| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
স্বপ্নের শঙ্খচিল
আমার মনের মাঝে শঙ্খচিল ডানা মেলে প্রতিদিন,ভুলতে পারিনি সেই অভিমান আবার ফিরে আসা তোমার কাছে !
আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?
আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ হয় ।
সাধারনত বয়ানে বিভিন্ন হাদিস থেকে ঐতিহাসিক বর্ননা আসে,
সবাই শুনে কতজন বিশ্বাস করে তা ভিন্ন কথা ।
আজ হঠাৎ করে তিনি বিশ্বকাপ-২০২৬ নিয়ে বয়ান শুরু করলেন এবং মূলকথা হলো বিশ্বকাপ- ২০২৬
দেখা যাবেনা ! কারন কি ?
এটা বির্ধমীদের খেলা, এখানে অনেক মানুষের সমাগম হয়, প্রায় ৭০ লক্ষ কনডম বিনা মূল্যে বিতরন
হয়, এখানে মেয়েরা অশালীন ভাবে উদ্দাম নৃত্য করে , তাহলে আমার সামুর বিজ্ঞ লেখকের কাছে জানতে চাই :-
১) মহাজাতিক চিন্তা : এই খেলা কি হারাম ? মুসলিমরা দেখবে না ? কেন আমাদের ইমাম এ ধরণের বয়ান দেয় ?
২) সৈয়দ কুতুবে : কাতার, সৌদি, বাহরাইন, ইরাণ কেন বিশ্বকাপে অংশগ্রহন করে ?
৩) রাজীব নুর : এই খেলা যদি হারাম হয় তবে বাংলাদেশ কেন ৮৫ কোটি টাকা দিয়ে স্বত্ব কেনে ?
৪) ওমর খাইয়াম : এই বিশাল কর্মযজ্ঞ যদি মুসলিমদের জন্য হারাম হয়, তবে বাংলাদেশ, পাকিস্হান কি
শীঘ্রই আফগানিস্হান হবে ?
৫) নাহল তরকারি : আপনি এটিএম দিয়ে হিসাব করে বলবেন ,আমরা কত লক্ষ বৎসরের পিছনের দিকে হাটঁতে শুরু করেছি ?
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
আমি খুবই শন্কিত , আমরা মনে হয় প্রস্তর যুগে ফেরত যেতে চাইছি !!!
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক কাজ পরিহার করা।
............................................................................................................
মোল্লারা এইসব ফতোয়া দেয়,
আবার মাদ্রসার ছাত্র ধর্ষন করে । তাহলে এটা কি
জরূরী কাজের মধ্যে পড়ে ???
( অনর্থক কাজের তালিকা কি কি , বিশ্বকাপ খেলা একটি অনর্থক কাজ ??? )
২|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩৯
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: ইহা নিয়ে আমার লেখা আসবে ; আরো টাইম লাগবে । মাদরাসায় বলাৎকার কেন বেড়েছে সেটা নিয়ে হুজুরদের খুতবা কোথায় ?
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমার জানামতে এই ধরনের বয়ান বি.এন.পি গ্রহন করবেনা
তাহলে কার ক্ষমতায় এ ভাবে বয়ান তৈরী হচ্ছে ???
৩|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৫৩
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: হুজুরদের এই সব বক ওয়াজ মানুষ এক কান দিয়ে শুনে অন্য কান দিয়ে বের করে দেয়, এসব নিয়ে ব্লগে আলোচনার কোন মানে হয় না।
তবে হুজুর যা বলেছেন ইসলামী রীতি অনুসারে সব ঠিক বলেছেন, কত মানুষ তা মানলো বা না মানলো ইহা হুজুরের দেখার বিষয় নয়, হুজুরের কাজ বয়ান করা। যতক্ষণ হুজুরের বয়ান শুনবেন ঠিক ঠিক বলে চিল্লাইবেন, মানেন বা না মানেন তা আপনার ব্যক্তিগত বিষয়।
আর আপনার জ্ঞতার্থে বলে রাখি- ইসলামে গান-বাজনা, খেলাধুলা, ছবি আকা, ছবি তোলা এগুলো সব হারাম। আজকালকার যুগে এসব হালাল হারাম নিয়ে কে ভাবে?
আপনার জন্য একটি হালাল প্রেমের শর্টফিল্ম দিলাম, সময় করে দেখবেন কিন্তু।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: ইসলামে গান-বাজনা, খেলাধুলা, ছবি আকা, ছবি তোলা এগুলো সব হারাম।
আজকালকার যুগে এসব হালাল হারাম নিয়ে কে ভাবে?
