| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শ্রাবণধারা
" আমাদের মতো প্রতিভাহীন লোক ঘরে বসিয়া নানারূপ কল্পনা করে, অবশেষে কার্যক্ষেত্রে নামিয়া ঘাড়ে লাঙল বহিয়া পশ্চাৎ হইতে ল্যাজমলা খাইয়া নতশিরে সহিষ্ণুভাবে প্রাত্যহিক মাটি-ভাঙার কাজ করিয়া সন্ধ্যাবেলায় এক-পেট জাবনা খাইতে পাইলেই সন্তুষ্ট থাকে......."
পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার প্রতিশোধ নিয়েছে। মুজাম্মিল হাশমি নামের আরেক জঙ্গি নেতাও একই দাবি করেন।
২০২৫ সালের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন, পাকিস্তান ভারতের বিরুদ্ধে ১৯৭১-এর প্রতিশোধ নিয়েছে।
দাবিগুলো থেকে লক্ষণীয় যে, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের পরাজয় তাদের স্মৃতি থেকে মুছে যায়নি। '৭১-এ পাকিস্তানের পরাজয় শুধু ভূখণ্ড হারানোর পরাজয় ছিল না; এটি ছিল তাদের আদর্শগত পরাজয়। পাকিস্তানের এই আদর্শের ভিত্তি ছিল ধর্মকে ব্যবহার করে উগ্রবাদী মতাদর্শকে রাষ্ট্রনীতির অংশ করা। জঙ্গিবাদ, জিহাদ, রাজনৈতিক ইসলাম - যে বিষয়গুলো সারা পৃথিবীজুড়ে মুসলমানদের দুর্ভোগের কারণ, তার আঁতুড়ঘর এই পাকিস্তান।
১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে পাকিস্তান রাজনৈতিক অস্থিরতা, আঞ্চলিক বৈষম্য এবং পরিচয়ের সংকটের মুখোমুখি ছিল। এসব সংকটের অন্তর্নিহিত কারণ দূর করার বদলে, শিক্ষা, সমতা ও ন্যায়বিচারভিত্তিক গণতান্ত্রিক সংস্কারের পথে না নিয়ে তারা জিহাদ এবং জঙ্গিবাদকে ব্যবহার করতে থাকে। এই নীতি পরে সুসংগঠিত হয়ে দীর্ঘমেয়াদি ইসলামপন্থি পরিকল্পনা বা গ্র্যান্ড স্ট্র্যাটেজিতে পরিণত হয়। জিহাদি ধারণা তাদের আদর্শিক ভিত্তি, আর সশস্ত্র জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো তাদের হাতিয়ার।
জিহাদ ও জঙ্গিবাদকে পাকিস্তান অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহার করেছে। জাতিগত, ভাষাগত ও আঞ্চলিকভাবে বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠীকে অভিন্ন পরিচয়ের অধীনে রাখার উপায় হিসেবে তারা ইসলামকে ব্যবহার করে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভেঙে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর তাদের ইসলামপন্থী নীতি আরও তীব্র হয়ে ওঠে। বিশেষ করে বেলুচিস্তান ও খাইবার পাখতুনখোয়ার মতো অঞ্চলে জাতিগত জাতীয়তাবাদকে দমন করতে ইসলামি জাতীয়তাবাদকে শক্তিশালী করা হয়।
বৈদেশিক ক্ষেত্রে জিহাদ ও জঙ্গিবাদের ব্যবহার আরও ভয়ঙ্কর, মর্মান্তিক এবং রক্তক্ষয়ী। বাংলাদেশের পর এর বড় সাম্প্রতিক উদাহরণ আফগানিস্তান ও কাশ্মীর।
পাকিস্তানি লেখক তারিক আলী আফগান যুদ্ধের জন্য পাকিস্তানের আইএসআই কর্তৃক জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কে লিখেছেন: "সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে আফগান যুদ্ধের জন্য জেনারেল জিয়াউল হকের অংশগ্রহণ ছাড়া পশ্চিমের কাছে তার অন্য কোনো গুরুত্ব ছিল না। আফগান যুদ্ধে অর্থায়নের জন্য হেরোইন বিক্রির ব্যাপারটি সিআইএ না দেখার ভান করে।
