নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমাদের শাহেদ জামাল- ৯৫

৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:২৫



আমি একজন প্রতিভা শূন্য মানুষ।
আমি দুটো কাজই পারি, এক, মাথা নিচের দিকে রেখে পা উপরের দিকে রাখতে। তাও বেশিক্ষণ পারি না। বড়জোর এক মিনিট। দুই হচ্ছে আমি সুপারম্যান হতে পারি। একবার চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিতে গেলাম, সেখানে আমাকে অনেক রকম প্রশ্ন করলো। আমি একটা প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারলাম না। যারা ইন্টারভিউ নিচ্ছেন তারা আমার উপর খুবই বিরক্ত। শেষে একজন বিরক্ত হয়ে বললেন, এমন কিছু কি আছে—যা আপনি পারেন? আমি বললাম, আমি সুপারম্যান হতে পারি। প্রশ্নকর্তা বিরক্ত হয়ে বললেন, দেখান সুপারম্যান হয়ে। আমি সুপারম্যানের মতো দুই তুলে রুমের চারপাশে দুটা চক্রর দিলাম। এবং মুখে বলতে থাকলাম, সুপারম্যান, সুপারম্যান। আমার প্রতিভায় কেউ খুশি হলো না। ব্যর্থ মানুষেরা কাউকে হ্যাপি করতে পারে না।

সুন্দর মতো একটা মেয়ের সাথে আমার প্রায় একটা প্রেম ভালোবাসা হয়ে যাচ্ছিলো।
একদিন পুকুর ঘাটে বসে আছি দুজন! মেয়েটা বলল, তুমি যে আমায় ভালোবাসো তোমার যোগ্যতা কি? আমি মেয়েটাকে বললাম, আমি দুটা কাজই পারি। এক, মাথা নিচের দিকে দিয়ে, পা উপরের দিকে দিয়ে রাখতে। তাও বেশি সময় পারি না। সব মিলিয়ে মাত্র এক মিনিট। মেয়েটা আমার দিকে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে! যেন আমাকে বুঝতে পারছে না। আমি বললাম, এতটুকু যোগ্যতায় কি তোমাকে ভালোবাসা যাবে? মেয়েটা চুপ করে আছে। কোনো কথা বলে না। আমি বললাম, আমার আরেকটা যোগ্যতা আছে। মেয়েটা বলল সেটা কি? বললাম, আমি সুপারম্যান হতে পারি! মেয়েটা বলল কিভাবে? আমি দুই হাত মুষ্টিবদ্ধ করে একটা চক্রর দিলাম। আর মুখে বলতে থাকলাম সুপারম্যান, সুপারম্যান। এই ঘটনার পর মেয়েটা আর আমার সাথে যোগাযোগ রাখেনি। সুন্দরী মেয়েরা একটু স্বার্থপর হয়।

আমার মতো অযোগ্য, অদক্ষ মানুষ বোধহয় দুনিয়াতে আর নেই।
আমি রাস্তা পার হতে পারি না। সুন্দর বাজার করতে পারি না। সুন্দর করে কথা বলতে পারি না। সুন্দর করে গুছিয়ে লিখতে পারি না। আমি লেখাপড়ায় ভালো না। দাত ব্রাশ করার কথা আমার মনে থাকে না। মাঝে মাঝে আন্ডারওয়্যার ছাড়া প্যান্ট পরে ঘর থেকে বের হয়ে যাই। আমার সাথে কারো দীর্ঘদিন সম্পর্ক থাকে না। এজন্য কেউ আমার সাথে যোগাযোগ রাখে না। মাসে পাচটা ফোন আসে না আমার মোবাইলে। এই যে ইদ গেলো, একটা মানুষ আমাকে ইদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ম্যাসেজ দেয়নি। ছেলেবেলায় এক বোষ্টমি আমাকে দেখে বলেছিল, ভাঙ্গা কূলার ছাই! সেই বোষ্টমিকে আমার মা বলেছিল, ভাঙ্গা কূলা বলে আমার ছেলেকে অবহেলা করো না। ভাঙ্গা কূলা কিন্তু ছাই ফেলতেও কাজে লাগে। সেই বোষ্টমির সাথে দেখা হলে বলতাম, আমি ভাঙ্গা কূলার ছাই নই। আমি দুটা কাজ পারি। মাথা নিচে আর পা উপরের দিকে দিয়ে এক মিনিট থাকতে পারি। আমি সুপারম্যান হতে পারি!

