নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুল ভার্ন

এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস... খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে... কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়। আমার অদক্ষ কলমে... যদি পারো ভালোবেসো তাকে... ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে, যে অকারণে লিখেছিল মানব শ্রাবণের ধারা.... অঝোর শ্রাবণে।।

জুল ভার্ন › বিস্তারিত পোস্টঃ

হায়রে জীবন!

২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

হায়রে জীবন!

যারা বছরের পর বছর রাষ্ট্রক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে মানুষ গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, পরিবার ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রকে ভয় ও আতঙ্কের কারখানায় পরিণত করেছে- তাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন আজ “ভিআইপি আসামি”।
কারাগারেও আরাম-আয়েশ, বাসার খাবার, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত গাড়িতে কেতাদুরস্ত পোশাকে আদালতে যাতায়াত- কেউ হাসিমুখে শীশ দেয়, কেউ গানগায়- যেন বিচার নয়, বরযাত্রীদের সামাজিক আনুষ্ঠানিকতা!

আর তদন্ত?
সব চাইতে মজার ব্যাপার হচ্ছে এই 'তদন্ত' পর্ব!
একজন সাবেক বিচারপতি, মন্ত্রী, সচিব কিম্বা জেনারেল র‍্যাংকের অফিসারকে "দমে-দমে স্যার স্যার" বলা সাব-ইনস্পেক্টর/ ইনস্পেক্টর পদবীর তদন্ত কর্মকর্তার 'অধিকতর তদন্তের স্বার্থে' কদাচিৎ ফরমায়েশি জিজ্ঞাসাবাদের সময় মহামান্য আদালতের নির্দেশে 'অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে আসামীর সাথে বিজ্ঞ আইনজীবীর উপস্থিতিতে' জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশনা মেনে VIP আতিথিয়েতায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে জেরাফেরা কিছু নয়, সৌজন্য সাক্ষাৎ, আপ্যায়ন তারপর সম্মানের সাথে প্রত্যাবর্তন!

অথচ এই রাষ্ট্রেই হাজার হাজার সাধারণ মানুষকে বিনা অভিযোগে তুলে নেওয়া হয়েছিল।
প্রথমেই পিটিয়ে হাড্ডি মাংস আলাদা করে, কয়েক দিন, কয়েক সপ্তাহ, মাস পর গ্রেফতার দেখানো, তারপর রিমান্ড নামের "অফিশিয়াল নির্যাতন"। এমনভাবে পেটানো হতো যে ফিজিক্যাল স্ট্রাকচার পর্যন্ত বদলে যেত। দুই পায়ের মানুষ হেটে নয়, হামাগুড়ি দিয়ে চলতে হতো!

আজও অনেকে সেই নির্যাতনের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছে-
কেউ ৫ বছর, কেউ ১০ বছর, কেউ ১৫ বছর ধরে।
কেউ বেঁচে আছে, কিন্তু স্বাভাবিক জীবনে আর কখনোই ফিরতে পারেনি, পারবে না।

মন্তব্য ৯ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৯) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: তিন মাস পেরিয়ে গেলেও দৃশ্যমান কোনো বড় মামলা কিংবা রায় দেখা যাচ্ছে না। আদালতে শুধু আসামিদের আসা-যাওয়ার আনুষ্ঠানিকতাই চলছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, দীপু মনির স্বামী উনাকে দেখতে যাওয়ার মতো সাধারণ বিষয়ও প্রধান সংবাদ হয়ে উঠছে! বিচার প্রক্রিয়ার এই শ্লথ গতি দেখে মনে হচ্ছে, অপরাধীরা কারাগারকে আরাম-আয়েশের জায়গা বানিয়ে ফেলছে। আসলে এনসিপির সব বক্তব্যকে উড়িয়ে দেওয়া যায় না; বর্তমান পরিস্থিতি দেখে জনগণের মনেও এই সন্দেহ দানা বাঁধছে যে বিএনপি ক্ষমতায় এলে আদৌ সঠিক বিচার করতে পারবে তো?