১৯৭৭-৮৯ এই সময়ে পাকিস্তানজুড়ে মাদ্রাসার একটি নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। শুরুতে বিভিন্ন বৈদেশিক উৎস থেকে পাওয়া সাহায্যে এর অর্থায়ন হয়েছিল। আবাসিক স্কুলগুলো নতুন ধাঁচের ধর্মীয় প্রশিক্ষণকেন্দ্র হিসেবে গড়ে ওঠে। বিনা মূল্যে শিক্ষা ও আবাসনের সুবিধা থাকায় কেবল দরিদ্র আফগান শরণার্থীদের সন্তানরাই মাদ্রাসায় ভর্তি হয়নি, পাকিস্তানের দরিদ্র কৃষক পরিবারগুলোও মাদ্রাসায় তাদের একটি পুত্রকে পাঠাতে খুব আগ্রহী ছিল। তারা ভেবেছিল, বাড়িতে একজন খাওয়ার লোক কমবে এবং ছেলেটি শিক্ষিত হয়ে শহরে চাকরি পাবে।
কোরআনের আয়াত মুখস্থ করা এবং ধার্মিক জীবনযাপন করার প্রয়োজনীয়তার পাশাপাশি, মাদ্রাসার শিক্ষার বিষয়বস্তুতে শিশুদের সহজাত সব প্রশ্ন দূর করতে শেখানো হয়েছিল।...ইমামের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার অর্থ ছিল আল্লাহর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা।...মাদ্রাসাগুলোর একমাত্র কাজ ছিল শিশুদের ধর্মোন্মাদে পরিণত করা। উদাহরণস্বরূপ, তাদের আদর্শলিপি ছিল উর্দু অক্ষর "জিম" দিয়ে "জিহাদ", "তায়" দিয়ে তোপে বা কামান, "কাফ" দিয়ে কালাশনিকভ রাইফেল এবং "খায়" দিয়ে খুন বা রক্ত।
বয়স বাড়লে এই শিশু-কিশোরদের আইএসআই এজেন্টদের তত্ত্বাবধানে অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। তাদের শেখানো হতো কিভাবে বোমা তৈরি করতে ও বোমা পুতে রাখতে হয়। এজেন্টরা নিষ্ঠাবান ছাত্রদের তালেবান সৈনিক হিসেবে বাছাই করতো। তারপর আফগানিস্তানে "কাফেরদের" বিরুদ্ধে "জিহাদের" লড়াইয়ে প্রস্তুতি নিতে গোপন সেনাক্যাম্পে বিশেষ প্রশিক্ষণের জন্য পাঠাতো।"
ভারতের সঙ্গে যুদ্ধ হলে পাকিস্তানের পক্ষে পূর্ব ও পশ্চিম - দুই দিকের চাপ সামলানো কঠিন হবে। ভারতের তুলনায় পাকিস্তানের সামরিক ক্ষমতা সীমিত। তাই পাকিস্তান চাইত আফগানিস্তানে এমন সরকার থাকুক, যা ভারতের ঘনিষ্ঠ না হয়ে পাকিস্তানের স্বার্থ রক্ষা করবে। আফগানিস্তানে ভারতের রাজনৈতিক বা সামরিক প্রভাব বৃদ্ধিকে পাকিস্তান নিরাপত্তা ঝুঁকি মনে করে। সে কারণে, পাকিস্তানি সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠান আফগান জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোর সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে।
কাশ্মীরেও পাকিস্তান একই কৌশল প্রয়োগ করে ভারতবিরোধী জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোকে ব্যবহার করেছে। লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মোহাম্মদ ও হরকত-উল-মুজাহিদিনের মতো গোষ্ঠীগুলোর উত্থান ও কার্যক্রম পাকিস্তানি সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত হয়েছে।
