| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এস.এম. ইসতিয়াক আহমেদ
নিজের সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছু নাই। আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ। মাঝে মাঝে একটু লেখালেখি করি। অতটা ভালো করে লেখার যোগ্যতা এখনো অর্জন করি নাই। তবুও যতটুকু পারি ততটুকু সবার সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি।
হৃত্পিণ্ডের স্পন্দনগুলো ক্রমশঃ ধীর বেগে চলিতেছে। রক্তের গতি যেন স্বাভাবিক উত্তপ্ত থেকে শীতল হয়ে যাইতেছে। তুষারপাতের সময় পানি কণাগুলো যেমনটি বাধ্য হয় বরফে পরিণত হতে তেমনি রক্তবিন্দুগুলো হৃত্পিণ্ডের ভিতরে চতুর্দিকে পুঞ্জীভূত হতে শুরু করেছে। তার কারবার থেকে তাকে আটকে রাখার জগৎ সংসারে কারও সাধ্যি নাই। চোখের দৃষ্টিশক্তি দূরের আলোকে ঝাপসা করার জন্য যেন উঠেপড়ে লেগেছে। খুব ইচ্ছা করছে আরেকবার ভালো করে পৃথিবীর রঙিন ফিল্মে বাধানো স্রষ্টার অফুরন্ত দয়ায় সৃষ্ট সৃষ্টিকে দেখতে। শরীরের প্রত্যেকটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেন অসার হয়ে পড়িতেছে। জগতের এত কিছুর অঢেল ক্ষমতা তার পিছনে প্রয়োগ করেও তাকে বেঁধে রাখার সাধ্য নাই। হৃত্পিণ্ডের প্রতি রক্তের যে তুষারের মত আচরণ এটা সয্য করা বড়ই বেদনাদায়ক। রক্ত যেন হৃত্পিণ্ডের সাথে তার এতদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করবে। শরীরের শিরা - উপশিরাগুলি বাশ দিয়ে যত্ন সহকারে তৈরী করা চটার মত শটাং হয়ে যাইতেছে। আর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মনে হচ্ছে মুগুরের বাড়ি পড়বে। হয়তোবা এখুনি তাহার ছুটি হয়ে যাবে।
....................
.........
©somewhere in net ltd.