| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
বাংলার চিঠি
বাংলাদেশের আমজনতা পরিষদ (বাপ) নিয়ে কাজ করা। সাধারণ মানুষের সেবায় এই বাংলার চিঠি।
যখন কোনো মানুষ অপর কোনো নিরাপরাধ মানুষকে হত্যা করল, সে যেন সমস্ত মানবজাতিকে হত্যা করল। - আল কোরআন।
নবী করিম (সাঃ) তিনবার আল্লাহর কসম কেটে বলেছেন, ঐ ব্যক্তি মুসলমান নয় যার হাত, চোখ ও জবান হতে তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয়।
তিনি (সাঃ) আবারো কসম কেটে বলেছেন, ঐ ব্যক্তি আমার উম্মত নয় যে খারাপ বা অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করেনা এবং প্রতিবেশীর বিপদে মুখ ঘুরিয়ে রাখে।
হে মুসলমানগন তোমদের হয়েছেটা কি? তোমরা কি ভুলে গেছে নবীজী (সাঃ) আমাদের কি শিক্ষা দিয়েছেন? তাঁর(সাঃ) বিদায় হজ্জের ভাষণ স্,রণ কর। শুধু দাড়ি আর টুপি থাকলেই মুসলমান হওয়া যাবে না। নবীজী (সাঃ) এর বক্তব্যে তা পরিস্কার উল্লেখ রয়েছে।
পবিত্র কোরআন ও সহিহ হাদিস কে আঁকড়ে ধর। ধর্ম নিয়ে বারাবারি করনা। বিদায় হজ্জ্বে বলা নবীজী(সাঃ)এর এই নির্দেশ কি তোমরা মানছো? বুকে হাত দিয়ে বলতো - তোমরা যারা দাঁড়ি রেখে নবীজী(সাঃ) এর সুন্নত পালন করছো, তারা কি নবীজী(সাঃ) প্রথমেই মুসলমান হতে হলে বিশ্বাষী ও সত্যবাদী হবার যে শর্ত দিয়েছেন তা হয়েছো? নবীজী (সাঃ) কিশোর বয়সে তার যখন দাঁড়িটাও গজায়নি, তখনই তিনি(সাঃ) আলআমীন উপাধীতে ভূষিত হয়েছেন। ঐ বয়সে তিনি হিলফুল ফুজল নামের সংগঠন করে অসহায় মানুষের পাশে সেবা হাত প্রশস্ত করেছেন। আমরা কেউ কি তা করছি। না করেছি কখনো।
একজন মুসলমান কখনো মিথ্যা বলবেনা, কাউকে ঠকাবেনা, নিজের ইচ্ছে অনিচ্ছে বলে তার কিছুই থাকবেনা, নিজেকে সে সর্ব শক্তিমান আল্লাহর ইচ্ছায় চালিত করবেন। নবীজীকে ভালবাসবেন নিজের বাবা মায়ের চেয়েও বড় করে। তারমানে কি নবীজী(সাঃ) এর নামে কেউ কিছু মন্তব্য করলেই তাকে মেরে ফেলতে হবে? নাকি তার দেয়া শিক্ষা তার আদেশ অক্ষরে অক্ষরে মান্য করতে হবে? কোেোটা বলুন। অবশ্যই নবীজী(সাঃ) যে নির্দেশ দিয়েছেন তা অক্ষরে অক্ষরে মান্য করতে হবে। পবিত্র কোরআন আমাদের পথনির্দেশক। পবিত্র কোরআনকে ভারোভাবে বুঝতে হবে। যারা আরবী পড়তে জানিনা বা আরবী জানলেও বিুঝিনা, তারা পবিত্র কোরআনের বাংলা তরজমা পড়ুন। নবীজী(সাঃ) এর জীবনী পড়ুন, তাঁর(সাঃ) এর জীবনী আমাদের পথ নির্দেশ দেবে। পবিত্র কোরআনকে বুঝতে সাহায্য করবে।
একজন ভালো ও জ্ঞানী মানুষই হতে পারেন একজন প্রকৃত মুসলমান। তিনি অবশ্যই সত্যবাদী, অন্যায়ের প্রতিবাদী ও সেবাদানকারী হবেন। এটাই ইসলামের প্রকৃতদ শিক্ষা। নবী করিম (সাঃ) এর বিদায় হজ্জের নির্দেশনা আমাদের সমস্ত সংকট থেকে মুক্ত রাখবে ইনশাআল্লাহ।
২|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৩৩
কাল্পনিক_ভালোবাসা বলেছেন: এই পোষ্ট নন মুসলিমরা পড়লে সমস্যা কি?
