| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এস.এম. ইসতিয়াক আহমেদ
নিজের সম্পর্কে বলার মত তেমন কিছু নাই। আমি খুবই সাধারণ একজন মানুষ। মাঝে মাঝে একটু লেখালেখি করি। অতটা ভালো করে লেখার যোগ্যতা এখনো অর্জন করি নাই। তবুও যতটুকু পারি ততটুকু সবার সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করি।
সেদিন বিকালে ডিপার্টমেন্টের সামনে দিয়ে হলের দিকে হেঁটে যাবার সময় হঠাৎ করেই পুকুরের দিকে তাকালাম। আমাদের ফুজলুল হক হলের গেট থেকে বেড়িয়ে, এ পাশের পুকুরের পাড়ে একটি পলাশ ফুলের গাছ আছে। আমি যখন তাকিয়ে ছিলাম তখন গাছটি থেকে একটি পাতা তার সকল যৌবনতা হারিয়ে নির্জীবতার ছোঁয়ায় পুকুরে পানিতে পড়লো। অনেক আগে থেকেই হয়তোবা গাছের ডালটি জানান দিচ্ছিল তোমার ডালের থাকার সময় তোমার শেষ হয়েছে। আর এখানে থাকার তোমার কোন অধিকার নেই। যে জায়গাতে সে এতদিন ধরে আছে সেই জায়গাতেই আজ তার কোনো অধিকার নাই। নতুনকে স্থান করে দেওয়ার জন্য হলেও তোমার নিজের ঝড়ে যাওয়ার মাধ্যমে অন্যকে সুযোগ করে দিতে হবে। পড়ন্ত বিকালের অস্তগামী সূর্যকে সাক্ষী রেখে পাতাটি তার সমগ্র যৌবন বিসর্জন দিলো। পাতাটি পানিতে পড়ে যে তরঙ্গের সৃষ্টি করেছিল তা যেন তার দুনয়নের বারি ঝড়ে পানির সাথে একাকার হয়ে মিশে গেল। পানিতে পড়ে পাতাটি তার দুঃখটা যত তাড়াতাড়ি ঘোঁচাতে পেরেছে ঠিক ঐ পাতাটি যদি ডাঙায় মাটিতে পড়তো তাহলে একসময় উত্তপ্ত রোদে তার তনু জ্বলে যেতো। শুকিয়ে মুচড়ে যেত।
পৃথিবীতে সৃষ্ট সকল সৃষ্টিই তাদের সময় শেষ হলে তাকে ঝড়ে যেতে হবেই আশেপাশের সবকিছুকে ছেড়ে। হয়তোবা কেউ যাবার সময় তার নিজের নয়নের নোনা পানি ঝরাবে আবার কেউ অন্যের চোখের নোনা পানি ঝরিয়ে যাবে মনের অগোচরেই ও অনেকের দৃষ্টির অন্তরালে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের কবিতাটি মনে পড়ে গেল।
এসেছে নতুন শিশু
ছেড়ে দিতে হবে স্থান;
জীর্ণ পৃথিবীতে ব্যার্থ,মৃত আর ধ্বংসস্তূপ পিঠে।
চলে যেতে হবে আমাদের।
জগতের নিয়মগুলো
বড় কঠিন ও নিষ্ঠুর। কিন্তু কিছু নিয়ম তো নির্দিষ্ট তাকে এড়িয়ে যাবার কারও সাধ্য নেই।
২|
২৯ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১১:২৬
এস.এম. ইসতিয়াক আহমেদ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া।
©somewhere in net ltd.
১|
২৮ শে মার্চ, ২০১৬ ভোর ৬:৫১
বিজন রয় বলেছেন: ভাল লাগল।
+++