আমি আমার অকেজো দুটা প্রতিভা নিয়ে গর্বিত এবং আনন্দিত।
আমি একদিন চিন্তা করে দেখলাম, আরো কিছু বিষয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করা জরুরি। শুধু মাথা নিচে আর পা উপরে এবং সুপারম্যান হলে হবে না। এরপর আমি আরেকটা অকেজো প্রতিভা অর্জন করতে সক্ষম হই। আমি আমার ঝিগাতলার মেস থেকে পায়ে হেটে এয়ারপোর্ট পর্যন্ত যেতে পারি। একবার না বেশ কয়েকবার গিয়েছি। হেটে যেতে আমার সময় লাগে, সাড়ে তিন ঘন্টার কিছু বেশি সময়। অবশ্য হাটার মাঝে আমাকে ব্রেক নিতে হয়। চা সিগারেট খাওয়ার জন্য। চা সিগারেট খাওয়ার পর শরীরে যেন জোশ বেড়ে যায়। আমার হাটার গতি বেড়ে যায়। তবে ফেরার পথে বাসে করে মেসে ফিরি। পা ফুলে যায়, পায়ে ঠোসা পড়ে যায়, দুই কাধ ব্যথা করে, কোমর ব্যথা করে। ক্লান্তিতে পুরো শরীর ভেঙে আসে। খুব কষ্ট হয়। খুব।

সব সাধনায় ব্যর্থ হয়ে আমি বুঝতে পারি, আমি একজন সৎ মানুষ।
সহজ সরল ভালো মানুষ। আমার কোনো পাওনাদার নাই। দুনিয়াতে আমার কোনো সম্পদ নাই। ব্যাংকে টাকা নাই। আমি কারো ক্ষতি করি না। কারোর ক্ষতির কারন হইও না। আমার কোনো কিছুর প্রতি লোভ নেই। নারীদের সম্মান করি। আমাদের মেসের বুয়া বলে, মামা আপনার মতো ভালো মানুষ দুনিয়াতে আমি আর দেখি নাই। রাজেন্দ্র কলেজের প্রফেসর আলতাফ বলেছিলেন, শাহেদ। শাহেদ জামাল তুমি মানুষ ভালো। স্যার ঢাকা এলেই আমাকে ফোন দিয়ে বলতেন, অল্প সময়ের জন্য নীলক্ষেত এসেছি। আজই ফরিদপুর ফিরে যাবো। আমার সাথে দেখা করে যাও। আমি স্যারের সাথে দেখা করতাম। স্যার আমাকে তার পছন্দের বই নীলক্ষেত থেকে কিনে দিতেন। যতবার স্যার ঢাকা আসতেন আমাকে একটা করে বই কিনে দিতেন। স্যারকে বলেছিলাম, আমার দুটা প্রতিভার কথা। স্যার শুনে অনেক খুশি হয়েছিলেন। আমার পিঠ চাপড়ে বলেছিলেন, গ্রেট।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




আমিও বলি- লেখাটি গ্রেট!!!!!!!!!!

২| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:



আমি বেশি হাঁটতে পারি না।
আপনি পারেন।

হাঁটতে পারা অনেক বড় গুণ। অনেক কিছু জানা যায়।

৩| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:০০

সাইফুলসাইফসাই বলেছেন: আমিও কিছু পারি না! আমাকে দিয়ে কিছু হয় না! তাই আমার খালি বেদনা!

৪| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

মোগল সম্রাট বলেছেন:

অসৎ হবার কতো শতো প্রচেষ্টায় ব্যার্থ করেছি নিজেকে


পড়লাম রানু ভাই ।

৫| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২০

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমারও কোনো প্রতিভা নেই । :-B

৬| ৩০ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১০:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



কে বলেছে আমাদের শাহেদ জামাল প্রতিভা শুন্য । প্রতিভা না থাকলে এ পোস্টের লেখটি লেখা হলো কী করে ?
এটা কী শুন্য হতে ভেসে ভেসে রাজিব নূরেরই ব্লগে এসে প্রকাশ পেল ধারাবাহিক ভাবে ।
বুঝা গেল প্রতিভা আছে । তবে সে প্রতিভা কী কাজে প্রয়োগ করা হয়েছে । এটা কি productive or unproductive
খাতে ব্যয় হয়েছে সেটাই এক বড় প্রশ্ন !!!!!!!!!!!