তারিক আলী লিখেছেন: "...ভয়ংকর প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইএসআই এর সৃষ্টি হয়েছে। এর রাজনৈতিক শাখা "আহলে হাদিস" রাজতন্ত্র বাদে পুরো সৌদি মডেলটি পাকিস্তানে প্রবর্তন করতে চায়। ব্রিটেন এবং আমেরিকাসহ সারা বিশ্বে তাদের সমর্থক এবং মসজিদ রয়েছে। বিশ্বব্যাপী জিহাদের জন্য জনবল ও অর্থ সরবরাহ করা তাদের লক্ষ্য। এটি সুন্নি সম্প্রদায়ের মধ্যে সবচেয়ে গোঁড়া সংখ্যালঘু একটি দল। দেশের রাষ্ট্রপতি তাদের সমর্থক ছিলেন এবং সরকারের মন্ত্রীরা তাদের সভায় যোগ দিতেন। তখন লাহোরের ৫ চেম্বার লাইন রোডে তাদের একটি শাখা অফিস ছিল। তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়ার আগ্রহে আমি সেখানে গিয়েছিলাম। কিন্তু প্রায় ত্রিশজন ভারী অস্ত্রধারী প্রহরী দেখে আর এগোতে সাহস করিনি।
সেনাবাহিনীর পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া লস্কর-ই-তৈয়বার মত সশস্ত্র জঙ্গি বাহিনীর অস্তিত্ব সম্ভব ছিল না। ভারতীয় কাশ্মীরকে মুক্ত করার জন্য জিহাদে অংশগ্রহণকারী প্রায় পঞ্চাশ হাজার জঙ্গির এই দলটি পাকিস্তানের আজাদ কাশ্মীরের আটটি বিশেষ ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে। সৌদি আরব ও পাকিস্তান সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় সেনাবাহিনী এর পদাতিক বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়।
দরিদ্র পরিবার থেকে আসা কিশোরদের এই যুদ্ধে নিয়োগ করা হয়। কাশ্মীরের যুদ্ধে এই কিশোরদের শত শত সদস্য প্রাণ হারায়। লাশ ফেরত দেওয়ার সময় পাকিস্তান সরকার তাদের পরিবারের জন্য ৫০,০০০ রুপি বরাদ্দ করে। এর মধ্যে "শহিদ" পরিবার পনেরো হাজার রুপি পায়, আর বাকি টাকা লস্কর-ই-তৈয়বার ফান্ডে যোগ হয়।"
আফগানিস্তান ও কাশ্মীরে পাকিস্তান যে জঙ্গিবাদকে অনুসরণ করেছে, বাংলাদেশেও এই একই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা দেখা যাচ্ছে। বাংলাদেশে রাজনৈতিক ও সামরিক শক্তিকে কাজে লাগিয়ে প্রভাব বিস্তার করা এবং জঙ্গি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা পাকিস্তানের উদ্দেশ্য। এ কাজে রাজনৈতিক নেতা, বরখাস্ত সামরিক কর্মকর্তা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচারক, পত্রিকার সম্পাদকদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
এদের কাজ বাঙালি মুসলমানদের ধর্মীয় পরিচয়কে ইসলামপন্থী বা উগ্রবাদী জিহাদি পরিচয়ে রূপান্তর করা। এমন একটি জনগোষ্ঠী ও প্রজন্ম তৈরি করা, যারা ধর্মীয় পরিচয়কে রাজনীতির ভিত্তি হিসেবে দেখবে এবং জঙ্গিবাদী প্রচারণার অনুসারী হবে। এরা পাকিস্তানি জঙ্গি মতাদর্শের সমর্থক হবে এবং ইসলামপন্থী দলগুলোর জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করবে। জিন্নাহর পুনরাবির্ভাব, পাঠ্যবইয়ের পরিবর্তন, শিবিরের ক্যাম্পাসে প্রত্যাবর্তন, জামাতের রাজনৈতিক উত্থান এবং ভারতবিরোধী ও হিন্দুবিদ্বেষী প্রচারণা এই উদ্যোগের অংশ।
তবে পাকিস্তানের মূল লক্ষ্য হতে পারে সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষকতায় লস্কর-ই-তৈয়বা, জইশ-ই-মোহাম্মদ ও হরকত-উল-মুজাহিদিনের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীকে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করা। এসব গোষ্ঠীকে শুধু অভ্যন্তরীণ কাজে নয়, ভারতকে চাপের মধ্যে রাখা এবং কাশ্মিরের মতো প্রক্সি যুদ্ধে ব্যবহার করাই মূল উদ্দেশ্য হতে পারে। বাংলাদেশকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে এসব গোষ্ঠীকে সীমান্তকেন্দ্রিক জিহাদি কর্মকাণ্ড ও ভারতের বিরুদ্ধে যুক্ত করা হতে পারে এর প্রধান লক্ষ্য।
বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজে লাগানোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা পাকিস্তানের রয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে, ৫ আগস্টের পর জঙ্গিদের মুক্তি, ইসলামপন্থী রাজনৈতিক শক্তির উত্থান, ধর্মীয় প্রচারণার বিস্তার, জঙ্গিবাদী বইপুস্তক ছড়িয়ে পড়া, উগ্রপন্থিদের ফিরে আসা এবং পাকিস্তানের সাথে সামরিক যোগাযোগের ঘটনাগুলো এই আশঙ্কা জোরালো করে যে, বাংলাদেশ জঙ্গিবাদের ক্ষেত্র হয়ে উঠছে।
জঙ্গিবাদের বিস্তারের জন্য আগে প্রয়োজন আদর্শিক প্রস্তুতি। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি, অর্থনৈতিক সংকট, শিক্ষার দুর্বল ভিত্তি, মানুষের মধ্যে প্রবল ঘৃণা ও ধর্মান্ধতা এবং ধর্মীয় উগ্র প্রচারণার বিস্তারের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে যে পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তা জঙ্গি কর্মী সংগ্রহ, প্রশিক্ষণ এবং সশস্ত্র সংগঠন গড়ে তোলার সুযোগ তৈরি করতে পারে। বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান এই ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০৭
শ্রাবণধারা বলেছেন: জঙ্গিদের মুক্ত করে দেওয়াটাও ইউনূসের একটি বড় ষড়যন্ত্রের অংশ হতে পারে। বড় ধরনের কোনো বিপর্যয়ের আড়ালে তিনি আমেরিকার সঙ্গে চুক্তিগুলো করতে চেয়েছিলেন। হয়তো ভেবেছিলেন, তা না হলে জনগণের কাছ থেকে বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।
২|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৫
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
জুলাই আন্দোলন পরবর্তী বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের উত্থানে ও আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংগঠিত ঘটনায় আপনার পর্যবেক্ষণ অনন্ত নিখুঁত ও সঠিক। আদতে নিরীহ ও কোমলমতি ছাত্রদের সামনে রেখে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নিয়েছে কিছু গোষ্ঠী।
পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন, হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। যাত্রাবাড়ী সহ বিভিন্ন পুলিশ লাইনে নির্মমভাবে পুলিশদের মারা হয় ইহা সুক্ষ্মভাবে বিক্ষুদ্ধ জনতার ক্ষোভ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইউনুস সরকার শেষের দিকে এর দায়মুক্তি দিয়ে দেয়।
বাস্তবে পুলিশদের যেভাবে মারা হয়, ইহা কোন সাধারণ সিভিলিয়ানের পক্ষে সম্ভব নয়; It's definitely a trained militant group. ৬-৭ তারিখে জীবন বাঁচাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইনের সকল পুলিশ মাঝরাতে রাস্তায় নেমে ওপেন ফায়ার করতে থাকে ভয়ে এবং আতংকে! কারন এক-একটি থানা তখন ইতিমধ্যেই জল্লাদখানা.....