২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৪

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনার মন্তব্যে হতাশা, ক্ষোভ এবং প্রশ্ন- সবই স্বাভাবিক। ১৬ বছরের দীর্ঘ স্বৈরশাসনের পর মানুষ দ্রুত দৃশ্যমান বিচার, জবাবদিহিতা এবং পরিবর্তন দেখতে চায়। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে, মাত্র তিন মাস বয়সী একটি বিপ্লবোত্তর সরকারের কাছ থেকে পুরো রাষ্ট্রযন্ত্র রাতারাতি বদলে ফেলার প্রত্যাশা বাস্তবসম্মত নয়।

২| ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক নই এবং অহেতুক কারও সমালোচনা করায় আমার আগ্রহ নেই। তবে বিএনপির উচিত ছিল আওয়ামী লীগ ও অন্তর্বর্তীকালীন মেয়াদের শ্বেতপত্র জনগণের সামনে উন্মোচন করা। আজ অবধি ব্যাংকগুলোর ফরেনসিক অডিট সম্পন্ন হলো না; এমনকি বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ পাচার সংক্রান্ত মামলার শুনানি ৯৫ বারের মতো পেছানো হলো।

বিএনপি যে এই ধরনের একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পেল, এমতাবস্থায় পূর্ববর্তী সরকারের আমলনামা প্রকাশ করা কি তাদের দায়িত্ব ছিল না? আওয়ামী লীগ যে মাত্রার লুণ্ঠন চালিয়েছে, বিএনপির মন্ত্রীরা কি তা গণমাধ্যমে প্রচার করতে পারেন না? অপরদিকে বিএনপি এনসিপি-র মতো দলকে তোয়াজ করে চলছে, যারা নিজেরাও কম দুর্নীতি করেনি। এই সমস্ত দুর্নীতি প্রকাশ্যে না এনে বিএনপি কেন অযথা দায় নিজের কাঁধে নিচ্ছে?

দলটির কোনো মন্ত্রী দেশের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে আদৌ ওয়াকিবহাল কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এই যে বিদ্যুতের মূল্য পুনরায় বৃদ্ধি করা হলো, সরকারের মিডিয়া সেল কি একবারের জন্যও এর যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা করেছে? আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে আইএমএফ-এর ঋণের শর্ত পূরণে প্রতি তিন মাস পর পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল; বর্তমান বিএনপি সরকারও হুবহু একই পথ অনুসরণ করছে। জ্বালানি খাতে যে নজিরবিহীন লুটপাট হয়েছে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ইকবাল হাসান টুকুর কি উচিত ছিল না এর ওপর একটি শ্বেতপত্র প্রকাশ করা? আওয়ামী লীগ যদি এই অবস্থানে থাকত, তবে বিএনপিকে হেনস্তা করার কোনো সুযোগই তারা হাতছাড়া করত না। কিন্তু বিএনপি পূর্বের কোনো দুর্নীতি নিয়ে কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করছে না তাহলে কি ধরে নিতে হবে আওয়ামী লীগের আমলে কোনো দুর্নীতিই হয়নি?

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে 'রেসিপ্রোকাল ট্যাক্স' চুক্তির বিষয়েও সরকার স্পষ্ট কোনো অবস্থান নিতে পারছে না। আপনাদের একজন সংসদ সদস্য ফজলুর রহমান টকশোতে গিয়ে দাবি করেছেন যে এই চুক্তি দেশবিরোধী এবং এটি অবিলম্বে বাতিল করা উচিত। সংসদের বাইরে গিয়ে একজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি কি এমন মন্তব্য করতে পারেন? এতে জনগণের মনে বিএনপির প্রতি সংশয় বাড়বে বৈ কমবে না। ভিপি নূর প্রচার করছেন যে, ড. ইউনূস নাকি জোরপূর্বক বিএনপিকে এই চুক্তিতে ফাঁসিয়ে দিয়ে গেছেন। অর্থাৎ, বিএনপির নিজস্ব এমপি-মন্ত্রীরাই মনে করছেন এই চুক্তি দেশের স্বার্থবিরোধী; তাহলে তারা কেন চুক্তি থেকে বের হয়ে আসছেন না ?

আওয়ামী লীগের আমলে ভারতের সাথে সম্পাদিত চুক্তিগুলো নিয়ে এখন আর কোনো আলোচনাই দৃশ্যমান নয়। এসব দেখলে চরম হতাশা জাগে। সাধারণ জনগণ অনেক গভীর সমীকরণ বোঝে না; তাদের সামনে আওয়ামী লীগের তথাকথিত 'উন্নয়নের বয়ান' ভেঙে চুরমার করার মূল দায়িত্ব ছিল বিএনপির। কিন্তু দলটির বর্তমান পারফরম্যান্স কোনোভাবেই সন্তোষজনক নয়। এই মন্তব্যটি হয়তো আপনার কাছে অপ্রাসঙ্গিক মনে হতে পারে, তবুও মনের ক্ষোভ থেকে লিখলাম।

২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: আপনি কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থক নন- এটা ক্লীবিয় চরিত্র! তবে আপনার বেশীরভাগ লেখায়ই রাজনৈতিক বিশয় থাকে। রাজনৈতিক দলের সমর্থক না হলেও একজন শিক্ষিত নাগরিক হিসাবে অবশ্যই রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি। রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তিই ভালো মন্দ বেছে নেন। সেক্ষেত্রে আপনি সেটা বেছে নিতে না পারলে- তা একান্তই আপনার ব্যর্থতা! যাই হোক-

