নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর ॥

অর্ক

...

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

টানা পানি পানের রেকর্ড

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১১



আমি একবার দুদক ক্যান্টিনে টানা পঁচিশ গ্লাস পানি খেয়েছিলাম। দশ বারো বছর আগের কথা। গ্লাস বয় এক পিচ্চি সার্ভিস দিয়েছিলো। ওর সাথে অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক ছিলো। মাঝেমাঝেই যেতাম। খুব খুশি হয়েছিলো। সবাইকে জানিয়েছিলো ব্যাপারটা। পঁচিশ গ্লাস পানি টানা খেয়েছে! আশেপাশের লোকজন বেশ ঘাবড়ে গিয়েছিলো। রাজ্যের বিস্ময় নিয়ে দেখছিলো আমাকে। ওকে আনন্দ দেবার জন্যই মূলত এ কাজ করা। এক গ্লাস দু’গ্লাস খেতেখেতে এক পর্যায়ে পঁচিশ গ্লাস। আমি খেলোয়াড়। লাইটহেভিওয়েট রেসলার। রানার। বাংলাদেশের স্কিপিং রেকর্ড হোল্ডার। অনেকের ভুল ধারণা আছে যে, আমার নাম গিনেস বুক অভ দ্যা ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে আছে। আসলে আমি না, বাংলাদেশের আরেকজন স্কিপিংয়ের আরেক ফর্মে কিছু করে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছে। আমি ন্যাশনাল রেকর্ড হোল্ডার। আমার পিবি টানা আড়াই ঘন্টা। যাই হোক ঘটনাটা দারুণ আনন্দ দিয়েছিলো। গ্লাসবয় পিচ্চির সাথে সে ঘটনার কয়েক বছর পর আবার সেখানে এক দীর্ঘ বিরতির পর দেখা হয়েছিলো। তখন ওর উচ্চতা অনেক বেড়ে গেছে এবং কৈশোরে পদার্পণ করেছে। আমাকে দেখেই চিনতে পেরেছিলো। পঁচিশ গ্লাস পানি খেয়েছিলেন আমাদের হেটেলে। হে হে হে। আমিও খুব খুশি হয়েছিলাম। হোটেলের অন্যান্য স্টাফরাও ব্যাপারটা জানে। দারুণ আনন্দের স্মৃতি হয়ে আছে ঘটনাটা। থাকবেও সবসময়। আবার কখনও ওরকম পরিবেশ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ইচ্ছে আছে এবার ত্রিশ গ্লাস খেয়ে আগের রেকর্ড ভাঙার। সহজ হবে না মোটেও জানি। বয়স হয়ে যাচ্ছে। তারপরও নিশ্চিতভাবেই আশাবাদী। দেখি।

মন্তব্য ৬ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:২৭

শায়মা বলেছেন: পানির সাথে একটু শরবৎ দিলে আরও বেশি খেতে পারতে মনে হয় ভাইয়া! :)

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৮

অর্ক বলেছেন: শরবত তো ফ্রী না আপু! ক্যাশে লোকটা মুখ কালো ছাই করেছিলো জেনে। ফিল্টার পানি ওদের কিনতে হতো। একজন ওয়েটার বলেওছিলো পানি কিনতে হয়। একসাথে অতো পানি খেলে লস হয়। আপনি কতো গ্লাস খেতে পারবেন টানা? খেলাধুলা করলে খাবার, পানি একটু বেশিই লাগে। স্বাভাবিক।
ধন্যবাদ।

২| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৩৮

অপলক বলেছেন:

মনে হয় মিনি সাইজ গ্লাস ছিল। আমি ভার্সিটি লাইফে দুই লিটারের এক বোতল পানি খেয়েছিলাম একবারে । তারপর বমি বমি ভাব লাগছিল। যাই হোক আপনার স্মৃতিকথা জেনে ভাল লাগলো।

আমার খাবার একটা রেকর্ড আছে ছোটখাটো। বন্ধুদের সাথে চ্যালেন্জ করে একবার সাড়ে ৮ প্লেট সাদা ভাত, ২ বোল ডাল, ২ বোল গোশত আর ১ বোল সালাদ খেয়েছিলাম। তার কিছু পরে ১ কেজি দই আর এক গ্লাস বোরহানি। আহা! দিনগুলো কত সুন্দর ছিল। =p~

আর এখন হাফ প্লেট ভাত, কিছু সবজি আর সালাদ খেয়ে দিন পার করতে হয়। রোগে ধরেছে তাই... :((

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪০

অর্ক বলেছেন: ২০০ মিলির কাঁচের গ্লাস, যেমন থাকে হোটেলে। সাথে রুটি সবজি খেয়েছিলাম। লম্বা সময় কার্ডিয়ো এক্সারসাইজ (রানিং, স্কিপিং, সাইক্লিং ইত্যাদি) করলে প্রচুর পানি খাওয়া যায়। হঠাৎ করে কোনওকিছু করবেন না। আমি অভ্যস্ত ছিলাম। গুলশান ইযুথ ক্লাবে রাতে দৌড়ে শাহজাদপুরে হোটেলে নিয়মিত গড়ে ১০-১২ গ্লাস পানি পান করতাম রুটি সবজির সাথে। হোটেলের বয় পানি সাজাতো। আরেক খদ্দের একবার বিরক্ত হয়ে বলেছিলো, এতো পানি সাজাচ্ছো কেন। গ্লাস বয় বলেছিলো, উনি ব্যায়াম করে আসছে। পানি লাগে।

বাপরে বাপ, অনেক খেয়েছেন! বোরহানি হজমে সাহায্য করেছে। রেসলিং ক্যাম্পের ছোটো বাচ্চারাও প্রতিদিন দুপুর রাতে এরকম খায়। কারণ দৈনিক দুই শিফটে সাত-আট ঘন্টা এক্সারসাইজ করে তারা। স্বাভাবিকভাবেই প্রচুর খেতে হয়। আমিই সেখানে সবচেয়ে কম খেতাম। অথচ এই আমারই একবার ভাত ডাল আনলিমিটেড হোটেলে ভাত খাওয়ার পর আরেক পিচ্চি ওয়েটার বলেছিলো, আপনার পেটে প্রুচুর খিদা। হে হে হে। ওকে নিয়েও এরকম লেখা যেতে পারে।

জেনে খারাপ লাগলো। অবশ্যই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করবেন। খাওয়া, ঘুম, এক্সারসাইজ সব আছে এর মধ্যে। অনেক ধন্যবাদ। শুভকামনা থাকলো ভাই। দীর্ঘ সুখী সুন্দর জীবনের কামনা।

৩| ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮

অধীতি বলেছেন: সারাদিনেও তো ২০ গ্লাস খাইনা। ফিল্টার পানি ২৫ গ্লাসে ওদের লস হবারই কথা। জীবনে কিছু খুচরো স্মৃতি থাকে; মনে পড়লে অনেক আনন্দ দেয়।

১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৪৪

অর্ক বলেছেন: ১০ থেকে ১২ গ্লাস পানি পান দৈনিক যথেষ্ট। কার্ডিয়ো এক্সারসাইজ (রানিং, স্কিপিং, সাইক্লিং ইত্যাদি) করলে বেশি পানি লাগবে স্বাভাবিকভাবেই। কিসের লস! দুদক ক্যান্টিনই দুনম্বরি, দূর্নীতির আখড়া। হে হে হে। নিঃসন্দেহে এইসব নিজের বিশেষ কৃতিত্বের স্মৃতি অত্যন্ত আনন্দদায়ক। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.