নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

সত্যপথিক শাইয়্যান

আমার কাছে অনেক আইডিয়া আছে এবং আমি তা ব্লগে এপ্লাই করি! জানেনই তো, পৃথিবীর সব কিছুর মূলে রয়েছে আইডিয়া!

সত্যপথিক শাইয়্যান › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমিও পারি!

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬



জ্ঞানী মানুষ পড়ালেখা করে বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে। কেউবা পড়ালেখা করে একটি ভালো জবের জন্যে, কেউবা জ্ঞান আহরণের জন্যে, আবার কেউবা করে নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করার জন্যে। আমি মাস্টার্স করেছি নিজের যোগ্যতা প্রমাণের জন্যে!!! কিন্তু, এটা বুঝতে পেরেছি, পড়ালেখা করা খুব একটা সহজ কাজ নয়!!! এটা অনেকটা ধনুক দিয়ে তীর ছোড়ার মতো! ধনুকে তীর পড়িয়ে সেটাকে এক হাত পিছনে নিলে, তবেই তা ৭০ হাত দূরে যায়!

আমি যখন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ-তে ২য় হলাম, মানে, আমাদের ব্যাচে যে সর্বশেষ হয়েছিলো সেই সহপাঠী থেকে এক ধাপ উপরে, তখন খুব অসহায় ফিল করেছিলাম। তখন, প্রতিজ্ঞা করেছিলাম নিজেকে প্রমাণ করবো একজন যোগ্য মানুষ হিসেবে! দেশে যখন নিজের যোগ্যতা প্রমাণ করা গেলো না, তাই, বিদেশে গিয়ে পড়ালেখা করবো বলে ঠিক করলাম।

কিন্তু, আমার বাবা-মা প্রথমে চান নাই আমি বিদেশে মাস্টার্স করতে যাই! তাঁরা আমাকে প্রথমে এতো টাকা দিতে চান নাই। পরে বুঝেছিলাম, আমার পিতামাতা আসলে আমাকে পিছনে টেনে ধরে আমার জিদটাকে ধনুকে পড়ানো তীরের মতো টান টান করে দিয়েছিলেন!

যার ফলে, আমি যখন যুক্তরাজ্য থেকে মাস্টার্স শেষ করি, তখন দেখা যায়, আমার বিশ্ববিদ্যলায়ের গুটিকয়েক বিদেশী শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন হই যে 'মেরিট' পেয়েছিলো! আমার মাস্টার্স রিসার্চ প্রজেক্টে আমি ডিস্টিংকশন মার্কস থেকে ১ কম পেয়েছিলাম!

মন্তব্য ৫ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৬

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি পড়ালেখা করেছি পাশ করে জব করতে ; লেখাপড়ার বিশেষ আমার কোনোদিন ভালো লাগতো না । দেশ-বিদেশ ঘুরে বেড়াতে ভালো লাগে ।

২| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৭

হুমায়রা হারুন বলেছেন: ভাল রেজাল্ট একসময় খুব আনন্দ দেয়। কিন্তু যত সময় যেতে থাকে , জীবনের জটিলতা এই সুখগুলোকে ম্লান করে দেয়।
আপনার পরিশ্রম ও ভাল ফলাফলের জন্য অভিনন্দন।

৩| ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



আপনাকে একটি গল্প বলি । বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত বিদ্রোহী কবিতাটি লিখে
তা জোড়াসাকুতে রবিন্দ্রনাথের বাড়ীতে গিয়ে তার বাড়ীর ফটক পেরিয়ে উঠনে গিয়েই চিল্লায়ে
ডাকতে ছিল গুরু গুরু কোথায় তুমি বলে । কবি গুরু ঘরের উঠোন থেকেই জিজ্ঞেস করলেন কি চাও, আর
কেনই বা এসেছ আমার কাছে । কাজী নজরুল বললেন আমি তোমাকে খুন করতে এসেছি । কবি গুরু
বললেন তাই নাকি তবে আয় দেখি কী করে খুন করিছ। ঘরে গিয়ে কবি গুরুর সামনে বসে কবি নজরুল
তার সদ্য লেখা বিদ্রোহী কবিতাখানি আবৃতি করে শুনালেন তার দরাজ কন্ঠে । কবিতা পাঠ শুনে মুগ্ধ কবি
গুরু বললেন ঠিকই তুই একদিন আমাকে খুন করবি। তবে সাথে বললেন ভায়া "কোদাল দিয়ে মুছ চেছোনা "
তার মানে কবি নজরুল যেন তার শক্তিশালী লেখনি দিয়ে সাময়িক ক্ষনস্থায়ি আবেগী লেখা না লিখে দীর্ঘস্থায়ি
কালোত্তীর্ন সাহিত্য কর্ম রচনা করে । তাইতো দেখা যায় কাজী নজরুলের লেখা গানগুলি তার বিদ্রোহী
কবিতাকেও ছাপিয়ে গেছে কবি গুরুর পরামর্শ মেনে কালজয়ি সাহিত্য কর্ম সাধনাতে , তার লেখা
সহয্রাধীক গান গজল টিকে থাকবে অনন্তকাল নজরুল গীতি নাম ধরে ।

তাই আপনার প্রতিভা আর যুক্তরাজ্যের মত জায়গার নামী বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রাপ্ত মাষ্টার ডিগ্রি লাভের সাথে
অর্জিত মেধাকে কাজে লাগান আরো মুল্যবান লেখনীতে । আপনার লেখা শের বা ধর্মীয় বিষয়গুলি প্রানবন্ত
হয়ে উঠে ভাল করে ।

শুভেচ্ছা রইল

৪| ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৫৮

খায়রুল আহসান বলেছেন: শুধু মেধা থাকলেই হবে না, মেধাকে শানিত করে একে হারভেস্ট করার প্রেরণা ও অধ্যবসায় থাকতে হবে। তাহলেই এর সুফল আসাটা অনিবার্য।

৫| ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:০১

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি বুদ্ধিমান মানুষ। পরিশ্রমী মানুষ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.