.....................................................................................................
তাহলে মধ্যপ্রাচ্যর সব রাষ্ট্রর ইসলাম তকমা খারিজ করে দেয়া উচিৎ ।
একমাত্র আফগান ছাড়া আর কোন সহি মুসলিম রাষ্ট্র দেখিনা ।
৪|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:০৮
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: মাদ্রসার ছাত্র এবং হুজুররাও ফুটবল, ক্রিকেট খেলে- রাত জেগে বিশ্বকাপ ফুটবলও দেখে। এই সব ছোটখাটো হারাম বিষয় নিয়ে যে সকল হুজুরেরা চিল্লাপাল্লা করে এরাই হচ্ছে আসল কাঠ মোল্লা।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: মোল্লারা মাদ্রসার ছাত্র ধর্ষন করে বলে চারিদিকে শুনতে পাই
এটা কোন ইসলাম সমর্থন করে ???
৫|
১৩ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৫৫
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমি কিন্তু মোবাহ হিসেবে দেখি,যেমন আম্মাজান আয়শা রা.কেও নবীজি বেদুইনদের খেলা তামাশা দেখিয়েছেন।এর মধ্যে মজা আছে এটা হারাম নয়।বিনোদন।কিন্তু অপ্রাসঙ্গিক কিছু হারাম কাজ অবশ্য আছে,খেলার সাথে যার কোনো সম্পর্ক নেই।তাছাড়া অনেক নামকরা মুসলিম বিশ্ব বিশ্বকাপ খেলে,যেমন সৌদি,ইরান,ইরাক,কাতার।খেলাধুরার সাথে হারাম হালালের কোনো সম্পর্ক নেই।এটা মানুষের কিঞ্চিৎ চিত্তবিনোদন।যা মন মানষিকতাকে প্রফুল্য রাখে।অবশ্য এর মধ্যে নেকি বা সওয়াব নেই।এবং গুনাহের কাজ না করলে গুনাহও নেই। এগুলো অনর্থক কাজের অন্দর্ভুক্ত,যা উঁচু লেবেলের মুত্তাকিরা পরিহার করলেও কম এবং ছোটখাটো জান্নাত নিয়ে তুষ্ট মুত্তাকিরা পরিহার না করলে কোনো সমস্য হওয়ার কথা নয়।
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খেলাধুরার সাথে হারাম হালালের কোনো সম্পর্ক নেই।
.................................................................................
সহমত ! কিন্ত বিভিন্ন মাধ্যম কি বলে , আসুন দেখে নেই :-
ইসলামে খেলাধুলার সাথে হালাল ও হারামের সুস্পষ্ট সম্পর্ক রয়েছে।
যেকোনো খেলাধুলা নিজে থেকে সরাসরি হারাম বা হালাল হয় না, বরং খেলার ধরন, উদ্দেশ্য এবং আনুষঙ্গিক
কার্যকলাপের ওপর ভিত্তি করে শরিয়তে তা নির্ধারিত হয়।ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকে খেলাধুলা হারাম হওয়ার মূল
কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:
জুয়া ও বাজি: টাকার বা কোনো বস্তুর বিনিময়ে বাজিকর হিসেবে খেলা বা দেখা ইসলামে সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ (হারাম)।
ফরজ আদায়ে গাফিলতি: কোনো খেলাধুলার কারণে যদি নামাজের মতো আবশ্যকীয় ইবাদত বা দৈনন্দিন ফরজ দায়িত্বে ব্যাঘাত ঘটে, তবে তা হারাম হয়ে যায়।
অপব্যয় ও অশ্লীলতা: যে খেলায় বেপর্দা, নগ্নতা, অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি বা অনর্থক সময় ও অর্থের অপচয় হয়, তা শরিয়তে পরিত্যাজ্য।
হিংসা ও শত্রুতা: যে খেলা মানুষের মনে হিংসা, বিদ্বেষ, গালিগালাজ বা মারামারির জন্ম দেয়, তা ইসলাম অনুমোদন করে না।
অন্যদিকে, শরীরচর্চা, মানসিক ক্লান্তি দূর করা এবং সুস্থ বিনোদনের উদ্দেশ্যে খেলা হালাল বা বৈধ হতে পারে,
যদি তা উপরের নিষেধগুলো থেকে মুক্ত থাকে।
খেলাধুলা সম্পর্কে বিস্তারিত ফতোয়া ও মূলনীতি জানতে মুসলিম বাংলা খেলাধুলার শরয়ী বিধান ওয়েবসাইটটি দেখতে পারেন।
৬|
১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:৪০
ক্লোন রাফা বলেছেন: যাঁদের কাছে প্রশ্ন করলেন তাঁরা কি ইসলামিক স্কলার⁉️অথবা এরা কেউ কি বিশেষজ্ঞ বিশেষ বিষয়ে?