দেশের উচ্চপদস্থ কোন পুলিশ বা অন্য বাহিনীর কর্মকর্তা সাথে আপনার আলাপ থাকলে নিজে ও ৫ তারিখ পরবর্তী দেশের জঙ্গিগোষ্ঠীর তান্ডবের কিছু ভয়াবহ কার্যক্রম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। আরো আশ্চর্যলাগে যেই গোটা পশ্চিম দেশের সংঘঠিত লাল স্বাধীনতাকে সমর্থন দিলো ৫ তারিখ পরবর্তী বাংলাদেশে পর্যটন সহ অনন্যা ভিসা দেওয়াতে আরো কড়াকড়ি বিধি নিষেধ আরোপ করলো।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৫
শ্রাবণধারা বলেছেন: পুলিশ হত্যার ঘটনাটি খুবই ভয়ঙ্কর ও রক্তহিম করা। এটি পরিকল্পিত বলেই মনে হয়। ইউনূস গং এসব ঘটনা ধামাচাপা দিতে সফল হয়েছে এবং দায়মুক্তি দিয়ে গেছে।
আমি আশা করি, একদিন এসব ঘটনার বিচার হবে।
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন: আরো আশ্চর্যলাগে যেই গোটা পশ্চিম দেশের সংঘঠিত লাল স্বাধীনতাকে সমর্থন দিলো ৫ তারিখ পরবর্তী বাংলাদেশে পর্যটন সহ অনন্যা ভিসা দেওয়াতে আরো কড়াকড়ি বিধি নিষেধ আরোপ করলো।
ঐ পোস্টে উল্লেখিত তারিক আলী থেকে কোট করলাম: "একজন অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল আমার বোঝার সুবিধার জন্য সংক্ষেপে বললেন: আফগানিস্তানে প্রবেশের জন্য পাকিস্তান ছিল আমেরিকানদের ব্যবহৃত কনডম। আমরা তাদের উদ্দেশ্য পূরণ করার পর তারা আমাদেরকে টয়লেটে ফ্লাশ করার জিনিষ মনে করে।"
ইউনূসের কাছে যেটা পাবার সেটা পেয়ে যাবার পরে তারা ব্যবহৃত কনডমের মতই ডাম্প করবে এটা অস্বাভাবিক নয়।
৩|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৪
রাজীব নুর বলেছেন: দেশ স্বাধীন হয়েছে ৫৬ বছর হয়ে গেছে।
পাকিস্তান আজও পরাজয়ে গ্লানি ভুলতে পারেনি। তারা চায় এদেশ ধ্বংস হোক। জামাত শিবিরকে তারা বাংলাদেশ ধ্বংস করার দায়িত্ব দিয়েছে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১৬
শ্রাবণধারা বলেছেন: হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন।
৪|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:২৯
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
আপনি পাকিস্তানপন্থী একজন ব্লগার।
আপনার পোস্টের সূত্র হিসেবে যাদের নাম দিয়েছেন, তাঁদের প্রত্যেকটি পাকিস্তানী।
আপনি তাঁদের প্রশংসা করেছেন?
