নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অঝোর ধারা

মৃত্যুঞ্জয়

মৃত্যুঞ্জয় › বিস্তারিত পোস্টঃ

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা: (দ্বিতীয় পর্ব)

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ২:০০

কোথায় হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম?

দ্বিতীয় পর্ব: মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার বিভাজন এবং অসম প্রতিযোগিতা

একটি শিশুর শিক্ষাজীবন শুরু হয় প্রাথমিক স্তর থেকে। কিন্তু মাধ্যমিক পর্যায়ে পৌঁছানোর পর থেকেই শুরু হয় এক নতুন বিভাজন। একই দেশের একই বয়সী শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে প্রবেশ করে, যেখানে তাদের জ্ঞান, দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ সুযোগ একে অপরের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হয়ে যায়

ক্লাস ৬ থেকে ১০ পর্যন্ত মাধ্যমিক এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক। এই সময়টিই একজন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ গড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কিন্তু এই স্তরেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় বৈষম্য।
মাধ্যমিক শিক্ষায় কতগুলো আলাদা পথ?

বাংলাদেশে মাধ্যমিক পর্যায়ে একজন শিক্ষার্থী কোন পথে যাবে তার উপর নির্ভর করে তার ভবিষ্যতের সুযোগ।

বর্তমানে রয়েছে:
সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়
বাংলা মাধ্যম
ইংরেজি ভার্সন
ইংরেজি মিডিয়াম
ও লেভেল এবং এ লেভেল
বিদেশি কারিকুলাম ভিত্তিক স্কুল
মাদ্রাসা শিক্ষা (দাখিল)
কারিগরি ও ভোকেশনাল শিক্ষা
উন্মুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থা

প্রশ্ন হচ্ছে—
একই বয়সী একটি শিশু যখন একই দেশের নাগরিক, তখন তার শিক্ষার ভিত্তি কেন এত ভিন্ন হবে?
একজন শিক্ষার্থী বাংলা মাধ্যমে যে বিষয় ও পদ্ধতিতে শিখছে, আরেকজন ইংরেজি মিডিয়ামে যে দক্ষতা অর্জন করছে—দুজনের মধ্যে পার্থক্য তৈরি হচ্ছে মাধ্যমিক স্তরেই।
সমস্যা কোথায়?

১. শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব

একজন বাংলা মাধ্যমের শিক্ষার্থী মাধ্যমিক শেষ করে উচ্চ মাধ্যমিকে উঠতে গেলে যে ধরনের বিষয়, দক্ষতা এবং প্রস্তুতির প্রয়োজন হয়, অনেক সময় তার সাথে আগের শিক্ষার সামঞ্জস্য থাকে না।
ফলে দেখা যায়—
মাধ্যমিকে ভালো ফলাফল করা অনেক শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিকে গিয়ে নতুন পরিবেশ, নতুন পদ্ধতি এবং নতুন পাঠ্যক্রমের সাথে তাল মিলাতে পারে না।
কারণ তারা শুধু পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে, বাস্তব জ্ঞান এবং প্রয়োগমূলক দক্ষতার জন্য নয়।

২. একই দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসম প্রতিযোগিতা

একজন ইংরেজি মিডিয়ামের শিক্ষার্থী ছোটবেলা থেকেই:
ইংরেজিতে কথা বলা
প্রেজেন্টেশন
গবেষণামূলক চিন্তা
বিশ্লেষণ ক্ষমতা
প্রযুক্তি ব্যবহার
এসবের সাথে পরিচিত হয়।
অন্যদিকে অনেক বাংলা মাধ্যম শিক্ষার্থী:
মুখস্থ নির্ভর শিক্ষা
পরীক্ষামুখী প্রস্তুতি
গ্রামার নির্ভর ভাষা শিক্ষা
বাস্তব প্রয়োগের অভাব
এর মধ্যে আটকে থাকে।
ফলে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি, চাকরি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় শুরুতেই একটি বড় ব্যবধান তৈরি হয়।