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৭
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: যাঁদের কাছে প্রশ্ন করলেন তাঁরা কি ইসলামিক স্কলার⁉️
.....................................................................................
অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক কথা ,
সামুতে কে কোন কোন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ আছেন, এমন কোন ঘোষনা নেই ।
সুতরাং যিনি যে বিষয়ে লিখে থাকেন তার নিকট তাই জানতে
চেয়েছি , তিনি কি ভাবছেন ।
আপনার কোন পরার্মশ থাকলে বলুন !
৭|
১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬
নতুন বলেছেন: বর্তমানে আমাদের দেশের মোল্যা গোস্ঠির কতা শুনলে আমেরিকার আমিশ সম্প্রদায়ের কথা মনে পড়ে যায়।
এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যত আমিশ গোস্ঠি।
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: উপ্তত কড়াই থেকে বাচাঁর জন্য জলন্ত আগুনে ঝাঁপ
দেবার মতো অবস্হা ।
...................................................................
আমাদের দেশ নিয়ে কেন এত মারামারি ???
চীন, ভারত,রাশিয়া, আমেরিকা, তুরস্ক, পাকিস্হান ও আফগানিস্হান,
এসব দেশ কেন আমাদের অশান্তি ঘটাচ্ছে ???
৮|
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪০
রানার ব্লগ বলেছেন: বাংলাদেশ একটা জাহান্নাম হতে যাচ্ছে এটা জানি । কিছুটা আশার আলো আছে কিন্তু তা নিভতে সময় নেবে না ।
১৩ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৯
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাংলাদেশ একটা জাহান্নাম হতে যাচ্ছে
.................................................................
এই দেশটি ছায়াসুনিবিড়, শান্তির দেশ
আমরা বে-ঈমানরা নিজ স্বার্থর জন্য কামড়াকামড়ি
করছি । জনগণকে ভয় দেখিয়ে লুটপাট করছি
যখন ছোঁবড়া হয়ে যাবে তখন সাগরে ফেলে চলে যাবে ।
.............................................................................
বাংগালীর ঢুঁস না খেলে হুঁস হয়না ।
৯|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৪
সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:
দারুণ কথোপকথন!!!
রাজীব ভাইয়েরটা জোস হয়েছে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: বাস্তবতা হলো,
আমাদের জানতে হবে আমরা কোন পরিস্হিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছি ।
...........................................................................................
শাপলা চত্বরের ঘটনা থেকে একজন বলেছিলো, দেখবেন এই মাদ্রাসার
ছাত্ররা পাবলিক আর্মি হিসাবে উত্থান ঘটবে । যাদের হাতে অস্ত্র থাকবেনা
কিন্ত তারা সংখ্যায় বেশি হবে ও কমান্ড হবে একরোখা ।
যথায়থ কর্তৃপক্ষর বিষয় গুলো ভাবার দরকার ছিলো ।
এখন একটি শক্তিশালী পক্ষ তাদের মগজ ধোলাই করে আফগানিস্হান ভিত্তিক
মোল্লাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছে ।
১০|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৫
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: উপ্তত কড়াই থেকে বাচাঁর জন্য জলন্ত আগুনে ঝাঁপ
দেবার মতো অবস্হা ।
...................................................................
আমাদের দেশ নিয়ে কেন এত মারামারি ???
চীন, ভারত,রাশিয়া, আমেরিকা, তুরস্ক, পাকিস্হান ও আফগানিস্হান,
এসব দেশ কেন আমাদের অশান্তি ঘটাচ্ছে ???
এই মাদ্রসা শিক্ষা আমাদের দেশ এবং সমাজে কি দিচ্ছে সেটা কেউ ভেবে দেখছেনা।
আরবরা যখন আধুনিক শিক্ষায় কারিকুলাম ডিসাইন করছে। আমাদের দেশে প্রতিটা এলাকাতেই মাদ্রাসা আছ।
দেশে এতো কোরানে হাফেজ কেন দরকরা? বর্তমানে কোরান হারিয়ে যাবার ভয় নাই। যেখানে আরবরা এতো হাফেজ মাওলানা পড়ছেনা আমাদের দেশের মোল্যারা ধর্মের ঠিকাদারি নিয়েছে। কারন তারা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করে খাচ্ছে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমাদের দেশে প্রতিটা এলাকাতেই মাদ্রাসা আছে।
.............................................................................