আপনি লিখেছেন -
১) পাকিস্তানের জঙ্গি গোষ্ঠী লস্কর-ই-তৈয়বার সহযোগী সংগঠন জামাত-উদ-দাওয়ার কয়েকজন নেতা দাবি করেন
২) ২০২৫ সালের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের পর পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বলেন
৩) পাকিস্তানি লেখক তারিক আলী আফগান যুদ্ধের জন্য পাকিস্তানের আইএসআই কর্তৃক জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা ও প্রশিক্ষণ সম্পর্কে লিখেছেন:
৪) বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজে লাগানোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা পাকিস্তানের রয়েছে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৩
শ্রাবণধারা বলেছেন: এটা পাকিস্তান বিদ্বেষী কোন লেখা নয়। পাকিস্তান রাষ্ট্রের একটা বিশেষ সমস্যা নিয়ে আলোচনা, যেটা নিয়ে তাদেরই প্রগতিশীল লেখকেরা লিখেছেন।
তারিক আলী তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একজন লেখক। তিনি ইংল্যাণ্ড প্রবাসী, ইংরেজিতে লেখা লেখি করেন। তার লেখা এই বইটির নাম The Clash of Fundamentalisms।
৫|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০
মাথা পাগলা বলেছেন: রাজাকার-জঙ্গিদের মুক্তি অবশ্যই মেটিক্যুলাস ডিজাইনের অংশ। কাদের মোল্লার ফুলের অভ্যর্থনা দেখে যারা এখনো ইউনূসকে সমর্থন করে তারা লাল বটর। যতদূর জানি, কাদের মোল্লার মুক্তির জন্য ইউনূস প্রধান বিচারপতিকে নিজের বাসায় ডেকে এনেছিলেন। ইউনূস সরকার দেশটাকে পংগু করে দিয়ে গেছে। পুলিশ হত্যা করা বা সমর্থন করা ভালো কোন কাজ না। ইউনুস সরকার উচিত ছিলো পুলিশের ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনার। তা না করে উল্টা জনগণের সামনে পুলিশ খারাপ দেখানোর প্রচেষ্টা চালিয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে মব জাস্টিস সাপোর্ট দিয়েছে। এখন অপরাধীরাও জানে অপরাধ করলে কোন বিচার হবে না। এসব দেখে আমি মনে করেছিলাম ইউনুস সরকার মিলিশিয়া টাইপের একটা গ্রুপ আবার বানায় কিনা। কারণ তখন তো "স্যারকে আরও পাঁচ বছর দেখার জন্য" গান-কবিতা লেখা শুরু হয়ে গিয়েছিল। বিএনপির চাপে হয়তো সেটা আর সম্ভব হয়নি।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: আপনার বক্তব্যের সাথে বিশেষ দ্বিমত নেই। বিশেষ করে শেষের কথাগুলো আপনার নিজের যেটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
ইউনূস খুবই সাংঘাতিক একজন লোক, যে দেশের খুব বড় ক্ষতি করে দিয়ে গেল।
যেমন, আমি সেদিন ভাবছিলাম, আমেরিকার সঙ্গে ইউনূসের জিএমও কৃষিপণ্য কেনার বিষয়ে যে চুক্তি করেছে, এটা বাংলাদেশের প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস করে দিবে। এই চুক্তির আওতায়, আওতায় আমেরিকা থেকে আমদানিকৃত কৃষি-বায়োটেকনোলজি ও জেনেটিক্যালি মডিফাইড পণ্যের ক্ষেত্রে আমদানির শর্তাবলি সহজ করা হয়েছে। আবার ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের কৃষিপণ্য আমদানির করতে হবে। তার মানে মোটাদাগে আমরা আমেরিকা থেকে বছরে ৩.৫ বিলিয়ন ডলারের জেনেটিক্যালি মডিফাইড কৃষিপণ্য আমদানি করবো। এটা করলে একটা সময় বাংলাদেশের প্রাণ-প্রকৃতি ধ্বংস হয়ে, দেশটা মরুভুমি হয়ে যাবে।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:০২