৩|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৭
ভাঙ্গা হৃদয় বলেছেন: # ইমাম আবু হানিফা (রঃ) এর মাযহাব:
আল্লামা খাইরুদ্দীন রামালী (রঃ) ফতোয়ায়ে বাযযাযিয়ায় লিখেছেন,
"রাসূলের কটূক্তিকারীদের সর্বাবস্থায় হত্যা করা জরুরী। তার তওবা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। চাই সে গ্রেফতারের পরে তওবা করুক বা নিজ থেকেই তওবা করুক। কারণ এমন ব্যক্তির তওবার কোনো পরোয়াই করা যায় না এবং এই মাস'আলায় কোনো মুসলমানের মতভেদ কল্পনাও করা যায় না। এটিই ইমামে আযম আবু হানিফা (রঃ), আহলে কুফী ও ইমাম মালেক (রঃ) এর মাযহাব।" (তাম্বিহুল উলাতি ওয়াল হুক্কাম, পৃষ্ঠা ৩২৮)
আল্লাম শামী (রঃ) তাঁর ফতোয়ায়ে শামীতে উল্লেখ করেন,
"সকল উলামায়ে কেরাম এ বিষয়ে একমত যে, রাসূলের কটূক্তিকারীকে হত্যা করা ওয়াজিব। ইমাম মালেক (রঃ), ইমাম আবুল লাইস (রঃ), ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল (রঃ), ইমাম ইসহাক (রঃ), ইমাম শাফেঈ (রঃ), এমনকি হযরত আবু বকর সিদ্দীক (রাঃ) সহ সকলের মতেই রাসূলের কটূক্তিকারীর তওবা কবুল করা হবে না।"
ফিকহে হানাফির অন্যতম বড় ফকীহ ইমাম ইবনে হুমাম (রঃ) বলেন,
"রাসূল (সাঃ) এর প্রতি বিদ্বেষপোষণকারী ব্যক্তি মুরতাদ হয়ে যায়। সুতরাং যে কটূক্তিকারী, সে তো আরো আগেই মুরতাদ হয়ে যাবে। আমাদের মতে, এমন ব্যক্তিকে হদ হিসেবে হত্যা করা জরুরী। তওবা গ্রহণ করে তার হত্যা মাফ করা যাবে না।" (ফাতহুল কাদীর, চতুর্থ খন্ড, পৃষ্ঠা ৪০৭)
# ইমাম মালেক (রঃ) এর মাযহাব:
ইমাম মালেক (রঃ) একাধিকবার বলেছিলেন, "রাসূলের কটূক্তিকারীর শুধু গর্দানই উড়িয়ে দেওয়া নয়, তার লাশও যেন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়।"
ইবনে কাসেম (রঃ) ইমাম মালেক (রঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, "যে রাসূল (সাঃ) কে গালি দিবে, বদনাম করবে, দোষ-ত্রুটি বের করবে, তাকে হত্যা করা হবে, চাই সে কাফের হোক বা মুসলমান, তার কাছে তওবা তলব করা হবে না।" (আস সারিমুল মাসলুল 'আলা শাতিমির রাসূল)
ইবনে কাসেম (রঃ) বলেন যে, ইমাম মালেক বলেছেন, "শাতিমির রাসূল তথা রাসূল (সাঃ) এর কটূক্তিকারীর গর্দান উড়িয়ে দিতে হবে।" ইবনে কাসেম (রঃ) ইমাম মালেক (রঃ) কে জিজ্ঞেস করেন, "আপনার অনুমতি চাই যাতে মৃত্যুর পর তার লাশও জ্বালিয়ে দিয়া হয়। এই কথা শুনে তিনি বললেন, অবশ্যই রাসূলের (সা) কটূক্তিকারী এই শাস্তিরই উপযুক্ত।" (কিতাব আশ শিফা বিত-তারিফি হুকুকুল মুস্তাফা, খন্ড-২)
# ইমাম শাফেঈ(রঃ) এর মাযহাব:
ইমাম খাত্তাবী (রঃ) বলেন, "আমার জানা মতে, কোনো একজন মুসলমানও রাসূলের কটূক্তিকারীদের হত্যা ওয়াজিব হওয়ার ব্যাপারে দ্বিমত করেননি।" (ফাতহুল কাদীর, আস সারিমুল মাসলুল, ফাতহুল বারী)
ইসহাক ইবনে রাহবিয়াহ (রঃ) বলেন, "এ বিষয়ের উপর মুসলমানদের ইজমা সংঘটিত হয়েছে যে, যে ব্যক্তি আল্লাহ্ অথবা রাসূল(সাঃ) কে গালি দিবে কিংবা আল্লাহ্র নাযিলকৃত কোনো হুকুমকে প্রত্যাখ্যান করবে সে কাফের হয়ে যাবে। যদিও সে আল্লাহ্র সকল বিধি-বিধান মানুক না কেন।" (আস সারিমুল মাসলুল)
# ইমাম আহমদ ইবনে হাম্বাল (রঃ) এর মাযহাব:
শাইখুল ইসলাম ইমাম আহমদ (রঃ) বলেন, "আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলের প্রতি গালির ইঙ্গিত করাও ইরতেদাদের শামিল, যা হত্যাকে অবধারিত করে।"