কারা গ্রামে, মাঠে-ঘাটে ও প্রত্যন্ত এলাকায় মাদ্রাসা করার টাকা দেয়
এবং গরীবের সন্তানদের শিক্ষার নামে মগজ ধোলাই করে
তা অনুসন্ধানী রিপোর্ট করা অত্যন্ত জরুরী !
১১|
১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:৪১
রাজীব নুর বলেছেন: আসুন আমরা সবাই মিলে খেলা দেখি। উপভোগ করি।
এজন্য আল্লাহপাক আমাদের গুনাহ দেবেন বলে মনে হয় না।
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: উত্তম কথা,
খেলাতো ২/৩ টা দেখে ফেলেছি, বাসায় বসে।
............................................................................................
মোল্লারা বলতে পারবেনা যে, ফ্রি কনডম নিয়ে অন্য খেলা ধূলা
করে পাপ কামায়েছি । তবে সতর্ক হতে হবে যে, ভূলে গেলে চলবেনা
আমাদের আগামী প্রজন্ম কোথায় বাস করবে ???
...........................................................................................
আপনি আমার প্রশ্নর যথাযথ উত্তর দিন ।
১২|
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০০
নতুন বলেছেন: লেখক বলেছেন: আমাদের দেশে প্রতিটা এলাকাতেই মাদ্রাসা আছে।
.............................................................................
কারা গ্রামে, মাঠে-ঘাটে ও প্রত্যন্ত এলাকায় মাদ্রাসা করার টাকা দেয়
এবং গরীবের সন্তানদের শিক্ষার নামে মগজ ধোলাই করে
তা অনুসন্ধানী রিপোর্ট করা অত্যন্ত জরুরী !
মাদ্রসা থেকে মাওলানা পাশ করে একজন মানুষ এমন কোন লাইফ স্কিল অর্জন করেনা যে সে পৃথিবিতে ভালো আয় করতে পারে। তাই তিনি আরেকটা মাদ্রসা শুরু করে।
আর দরিদ্র মানুষের সন্তানদের দেখার দায়ীত্ব সরকারের। তারা সেটা করলে এমন ভাবে দানের টাকায় মাদ্রসা চালানোর ব্যবসা শুরু হতো না।
১৩ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আর দরিদ্র মানুষের সন্তানদের দেখার দায়ীত্ব সরকারের।
...................................................................................
প্রতিটি গ্রামে দারিদ্রতা আছে, আর তাদের সন্তানদের শিক্ষা ব্যয়
মিটাতে না পেরে গরীব পিতা চোখ বন্ধ করে মাদ্রাসায় পাঠায় ।
এমন কোন সরকারী ব্যবস্হা বা পদ্ধতি দেখি নাই যে, নবাগত সন্তান
রাষ্ট্রর সম্পদ এবং তার ভালো মন্দর ব্যাপারটি সরকার দেখছে ।
আমি ইউরোপে দেখেছি নবাগত সন্তান হলো রাষ্ট্রের মহা মূল্যবান সম্পদ ।
স্বামী - স্ত্রী ছাড়াছাড়ি হলে ও সন্তানের সব ব্যবস্হা সরকার করে ।
.............................................................................................
সে কারনে সন্তান বখাটে হবার সুযোগ থাকে না আবার মাদ্রাসা গড়ে উঠার
সুযোগও নাই ।
১৩|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
নতুন বলেছেন: পীর মাজার, মসজিদ কমিটি, মাদ্রসা কমিটি খুবই লাভ জনক। ![]()
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনার জিজ্ঞাসার প্রেক্ষিতে পীর-মাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসা কমিটির অর্থনৈতিক অনিয়ম,
সরকারি নীতিমালা এবং ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গির একটি বিস্তারিত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো:
......................................................................................................................