আপনার লম্তিবা মন্নতব্যের জবাব দিতে হলে অল্প কথায় সম্ভব না। তাই যতটা সম্ভব জবাব দিতে চেষ্টা করছি-
মাসে “সব শেষ কেন হয়নি”- এই প্রশ্নের আগে একটা বাস্তবতা মনে রাখা দরকার।
বাংলাদেশ কোনো স্বাভাবিক প্রশাসনিক অবস্থা থেকে নতুন সরকার পায়নি। ১৬ বছরের একদলীয় কর্তৃত্ব, প্রশাসনের দলীয়করণ, বিচার ব্যবস্থার উপর রাজনৈতিক প্রভাব, আর্থিক খাতের ভয়াবহ লুটপাট, আন্তর্জাতিক দেনা ও চুক্তির জট- এই সবকিছুর ধ্বংসস্তূপের উপর দাঁড়িয়ে বর্তমান সরকার দায়িত্ব নিয়েছে।

এই বাস্তবতায় মাত্র তিন মাসে “বড় রায় কোথায়?” বলে প্রশ্ন তোলা সহজ, কিন্তু বিচারপ্রক্রিয়া কেবল আবেগ দিয়ে চলে না। বিশেষ করে মানবতাবিরোধী অপরাধ, গুম, দুর্নীতি ও আন্তর্জাতিক আর্থিক অপরাধের মতো জটিল মামলায় প্রমাণ, নথি, সাক্ষ্য, ফরেনসিক অডিট- সবকিছু সময়সাপেক্ষ। তাড়াহুড়া করে বিচার করলে পরে সেই বিচারই আন্তর্জাতিক আদালত বা উচ্চ আদালতে প্রশ্নবিদ্ধ হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- বিদায়ী অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতা ছাড়ার ঠিক আগ মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আন্তঃ রাষ্ট্রীয় তথা আন্তর্জাতিক চুক্তি করেছে। কোনো দায়িত্বশীল রাষ্ট্র চাইলেই একদিনে আন্তর্জাতিক চুক্তি বাতিল বা স্থগিত করতে পারে না। এতে কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনি জটিলতা তৈরি হয়। রাষ্ট্র পরিচালনা টকশোর ভাষণ দিয়ে হয় না; এখানে আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা, বাণিজ্য, ঋণ, কূটনীতি- সবকিছু হিসাব করে এগোতে হয়।

তারপরও 'সরকার সম্পূর্ণ নিষ্ক্রিয়'- এটা বলা ঠিক হবে না। বিভিন্ন খাতে সংস্কার, জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম, প্রশাসনিক পুনর্গঠন, আইনি প্রক্রিয়া সচল করা- এসব কাজ ধীরে হলেও শুরু হয়েছে। সঙ্গসদের প্রথম অধিবেশনেই ১৩৩ টা অধ্যাদেশের মধ্যে ১২৩ টা অধ্যাদেশে পাশ করেছে। সমস্যা হলো, জনগণ দৃশ্যমান ফল দ্রুত দেখতে চায়, আর সরকার এখনো সেই রাজনৈতিক যোগাযোগটা কার্যকরভাবে প্রতিষ্ঠা করতে পারেনি।

সমালোচনা অবশ্যই হবে। কিন্তু হতাশা আর বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্য করাও জরুরি। বিপ্লবোত্তর রাষ্ট্র পুনর্গঠন কোনো তিন মাসের প্রকল্প নয়- এটা দীর্ঘ রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও আইনি লড়াই।

৩| ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৩৩

মায়াস্পর্শ বলেছেন: রাখিবো নিরাপদ, দেখাবো আলোর পথ।
তাদের কে হয়তো আলোর পথ দেখাচ্ছে জেলের ভেতরে।

দুনিয়া শয়তানের জান্নাত, মুমিনের জাহান্নাম।

২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪

জুল ভার্ন বলেছেন: না, ওদের মধ্যে বিন্দুমাত্র অনুশোচনা নাই।

৪| ২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১:৪৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: তারা আবারো ফিরে আসার প্রস্ততি নিচ্ছে এবং অনেকের হাড়-মাংস এক করার ভয় দেখাচ্ছে।

২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:১৫

জুল ভার্ন বলেছেন: "দিল্লি বহুত দূরস্ত হনু"

৫| ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:৫৬

মেহবুবা বলেছেন: আজকাল নিজেকে অবশ, বোধবুদ্ধিহীন করে রাখতে পারলে শান্তি!

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.