৩. ভাষা শিক্ষায় ভুল পদ্ধতি

বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বড় দুর্বলতার একটি হলো ইংরেজি ভাষায় যোগাযোগ দক্ষতা।
আমরা অনেক বছর ধরে ইংরেজি শিখছি, কিন্তু অনেক শিক্ষার্থী সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে না।
এর একটি বড় কারণ হলো—
আমরা ভাষাকে ব্যবহার করার পরিবর্তে শুধুমাত্র নিয়ম মুখস্থ করার দিকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি।
একটি শিশু যখন মাতৃভাষা শেখে, তখন কি সে আগে গ্রামার শেখে?
সে প্রথমে শুনে, বুঝে, কথা বলে, তারপর ধীরে ধীরে ভাষার নিয়ম আয়ত্ত করে।
কিন্তু আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় অনেক ক্ষেত্রে:
Tense
Pronoun
Voice
Narration
এসব নিয়ম আগে শেখানো হয়, কিন্তু বাস্তব কথোপকথনের সুযোগ কম থাকে।
ফলে শিক্ষার্থী মনে করে—
"ভুল হলে সমস্যা হবে"
এই ভয় তাকে কথা বলা থেকে দূরে রাখে।

৪. উচ্চ মাধ্যমিকে যাওয়ার পথে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া

মাধ্যমিক পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশ নেয়।
কিন্তু উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে এসে সেই সংখ্যা কমে যায়।
এর পেছনে রয়েছে:

আর্থিক সমস্যা
মানসম্মত প্রতিষ্ঠানে সুযোগের অভাব
শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে না পারা
পরিবার থেকে পড়াশোনা বন্ধ করে দেওয়ার চাপ
কর্মজীবনে প্রবেশের প্রয়োজন
অর্থাৎ মাধ্যমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিকের পথেই অনেক শিক্ষার্থী পিছিয়ে পড়ে।
এখানে প্রশ্ন আসে—
একটি দেশের ভবিষ্যৎ জনশক্তির একটি বড় অংশ যদি মাধ্যমিকের পরেই দুর্বল হয়ে যায়, তাহলে সেই দেশের দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হবে কীভাবে?

৫. কারিগরি শিক্ষার অবমূল্যায়ন

বাংলাদেশে ভোকেশনাল, পলিটেকনিক এবং কারিগরি শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
কিন্তু সমস্যা হলো—
এই ধারাকে এখনো অনেক পরিবার দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষা হিসেবে দেখে।
অথচ বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতে:
টেকনিশিয়ান
ইঞ্জিনিয়ারিং সহকারী
দক্ষ কারিগর
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ

তাদের অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি।

আমাদের দেশে শিক্ষার বিভিন্ন ধারার মধ্যে সমন্বয় না থাকায় একজন কারিগরি শিক্ষার্থীও অনেক সময় মূলধারার শিক্ষার্থীর সাথে সমান সুযোগ পায় না।
তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রশ্নগুলো কী?
একজন শিক্ষার্থী কি শুধুমাত্র পরীক্ষার নম্বরের জন্য শিক্ষা নিচ্ছে?
নাকি সে বাস্তব জীবনের জন্য প্রস্তুত হচ্ছে?
একজন শিক্ষার্থী কি:
সমস্যা সমাধান করতে পারছে?
নিজের চিন্তা প্রকাশ করতে পারছে?
প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারছে?
আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতা করতে পারছে?
নাকি শুধু বইয়ের অধ্যায় শেষ করছে?

শেষ কথা
শিক্ষা শুধু সার্টিফিকেট অর্জনের মাধ্যম নয়।
শিক্ষা হলো একটি জাতির ভবিষ্যৎ তৈরি করার কারখানা।
যদি একই বয়সের শিশুদের জন্য শুরু থেকেই আলাদা আলাদা মান, আলাদা সুযোগ এবং আলাদা দক্ষতা তৈরি হয়, তাহলে ভবিষ্যতে সমাজে বিভাজন তৈরি হবেই।

একটি দেশের উন্নয়ন নির্ভর করে তার মানবসম্পদের উপর।
তাই প্রয়োজন এমন একটি শিক্ষা ব্যবস্থা—
যেখানে মাধ্যম, প্রতিষ্ঠান বা পরিবারের আর্থিক অবস্থার কারণে নয়, বরং প্রত্যেক শিক্ষার্থী তার যোগ্যতা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাবে।

(চলবে...)