১. আর্থিক অনিয়মের বিভিন্ন দিকহিসাবহীন দান: মাজার ও বড় মসজিদে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার ও গবাদিপশু দান হিসেবে আসে, যার সঠিক খাতা-কলমে হিসাব রাখা হয় না।
কমিটির আধিপত্য: অনেক সময় স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিরা কোনো রকম জবাবদিহিতা ছাড়াই এই তহবিল নিজেদের ব্যবসা বা ব্যক্তিগত প্রয়োজনে ব্যবহার করেন।
নিয়োগ বাণিজ্য: মাদ্রাসা ও মসজিদ কমিটিতে শিক্ষক, ইমাম বা মোয়াজ্জেম নিয়োগের ক্ষেত্রে বড় অঙ্কের ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ প্রায়ই ওঠে।উন্নয়ন খাতের দুর্নীতি: অবকাঠামোগত নির্মাণ বা সংস্কার কাজের ভুয়া ভাউচার বানিয়ে বড় অঙ্কের টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
২. সরকারি নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাওয়াকফ প্রশাসন: বাংলাদেশে মাজার, মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলোর একটি বড় অংশ সরকারি 'ওয়াকফ অধ্যাদেশ' অনুযায়ী নিবন্ধিত এবং পরিচালিত হওয়ার নিয়ম।
টাস্কফোর্স ও তদারকি: বড় মাজারগুলোর (যেমন: লালন শাহ মাজার, বায়েজিদ বোস্তামী মাজার) অর্থনৈতিক লেনদেন সরাসরি স্থানীয় জেলা প্রশাসন বা টাস্কফোর্সের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।
অডিট বাধ্যবাধকতা: আইন অনুযায়ী প্রতিটি নিবন্ধিত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের অডিট বা হিসাব নিরীক্ষা সরকারের কাছে জমা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড: আলিয়া মাদ্রাসার ক্ষেত্রে সরকারি অনুদান (MPO) এবং নিয়োগ প্রক্রিয়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও মাউশি (DSHE) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, তবে কওমি মাদ্রাসাগুলো স্বাধীনভাবে নিজস্ব বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়।
৩. ধর্মীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমানতের খেয়ানত: ইসলাম ধর্মে মাজার, মসজিদ বা মাদ্রাসার তহবিলকে জনসাধারণের 'আমানত' হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এর অপব্যবহার করাকে কবিরা গুনাহ (বড় পাপ) বলা হয়েছে।
ব্যবসা হিসেবে ধর্ম: ধর্মের নামে অর্থ উপার্জন বা ধর্মকে জীবিকা অর্জনের ফাঁদ বানানো ইসলামে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।স্বচ্ছতা: রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং খোলাফায়ে রাশেদীনের আমলে বায়তুল মাল বা রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় তহবিলের প্রতিটি পয়সার হিসাব জনগণের সামনে উন্মুক্ত রাখা হতো।
১৪|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৫৮
সামরিন হক বলেছেন:
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনি বলুন, আমি অপেক্ষায় আছি ।
কোন লেখা আসেনি ।
১৫|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০০
সামরিন হক বলেছেন: ব্রাজিল ব্রাজিল ব্রাজিল লিখতে চেয়েছিলাম উপরের মন্তব্যে ।
আজকে খেলা আছে।
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খেলা তো দেখব,
পাপ হবে না তো ???
.........................................................
পাপের সংজ্ঞা কি ? কোথায় থাকে ? পাপ করলে
মানুষের মাঝে কি প্রতিক্রিয়া হয় ?
১৬|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:১৬
নাহল তরকারি বলেছেন: ভাই। এটিএম কার্ড দিয়ে টাকা উত্তোলন হয়। ই-কমার্স পেমেন্ট হয়। পস মেশিস দিয়ে পন্যের বা সেবার বিল মিটানো যায়। আর হিসাব করতে হয় ক্যালকুরেটর দিয়ে।
আর আপনার প্রশ্ন হচ্ছে আমরা কত লক্ষ বছর পিছন থেকে হাটতে শুরু করেছি?
ভাই এটার উত্তর আর কি কমু? আপনি ধর্মের সেন্স থেকে এই প্রশ্ন করছেন কি না জানি না? মাইন্সের কি দোষ দিমু? আমি নিজেই ভালো না। উমুকে বাটপারি করছে, তমুকে পন্যে বেজাল মিলায়। ওজনে কম দেয়। ইত্যাদি বাহারি দোষ। এই ধরনের পরের দোষ না খুজে আমি নিজে চেষ্টা করি ভালো থাকার।
নিজ বউ ছাড়া অন্য নারীর দিকে আকর্ষন না রাখা, পরের ধন দেখে লোভ না করা, ক্রোধ না করা, হিংসা না করা এগুলো প্রেকটিস করি। এগুলো প্রেকটিস না করলে মানুষ লাখ লাখ বছর পিচিয়ে থাকবে। এই বদ অভ্যাস গুলো আপনাকে এগুতে দিবে না। এই বদ অভ্যাস আপনার বিবেক কে ধ্বংস করবে।
লোভ, ক্রোধ, হিংস আর অতিরিক্ত যৌন আকাংখা যে দমাতে পারবে না। সেই পিছিয়ে আছে। এখন ভাই আপনি হিসাব করেন, মানব জাতি কই আছে? সম্পন্ন মানব জাতি কই আছে, সেটা হিসাব না করে, আপনি কোথায় আছেন, সেটার হিসাব করেন।
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:০৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আপনি কোথায় আছেন, সেটার হিসাব করেন।
..........................................................................
