নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাংলার চিঠি.। এই বাংলার প্রতিটি মানুষের মনের কথা বলে

বাংলাদেশের আমজনতা পরিষদ (বাপ) নিয়ে কাজ করা। সাধারণ মানুষের সেবায় এই বাংলার চিঠি।

বাংলার চিঠি

বাংলাদেশের আমজনতা পরিষদ (বাপ) নিয়ে কাজ করা। সাধারণ মানুষের সেবায় এই বাংলার চিঠি।

বাংলার চিঠি › বিস্তারিত পোস্টঃ

চারদিনের সাহিত্য সম্মেলন ও অমর একুশের বইমেলা

০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৪৩



এবারই প্রথম চারদিনের সাহিত্য সম্মেলনের আয়োজন নিয়ে শুরু হলো বাংলা একাডেমির মাসব্যাপী অমর একুশে বইমেলা ২০১৫। ১লা ফেব্রুয়ারি, রবিবার বিকেল চারটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বইমেলা ও সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন করলেন। ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী পর্বের বিশেষ অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান, শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন সংস্কৃতি সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাস। সংক্ষিপ্ত আলোচনা বা শুভেচ্ছা জ্ঞাপনে অংশগ্রহণ করেন দেশ বিদেশের খ্যাতনামা সাহিত্যকর্মীগণ।সবশেষে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে বাংলা একাডেমি ঘোষিত সাহিত্য পদক গ্রহণ করেন সৌভাগ্যবান ৭ জন সাহিত্যকর্মী।

বাংলা একাডেমির পথচলার ষাট বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আন্তর্জাতিক এই সাহিত্য সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন, ভারত, ফ্রান্স, জার্মানী, সুইডেন,বেলজিয়াম, ডেনমার্ক, মালয়েশিয়া ও ইকুয়েডরসহ মোট ১২ টি দেশের ৪৮জন খ্যাতনামা কবি, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার ও সাহিত্য সমালোচক অংশগ্রহণ করছেন। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সমরেশ মজুমদার ছাড়াও তাদের মধ্যে রয়েছেন ফ্রাঁন্স ভট্টাচার্য, হান্স হার্ডার, ফাদার দ্যুতিয়েন, মারিয়া বারেরা হেলেনা প্রমূখ।

১ লা ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী বইমেলা ও সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধন করার পর এ দিন কোনো আনুষ্ঠানিক আরোচনা রাখা হয়নি। তবে ২ ফেব্ররুয়ারি সকার ১০টা থেকে সাহিত্য সম্মেলনের প্রথমপর্বে ধারণাপত্র পাঠ করবেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। এ পর্বে আলোচক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, সমরেশ মজুমদার ও রাহাত খান। ২য় অধিবেশন শুরু হবে বিকাল তিনটায়। কথাসাহিত্য বিষয়ে প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম। এ পর্বের আলোচক হাসান আজিজুল হক, সেলিনা হোসেন, কাজী আনিস আহমেদ, আনিসুল হক, পুরবী বসু, আনোয়ারা সৈয়দ হক, ইমদাদুল হক মিলন প্রমূখ।



৩ ফেব্রুয়ারি কবিতা বিষয়ক অধিবেশনে প্রবন্ধ পাঠ করবেন কবি মুহাম্মদ নুরুল হুদা এবং ৪ ফেব্রুয়ারি সমাপনী দিবসে নাটক বিষয়ক প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন নাট্যজন আইটিআই সভাপতি রামেন্দু মজুমদার।