এই পোস্টে আমাদের শাহেদ জামাল এর ডেলে দেয়া প্রতিভা কি ফল দিয়েছে তা পাঠক মন্তব্য হতেই ধারণা করা যায়।
সে এক সংক্রামক ব্যধি ছড়িয়ে গেছে ,একমাত্র আহমেদ জী এস ছাড়া সকলেই বলেছেন প্রতিভা নাই কিংবা কিছুই
পারিনা । শুধু আহমেদ জী এস বলেছেন “লেখাটি গ্রেট ”। তিনি কেন লেখাটি গ্রেট বলেছেন তা বিস্তারিত বলে যান নি ।
তবে তিনি একজন চিকিৎসক তথা চিকিৎসা বিজ্ঞানী তাই গ্রেটের পাশে তিনি অনেক সাংকেতিক চিহ্ন!!!!!! রেখে গেছেন।
যাহোক, তিনি কেন প্রতিভা বিষয়ে লেখাটিকে গ্রেট বলেছেন তা নীচের আলোচনা হতে বুঝা যেতে পারে কিছুটা ।

প্রতিভা তথা talent জন্মগত না অর্জিত এই প্রশ্নের উত্তর আধুনিক জীববিজ্ঞান বলে দুটোরই সমন্বয়। অর্থাৎ,
আমাদের জিন (genetics) এবং পরিবেশ (environment) একসাথে কাজ করে প্রতিভার জন্ম ও বিকাশ ঘটায়।

মানুষ জন্মের সময় তার বাবা-মা থেকে হাজার হাজার জিন পায়। এই জিনগুলোর কিছু অংশ মস্তিষ্কের গঠন, নিউরনের কার্যকারিতা, স্মৃতি, মনোযোগ, সৃজনশীলতা ইত্যাদির উপর প্রভাব ফেলে।তবে একটি নির্দিষ্ট প্রতিভার জন্য একটি
নির্দিষ্ট জিন নেই; বরং অনেকগুলো জিন একসাথে কাজ করে।

আবার প্রতিভা মূলত মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু অংশের দক্ষতার সাথে সম্পর্কিত। মস্তিষ্কে প্রায় ৮৬ বিলিয়ন নিউরন থাকে,
যা একে অপরের সাথে সংযোগ তৈরি করে। যেসব মানুষ কোনো দক্ষতায় পারদর্শী, তাদের মস্তিষ্কে ঐ সংশ্লিষ্ট অংশে
বেশি শক্তিশালী ও দ্রুত সংযোগ তৈরি হয়। উদাহরণ যারা বলেন তাদের কোন প্রতিভা নাই তাদের মস্তিষ্কে নিয়ন্ত্রণ
কারী অংশ তাদের সেই ভাবনাকেই আরো বিকশিত করে প্রতিভা শুন্য করে দেয় । তখন তারা ভাবে আমরা সত্যিই
প্রতিভা শুন্য ।

বিজ্ঞানীরা বলেন, প্রতিভা বিকাশের জন্য শুধু স্বাভাবিক ক্ষমতা যথেষ্ট নয়।লক্ষ্যভিত্তিক, নিয়মিত, এবং চ্যালেঞ্জিং
অনুশীলন তথা deliberate practice প্রয়োজন। এতে মস্তিষ্কের সংযোগ আরও নিখুঁত ও কার্যকর হয়। মোট
কথা প্রতিভা কোনো হঠাৎ পাওয়া উপহার নয়; এটি একটি গতিশীল প্রক্রিয়া জিনগত সম্ভাবনা সাথে মস্তিষ্কের
গঠন এর সাথে পরিবেশ এবং অনুশীলন এ সব নিয়েই প্রতিভার বিকাশ।অর্থাৎ, কেউ জন্মগতভাবে কিছু সুবিধা
পেতে পারে, কিন্তু সঠিক পরিবেশ ও অনুশীলন ছাড়া সেই প্রতিভা পূর্ণতা পায় না।

আমি ইদানিং আবার সব কিছুর সাথে ধর্মকে মিলাতে চেষ্টা করি বিবিধ কারণে ।
ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিভা শুধু একটি জৈবিক বা মানসিক ক্ষমতা নয়; এটি আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে প্রদত্ত একটি
নিয়ামত এবং আমানত । ইসলামসহ অন্যান্য ধর্মেও প্রতিভাকে মানুষের দায়িত্ব ও পরীক্ষার অংশ
হিসেবে দেখা হয় ।