সেটা করতে গিয়ে মাথা হ্যাং হয়ে যাচ্ছে !
মোল্লারা বয়ান দিয়েছে বিশ্বকাপ দেখতে গেলে, ৭০ লক্ষ
কনডমের ব্যবসা হবে !?
খেলা দেখতে গিয়ে কি সব দর্শক পরকীয়া সেক্সে জড়িত হয় ?
...............................................................................................
মোল্লারা আর কি কি বয়ান দিয়ে, দেশটাকে আফগানিস্হান বানাতে চায় ???
১৭|
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:০৬
সামরিন হক বলেছেন: খেলা যতক্ষণ সুস্থ বিনোদন ততক্ষণ আর পাপ কিসের!। পাপ তো হয় তখনই যখন খেলা নিয়ে মারামারি, কাটাকাটি,ম্যাচ ফিক্সিং ,বেটিং হয়।
কাফেরদের ভালো কাজে মোটিভেট করলে পাপ কেন হবে!!?
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:১৫
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: কাফেরদের ভালো কাজে মোটিভেট করলে পাপ কেন হবে!!?
.........................................................................................
মোল্লারা বলছে , সেখানে সাকিরার মতো বাঈজীরা উদ্দাম নৃত্য করে
যা চোখের পাপ হয় ।
আর সেখানে ফাঁদ পাতা আছে, সেখানে রাতে অবাধ মেলামেশা হয়
যে কারনে ৭০ লক্ষ কনডম ফ্রী দেয়া আছে ।
...........................................................................................
অতএব, সেখানে পাপ ; সুরন্জনা ওখানে যেওনা । খেলা দেখতে হবেনা ।
১৮|
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪০
সামরিন হক বলেছেন: পৃথিবীতেও তো পাপ হচ্ছে তাই বলে কি পৃথিবীতে বাঁচবো না!
সাকিরার নাচ না হয় দেখলেন না খেলা তো দেখতেই পারেন ।
মহিলাদের জন্য ছেলেদের খেলা দেখা পাপ হলেও হতে পারে ।
আমি খারাপ নজর দিবো না খেলাই দেখবো পবিত্র নজরে (
১৪ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৫১
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: খারাপ নজর সরিয়ে শুধু পবিত্র ও ইতিবাচক নজরে খেলা উপভোগ
করা সবসময়ই চমৎকার একটি মানসিকতা।
..............................................................................................
এতে খেলার আসল সৌন্দর্য ও আনন্দ নিখুঁতভাবে উপভোগ করা যায়।
যে কোনো খেলা সুন্দর ও পবিত্র দৃষ্টিভঙ্গিতে উপভোগ করলে আপনি এর আসল রোমাঞ্চ ও ক্রীড়ানৈপুণ্য
পুরোপুরি উপলব্ধি করতে পারবেন। আজকের খেলাটি যেন আপনার জন্য দারুণ আনন্দের ও উপভোগ্য হয়,
সেই শুভকামনা রইল!
১৯|
১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১০
নাহল তরকারি বলেছেন: বিবাহ বহিভূত যৌনমিলন করা অবৈধ। এতে সমাজে খারাপ প্রভাব ফেলে। মাত্রারিক্ত কনডম বিক্রি করা, অবৈধ যৌন মিলন করার পূর্বাবাস। সেজন্য হয়তো হুজুরগণ এটার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। কাম, ক্রোধ, লোভ, হিংসা থেকে নিজিকে কনট্রোল করতে পারলেই শান্তি।
মোল্লারা আর কি কি বয়ান দিয়ে, দেশটাকে আফগানিস্হান বানাতে চায় ???