শ্রাবণধারা বলেছেন: ইউনূস সংক্রান্ত আলোচনায় বিশেষভাবে নির্দিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করলে সেটা বেশি অর্থবহ হবে বলে মনে করি।
"মেটিক্যুলাস ডিজাইন", "লাল বটর" এই শব্দগুলো আমার কাছে আওয়ামী লীগ ঘরানার অর্থহীন জারগন বলে মনে হয়।
৬|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৪১
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
পাকিস্তানের লোকজন সত্যি কথা বলেছে। সমস্যা হচ্ছে বাংলাদেশে মিরজাফরের বংশধর ও রাজাকারের বংশধর আছে। যারা নিজ দেশের যতো ক্ষতি করা সম্ভব এরা ক্ষতি করবে। যখন ঘরের শত্রু বিভীষণ।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪০
শ্রাবণধারা বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ ভাই, প্রত্যেক দেশেই ইউনূসের মতো দুই-চারজন মিরজাফর থাকে। অন্যান্য দেশেও কিছু মিরজাফর থাকলেও সেখানে উচ্চতর নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন বহু মানুষ দেখা যায়, যারা এসব মিরজাফরকে খাঁচায় পুরে রাখে এবং গলায় দড়ি বেঁধে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করায়।
মুশকিল হলো, আমাদের দেশে বহু মিরজাফর থাকলেও সেই উচ্চতর নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন মানুষ নেই, যারা এসব মিরজাফরকে খাঁচায় পুরে রাখবে।
৭|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৯:৫৮
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
কলিমুদ্দি দফাদার সাহেব, আপনাকে একটি বিষয় বলার আছে। বাংলাদেশের মানুষ বহুবার ফেসবুকে ইউটিউবে ও মিছিল করে “বয়কট ফ্র্রান্স” বয়কট জার্মান, বয়কট ইসরায়েল আন্দোলন করেছে। যদিও এই আন্দোলনের পেছনে মাস্টারমাইন্ড ও মেটিক্যুলাস ডিজাইন ছিলো। তাহলে বাংলাদেশে যে কোনো অরাজকতায় জঙ্গি তৎপরতায় - ইউরোপ কার পক্ষ নিবে বলে আপনি মনে করেন?
ভাই শ্রাবনধারা, আপনি একজন মানুষ হিসেবে যে কোনো শক্তিশালী পক্ষের বিরুদ্ধে যে কোনো কর্মকান্ডের পর কখনও যদি পথের কুকুরও আপনাকে কামড় দেয়! তাহলে উক্ত শক্তিশালী পক্ষ সেই পথের কুকুরের পক্ষ নিবে। আপনি একজন মানুষ আপনার পক্ষ নিবে না। উন্নত দেশগুলো চাচ্ছিলো বাংলাদেশ নিজ দেশের মীরজাফর দ্বারা আক্রান্ত হোক।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮
শ্রাবণধারা বলেছেন: পশ্চিমা বিশ্বকে বেশি বোঝা যায় এদের সাম্রাজ্যবাদ, ভয়ঙ্কর লোভ এবং নব্যউদারবাদী ব্যবস্থার অন্ধকার দিয়ে। এসবের প্রভাব আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে।
আজ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে যে যুদ্ধ, শোষণ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা তার মূলে আছে এরা। যারা চায়না যে আমাদের দেশে গণতন্ত্র থাকুক, মানুষ মিলেমিশে থাকুক, খেয়ে পড়ে সুখী সমৃদ্ধ জীবন যাপন করুক। তারা চায় আমাদের দেশে জঙ্গিবাদ থাকুক আর সামরিক শাসন বা ইউনূসের মত শাসক আসুক, যাকে ব্যবহার করে উন্নত বিশ্বের ধনীরা আরও ধনী হতে পারে।
৮|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫৮
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে খুবই টেনশনে পড়ে গেলাম।
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:১৪
শ্রাবণধারা বলেছেন: মজা করেন?