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:০০

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: এই স্তরেই তৈরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় বৈষম্য।
......................................................................
আমরা সঠি ক মানদন্ড থেকে সরে গেছি
এমনকি এসব ঠিক করে সুস্হ রাস্তায় আসার জন্য
তেমন নেতৃত্ব দেখছিনা ।

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৩৫

মৃত্যুঞ্জয় বলেছেন: আপনাকে দেখে অনেক আনন্দিত হয়েছি। ভালো আছেন তো। এই সমস্যা ব্রিটিশ আমল থেকেই চলছে। আমাদেরকে এমন ভাবে তৈরি করা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে যে আমরা ইংরেজিতে কথা বলতে গেলে টেন্স সাজিয়ে বাক্য বলতে গিয়ে ট্রেন মিস হয়ে যাচ্ছে। অথচ চর্চা সে যে কোন ভাষাই হোক না কেন, কিছু শব্দ, তার ব্যবহার, সম্বোধন, আদান প্রদান ক্লাসে সবাই মিলে যদি এগুলো প্র্যাক্টিস করে আমাদের আজ এই অবস্থা হতো না। আপনি সঠিক বলেছেন আমরা ভালো কোন নেতৃত্ব দেখতে পাচ্ছিনা। কান্ডারি বিহীন নৌকাতে আছি যে যেভাবে চালায়।

আমার মৃত্যুঞ্জয় ফেবু আইডিটা সিম এর জন্য এক্টিভ করতে পারছিনা। তবে নতুন দুটো পেইজ খুলেছি। ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো।


https://www.facebook.com/profile.php?id=61592344767363 (উদ্যোক্তা)
https://www.facebook.com/profile.php?id=61592183548671 (মৃত্যুঞ্জয়)

২| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:০৮

সৈয়দ মশিউর রহমান বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৩৬

মৃত্যুঞ্জয় বলেছেন: ধন্যবাদ মশিউর। পরে আরো পর্ব কমপ্লিট করার ইচ্ছে আছে। আপনাদের সহযোগিতা লাগবে।

আমার মৃত্যুঞ্জয় ফেবু আইডিটা সিম এর জন্য এক্টিভ করতে পারছিনা। তবে নতুন দুটো পেইজ খুলেছি। ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো।


https://www.facebook.com/profile.php?id=61592344767363 (উদ্যোক্তা)
https://www.facebook.com/profile.php?id=61592183548671 (মৃত্যুঞ্জয়)

৩| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৬

রৌশন বলেছেন: এদেশের শিক্ষা ফাঁকিবাজি দিয়ে ভরে গেছে। নানা রকম দুই নম্বরিং করে সব শিক্ষক হয়ে বশে আছে, কিচ্ছু পড়াতে পারে না। শিক্ষকরাই অযোগ্য এখন। আপনি নিজেই যাচাই করে দেখতে পারেন, একটি প্রশ্ন বানিয়ে শিক্ষকেই পরিক্ষা দিতে বলেন। অধিকাংশ শিক্ষকই শিক্ষার্থীদের চেয়ে কম নম্বর পাবে। মূল ত্রুটি তা হয়েছে আগের জেনারেশনের শিক্ষায়। এদের কোনো নৈতিকতা নেই। খেয়াল করলে দেখবেন, বেকারদের অধিকাংশই ওই জেনারেশনের। আজকালের বাচ্চারা কর্পোরেটে নেই, কিন্তু কেউ আবার উপার্যনহীনও নেই। কেউ ফ্রিলান্সিং, কেউ কন্টেন্ট ক্রিয়েশন, কেউ রিমোট জব, কেউ হোমমেড ক্রাফট/কেকের ব্যাবসা করছেই। এদের দক্ষ্যতা ১৮ ও ২৪ এ দেখা গিয়েছে ঢাকার মত জটিল ট্রাফিক ব্যাবস্থা সুন্দর করে নিয়ন্ত্রন করার মাধ্যমে। পুর্বের কোনো প্রজন্ম এমন কাজ করে দেখাতে পারেনাই। এরা যেভাবেই হোক একটা না একটা পথ বের করেই নেয়।