আগে আমাকে জানতে হবে আফগানিস্থান সম্পর্কে আপনার ধারনা কি? কারন এক লোক এই ছবি আমাকে এই ছবি দেখায়। এবং বলে এই ছবি আফগানিস্থানের। এক আফগানিস্থানের নাগরিক বান্ডিল বান্ডিল টাকা নিয়ে কোথাও যাচ্ছে। এই ছবি যদি বাস্তব হয়, তাহলে আফগানিস্থান সম্পর্কে আপনার ধারনা হতে পারে? চোর ডাকাত হতে কতটা নিরপদ হলে এক লোক নিশ্চিন্তে এভাবে হাটে? ভাবা যায়!!
এটা কিন্তু বলিয়েন না আমি উত্তেজিত হয়ে কথা বলেছি।
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:১৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আফগানিস্তান সম্পর্কে আপনার ধারণা কি?
আফগানিস্তান দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার সংযোগস্থলে অবস্থিত একটি পর্বতঘেরা ও স্থলবেষ্টিত দেশ, যা তার প্রাচীন ইতিহাস, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের জন্য পরিচিত।
ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রতিকূল ভূপ্রকৃতির কারণে ঐতিহাসিকভাবে এটিকে "সাম্রাজ্যের কবরস্থান" বলা হয়।
দেশটি সম্পর্কে মূল বিষয়গুলো নিচে দেওয়া হলো:ভৌগোলিক ও কৌশলগত অবস্থানঅবস্থান: পাকিস্তান, ইরান, তুর্কিমেস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং চীনের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
ভূপ্রকৃতি: দেশটির বেশিরভাগ অংশই হিন্দুকুশ পর্বতমালার রুক্ষ ও দুর্গম এলাকা।ঐতিহাসিক গুরুত্ব: অতীতে এটি মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথ (সিল্ক রোড) হিসেবে ব্যবহৃত হতো।ইতিহাস ও রাজনীতিসংঘাতময় অতীত: ১৯ শতক থেকে শুরু করে আধুনিক সময় পর্যন্ত আফগানিস্তান ব্রিটিশ, সোভিয়েত এবং পরবর্তীতে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর অভিযানের সম্মুখীন হয়েছে।
তালেবান শাসন: ২০২১ সালের আগস্টে পশ্চিমা-সমর্থিত সরকারের পতনের পর দেশটিতে তালেবানের শাসন চলছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অনেকের কাছেই দেশটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন।সমাজ ও অর্থনীতিজনসংখ্যা ও সংস্কৃতি: দেশটির জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৮৩ লাখ। এখানে পশতু ও দারি (ফার্সি) প্রধান ভাষা। বহু সংস্কৃতির মিশ্রণে গড়ে ওঠা এই সমাজ মূলত উপজাতীয় কাঠামো এবং ঐতিহ্যবাহী ইসলামিক মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত।অর্থনীতি: আফগানিস্তানের অর্থনীতি মূলত কৃষিনির্ভর। দেশটিতে উচ্চমানের ফল (বিশেষ করে ডালিম), বাদাম ও মসলা উৎপন্ন হয়, যা বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়।মানবিক সংকট: বছরের পর বছর যুদ্ধ এবং রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে দেশটি বর্তমানে গভীর অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।সাহিত্য ও দর্শনে আফগানিস্তানের নাম বিশেষভাবে জড়িয়ে আছে।
আফগানিস্তান - উইকিভ্রমণসতর্কীকরণ: ২০২১ সালের আগস্টে তালেবান আফগানিস্তানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। কাবুল বিমানবন্দর আবার চালু হয়েছে তবে খুব অল্প পরিমাণ বিমান উড্ডয়ন করে । আফগানিস্তান , দক্ষিণ-মধ্য এশিয়ার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত বহুজাতিক ভূমিবেষ্টিত দেশ । দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়াকে ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যের .তালেবান শাসন২০২১ সালের আগস্টে মার্কিন সৈন্য প্রত্যাহারের পর তালেবান দ্বিতীয়বারের মতো আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে এবং
দেশকে 'ইসলামিক আমিরাত অব আফগানিস্তান' হিসেবে ঘোষণা করে. তাদের এই বর্তমান শাসনব্যবস্থা চরম রক্ষণশীল ধর্মীয় নীতিমালা এবং কঠোর সামাজিক বিধিনিষেধের ওপর ভিত্তি করে পরিচালিত হচ্ছে.তালেবান শাসনের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
আইন ও শাসনব্যবস্থা শরিয়া আইনের প্রয়োগ: তালেবান তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যা অনুযায়ী কঠোরভাবে শরিয়া আইন কার্যকর করেছে. বিচারব্যবস্থায় জনসমক্ষে চাবুক মারা বা মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার মতো কঠোর শাস্তি পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে.