বইমেলাকে ঘীরে এবারই প্রথম সাহিত্য বাজারের দেখানো পথে হাটলেন বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ। ২০১২ এ ঢাকার শাহাবাগস্থ পাবরিক লাইব্রেরীর আঙ্গীনায় ৫ দিনের সাহিত্য সম্মেলন ও বইমেলার আয়োজন করেছিল সাহিত্য বাজার। নাট্যজন নাসিরউদ্দিন ইউসুফ, সারা যাকের এবং বাংলা একাডেমির পরিচালক শাহিদা খাতুন ৫ দিনের ঐ সাহিত্য সম্মেলনের উদ্বোধনে অংশ নেন। ৫দিনের ৫টি বষিয়ে আরোচনা পর্বে অংশ নেন দেশের খ্যাতনামা কবি, সাহিত্যিক, আবৃত্তিকার ও নাট্যজনেরা। কারণ সাহিত্যপত্রিকার ভূমিকা, কবিতা, গল্প, আবৃত্তি ও নাটক নিয়ে পৃথক পৃথক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়েছিল সাহিত্য বাজরের ঐ ৫দিনের সাহিত্য সম্মেলনে।যা দেশেই শুধু নয় ভারতেও আলোচনার বিষয় হয়েছিল। কেননা অতি দরিদ্র একটি পত্রিকা নিজ খরচে যা করে দেখালো তা বাংলাদেমের জাতীয় কোনো সংগঠন বা সংস্থা কখনো করতে পারেনি।

সম্প্রতী সাহিত্য বাজার তিনদিনের সাহিত্য সম্মেলন করে এলো ময়মনসিংহ শহরের শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গনে। সেখানেও কবিতা, গল্প ও নাটক বিষয়ের প্রবন্ধ আলোচনায় স্থান পায় এবং আলোচক ছিলেন ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চিটাগাং এর সাহিত্যকর্মীরা। ২৪. ২৫ ও ২৬ এপ্রিল ২০১৪ এ অনুষ্ঠিত সাহিত্য বাজার সাহিত্য সম্মেলন ও বইমেলা থেকে ময়মনসিংহ ঘোষণা নামে কয়েকটি দাবিনামা পাঠ করা হয়, যেখানে ময়মনসিংহ ও বরিশালে শান্তি নিকেতনের আদলে কবি নজরুল ও জীবনানন্দ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও সরকারিভাবে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলন ও বইমেলা আয়োজনের দাবি করা হয়। যা পরবর্তিতে মাননীয় সাংস্কৃতিক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এবং সংস্কৃতিক মন্ত্রণালযের সচিব ড. রণজিৎ কুমার বিশ্বাসের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক বাজার নামকরণ পছন্দ করেননি, যে কারনে তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে সাহিত্য বাজারকে বইমেলায় স্টল বরাদ্ধ দেন না। তবুও সাহিত্য বাজারের দেখানো পথে হেঁটে তিনি প্রমাণ করলেন, সাহিত্য বাজার নাম পছন্দ না হলেও সাহিত্য বাজারের কাজকে তিনিও ভালোবাসেন। তাই আমাদের অশেষ কৃতজ্ঞতা মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের এই আযোজনের প্রতি। এভাবেই বাংলা একাডেমি সবসময় অমর একুশে বইমেলার সাথে যুক্ত করে আন্তর্জাতিক সাহিত্য সম্মেলনের আয়োজন ঘটাবে এবং আমাদের সাহিত্যকে সম্মৃদ্ধ করবে এটাই আমাদের প্রত্যাশা।



এবার মেলার কথা

মিডিয়া ক্যাটাগরিতে ২০টি, লিটেলম্যাগ চত্বরে ৭২টি ছাড়া মোট ৫৬৫টি ইউনিট দুই অংশে বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে। বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গনে মোট ১২৮টি এবং সহোরাওয়ার্দি উদ্যানে ৪৩৭টি ইউনিট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। মেলার সময় প্রতিদিন বেলা তিনটা থেকে ধার্য হলেও বন্ধের দিনে সকাল আটটা থেকে মেলা চলবে রাত ৮টা পর্যন্ত।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৫:৫৭

খেলাঘর বলেছেন:


একুশের বেশীর ভাগ বই নিজের পয়সায় ছাপায়ে ওখানে নীচু মানের বই নিয়ে আসে, পড়ার মতো না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.