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:০০

মৃত্যুঞ্জয় বলেছেন: ধন্যবাদ রৌশন। আপনি সঠিক কথা বলেছেন। ঐ যে বললাম ব্রিটিশ আমল থেকে চলছে। যে দেশে শিক্ষক গ্রামারকে ইংরেজির ভিত্তি বলে এবং এক ইংরেজি টিচার আর এক ইংরেজি টিচারের ট্রান্সলেশন এ ভুল ধরে সেখানে আপনি/ আমি কি আশা করতে পারছি। আমার ভাগ্য ভালো ছিলো আমি ছোট বেলায় কেজি ওয়ান এবং কেজি টু ইংলিশ মিডিয়ামে এবং পরে সরাসরি থ্রি তে বাংলা মিডিয়াম উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলো। ক্লাস সিক্স পর্যন্ত ওখানেই পড়াশুনা করেছি যখন ফেরদৌসি মজুমদার আমাদের ইংলিশ টিচার ছিলেন দু একদিনের জন্য। উনি এতো ফ্লুয়েন্ট ইংরেজি বলতেন আমরা টাস্কি খেয়ে যেতাম। সংশপ্তকে হুমায়ুন ফরিদি যখন তাকে কয়েনের ছ্যাকা দিয়েছিলো পরেরদিন সবাই তার জন্য টিচার আমরা সবাই অপেক্ষা করছিলাম তার কপাল দেখার জন্য। সরি নস্টালজিক হয়ে পরেছিলাম। বিষয়টা ছিলো প্রতিটি ক্লাসে বাংলা এবং ইংরেজি ক্লাসে প্রথমেই আমাদেরকে রিডিং পড়ানো হতো। আমাদেরকে এডভাইস করা হতো বাসায় পেপার পড়ার। আমাদের পাশের বিল্ডিং এ ছিলো ইংলিশ মিডিয়াম। টিফিন আওয়ারে সেখানে গিয়ে তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করতাম কিন্তু তাদের ফ্লুয়েন্সির কারনে বেশিক্ষন পারতাম না। বিষয় হচ্ছে প্র্যাকটিস ক্লাস, শব্দ ভান্ডার বাড়ানো, তার ব্যবহার, কথোপকথন যে কোন ভাষাই হোক না কেন শিখতে পারে। পাশের দেশ ভারতে দুটি ভাষা বাধ্যতামুলক তৃতীয়টি ঐচ্ছিক আপনি চয়েজ করতে পারবেন। বাধ্যতামুলক হচ্ছে আপনার নিজের ভাষা, দ্বিতীয় হচ্ছে ইংরেজি এবং তৃতীয় আপনি যে কোন ভাষা চয়েজ করতে পারবেন। এখন তো শুধু ভাষা বললাম আমি যখন অনার্স এ পড়ি মাস্টার্সে পড়া বড় ভাই এপ্লিকেশন লিখতে পারেনা। আমাকে এপ্লিকেশন লিখে দিতে হয়েছে। উপার্যনহীন নেই কথা অনেক খানি সত্যি। কিন্তু তাদের কি বেসিক জ্ঞ্যান আছে, তাদের মধ্যে ভদ্রতা, সভ্যতা, নমনীয়তা, আদব আছে। অজানা মানুষের সাথে ফাজলামো করে প্র্যাংক প্র্যাংক করা জেনারেশন আগামীতে বয়সকালে নিজেই বাস্তবতার প্র্যাংক হয়ে যাবে। আবার আপনাকে ধন্যবাদ অনেক সুন্দর কথা লিখেছেন।


আমার মৃত্যুঞ্জয় ফেবু আইডিটা সিম এর জন্য এক্টিভ করতে পারছিনা। তবে নতুন দুটো পেইজ খুলেছি। ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো।


https://www.facebook.com/profile.php?id=61592344767363 (উদ্যোক্তা)
https://www.facebook.com/profile.php?id=61592183548671 (মৃত্যুঞ্জয়)

৪| ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:১৭

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার ফেইস বুকে আমি ফলোআপ করেছি,
ওখানে তথ্য পড়তে পারব ।

২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০২

মৃত্যুঞ্জয় বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নের শঙ্খচিল

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.