একীভূত নেতৃত্ব: কান্দাহারে অবস্থানরত সুপ্রিম লিডার হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদার ডিক্রি বা আদেশের মাধ্যমে পুরো দেশ পরিচালিত হচ্ছে.
নারী অধিকার ও শিক্ষা সংকোচন শিক্ষা ও চাকরিতে নিষেধাজ্ঞা: ষষ্ঠ শ্রেণীর পর মেয়েদের স্কুল এবং উচ্চশিক্ষা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে. নারীদের অধিকাংশ সরকারি-বেসরকারি চাকরি এবং জাতিসংঘ (UN) সংস্থায় কাজ করার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে.
স্বাধীনতায় প্রতিবন্ধকতা: নারীদের ঘরের বাইরে চলাচলের জন্য 'মাহরাম' (পুরুষ অভিভাবক) বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং পার্ক, জিম ও বিউটি পার্লারগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে.
অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয় আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা: বিশ্বের কোনো দেশই এখন পর্যন্ত তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি. ফলে আন্তর্জাতিক তহবিল ও ব্যাংকিং সুবিধা বন্ধ থাকায় দেশটিতে চরম অর্থনৈতিক মন্দা চলছে.মানবিক সংকট: তীব্র খরা, বৈদেশিক সাহায্যের অভাব এবং পাকিস্তান ও ইরান থেকে লাখ লাখ শরণার্থীর জোরপূর্বক প্রত্যাবর্তনের কারণে দেশটির অর্ধেকেরও বেশি মানুষ চরম খাদ্য ও মানবিক সংকটের মুখোমুখি.
নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক রাজনীতি অভ্যন্তরীণ সংঘাত: তালেবান পুরো দেশের নিয়ন্ত্রণ দাবি করলেও জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট খোরাসান (IS-K) এবং ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (NRF) মাঝেমধ্যেই আফগানিস্তানে বড় ধরনের হামলা ও গেরিলা তৎপরতা চালায়.
প্রতিবেশীদের সাথে সম্পর্ক: সীমান্ত বিরোধ এবং জঙ্গি সংগঠন টিটিপি (TTP)-কে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানের সাথে তালেবানের সম্পর্ক বেশ উত্তপ্ত. তবে চীন ও রাশিয়ার মতো শক্তিগুলো আফগানিস্তানে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক যোগাযোগ বজায় রাখছে ।
২০|
১৪ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১০
নাহল তরকারি বলেছেন: 
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: উনি একজন গেরিলা যোদ্ধা অস্ত্র সঙ্গে থাকে
১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৮
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আফগানিস্তানের সাম্প্রতিক আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি কঠোর বিধিনিষেধমূলক সামাজিক নীতির প্রয়োগ,
আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ এবং অভ্যন্তরীণ দমন-পীড়ন দ্বারা চিহ্নিত।
নারী অধিকারের ওপর দমনপীড়ন: পোশাকবিধি অমান্য করার অভিযোগে তালেবান বাহিনীর সহিংসভাবে নারী ও মেয়েদের গ্রেপ্তার করার ঘটনায় জাতিসংঘ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
মানবাধিকার সংস্থাগুলো নতুন অধ্যাদেশগুলোরও নিন্দা জানিয়েছে, যা কার্যকরভাবে বাল্যবিবাহকে সক্ষম করে এবং পুরুষদেরকে তাদের স্ত্রীদের মারধর করার অনুমতি দেয়।
সরকারি নিষেধাজ্ঞা: সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা সরকারি কর্মচারীদের স্মার্টফোন ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে একটি মৌখিক আদেশ দিয়েছেন এবং লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে সামরিক আদালতে মামলা করার হুমকি দিয়েছেন।
আঞ্চলিক উত্তেজনা: সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সন্ত্রাসী জঙ্গিদের অনুপ্রবেশকে কেন্দ্র করে প্রাণঘাতী আন্তঃসীমান্ত হামলা ও সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা আফগান-পাকিস্তানি সীমান্তে স্থায়ী শান্তির আহ্বান জানিয়েছেন।
২১|
১৫ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫
রাজীব নুর বলেছেন: পোষ্টে আবার এলাম, কে কি মন্তব্য করেছেন, সেটা জানতে।
©somewhere in net ltd.
১|
১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: কোন বিষয়ে সবা্র একমত হতে হবে তা বিন্তু না, তবে
আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক কাজ পরিহার করা। (জামে তিরমিজি, হাদিস : ২৩১৭)