তিনি আরো বলেন, "চাই সে কাফের হোক বা মুসলিম, রাসূলের কটূক্তিকারীদের হত্যা করতে হবে। আমার মতে তাদের হত্যা করতে হবে এবং তার তওবা কবুল হবে না।" (আস সারিমুল মাসলুল 'আলা শাতিমির রাসূল)
# শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রঃ) এর মত:
শাইখুল ইসলাম ইবনে তাইমিয়্যাহ (রঃ) বলেন, "কোনো মুসলিম যদি নবীকে গালি দেয়, তাহলে সে কাফের ও মুরতাদ হয়ে যায়। এই বিষয়ে সবাই একমত যে, কোনো নবীকে গালি দিলেই সে কাফের এবং তাকে হত্যা করা জায়েয হয়ে যায়।" (আস সারিমুল মাসলুল 'আলা শাতিমির রাসূল)
৪|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:২৮
সামুরাই_কাতানা বলেছেন: বাকস্বাধীনতার নামে ইসলামকে হেয় করবে আর মুসলমান চুপ থাকবে , কতক্ষন চুপ থাকবে? কতদিন চুপ থাকার পর এর প্রোটেস্ট করা যাবে , বলবেন কি? আমি শুধু জানি আপনি যা দিবেন তার বিনিময়ে আপনি তাই পাবেন। আপনি সম্মান করবেন তার বিনিময়ে আপনি সম্মান পাবেন, আর আপনি মানুষকে কষ্ট দিবেন তার বিনিময়ে আপনি কস্ট পাবেন।
৫|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ সন্ধ্যা ৭:০৪
টয়ম্যান বলেছেন: তিনি অবশ্যই সত্যবাদী, অন্যায়ের প্রতিবাদী ও সেবাদানকারী হবেন। এটাই ইসলামের প্রকৃতদ শিক্ষা।
অন্যায়ের প্রতিবাদী
ভাইডি আপনি মনে হয় বিদেশ থাকেন । এই জন্যই নতশিরে এইরাম এখখান লেখা লেখছেন । আপ্নেরে বস্তা ভরা ধইন্যাপাতা
৬|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১০:১৬
ডেড আকাশ বলেছেন: ঠিক
৭|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৪৩
বাংলার চিঠি বলেছেন: ইমাম আবু হানিফা (রঃ), ইবনে কাসেম (রঃ) ইমাম মালেক (রঃ) প্রমূখ সম্মানীত জনেরা প্রকৃত মুসলমান ছিলেন, তাঁরা নবীজীর প্রতিটি নির্দেশনা অক্সরে অক্ষরে মেনে চরতেন, তাই তারাই শুধু এ কথা বলতে পারেন।
আপনি, আমিও এটা মানতে পারি-যদি নিজেকে প্রকৃত মুসলমান বলতে পারি। তা কি আসলে পারি?
তাই আগে আসুন নিজের চরিত্রকে পবিত্র করি, সত্যিকারের মুসলমান হতে চেষ্টা করি।
৮|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৪:৫৬
শাহরীয়ার সুজন বলেছেন: শার্লী হেবদো যে কাজটা করছে সেটা কী ভালো করছে? আপনি তো একবারো তাদের নিন্দা করলেন না। উল্টা মুসলামদের উপদেশ খয়রাত করছেন। ভালোই পারেন!
৯|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:০৮
বাংলার চিঠি বলেছেন: ভাই শাহরীয়ার সুজন, আপনি কি নবীজীর মিষ্টি খাওয়ার গল্পটি ভুলে গেলেন? নিজেকে ঠিক না করে আপনি অপরের নিন্দা কি করে করবেন?
শার্লী হেবদো, বা রুশদিকে সুযোগটাতো আমরাই দিয়েছি। আল্লাহ আর পবিত্র কোরআন যখন একটা তখন আমাদের মধ্যে কেন এতো বিভাজন বলতে পারেন?
নিজেকে সত্যিকারের মুসলমান বানাতে পারলেই দেখবেন সব সমস্যার সমাদান আল্লাহর তরফ থেকেই হয়ে যাবে।
১০|
১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:২৮
আহলান বলেছেন: সুন্দর কথা বলেছেন ..... আমাদের এমন মুসলমানই হওয়া উচিৎ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জানুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:২৮
জাহিদ জুয়েল বলেছেন: একজন ভালো ও জ্ঞানী মানুষই হতে পারেন একজন প্রকৃত মুসলমান। তিনি অবশ্যই সত্যবাদী, অন্যায়ের প্রতিবাদী ও সেবাদানকারী হবেন। এটাই ইসলামের প্রকৃতদ শিক্ষা। নবী করিম (সাঃ) এর বিদায় হজ্জের নির্দেশনা আমাদের সমস্ত সংকট থেকে মুক্ত রাখবে ইনশাআল্লাহ
নাম মাত্র মুসলমান হয়ে কি লাভ অন্তরে যদি কিছু না থাকে!!!!!!!!!!!!!
আল্লাহ আমাদের হেদায়ত দাও। আমীন