আমি যা দেখতে পাচ্ছি, তাই লিখছি; একটা কথাও বাড়িয়ে লিখছি না।
এখন কোনো খবরের কাগজে এই পোস্টের বিষয়বস্তু আপনি পড়েননি বলে এর বিষয়বস্তুকে গুরুত্বহীন মনে করতে পারেন। আমি বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেছি বলেই এটি নিয়ে লিখেছি।
৯|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি আসলেই টেনশনে পড়েছি। পাকিস্তানিদের কথা আমি জানতাম না । আপনার কেন মনে হল মজা করছি ? আপনি ছাড়া এখন কেউ আর মৌলবাদিদের নিয়ে লিখে না ।
।
১০|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৩৮
কলিমুদ্দি দফাদার বলেছেন:
কলিমুদ্দি দফাদার সাহেব, আপনাকে একটি বিষয় বলার আছে। বাংলাদেশের মানুষ বহুবার ফেসবুকে ইউটিউবে ও মিছিল করে “বয়কট ফ্র্রান্স” বয়কট জার্মান, বয়কট ইসরায়েল আন্দোলন করেছে। যদিও এই আন্দোলনের পেছনে মাস্টারমাইন্ড ও মেটিক্যুলাস ডিজাইন ছিলো। তাহলে বাংলাদেশে যে কোনো অরাজকতায় জঙ্গি তৎপরতায় - ইউরোপ কার পক্ষ নিবে বলে আপনি মনে করেন? আব্রাহামিক ধর্মগ্রন্থে নাকি এন্ট্রি ক্রাইষ্ট বা দাজ্জাল বলে একটি চরিত্রের আবির্ভাব হবে পৃথিবী ধংসের পুর্বে। যার কাছ হচ্ছে মানুষ কে ধোকা দেওয়া; দাজ্জালের নাকি এক হাতে থাকবে বেহেশত আরেক হাতে দোজখ। আদতে ইহা তার সম্পন্ন বিপরীত।
এই বিষয়টি বলার উদ্দেশ্য হচ্ছে আজকের ইউরোপ পশ্চিম সহ গোটা বিশ্ব এখন মিথ্যা তথ্য প্রতারনা দিয়ে ভরপুর। ঠিক যেন এন্ট্রি ক্রাইষ্টর ধোকার মতো। আমরা যারা দেশের ভালো চেয়ে জুলাই আন্দোলনকে সমর্থন করলাম, বিশ্ব বরেণ্য নোবেল লরিয়েট কে দেশ প্রধান বানালাম-আজকে দেশের এই করুন অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে তবে কি নিজের অজ্ঞতা বশত সেই "দাজ্জালের" জান্নাত চেয়ে ভুল করেছিলাম সত্যিকার অর্থে যেটা ছিলো জাহান্নাম?
১১|
২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫২
ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:
১০০ ভাগ সঠিক। বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতায় পাকিস্তান জড়িত। আর ইউরোপ জড়িত হয়েছে মাস্টারমাইন্ড ও মেটিক্যুলাস ডিজাইনের মাধ্যমে, দীর্ঘদিন যাবত বাংলাদেশ থেকে ইসরায়েল ফ্রান্স জার্মানকে গালাগালি করে ফেসবুক সয়লাব করা হয়েছে। - যার অনাদায়ী জের তো টানতেই হবে।
ভিয়েতনামের মতো দেশও বাংলাদেশিদের ভিসা দিচ্ছে না। কারণ ভিয়েতনাম চায় না বাংলাদেশ হতে কোনো কুলাঙ্গার জঙ্গি ভিয়েতনামে যাক।
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:০৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: হাসিনাকে ক্ষমতাচ্যুত করার পেছনে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
এই জঙ্গি সংগঠনটির নেতা সাইফুল্লাহ কাসুরি বলেন, তারা ১৯৭১ সালে
পাকিস্তান ভাঙার প্রতিশোধ নিয়েছে।
.............................................................................................
এখনো বলা হয়ে থাকে, এদেশে কোন জঙ্গী নাই ।
ইন্ট্রীম সরকারের সময় সকল জেলখানা খুলে দিয়ে উন্মুক্ত করে দেয়া হয়ে ছিলো ।
সবাই যখন মুক্ত তাহলে জঙ্গীরা গুপ্ত থাকে কি করে ?
সুতরাং তারা যা বলবে, এখনকার সময়ে তারাই দেশের মা /বাপ !?