ইসলামে বিশ্বাস করা হয় আল্লাহ্‌ যাকে ইচ্ছা বিশেষ অনুগ্রহ দান করেন। (সূরা আল-বাকারা ২:১০৫)। কেউ জ্ঞান,
কেউ শিল্প, কেউ নেতৃত্ব, কেউ সহানুভূতির প্রতিভা পায়। এগুলো মানুষের নিজের অর্জন নয়, বরং আল্লাহ্‌র পক্ষ
থেকে দেওয়া সম্ভাবনা। অর্থাৎ, জন্মগত পার্থক্যগুলো আল্লাহ্‌র হিকমত (wisdom)-এর অংশ।
প্রতিভা থাকা মানে শুধু সুবিধা নয় একটি পরীক্ষা।“তিনি তোমাদেরকে পরীক্ষা করেনকে আমলে উত্তম।”
(সূরা আল-মুলক ৬৭:২)। যার বেশি প্রতিভা, তার দায়িত্বও বেশি।

প্রতিভাকে ইসলামে আমানত হিসেবে দেখা হয়।আল্লাহ্‌ মানুষকে যা দিয়েছেন, তা সঠিকভাবে ব্যবহার করার দায়িত্ব
দিয়েছেন। জ্ঞান থাকলে তা মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করা উচিত। ইসলাম শুধু জন্মগত প্রতিভার উপর নির্ভর করতে
বলে না; বরং চেষ্টা ও উন্নয়নকে গুরুত্ব দেয়।“মানুষের জন্য আছে কেবল তা-ই, যার জন্য সে চেষ্টা করে।”
(সূরা আন-নাজম ৫৩:৩৯)

প্রতিভা থাকলেও চেষ্টা না করলে তা বিকশিত হয় না। আবার, কম প্রতিভা থাকলেও আন্তরিক প্রচেষ্টায় মানুষ অনেক
দূর যেতে পারে। অর্থাৎ, তাওয়াক্কুল (আল্লাহ্‌র উপর ভরসা) সাথে চেষ্টা আর তাতেই সফলতা।

ধর্মীয় দৃষ্টিতে প্রতিভার মূল্য নির্ভর করে এর ব্যবহারের উপর।যদি প্রতিভা অহংকার, ক্ষতি বা অন্যায় কাজে ব্যবহৃত
হয়, তা নিন্দনীয়। কিন্তু যদি তা মানুষের উপকারে ও আল্লাহ্‌র সন্তুষ্টির জন্য ব্যবহৃত হয়, তা ইবাদতে পরিণত হয়।

সব মানুষ একরকম নয় এটিও আল্লাহ্‌র পরিকল্পনা।“আমি তাদের মধ্যে জীবিকার বণ্টন করেছি…”
(সূরা যুখরুফ ৪৩:৩২)। কেউ শিক্ষক, কেউ চিকিৎসক, কেউ শিল্পী , কেও বা আমাদের শাহেদ জামাল , সমাজের
ভারসাম্যের জন্য এই বৈচিত্র্য প্রয়োজন। তাই নিজের প্রতিভাকে অন্যের সাথে তুলনা না করে, তা চিনে নেওয়া ও
কাজে লাগানো গুরুত্বপূর্ণ।

পোস্টের লেখাটি পাঠে এতসব ধারণা/কথা জন্ম নেয়ার জন্য আহমেদ জী এস এর মতো আমিউ বলি লেখাটি গ্রেট ।
তবে তিনি প্রতিভাবান, তাই তিনি জানেন এই ব্লগ বাগানে তা বিস্তারিত বলা মানে উলুবনে মুক্তা ছাড়ানু ছাড়া
আর কিছু্ইনা । তবে বলতে পারি, আহমেদ জী এস প্রায়ই তার অনেক পোস্টে নীজকে মহা বেকুব বলতেন , মনে হয়
সেটাই আমার মধ্যে সংক্রমিত হয়েছে, তাই আমিও মহা বেকুব হয়ে গেছি। তারই কিছুটা প্রকাশ রেখে গেলাম নীজের
বেকুবী প্রায় পৃষ্টি ব্যপী কিছু কথা বেহুদা এখানে লিখে গিয়ে ।

শুভেচ্ছা রইল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.