনও!
শিখতে গিয়ে অচির উপলব্ধি ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে কাঠখোট্টা আশ্রমে।
আমাকে দেখার আগে তোমাকে দেখি।
তোমাকে দেখেছি বলেই আর শেখা হয়ে ওঠেনি মিষ্টি মিষ্টি কথামালা।
নিজেকে বদলাইনি- একআধটু করে নিয়েছি সংশোধন।
যারা বিপুল অজ্ঞতা ও অপার মূর্খতা নিয়ে নীতিকথা উপকথার প্লাবনে প্লাবিত করে
নতুন করে শেখাতে চেষ্টা করে তাদের সাথে আজকাল কথা বলি কৃত্রিম তাজিমে তাজিমে!
মিষ্টিতে মিষ্টিতে কেবলি ভান আর অমিষ্টে অম্লমধুর সমাধান!
২|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৩৬
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: সামু একটা স্বাধীন লেখালেখির প্লাটফর্ম । এখানে সব ধরণের মানুষ লেখালেখি করতে পারেন । আপনারা ইহাকে যুদ্ধ ক্ষেত্র বানিয়ে ফেলেছেন । তাই অনেক লেখক চলে গেছেন ।
©somewhere in net ltd.
১|
১৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:১৭
সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: আপনি টং দোকানে বসে চা পান করবেন আর রাজনীতির বয়ান দিবেন দেখবেন লোকজন আপনার কথা কীভাবে মনোযোগ দিয়ে শুনছে।